Home মূল কাগজ ইন্টেরিয়ার আলোকসজ্জায় অন্দরমহল

আলোকসজ্জায় অন্দরমহল

কারিকা ডেক্স


অফিস কিংবা ঘরের অন্দর সাজসজ্জা নিয়ে বরাবরই আলোচনা চলে খাবার টেবিল থেকে ড্রইংরুমেও। গৃহশৈলীর নিত্যনতুন সামগ্রী সাধ আর সাধ্যের মধ্যে রেখে বসবাসের ঘরটি আকর্ষণীয় করে তুলতে চায় সবাই। এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখে আলোকসজ্জা। জেনে নিন লাইট ব্যবহারে কিছু প্রয়োজনীয় বি

১. ঝাড়বাতির জন্য চাই বড় আয়তনের বসার ঘর। কারণ বড় বসার ঘরে ইচ্ছেমতো ঝাড়বাতি স্থাপন করা যায়। অন্যদিকে ছোট বাসার ঘরে ঝাড়বাতি বেমানান লাগে।
২. মাঝারি ধরনের বসার ঘরের জন্য সিলিং ছোট আকারের লাগোয়া ঝাড়বাতি বেছে নিতে পারেন। এক্ষেত্রে ফুলের নকশা বা চার কোণাকৃতির ঝাড়বাতি ভালো মানায়।
৩. ঘরের ইন্টেরিয়র পরিকল্পনার শুরুতেই লাইটিং প্ল্যান করে নেয়া ভালো। অন্দরসজ্জায় তিন ধরনের বাতির ব্যবহার হয়। জেনারেল, টাস্ক এবং একসেন্ট লাইটিং। আপনি পছন্দমতো এবং ইন্টেরিয়র ডিজাইনারের সঙ্গে আলোচনা করে পরিকল্পনামাফিক ব্যবহার করলে অতি সহজেই ঘরে জমকালো আমেজ এনে দেবে।
৪. ঘরের প্রতিটি অংশে পর্যাপ্ত আলো পৌঁছে দিতে জেনারেল লাইট ব্যবহার করা হয়। সিলিং লাইট, টেবিল এবং ফ্লোর ল্যাম্প, আপ অ্যান্ড ডাউন ওয়াল লাইট ইত্যাদি জেনারেল লাইটিংয়ের মধ্যে পড়ে।
৫. জরুরি কাজের জায়গাগুলো আলোকিত করার জন্য টাস্ক লাইট ব্যবহার করা হয়। যেমন শোবার ঘরের স্টাডি টেবিল, রান্নাঘরের কাউন্টারটপ ইত্যাদি।
৬. ঘরের কোণ কিংবা একটি নির্দিষ্ট জিনিসকে হাইলাইট করার জন্য একসেন্ট লাইটিং ব্যবহৃত হয়। দেয়ালের পেইন্টিং, স্কাল্পচার, গাছ অথবা কোনো বিশেষ শোপিস এর মাধ্যমে হাইলাইটেড হয়।
৭. বসার ঘরে লাগাতে পারেন রকমারি ওয়াল ব্র্যাকেট। ঝাড়বাতির সঙ্গে মিল রেখে স্টিল, পিতল ইত্যাদি ধরনের ওয়াল ব্রাকেট পাওয়া যায়। ব্রাকেট ব্যবহার করতে চাইলে বসার ঘরের জানালার ওপর স্থাপন করাই ভালো।
৮. বড় বসার ঘরে অথবা ফলস সিলিং বসানো থাকলে সোফার এক পাশে রাখতে পারেন গাছের আদলের স্ট্যান্ডিং লাইট। অ্যালুমিনিয়াম স্ট্যান্ডে ক্রিস্টাল আর কাচের তৈরি এই লাইট বেশ জমকালো ভাব আনবে ঘরে।
৯. খাবার টেবিলের ওপর পছন্দসই শেডযুক্ত পেনডেন্ট লাইটের ব্যবস্থা রাখতে পারেন।
১০. ঘর বড় হলে ওয়াল লাইট ব্যবহার করতে পারেন। বিশেষ কিছু হাইলাইট করার জন্য ব্যবহার করতে পারেন স্পটলাইটও।
১১. খাবার টেবিল বরাবর সিলিং থেকে ছোট-বড় কয়েকটি হ্যাংগিং লাইটও ঘরের পরিবেশে যোগ করবে ভিন্ন মাত্রা।
১২. শোবার ঘরে ওয়াল লাইটের সঙ্গে ঘরের এক কোণে পেনডেন্ট লাইটও লাগিয়ে নিন।
১৩. বিছানার পাশে ওয়াল ব্রাকেট লাগালে বই পড়ার কাজে লাগবে। শোবার ঘরে ডিমার লাইটিংয়ের ব্যবস্থা রাখা যেতে পারে। আবার ড্রেসিং টেবিলের ওপর লাগানোর জন্য স্পটলাইটই উপযুক্ত।
১৪. ঘরের প্যাসেজ বা প্রবেশপথে দরকার পর্যাপ্ত আলো। তাই সিলিং লাইট কিংবা আপ অ্যান্ড ডাউন লাইটের ব্যবহার এখানে বেশি মানানসই।
১৫. দেয়ালে কোনো পেইন্টিং, আয়না বা শিল্পকর্ম থাকলে তার ওপর ব্যবহার করুন স্পটলাইটের মতো একসেন্ট লাইটিং।
১৬. ছোটদের ঘরেও ব্যবহার করুন বিভিন্ন ডেকোরেটিভ লাইট। যেমন খেলার ঘর সাজাতে পারেন রিকশা, সাইকেল, জিপ, ফুটবল ইত্যাদির আদলে তৈরি সিলিং হ্যাংগিং দিয়ে। পড়ার টেবিলে রাখার জন্য মজার কবিতা লেখা ল্যাম্পশেডও এখন বাজারে পাওয়া যায়।

NO COMMENTS

Leave a Reply