Home অন্তর্জাতিক ভবিষ্যৎ ইন্টেরিয়র ডিজাইন

ভবিষ্যৎ ইন্টেরিয়র ডিজাইন

মাহেনাজ এম

‘পারফেক্টলি ইমপারফেক্ট’ বা ‘সঠিকরূপে বেঠিক’ এই দুটি ছোট্ট শব্দ ইন্টেরিয়ার ডিজাইনার ও গ্রেস হোম ডিজাইন ফার্মের প্রতিষ্ঠাতা জেনিফার ভিসোস্কির সুপরিসর ইন্টেরিয়র ডিজাইনিং ফিলোসফিকে যথাযথভাবে উপস্থাপন করে। বর্তমান সময়ের স্বনামধন্য এই ইন্টেরিয়র ডিজাইনারের কাজের বৈশিষ্ট্য হলো, সঠিকতর মাপকাঠিতে ব্যতিক্রমি হওয়া। ভিসোস্কি ডিজাইনের কাজ শুরু করার আগে বাড়ির মালিকের সঙ্গে কথাবার্তা বলে নেন; তারপর তৈরি করেন স্টাইলিশ, আরামদায়ক আবেদনের সাজসজ্জা যা গৃহকে দেয় স্বতঃস্ফূর্ত স্বাভাবিক সৌন্দর্য্যরে অনুভূতি। ভিসোস্কির ভাষায়, ‘আমি এমনভাবে ঘর সাজাতে চাই যেন তা দেখতে ভালো হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বসবাসেও সুবিধাজনক হয়।’

মেধাবী এই ডিজাইনারের সঙ্গে সাক্ষাতকারে আলোকপাত হয় ইন্টেরিয়র ডিজাইনিং নিয়ে ভবিষ্যত ভাবনার নানান দিক। আমেরিকার এই বিখ্যাত ইন্টেরিয়ার ডিজাইনার জানান, ইন্টেরিয়ার ডিজাইনিংয়ের ধারা আজকাল কোন দিকে যাচ্ছে, ওনার গ্রাহকরা কী চাচ্ছেন এবং আগামীতে গৃহ বা অফিসের ইন্টেরিয়র কেমন হবে।

 

জেনিফারের করা ইন্টেরিয়রের অংশবিশেষ

 

 

গৃহসজ্জা ও ব্যক্তিত্বকে এক সুঁতোয় গাঁথা

প্রত্যেকেরই নিজস্ব পছন্দ-অপছন্দ আছে, ভিসোস্কি তাঁর গ্রাহকদের মতামতের ব্যাপারটি প্রাধান্য দিয়ে বিবেচনা করেন। তিনি বলেন, ‘গ্রাহকেরা বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যম থেকে অসংখ্য ছবি জোগাড় করে আমার কাছে আসে। আমার কাজ হলো তাদের সেসব ছবি বা ইচ্ছাগুলোকে বাস্তবসম্মতভাবে তাঁদের বাড়ির ডিজাইনে সম্পৃক্ত করা।’

এসব অনলাইন মাধ্যমকে দু’মুখো তলোয়ারের সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, ‘একদিকে এসব থেকে ডিজাইনার ও গ্রাহকদেরর ডিজাইনের উপলব্ধি সংবৃদ্ধ হয়, অন্যদিকে এগুলো নানান বিভ্রান্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘যখন কোনো গ্রাহক অনলাইন থেকে জোগাড় করা আইডিয়া ও ছবিসহ আমাদের কাছে আসেন তখন সেসব ভাবনা খতিয়ে দেখে তাঁর মূল চাওয়া পর্যন্ত পৌঁছানো বেশ মুশকিল হয়ে পরে। তাছাড়া জোগাড় করা সেসব ছবির হুবহু কপি তৈরি না করে তাতে স্বাতন্ত্র আনাও কঠিন হয়ে পরে।’

তবে অনলাইন সুবিধাগুলোকে চমৎকার উল্লেখ করে ভিসোস্কি বলেন, ‘পক্ষান্তরে একটি বাড়ির অরিজিনালিটি বা মৌলিকত্ব বজায় রেখে স্বতন্ত্র অন্দরসজ্জার জন্য গ্রাহকদের উচিৎ ডিজাইনারের ওপর আস্থা রাখা।’

NO COMMENTS

Leave a Reply