Home অন্তর্জাতিক নগরের কথাঃ এম এ মোমেন (১ম পর্ব)

নগরের কথাঃ এম এ মোমেন (১ম পর্ব)

প্যারিস


প্যারিস শুনলেই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জাদুঘর ল্যুভ এর কথা মনে হবেই। ল্যুভ মিউজিয়ামে ওল্ড মাস্টারদের আঁকা শ্রেষ্ঠ চিত্রকর্মগুলো দেখতে দেখতে আপনি মোনালিসার সামনে দাঁড়িয়ে থ’ হয়ে আছেন। কিন্তু এমন চিত্রকল্প কি মনে করতে পারেন, ল্যুভ মিউজিয়ামের চারপাশের রাস্তায় মানুষ সমান পানি গড়িয়ে চলাচলের প্রশ্নই আসে না, সাঁতার কেটে গিয়ে পৌঁছাবেন তাতেও লাভ নেই ল্যুভ-এ তালা লাগিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বন্যা নাস্তানাবুদ করে দিয়েছে প্যারিসকে। পৃথিবীর অন্যতম আবাসযোগ্য ঢাকা মহানগর কিংবা ঢাকা মেগাসিটিতে এ তো নিত্যকার ঘটনা। এমনকি  সচিবালয়ের ভেতরেও হাঁটুপানি। তাই বলে প্যারিসে!
প্যারিসের এই বন্যা এবং জলাবদ্ধতার ঘটনাটি এ বছরেরই সেইন নদীর পানি বেড়ে যায়, নদীর কাছাকাছি বাড়িঘরের বেজমেন্ট পানিতে তলিয়ে যায়, রাস্তায় পানি ওঠে, পানির উচ্চতা ক্রমাগত বাড়তে থাকে।
শহরের ভেতরে আছে ক্রিমিয়ান সৈনিকের একটি ভাস্কর্য। এটি এখন বন্যার পানি মাপার নির্দেশক। ১৯৯০ সালের সেইন নদীর বন্যার পানি ভাস্কর্যের গলা পর্যন্ত পৌঁছেছিল, প্যারিস শহর দু’মাস বন্যায় তলিয়ে ছিল। এবার হাঁটুও ছুঁয়েছে আর তাতেই ল্যুভ মিউজিয়ামের একাংশ। শহরের কমিউটার ট্রেন সার্ভিস আগেই বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল।
সুতরাং স্বপ্নের শহর প্যারিসের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ সেইন নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ এবং শহর রক্ষা।
প্যারিস মানে আইফেল টাওয়ার। যে পর্যটক প্যারিস গিয়েছেন তিনি ল্যুভ-এ নাও যেতে পারেন, মোনালিসা তার দেখা নাও হতে পারে, কিন্তু প্যারিসে গেছেন কিন্তু আইফেল টাওয়ার দেখেননি তিনি আসলে প্যারিসের নাম করে অন্য কোথাও গিয়েছেন কিংবা মিথ্যা কথা বলছেন। ফ্রান্সে বছরে সাড়ে চার কোটি পর্যটক ভিড় জমান। এ পর্যটক ব্যবস্থাপনাই একটি বড় চ্যালেঞ্জ। পর্যটক আইফেল টাওয়ারে উঠতে চাইলেন। শুনলেন বন্ধ। দূর থেকে টাওয়ার দেখে চলে যান। বিস্ময়কর মনে হতে পারে, ৮ ডিসেম্বর ২০১৬ ইঁদুরের উৎপাতের কারণে আইফেল টাওয়ার বন্ধ করে দেয়া হয়।
ইউরোপে এমনিতেই ইঁদুরভীতি রয়েছে প্লেগমৃত্যু, যা ব্ল্যাক ডেথ নামে পরিচিত। ইউরোপের কোনো কোনো শহরের অর্ধেকের বেশি জনসংখ্যা নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছে।
প্লেগ, কলেরা, বহিঃশত্রুর আক্রমণ, দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ এসবের মধ্য দিয়ে প্যারিস পরিণত হয়েছে ইউরোপ প্রধান দুটি শহরের একটি, অন্যটি অবশ্যই লন্ডন।

রবীন্দ্রনাথ প্যারিসে পা রেখেছেন ১৮৭৮ সালে, পুনরায় ১৮৯০-তে, তারপর আবারো ১৮৭৮-এর প্যারিস বর্ণনা : ‘সেই অভ্রভেদী প্রাসাদ অরণ্যের মধ্যে গিয়ে পড়লে অভিভূত হতে হয়।’
‘যে জাতির ২৪০ ধরনের পনির আছে সে জাতিকে কেউ কেমন করে শাসন করবে?’ প্রেসিডেন্ট চার্লস দ্য গল মজা করেই নিজের জাতির বৈচিত্র্য সম্পর্কে এ কথা বলেছিলেন।
আর এ বৈচিত্র্যের প্রায় পুরোটাই ধারণ করছে প্যারিস। লন্ডনের চেয়ে অনেক বেশি অভিজাত ও পুরনো খান্দান হচ্ছে প্যারিস। খ্রিস্টজন্মের প্রায় আট হাজার বছর আগের শিকার সন্ধানী মানুষের জীবাস্ম আবিষ্কৃত হয়েছে এ অঞ্চলেই।
খ্রিস্টপূর্ব ৫২ অব্দে রোমান সম্রাট জুলিয়াস সিজারের উদ্যোগে সেইন নদীর বাম তীরে গল-রোমান গ্যারিসন শহর প্রতিষ্ঠিত হয়, শহরের নাম ল্যুটেশিয়া। এ সময় বিভিন্ন ধরনের নির্মাণকাজ অ্যাম্পিথিয়েটার, স্নানাগার তৈরি হয়। শহরটি নতুন করে পরিচিত হয় সিটি অব প্যারিসি বা প্যারিস নামে। প্যারিসিরা সেলটিক উপজাতি। ক্রমাগত আক্রমণ ও অবরোধে জার্মান ও রোমান শক্তি দুর্বল হয়ে পড়ে। তারপর ফ্রাঙ্কদের টানা ১০ বছরের অবরোধ। ১৬ বছর বয়সী রাজা প্রথম ক্লোভিসের সেনাবাহিনীর কাছে রোমানরা পরাজিত হয়।
নবম শতকে ভাইকিং জলদস্যুরা প্যারিস অবরোধ ও লুটপাট করে। দ্বাদশ শতকের শুরুতে প্রতিষ্ঠিত হয় প্যারিস বিশ্ববিদ্যালয়। ত্রয়োদশ শতকে নগরীর লোকসংখ্যা ২ লাখ। ১৩৫৭-৫৮ সালে রাজক্ষমতা সীমিত করার লক্ষ্যে ব্যবসায়ীরা মার্শেলের নেতৃত্বে সশস্ত্র বিদ্রোহ করে। শুরুতে বিদ্রোহীরা সফল হলেও দ্বিতীয়বারে রাজকীয় সেনাবাহিনীর হাতে মার্শেল নিহত হন। তার অনুগামীদের অধিকাংশকেই মৃত্যুদন্ডে দেওয়া হয়।

 

১৪২০ সালে ইংরেজরা প্যারিস দখল করে নেয়। ১৪৩৬-এ প্যারিস পুনরুদ্ধার হয়। ১৫৭২-এ প্যারিসের ক্যাথলিকরা প্রটেস্ট্যান্টদের ওপর ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চালায়। সপ্তদশ শতক থেকে ফ্রান্সে শুরু হয় ‘এজ অব এনলাইটেনমেন্ট’ শিক্ষা ও সংস্কৃতিকে অন্যান্য ইউরোপীয় দেশকে ছাড়িয়ে যেতে থাকে।
১৭৪২-এ লিওন থেকে প্যারিস এসে হতাশ হন জ্যঁ জ্যাক রুশো। তিনি আশা করেছিলেন সুন্দর রাজকীয় একটি শহর দেখবেন কিন্তু তিনি দেখলেন সরু, নোংরা পুঁতিগন্ধময় অলিগলি; দুর্বৃত্ত অধ্যুষিত ঘরবাড়ি অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, ভিক্ষুক, দরিদ্র, ওয়াগন চালক, পুরনো কাপড় সেলাই করার দর্জি, চা ও পুরনো ব্যাট বিক্রেতা। ১৭৮১-১৭৯৯ প্যারিস ছিল ফরাসি বিপ্লবের কেন্দ্রভূমি।
১৮০০-১৮১৫ পর্যন্ত ফ্রান্স শাসন করেছেন নেপোলিয়ন। ১৯৮৯ সালে আইফেল টাওয়ার নির্মিত হলো। ১৯৪০ থেকে ৪ বছরের বেশি সময় প্যারিস জার্মানির দখলে ছিল। মুক্ত হয় ১৯৪৪-এ। নতুন করে গড়ে উঠতে থাকে প্যারিস। হারানো প্যারিস শহর ১০৫ বর্গকিলোমিটার। প্যারিস মেট্রোপলিটন এলাকা ২৩০০ বর্গকিলোমিটার। মপার্নাসে ও মমার্ত শিল্পীদের পাড়া। প্যারিস বিশ্বের সাংস্কৃতিক রাজধানী।
খ্যাতিমান ভাস্কর ও চিত্রশিল্পী চিন্তামনি কর তাঁর স্মৃতিচিহ্নিত গ্রন্থে লিখেছেন পৃথিবীতে যদি সত্যিকার আন্তর্জাতিক ও বিশ্বজনীন শহর থাকে তো সে পারী।
পারীর মধ্যে চলে গেছে অসংখ্য বুলভার বা প্রশস্ত রাজপথ। এগুলো কলকাতার চৌরঙ্গীর প্রায় দু’তিনগুণ চওড়া। বিখ্যাত বুলভার সাঁজেলিজে পৃথিবীর একটি প্রশস্ততম রাজপথ। প্রায় প্রত্যেক বুলভারের দু’পাশে সুন্দর গাছের সারি। রাতে গাছের সারির পাশে আলোর সারি, গাছের ডালপালা পাতার ফাঁক দিয়ে আলোর বন্যা বইয়ে দেয়। পারী শহরের মধ্যে এত গাছপালা থাকার জন্য এর শহরটির চারপাশে বন থাকায় বিমান আক্রমণকারীদের দৃষ্টিবিভ্রম জাগিয়ে দেয়। কালো বনের ফাঁকে কোথায় যে শহরটি আত্মগোপন করে আছে অনেক সময় ওপর থেকে রাতে তারা বুঝতে পারে না। তবুও অমূল্য সংস্কৃতি ও সভ্যতা সম্পদের নিদর্শনে পূর্ণ পারীকে অসভ্য নিপীড়কদের থেকে রক্ষা করার জন্য রাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ যথেষ্ট সাবধানতা অবলম্বন করেছিলেন। পার্কগুলোর মাঝে ট্রেঞ্চ কেটে বড় বড় কামান বসানো হয়েছিল। (চিন্তামনি করের বর্ণনা দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ চলাকালীন এ কালের তরুণ বাংলাদেশি পর্যটক প্যারিসে পৌঁছার আগে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের পঙক্তি স্মরণ করলেন ‘প্রত্যেক শিল্পীরই দুটি মাতৃভূমি, একটি যেখানে সে জন্মেছে, অন্যটি হলো ফ্রান্স। আর ফ্রান্স মানেই শেষ পর্যন্ত প্যারিস।
প্যারিসের এয়ারপোর্টটি সাবেক প্রেসিডেন্ট দ্য গলের নামে। এখন বছরে প্রায় ৫ লাখ উড়োজাহাজ এবং ৭ কোটি মানুষের ওঠানামা ইউরোপের অন্যতম প্রধান এ এয়ারপোর্টে।
‘কেবল বিশালত্বে নয় এ বৈশিষ্ট্যতা মূলত স্থাপত্যকলায়। ফ্রেন্সরা এ ধরনের নকশাকে বলে আভ্যাঁ দার্দে অর্থাৎ নবধারার নকশা। মোট তিনটি টার্মিনাল তার সঙ্গে নানাভাবে নানা কায়দায় সংযুক্ত ছয়-সাতটি করে স্যাটেলাইট টার্মিনাল। কোথাও প্যাঁচানো সিঁড়ি, কোথাও দীর্ঘ সুড়ঙ্গ। এই একতলা গিয়ে মিশেছে তেতলার সঙ্গে। আবার তা পাক খেয়ে নেমে এসেছে দোতলার মেঝেতে যেন বিশাল এক ভুলভুলাইয়া। স্বীকার করতে হবে এর স্থাপত্যশৈলীতে রয়েছে অভাবনীয় অভিনবত্ব। কিন্তু আমার মন টানল না এখনো যেন স্বস্তির চেয়ে চমক বেশি। সৌন্দর্যের চেয়ে বেশি দুর্বোধ্যতা।

 

(ইউরোপ ইউরোপ- কাজী সাইফউদ্দীন বেননূর)।
পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ চিত্রশালা ল্যুভ তৈরি হয়েছিল নগর রাজার দুর্গ হিসেবে। ফরাসি রাজারা তাদের রুচি অনুযায়ী প্রত্যেকেই এই দুর্গে কিছু না কিছু পরিবর্তন আনেন। ষোড়শ শতক থেকে এই দুর্গ রূপান্তরিত হয় রাজপ্রাসাদে। রাজা ফ্রাসোয়া ল্যুভ ব্যাপক সংস্কার করে প্রাসাদের একাংশে রেনেসাঁ স্থাপত্য ও ভাস্কর্য সাজাতে থাকেন। তখন প্রটেস্ট্যান্ট আন্দোলন তুঙ্গে। এরই মধ্যে রাজা চতুর্থ আঁরি (হেনরি) প্রটেস্ট্যান্ট ধর্মবিশ্বাস ছেড়ে ক্যাথলিক হয়ে গেলেও ক্যাথলিকদের একজন তার ধর্মবোধ নিয়ে সন্ধিহান হয়ে ল্যুভা প্রাসাদের পাশেই ছুরিকাঘাতে তাকে হত্যা করে।

ভালোবাসার শহরে দ্য প্যারিস সিনড্রোম
প্যারিস হচ্ছে দ্য সিটি অব লাভ ভালোবাসার শহর। পর্যটকদের প্রথম আকর্ষণ ফ্রান্স। অতঃপর যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন, চীন, ইতালি, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, মেক্সিকো, থাইল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়া। প্যারিসের আকর্ষণ দুর্নিবার। কিন্তু পর্যটক যে ভালোবাসা ও মুগ্ধতা লাভের প্রত্যাশা নিয়ে আসেন প্যারিসে আসার পর তা না পাওয়ার যন্ত্রণা তাকে কষ্ট দিতে থাকে প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির ব্যবধান নিয়ে দ্য প্যারিস সিনড্রোম। প্রথম ধাক্কা প্যারিসের ফ্রেঞ্চরা অন্য ভাষা বলেন না, ইংরেজিকে মনে করেন শত্রুর ভাষা; হোস্ট প্যারিসিয়ানদের চেহারা বিষন্ন। প্যারিসেও পকেটমার আছে, ঠক প্রতারক আছে, কফি ও পানীয়ের দাম বেশি, হোটেল ভাড়া আকাশ ছোঁয়া সব মিলিয়ে পর্যটকদের অনেকেই প্যারিস সিনড্রোম এড়াতে পারেন না।
মেগাসিটি প্যারিসের সমস্যাও অতিশয়। সরকারি ও বেসরকারি মালিকানায় ৬০টি নিশিযাপন কেন্দ্র রয়েছে, তাতে ১৫ হাজার মানুষের সংস্থান হয়। প্যারিসের কেন্দ্রেই গৃহহীন মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। প্যারিসবাসী বছরে মাথাপিছু ৪.২৫ টন জ্বালানি তেলের সমপরিমাণ জ্বালানি ভোগ করে। ভবিষ্যতে প্যারিসের জ্বালনি সংকট মোকাবেলার জন্য সৌরশক্তি ব্যবহার অনিবার্য। প্যারিসের ভবনগুলোর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ পুরনো ধাচের হওয়ায় এগুলো উষ্ণ রাখতে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুতের প্রয়োজন।
প্যারিসের ভূ-গর্ভস্থ পয়ঃনিষ্কাশন টানেল ২৩০০ কিলোমিটার গার্হস্থ কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চ্যালেঞ্জ প্যারিসকে মোকাবেলা করতে হচ্ছে। স্কাইস্ক্রেপার বেড়ে যাওয়ায় প্যারিসে আকাশ দেখা কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে। প্যারিসকে ধর্মঘটের শিকার হতে হয় বারবার।

প্যারিস আইকন আইফেল টাওয়ার
১৬৬৫টি ধাপ পেরিয়ে চূড়া। ১৮৮৯ সালে ফরাসি বিপ্লবের শতবর্ষপূর্তি সামনে রেখে এবং সে বছর অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বমেলাকে স্মরণীয় করে রাখতে ২৮ জানুয়ারি ১৮৮৭-তে শুরু করে ৩১ মার্চ ১৮৮৯-এ ধাতব টাওয়ারটি যখন স্থাপন করা হয় এটিই ছিল পৃথিবীর সর্বোচ্চ স্থাপনা। ৪০ বছর এই রেকর্ড আইফেল টাওয়ার ধরে রেখেছে ১৯২৯ উদ্বোধিত নিউইয়র্কের উদবোধিত ক্রাইসলার বিল্ডিং প্যারিসের টাওয়ারকে ছাড়িয়ে যায়।
এই ধাতব দানবের নির্মাণ বন্ধ করার জন্য আন্দোলন হয়েছে মোপাসাঁসহ অনেক খ্যাতিমান লেখক এর নির্মাণ বন্ধ করতে চিঠিপত্র লিখেছেন। তারা এটাকে মনে করেছেন কুৎসিত। মোপাসাঁ টাওয়ারের নিচে একটি ক্যাফেতে বসতেন এবং এখানে বসার কারণ হিসেবে উল্লেখ করতেন প্যারিসে একমাত্র এই জায়গাটি থেকে কুৎসিত জিনিসটি চোখে পড়ে না। হিটলারও চেয়েছিলেন এই আইকনটি ধূলিসাৎ করা হোক।
এখনো বেশ বহাল আছে আইফেল টাওয়ার।

 

সাহিত্যে প্যারিস
ভিক্টর হুগোর ‘দ্য হাক্টব্যাক অব নতরদেম’ এমিল জোলার ‘দ্য লেডিস অব ডিলাইট হেনরি জেমসের ‘দ্য অ্যাম্বাসাডর।’ ‘অ্যা মুভেবল ফিস্ট’, সমারসেট মম-এর দ্য রেজর্স এস, গার্টুড স্টেইনের প্যারিস, ফ্রান্স, মার্গারেট ম্যাকমিলানের ‘প্যারিস ১৯১৯; সিক্স মান্থস দ্যাট চেইঞ্জড দ্য ওয়ার্ল্ড, ভ্যুলিয়া চাইল্ড-এর মাই লাইফ ইন ফ্রান্স, আর্নেস্ট হেমিংয়ের ‘দ্য সান অলসো রাইজেস’, অ্যানিস্টোয়ার হোর্ন-এর ‘সেভেন এজেজ অব প্যারিস ফ্রম দ্য আন্ডারগ্রাউন্ড আপ’ ক্লদ ইজনার-এর ‘মার্ডার অন দ্য আইফেল টাওয়ার’ হেনরি মিলার-এর ‘ট্রপিক অব ক্যান্সার’, জেমস বল্ডউইন এর ‘জিওভানি’জ রুম’ রে ব্র্যাডবারির ‘উই উইল অলওয়েজ হ্যাভ প্যারিসঃ স্টোরিজ’, পাওলা ম্যাকলেইন-এর ‘দ্য প্যারিস ওয়াইফ’ এডমুন্ড হোয়াইট এর ইনসাইড অ্যা পার্ট মাই ইয়ার্স ইন প্যারিস এবং ‘দ্য লেটারস অব সিলভিয়া প্লাথ’।

 

NO COMMENTS

Leave a Reply