Home অন্তর্জাতিক টেকসই ও সবুজ স্থাপনার গুরুত্ব

টেকসই ও সবুজ স্থাপনার গুরুত্ব

কারিকা ডেক্স


টেকসই স্থাপত্য বা সাসটেইনেবল আর্কিটেকচার এখন বিশ্বব্যাপী আলোচিত বিষয়। ‘সবুজ ভবন/ স্থাপনা’র (গ্রীন আর্কিটেকচার) আন্দোলনের সঙ্গে এর সম্পর্ক নিবিড়। কোনো ভবনে যদি জীবন-চক্রের প্রতিটি পর্যায় চলাকালীন জীবাশ্ম-জ্বালানির ব্যবহার কম হয় এবং ভবনটি পরিবেশের ক্ষতি না করে তবে তাকে ‘সবুজ ভবন’ বলে।
উন্নয়নের ধারণার সঙ্গে ‘টেকসই’ ধারণাটি যুক্ত। ১৯৮৭ সালে দেওয়া টেকসই উন্নয়নের সংজ্ঞায় উল্লেখ করা হয়, ‘ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিজস্ব চাহিদা পূরণের দক্ষতায় আপোষ না করে যে উন্নয়ন বর্তমানের চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম তা-ই হচ্ছে টেকসই উন্নয়ন।’
প্ল্যানেটসেভডটকম নামের এক ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক আর্টিকেলে বলা হয়েছে, পৃথিবীতে বিভিন্ন দালান-কোঠার চাহিদা মেটাতে উৎপাদিত মোট জ্বালানি তথা বিদ্যুতের এক-তৃতীয়াংশ ব্যয় হয়। আর বিশ্বের নানারকম দূষণের অন্তত ২০ শতাংশ হয়ে থাকে এসব ভবনের কারণে। যদি এই অবস্থার পরিবর্তন না হয় তবে আগামী ২০৫০ সালের মধ্যে এই দূষণের পরিমাণ দ্বিগুন কিংবা তিনগুন বাড়তে পারে।
বাস্তবতা বুঝে বৈশ্বিক স্থাপত্যকলায় বর্তমানে এই প্রবণতা নিয়ে কাজ চলছে, ভবনগুলোতে কীভাবে আরো কার্যকর ও সবুজ (পরিবেশবান্ধব) উপাদান ব্যবহার করা যায় এবং ভবনে নিজস্ব জ্বালানি উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়ানো যায়। এজন্য বিশ্বের নামি-দামি ডেভেলপার কোম্পানিগুলো এখন ভবন নির্মাণে পরিবেশবান্ধব উপকরণ ব্যবহারে জোর দিচ্ছে। অনেকেই ভবনের ছাদের আবরণ হিসেবে এবং ভবন সজ্জায় ব্যবহার করছে স্লেট পাথর। জীবনচক্র বিশ্লেষণে নিশ্চিত হওয়া গেছে, যেকোনো স্থাপত্য-প্রকল্পে প্রাকৃতিক স্লেট পাথর একটি পরিবেশবান্ধব বাছাই। তা বায়ুমন্ডল থেকে যথেষ্ট পরিমাণে কার্বন ডাই-অক্সাইডের নিঃসরণ কমিয়ে আনে।
আমরা যদি নতুন স্থাপত্য-প্রবণতা নিয়ে কথা বলি, তবে অবধারিতভাবেই বিবেচনায় আনতে হবে ‘টেকসই ভবন’, যা ইংরেজিতে ‘সাসটেইনেবল বিল্ডিং’ হিসেবে পরিচিত। এটা এমন ধরণের ভবনকে বোঝায় যা পরিবেশবান্ধব উপকরণসমৃদ্ধ এবং পুরো ভবন তৈরির প্রক্রিয়ায় টেকসই রিসোর্স ব্যবহার হয়েছে।
পরিবেশবান্ধব ভবনের মধ্যেও পার্থক্য আছে। এর একটি ‘নিয়ারলি জিরো অ্যানার্জি’ বা এনজিই (AZE) বিল্ডিং এবং অপরটি প্যাসিভ-হাউস (Passivhaus) বিল্ডিং। এই শব্দ দুটির অর্থ কাছাকাছি হলেও দুই রকমের ভবনে বেশ কিছু পার্থক্য রয়েছে। এনজিই বিল্ডিংয়ের ক্ষেত্রে বাইরের জ্বালানি-শক্তি ব্যবহারের প্রয়োজন পড়ে না। নিজস্ব নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার করে এ ধরণের বিল্ডিংয়ের বিদ্যুতের প্রয়োজন মেটানো হয়।
প্যাসিভ-হাউসের ক্ষেত্রে বাসিন্দারা বাড়ি গরম বা ঠান্ডা করার জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী খুব সামান্য জ্বালানি ব্যবহার করে। বাড়ির ডিজাইন এমনভাবে করা হয়, যেন তা প্রকৃতি থেকেই সকল জ্বালানি-শক্তি নিতে পারে। এ ধরণের বাড়ি অনেক উঁচু হওয়ায় সহজেই বাইরের আলো-বাতাস গ্রহণে সক্ষম হয়।
উল্লেখ্য, পৃথিবীর ক্রমবর্ধমান বিপুল জনসংখ্যাকে সামাল দিতে গিয়ে সমানতালে বেড়ে চলেছে শিল্প-কলকারখানা-আবাসন। সেই সঙ্গে উত্তপ্ত হয়ে উঠছে পৃথিবীর জলবায়ু। বিশ্বের বড় বড় নামকরা বিজ্ঞানীরা এই বৈশ্বিক উষ্ণতা থেকে মুক্তির উপায় নিয়ে ভাবছেন। পরিবেশবান্ধব ভবন নির্মাণে গবেষণার কাজ ১৯৭০ সালে শুরু হয়। স্থপতিরা এই চেষ্টায় অগ্রণী ভূমিকা রেখে চলেছেন। ভবন নির্মাণে থাকছে তার প্রতিফলন। পরিবেশবান্ধব ও টেকসই নতুন ধরণের এই ভবনগুলোকে বলা হচ্ছে ‘গ্রিন বিল্ডিং’ বা ‘সবুজ ভবন’। যা মূলত জ্বালানির অপচয়-অপব্যবহার রোধ এবং ভবনকে পরিবেশের সঙ্গে মানানসই করার এক প্রয়াস।
সবুজ ভবন বা স্থাপনা তৈরিতে স্থানীয় উপকরণ, অনুর্বর জায়গার ব্যবহার ও অভ্যন্তরীণ তাপ রোধকরনসহ অনেকগুলো বিষয় জড়িত। বিশ্বের উন্নত দেশগুলো এর জন্য নিজস্ব জলবায়ু অনুযায়ী কিছু নীতিমালাও প্রণয়ন করেছে। ‘গ্রিন বিল্ডিং’ বা সবুজবান্ধব আবাসনের মূল উদ্দেশ্য শুধু আবাসনই না, কর্মস্থলসহ সব সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকেই পরিবেশবান্ধব করে গড়ে তোলা।
গ্রিণ বিল্ডিং তৈরির ক্ষেত্রে প্রাথমিক তিনটি শর্ত মানতে হয়। যা মানলে সার্টিফিকেট দিয়ে থাকে ইউএসজিবিসির (ইউনাইটেড স্টেটস গ্রিন বিল্ডিংস কাউন্সিল) মতো বড় বড় প্রতিষ্ঠান। এ ক্ষেত্রে যেসব বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয় তা হচ্ছে
১. প্রাকৃতিক জ্বালানি, পানি এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদের যথাসম্ভব সীমিত ব্যবহার।
২. ভবনটিতে বসবাসকারী প্রত্যেক ব্যক্তির সুস্বাস্থ্যের ব্যাপারে সর্বোচ্চ মনোযোগ প্রদান করা এবং প্রতিটি কর্মীর কাজে সাহায্য করা।
৩. উৎপাদনশীল কাজে ব্যবহৃত প্রতিটি ভবনের বর্জ্যরে পরিমাণ, সেই সঙ্গে প্রাকৃতিক সম্পদের প্রতি হুমকি সৃষ্টি করে এমন সব কাজকে যথাসম্ভব নিয়ন্ত্রণ করা। এসব শর্ত পূরণ করা ভবনকে দেওয়া হয় ‘লিড সার্টিফিকেট’। ১৯৯৮ সালে রবার্ট কে ওয়াটসন প্রথম লিডের (লিডারশিপ ইন অ্যানার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ডিজাইন) ধারণাটির জন্ম দেন।
লিড সার্টিফিকেশনপ্রাপ্ত একটি সবুজ ভবন শুধু গ্যাস ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়েই নয়, বরং অপারেশন খরচ কমাতে সাহায্য করে ৮-৯ শতাংশ, ভবনের বিল্ডিং ভ্যালু বাড়ায় ৭.৫ শতাংশ, রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্টের ক্ষেত্রে ভবনটিকে এগিয়ে নেয় ৬.৬ শতাংশ, অকুপেন্সি রেশিও বাড়ায় ৩.৫ শতাংশ এবং রেন্ট রেশিও বাড়িয়ে দেয় ৩ শতাংশ পর্যন্ত। যুক্তরাষ্ট্র শুধুমাত্র ‘গ্রিন বিল্ডিং’ প্রকল্পের মাধ্যমে আবাসন খাত থেকে শতকরা চল্লিশ (৪০%) ভাগ শক্তি অপচয় কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে।

টেকসই উন্নয়ন সম্পর্কে ‘ইনস্টিটিউট ফর অ্যাডভান্সড আর্কিটেকচার অব ক্যাটালোনিয়া’য় টামারা ইভানোভিকের লেখা এক আর্টিকেলে বলা হয়েছে, ‘নকশাকার ও স্থপতিরা (ডিজাইনার ও আর্কিটেক্ট) নতুন নতুন উদ্ভাবনের জ্ঞান অর্জনে সবসময় ক্ষুধিত থাকেন; কীভাবে তাদের ভবিষ্যৎ ডিজাইনগুলো আরো পারফেক্ট করা যায়। তারা মানুষের সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য পর্যাপ্ত জ্ঞান আহরণ করে আরো দিগন্ত প্রসারি নজড়কাড়া স্থাপনা তৈরিতে সচেষ্ট থাকেন। টেকসই নগর উন্নয়ন তথা সাসটেইনেবল আরবান ডেভলপমেন্ট বিষয়ে কাজ করতে গিয়ে এমনভাবে চিন্তা করেন যেন মানুষের স্বাচ্ছন্দ জীবন-যাপন নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি টেকসই নগর তৈরিতে সহায়তা করা যায়।
‘দ্য ইম্পোর্টেন্স অব সাসটেইনেবিলিটি ইন আর্কিটেকচার অ্যান্ড ইকোনমি’ শীর্ষক ওই আর্টিকেলে টামারা লিখেছেন, মানুষকে নগর-উন্নয়ন, নগর-পরিবেশ, পরিবেশগত সমস্যা, সামাজিক এবং সদা পরিবর্তনশীল সমাজের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্যারামিটারস বুঝে বুদ্ধিভিত্তিক আচরণের ধারণা দেওয়ার প্রয়োজন হয়। সমাজের অনেকগুলো জটিল প্যারামিটার বুঝতে আমাদের সবারই বুদ্ধি, ধৈর্য্য, অধ্যবসায় ও জ্ঞান রাখা উচিত এবং প্রতিটি ভুলের জন্য কঠিন শাস্তির মুখোমুখী হওয়ার মানসিকতা রাখতে হবে। স্থাপত্য ও নকশার ক্ষেত্রে প্রায়ই কিছু মাইক্রোইকোনমিক সমস্যা ও পরিবর্তন স্বীকার করে নিতে হয়। বেশিরভাগ অর্থনৈতিক গবেষণা স্থান-সংক্রান্ত হয়ে থাকে। এই কারণে এটা যথাযথভাবে কাজ করা এবং একরকমভাবে প্রকাশ হতে হয়। কনস্ট্রাকশনের ক্ষেত্রে নতুন ল্যাংগুয়েজের রিসার্চ প্রয়োজন হয়, যে কনসেপ্ট ডিজাইন বিশ্লেষণে আরো বিস্তৃত, নির্মাণ ও নগরায়নে সহায়ক। যে কোনো প্রতিবন্ধকতার ব্যাপক প্রসঙ্গতা ও কারণগুলো খুঁজে বের করতে হয়। এজন্য এমন মানসিকতা দরকার, যা হবে পরিবেশগত, অর্থনৈতিক, সামাজিক চাহিদা বিবেচনাপ্রসূত।
তিনি লেখায় মন্তব্য করেন, বর্তমান নগর-পরিবেশে যথাযথ লেভেলে দরকারি পরিবেশ নিশ্চিত করা এক গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হয়ে দেখা দিয়েছে। বিজ্ঞান-প্রযুক্তির ব্যাপক উন্নতি স্বত্ত্বেও পরিবেশে বিদ্যমান অনেক উপাদান বর্তমানে নগর-সমস্যা তৈরি করছে। সমাজের মানুষের মধ্যে প্রয়োজনীয় সচেতনতা তৈরির লক্ষ্য পূরণে প্রয়োজন সম্মিলিত উদ্যোগ; এটা এককভাবে করা সম্ভব নয়। এ জন্য অর্থনীতি একটা বড় ‘কি ফ্যাক্টরস’, যা গুরুত্ব সহকারে নির্ধারণ করবে প্রজেক্টের বিনিয়োগ ও এর ফলাফল সম্পর্কে। আমি মনে করি, জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা অন্যতম মূল সমস্যা, যা অধিকতর সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে বাধা। অতএব, যদি আমরা সচেতন হই, উদাহরণস্বরূপ জ্বালানি সক্ষমতা বাড়ানোতে; তাহলে বর্তমান বিশ্বে কী পরিমাণ জ্বালানি মজুদ আছে তা জানা জরুরি। মানবজাতির উন্নয়ন সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে না ওঠায় এ ধরনের সমস্যা বাড়ছে।
টামারা ইভানোভিক উল্লেখ করেছেন, বিনিয়োগকারীরা আজকাল ভবনের হাজারো বর্গমিটার জায়গায় আর্কিটেকচারাল ও সামাজিক মূল্য বিবেচনায় আলাদাভাবে ব্যবহার করতে চান। এজন্য তারা কিছুটা আর্থিক গচ্ছা দিতেও রাজি থাকেন। তবুও টেকসই আর্কিটেকচার ও টেকসই রিসোর্সের ব্যবহার পুরোপুরি উপেক্ষিত থেকে যাচ্ছে। কারণ এটা একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কোনো আর্থিক সুবিধা বয়ে আনে না। অথচ জ্বালানি-সক্ষমতা অর্জন মানবসমাজের টিকে থাকার জন্যই প্রয়োজনীয়।
এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণের উপায় সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে টামারা ইভানোভিক লিখেছেন, ভবিষ্যতে মানবজাতিকে বাধ্য হয়েই বিকল্প জ্বালানির উৎস ব্যবহারে যেতে হবে। উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা ও সবদিক দিয়ে অনুসন্ধান-কৌশল ব্যবহার করে, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভলপমেন্ট কৌশল বের করে আগ্রহী বিনিয়োগকারী বের করতে হবে, যিনি বা যারা এ সেক্টরের পরিবর্তনে ইচ্ছুক এবং ইতিবাচক পরিবর্তনে বড় ভূমিকা রাখবে। কারণ নগরীগুলোতে দ্রুততম সময়ের মধ্যেই পরিবেশগত সমস্যা সঠিক অবকাঠামোর অভাব, অনুন্নত হাইজেনিক লেভেল, অতিরিক্ত দূষণ ও অন্যান্য ঝামেলা তৈরি করবে। আজকাল পরিবেশের সমস্যা অন্যান্য অনেক জটিল প্রযুক্তিগত প্রাকৃতিক ও নাগরিক জীবনের মানসিক সমস্যার সঙ্গে সম্পর্কিত হয়ে যাচ্ছে। জনসংখ্যা অনুযায়ী আরও দ্রুত অগ্রগতির জন্য টেকসই উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন জরুরি। টেকসই উন্নয়নের মূল ধারণাটা হলো বর্তমান প্রজন্মের প্রয়োজন মেটাতে গিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চাহিদা পূরণের দক্ষতায় আপোষ না করা। টেকসই নগরীগুলো আর্কিটেকচারের স্ব-রূপান্তরকে উৎসাহিত করে। যা ঐতিহ্যগত নয় তবে দরকারি, উদ্ভাবনিমূলক ও অর্থনৈতিক সুবিধা-সমৃদ্ধ। এজন্য আমরা কোনো ভবনের বা উন্নয়ন প্রকল্পের নকশা করার সময় যুক্তিযুক্ত জ্বালানির ব্যবহার ও স্বল্প পরিমাণে প্রাকৃতিক রিসোর্স ব্যবহার করতে পারি। বর্তমানে ডিজাইনাররা আধুনিক ধারার মধ্যে থেকেই টেকসই ডিজাইন করার দিকে অধিক মনোযোগ দিচ্ছেন।
ইউরোপিয়ান মার্কেটে প্রদর্শিত কিছু মডেল ‘টেকসই’ বিনিয়োগের জন্য উপযোগি এবং উন্নত বিশ্বের দেশগুলোর রিয়েল এস্টেট মার্কেটের তুলনায় ‘গ্রিন বিল্ডিং’ অনেক বেশি লাভজনক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে আর্কিটেকচার ও অর্থনীতি একই ল্যাঙ্গুয়েজ খুঁজে পেয়েছে যোগ করেন টামারা।
তিনি বলেন, টেকসই উন্নয়ন সুরক্ষার ভিত্তিতে হওয়ায় জীবন-ধারণে প্রকৃতির সম্পদের সঠিক ব্যবহার ও সেবা গ্রহণে উৎসাহিত করে। এই দৃষ্টিকোণ থেকে টেকসই উন্নয়ন মানে হলো, সীমিত সুযোগের মধ্যে স্বাভাবিক ইকোসিস্টেমে থেকে মানুষের জীবনের মান উন্নত করা।

ওয়েবসাইট অবলম্বনে

NO COMMENTS

Leave a Reply