Home মূল কাগজ সিডিএ’র সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন করতে চাই

সিডিএ’র সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন করতে চাই

0 1064

আব্দুল কৈয়ূম চৌধুরী
ভাইস প্রেসিডেন্ট, রিহ্যাব ও
চেয়ারম্যান, রিহ্যাব চট্টগ্রাম রিজিওনাল কমিটি

রিহ্যাবের নবনির্বাচিত কমিটি কী কী বিষয়ে গুরুত্ব দিবে?
বর্তমান আবাসন ব্যবসায় যে স্থবিরতা চলছে সেটা থেকে উত্তরণের জন্য যেসব প্রতিবন্ধকতা আছে সেগুলো নিয়ে আমরা কাজ করব। এখন আমরা দুটি প্রতিবন্ধকতা নিয়ে কাজ করছি। প্রথমত সরকারি প্রতিবন্ধকতা, দ্বিতীয়ত চট্টগ্রাম বিভাগের প্রতিবন্ধকতা। সরকারি প্রতিবন্ধকতাগুলোর বিষয়ে আমরা ইতিমধ্যে সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে প্রস্তাবনা পেশ করেছি। চট্টগ্রামের প্রতিবন্ধকতার মধ্যে সিডিএ’র সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন করতে চাই। এছাড়া আমাদের সদস্যদের মধ্যে কার কী সমস্যা আছে সেগুলো চিহ্নিত করে পর্যায়ক্রমে এগোতে চাই।

আবাসনকে গতিশীল ও ক্রেতাবান্ধব করার জন্য কী কী পদক্ষেপ গ্রহন করছেন?
কিছু আবাসন ব্যবসায়ীর প্রতি ক্রেতাদের আস্থার সংকট আছে। সেই সংকট থেকে উত্তরণ করাই আমাদের অন্যতম কাজ। গত পাঁচ-ছয় বছরে ক্রেতারা তেমনভাবে অ্যাপার্টমেন্ট ক্রয় করে নি। এখন কিন্তু ক্রেতার অভাব নেই। তবে আস্থার সংকটের কারণে তারা সিদ্বান্ত গ্রহন করতে পারছেন না। সেজন্য আমাদের করণীয় হচ্ছে রিহ্যাবকে ব্র্যান্ডিং করা। সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম করার পরিকল্পনা গ্রহন করেছি। বর্তমানে চট্টগ্রামে রিহ্যাবের সদস্যসংখ্যা প্রায় ৯০। অথচ আবাসন প্রতিষ্ঠান আছে ২০০-এর বেশি। রিহ্যাব-সদস্যরা ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ আইন মেনে ভবন নির্মাণ করে থাকে। অথচ ব্যক্তি-মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়মনীতির কোনো তোয়াক্কা না করেই ভবন নির্মাণ করছে। তাই আমরা চাচ্ছি সকল আবাসন ব্যবসায়ীকে অবশ্যই রিহ্যাব মেম্বার হতে হবে। অন্যথায় গ্রাহক হয়রানি রোধ করা সম্ভব হবে না। আমরা সরকারের কাছে গৃহায়ন নীতিমালা করার জন্য প্রস্তাব করেছি।

নিরাপদ ও বাসযোগ্য নগর বিনির্মাণের ক্ষেত্রে আপনাদের পরিকল্পনা কী?
নিরাপদ ও বাসযোগ্য নগর বিনির্মাণ রিহ্যাবের পক্ষে কোনোভাবেই সম্ভব নয়। সিটি কর্পোরেশন, সিডিএ, নগর-পরিকল্পনাবিদ ও অন্যান্য সহযোগী প্রতিষ্ঠনের সমন্বিত প্রচেষ্টায় একটি সুন্দর ও বাসযোগ্য নগর করা সম্ভব। বর্তমানে চট্টগ্রাম নগরে প্রায় ৬৫ লাখ লোক বাস করে। আগামী ১০ বছরে এই সংখ্যা দ্বিগুন হবে। অপরদিকে সিডিএ’র বিভিন্ন কমিটিতে রিহ্যাবের প্রতিনিধি যুক্ত করতে হবে। আমরা দীর্র্ঘদিন ধরেই এ বিষয়ে সিডিএ’র সাথে কথা বলছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো সুরাহা হয়নি। তবে ইতিমধ্যে প্রথমবারের মতো সিটি কর্পোরেশন রিহ্যাব-প্রতিনিধি যুক্ত করেছেন। সেজন্য মাননীয় মেয়র আ জ ম নাসির উদ্দীনকে আমরা ধন্যবাদ জানাই। আমাদের যেমন কৃষিজমি প্রয়োজন তেমনি আধুনিক নগরায়ণের জন্য বর্তমান সিটির আশেপাশের এলাকাগুলোকেও সিটির আওতাভুক্ত করা অপরিহার্য।
সাক্ষাৎকার গ্রহণ : সাইফুল ইসলাম

NO COMMENTS

Leave a Reply