Home ফিচার বহুতল ভবনে অগ্নি নিরাপত্তা টিপস

বহুতল ভবনে অগ্নি নিরাপত্তা টিপস

0 169

কারিকা প্রতিবেদক
চকবাজারের চুড়িহাট্টা ট্র্যাজেডির পর বনানীর এফআর টাওয়ারে আগুন। রাজধানীর বহুতল ভবনগুলোতে একের পর এক অগ্নিকান্ডের ঘটনায় অগ্নিনিরাপত্তার বিষয়টি আবারো সামনে চলে এসেছে। ফায়ার সার্ভিস সূত্র বলছে রাজধানীতে এরকম আরও সাড়ে ১১ হাজার বহুতল ভবন আগুনের ঝুঁকিতে রয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এসব ভবনে অগ্নিনিরাপত্তা সংক্রান্ত ফায়ার সার্ভিসের ছাড়পত্র বা ফায়ার সেফটি প্ল্যান নেই। এমন বাস্তবতায় বহুতল ভবনে নিজস্ব অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা ও জন সচেতনতার উপর গুরুত্ব আরোপ করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন কেবলমাত্র সচেতন থাকলে এবং অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা গ্রহণ করলে ৮০ শতাংশ অগ্নি দুর্ঘটনা প্রতিরোধ করা সম্ভব। আজ থাকল বহুতল ভবনে অগ্নিনিরাপত্তা বিষয়ক কিছু টিপস।
বহুতল ভবনে আগুন থেকে বাঁচতে প্রথমেই একটি জরুরি নির্গমন পথ তৈরি রাখতে হবে। যাতে আগুন লাগলে দ্রুত সেখান থেকে বের হয়ে আসা যায়। জরুরি নির্গমন পথ পরিস্কার রাখা ছাড়াও জরুরি নির্গমন পথে ভালো মানের ফায়ার ডোর সংযোজন করতে হবে। যেটি প্রায় দুই ঘন্টা আগুন ও ধোঁয়া প্রতিরোধ করতে সক্ষম। সিঁড়িগুলো যাতে তালাবাদ্ধ ও ক্রুটিপূর্ণ না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। শুধু জরুরি নির্গমন পথ তৈরি রাখলেই চলবে না, পরিবারের সদস্য ও সহকর্মীদের জরুরি নির্গমন পথ সর্ম্পকে অবগত করতে হবে। যদি দেখেন আগুন কিংবা ধোঁয়ায় আপনি আটকে গেছেন তখন বারান্দা অথবা অপেক্ষাকৃত খোলা জায়গায় অবস্থান করুন। ভুলেও লাফ দেয়ার কথা ভাববেন না। মাথা ঠান্ডা রেখে ফায়ার সার্ভিস এবং উদ্ধারকারী দলের জন্য অপেক্ষা করুন। আগুন লাগলে দূঘর্টনা কবলিত ভবন ছাড়তে লিফটের পরিবর্তে সব সময় সিঁড়ি অথবা জরুরি নির্গমন পথ ব্যবহার করুন। যদি ভবনের অন্য কোন ফ্ল্যাটে আগুন লাগে তবে যতক্ষণ পর্যন্ত আপনি নিজের ফ্ল্যাটে নিরাপদ বোধ করছেন ততক্ষণ পর্যন্ত ফ্ল্যাট ছেড়ে যাবেন না। এক্ষেত্রে আগুন ছড়িয়ে পড়া প্রতিরোধে ফ্ল্যাট কিংবা অফিসের জরুরী নির্গমন পথে ফায়ার ডোরের ব্যবহার আপনাকে নিরাপদ রাখবে।
বাংলাদেশে পারটেক্সসহ অনেক প্রতিষ্ঠান এখন বিশ্বমানের ফায়ার ডোর তৈরি করছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র পারটেক্সের ফায়ার ডোরই ইউএল সাটিফাইড। যেটি দুই ঘন্টা আগুন ও ধোঁয়া প্রতিরোধে সক্ষম।
ফায়ার ডোর অগ্নিকান্ডের স্থান থেকে মানুষের নিরাপদ বর্হিগমন নিশ্চিত করে। আগুন ও ধোঁয়া নিদিষ্ট গন্ডির ভেতর থাকার কারণে ফায়ার ফাইটারদের যাতায়াতের পথ সুগম হয়।
সম্প্রতি বনানীর এফআর টাওয়ারের অগ্নিকান্ডের ঘটনায় দেখা গেছে বেশিরভাগ মানুষের মৃত্যু হয়েছে ভবন থেকে লাফিয়ে পড়ে এবং ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে। ফায়ার কোড মেনে ভবনটির প্রতিটি ফ্লোরে যদি ফায়ার ডোর লাগানো থাকত তবে অনেক মানুষের প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো যেত বলে মত প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
ইউএল সার্টিফাইড পারটেক্স ফায়ার ডোরে পজেটিভ প্রেসার রেটেড থাকায় নিরাপত্তা নিয়ে কোন শস্কা নেই। এছাড়াও সহজ প্রতিস্থাপন সুবিধা, তিনটি মনোরম রঙ, সার্বক্ষনিক কাস্টমার কেয়ার সুবিধা থাকায় পারটেক্স ফায়ার বোর্ড চাহিদার শীর্ষে অবস্থান করছে । অগ্নি দুঘর্টনা রোধে বহুতল ভবনে ফায়ার কোড মেনে চলাসহ বিশ্বমানের অগ্নি নিরপত্তা সরঞ্জাম ব্যবহারের পর্রামশ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা ।

NO COMMENTS

Leave a Reply