Home বাজার দর টাইলস বাজারদর

বাজারদর

কারিকা ডেক্সঃ


ইটঃ
বাড়ি নির্মাণে সাধারণত যে ধরনের ইট ব্যবহার করা হয়, তার মধ্যে ১ নম্বর ইট হাজারপ্রতি পরিবহন-খরচ বাদে ৮ থেকে সাড়ে ৮ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ২ নম্বর ইটের দাম ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা।

ব্লক ইট বা হলো ব্লকঃ
ইটের পরিবর্তে এখন অনেক নির্মাণকাজে ব্লক ইট বা হলো ব্লক ব্যবহার হচ্ছে। কারণ এগুলো তৈরিতে মাটি বা মাটি পোড়ানোর ঝামেলা নেই। ব্যবহার হয় পাথর, বালি এবং সিমেন্ট।
হাজারপ্রতি ব্লকের দাম ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা। একটি সাধারণ ইটের তুলনায় ব্লক ইট ৪ থকে ৬ গুন বড় এবং ভেতরে ফাঁপা। তাই ব্লক ইট পরিবেশবান্ধব, নির্মাণে খরচ কম এবং এটি ব্যবহারে ভবনের ওজনও কমে যায়।
সাধারণ ভবনে এক বর্গফুটের নির্মাণ-খরচ পড়ে ১ হাজার ৮০০ টাকা। অথচ ব্লক ইট ব্যবহার করে ভবন তৈরি করতে প্রতি বর্গফুটে খরচ হয় মাত্র ১ হাজার ১৫০ টাকা।

থ্রি হোল ও টেন হোল ইটঃ
এই দুই ধরণের ইটকে বলা হয় ‘ইঞ্জিনিয়ারিং ইট’। মীর সিরামিক্স এই ইট উৎপাদন করে। দাম তুলনামূলক বেশি হলেও এসব ইট অন্যান্য দিকে সাশ্রয়ী। থ্রি হোল ইট প্রতি হাজার পরিবহন-খরচ বাদে বিক্রি হচ্ছে ১৯ হাজার ৫০০ টাকা। ইটের সাইজ ৭.৫ ী ৪.৫ ী ৬.৫। এই ইট ব্যবহার করলে দেয়ালে প্লাস্টারের প্রয়োজন হয় না। সাধারণ ইটের তুলনায় এই ইট ভার্টিক্যালি বেশি লোড নিতে পারে। ১০০ এসএফটি নির্মাণে প্রয়োজন হয় গড়ে ২৯৫টি ইট। আর টেন হোল ইট প্রতি হাজার পরিবহন-খরচ বাদে বিক্রি হচ্ছে ১৮ হাজার ৯০০ টাকা। ইটের সাইজ ৯.৯ ী ৪.৫ ী ২.২৫। ১০০ এসএফটি নির্মাণে প্রয়োজন হয় গড়ে ৫০০টি ইট।

বালিঃ
রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে পরিবহন খরচসহ প্রতি ট্রাক (৫ টনি) ভালো মানের আস্তর বালি বিক্রি হচ্ছে ৫ থেকে সাড়ে ৫ হাজার টাকায়। ভিটি বালি বিক্রি হচ্ছে ২ থেকে আড়াই হাজার টাকায়।

সিমেন্ট
বর্তমান বাজারে সিমেন্টের দাম অনেকটাই স্থিতিশীল। শাহ সিমেন্ট স্পেশাল ব্যাগ-প্রতি ৩৮০ থেকে ৩৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অপরদিকে শাহ পপুলারের ব্যাগ-প্রতি দাম ৩৭০ থেকে ৩৭৫ টাকা। সেভেন রিং স্পেশাল ব্যাগ-প্রতি ৪০০ টাকা, সেভেন রিং নরমাল ৩৮০ এবং সেভেন রিং গোল্ড ৪৩০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। হোলসিম নরমাল ব্যাগ-প্রতি ৪৩৫ থেকে ৪৪০ টাকা, হোলসিম ওপিসির ব্যাগ-প্রতি দাম ৪৮৫ থেকে ৪৯০ টাকা। স্ক্যান ব্যাগ-প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৪১০ টাকায়। ডায়মন্ড সিমেন্ট ব্যাগ-প্রতি দাম ৪১০ থেকে ৪১৫ টাকা।

রডঃ
কেএসআরএমের ৬০ গ্রেড এবং ৫০০ডব্লিউ রডের দাম প্রতি টন ৫১ হাজার থেকে ৫১ হাজার ৫০০ টাকা। বিএসআরএমের দাম প্রতি টন ৫২ হাজার টাকা। একেএস ৫০০টিএমটি প্রতি টন ৫১ হাজার টাকা। আনোয়ার ব্র্যান্ডের রড প্রতি টন ৪৯ হাজার থেকে ৪৯ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

টাইলসঃ
দেশে তৈরি ১২ ইঞ্চি বাই ২০ ইঞ্চি সাইজের ওয়াল টাইলস ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, ১০ ইঞ্চি বাই ১৬ ইঞ্চি ৫০ থেকে ৬৫ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি ৩৫ থেকে ৩৮ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১৮ ইঞ্চি ৫০ থেকে ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফ্লোরের জন্য সাড়ে ১২ ইঞ্চি বাই সাড়ে ১২ ইঞ্চি সাইজের টাইলস বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি সাইজের হোমোজিনাস টাইলস ৫৫ থেকে ৬০ টাকা এবং ১৬ ইঞ্চি বাই ১৬ ইঞ্চি সাইজের হোমোজিনাস টাইলসের দাম ৫৭ থেকে ৬৫ টাকা। অপরদিকে ১২ ইঞ্চি বাই ২৪ ইঞ্চি সাইজের চায়না ওয়াল টাইলসের দাম ১৪০ থেকে ১৬৫ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি সাইজের দাম ১৪০ থেকে ১৬৫ টাকা। আর ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি সাইজের ফ্লোর টাইলসের দাম ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা।

রঙঃ
চাহিদাসম্পন্ন অধিকাংশ রঙের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। বার্জার, এশিয়ান ও আরএকের মতো শীর্ষ ব্র্যান্ডের রঙ আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। বার্জারের ১৮.২ লিটারের বালতি-ভর্তি প্লাস্টিক ইমালশন বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৬৫০ টাকা, অ্যানামেল পেইন্ট প্রতি গ্যালন ৯৬০ টাকা। অপরদিকে ১৮.২ লিটারের বালতি-ভর্তি ডিসটেম্পার বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫৫০ টাকা। একই পরিমাপের ওয়েদারকোট বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৬০০ টাকা। একই পরিমাপের ওয়াটার সিলার বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৮৫০ টাকা। ২০ কেজি ডিওরোসেম বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ২০০ টাকা। এশিয়ান অনুরূপ ওজনের রঙ যথাক্রমে বিক্রি করছে ৩ হাজার ৩৫০ টাকা, ২ হাজার ৬৫০ টাকা, ৬৮০ টাকা, ১ হাজার ৪৫০ টাকা, ৪ হাজার ৪০০ টাকা, ২ হাজার ৮০০ টাকা ও ১ হাজার ১৫০ টাকা। আরএকে বিক্রি করছে ৩ হাজার টাকা, ৯৫০ টাকা, ৪ হাজার ২০০ টাকা, ২ হাজার ৬০০ টাকা ও ১ হাজার ২০০ টাকা।

NO COMMENTS

Leave a Reply