Home হটপ্রজেক্ট

সাবরিনা মিলি


আধুনিকতার পাশাপাশি গুণগত মান বজায় রেখে কাজ করে যাচ্ছে আনোয়ার ল্যান্ডমার্ক। সেই ধারাবাহিকতায় আন্তর্জাতিকমানের নকশা, আধুনিকতা এবং নান্দনিকতার সমন্বয় ঘটেছে ল্যান্ডমার্ক বেগ পার্ক ভিউ ভবনটিতে। উত্তর গুলশানে ২৬ কাঠা জমির ওপর গড়ে তোলা হয়েছে ভবনটি। দুটি বেজমেন্ট ও গ্রাউন্ড ফ্লোরসহ ভবনটি ১৫ তলাবিশিষ্ট। বেজমেন্ট ও গ্রাউন্ড ফ্লোরে রয়েছে পার্কিং, রিসিপশন ও ওয়েটিং এরিয়া, জিম, নামাজের স্থান, কমিউনিটি স্পেস, ড্রাইভারদের বসার জায়গা, লন্ড্রি ইত্যাদি। বাকি ১২তলায় আবাসিক সুব্যবস্থা। ভবনে মোট অ্যাপার্টমেন্ট সংখ্যা ৪৮। সাইজ ২,৩৬৭ বর্গফুট থেকে ৩,১৭৪ বর্গফুট। প্রতিটি ফ্লোরে রয়েছে চারটি করে ইউনিট।

আর্ক ল্যাব লিমিটেডের স্থপতি তারিফুর রহমান সিদ্দীকের নকশাকৃত ভবনটির প্রতিটি ইউনিটেই রয়েছে প্রাকৃতিক আলো-বাতাসের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা। ভবনটির প্রবেশপথে মিলবে সবুজের দেখা। আছে সবুজঘেরা পানির ফোয়ারা। ভবনটির বিশেষত্ব হলো, এখানে ফায়ার হাইড্রেন্ট সুবিধা অর্থাৎ কোথাও আগুন লাগলে তা শনাক্তকরণ ও নিরোধক দুই ধরনের ব্যবস্থাই রয়েছে। রয়েছে হোম অটোমেশন পদ্ধতি ও রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং পদ্ধতি। এছাড়া ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তার পাশাপাশি আছে ভিডিও ইন্টারকম ব্যবস্থা। প্রযুক্তিনির্ভরতার কথা মাথায় রেখেই পুরো কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে ওয়াই-ফাইয়ের সুব্যবস্থাও। মোট তিনটি লিফটের পাশাপাশি রয়েছে জেনারেটর ব্যবস্থাও।
ভবনের ইন্টেরিয়র ডিজাইনে ম্যাটেরিয়াল ব্যবহারেও রয়েছে আধুনিকতা ও নান্দনিকতার ছোঁয়া। বেডরুম, ডাইনিং, ড্রইং, লিভিং, ফায়ার এবং ব্যালকনিতে ব্যবহার করা হয়েছে ৩২ বাই ৩২ ইঞ্চি সাইজের বিদেশি মিরর পলিস টাইলস। বাথরুম ও কিচেনের ফ্লোরে ব্যবহৃত হয়েছে বিদেশি লেজার কাট টাইলস। বাইরের ক্ষতিকারক তাপ ও শব্দ যেন তুলনামূলক কম প্রবেশ করে সেজন্য জানালাগুলোতে ব্যবহার করা হয়েছে ডাবল গ্লেসড গ্লাস।
রান্নাঘরের ইন্টেরিয়রের ক্ষেত্রেও বিশেষভাবে নজর দেয়া হয়েছে। সেখানে সিলিং পর্যন্ত শোভা পাচ্ছে উন্নতমানের বিদেশি ওয়াল টাইলস। রয়েছে কেবিনেটের সুব্যবস্থা। সেই সঙ্গে কিচেন টপে গ্রানাইটের ব্যবহার সৌন্দর্যবর্ধনের পাশাপাশি ওয়ার্কটপ হিসেবেও কাজ করবে।
ভবনটিতে মোট ৯৪টি কার পার্কিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। ছাদে রয়েছে সুইমিংপুল।

 

সাবরিনা মিলি


প্রায় ২৯০ কাঠা (১৪.৫ বিঘা) জায়গার ওপর এবিসি রিয়েল এস্টেটের তত্ত্বাবধানে নির্মিত হচ্ছে ইস্পাহানি কলোনি। রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আন্তর্জাতিকমানের এই প্রকল্পটিতে রয়েছে নয়টি ভবন। প্রতিটি ভবন দুটি বেজমেন্টসহ মোট ১৬ তলা। নয়টি ভবনে মোট অ্যাপার্টমেন্ট-সংখ্যা ৪৫৭টি। এখানে ২,০৫০, ২,০৭৫, ২,১৫০ এবং ২,৫৫০ স্কয়ারফুটের মোট চার ধরনের ইউনিট সাইজ রয়েছে। বিভিন্ন সুবিধার কথা মাথায় রেখে অ্যাপার্টমেন্টগুলোকে এলিট, রয়েল এবং ক্রাউন তিনিটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। রয়েছে ৬৫০টিরও বেশি কার পার্কিংয়ের সুবিধা।
ডিজাইন বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ২,০৫০ স্কয়ারফুটের ইউনিটে রয়েছে তিনটি বেডরুম। প্রতিটি বেডরুমের সঙ্গে আছে একটি করে বারান্দা ও বাথরুম। পারিবারিক আড্ডার জন্য আছে ফ্যামিলি লিভিং। অনেকেই চান পড়ার ঘরটিকে নিজের পছন্দের বইগুলো দিয়ে সাজিয়ে নিতে। এমনকি পড়ার জন্যও চান একটু আলাদা স্পেস। তাদের জন্য রয়েছে স্টাডিরুম। ফরমাল লিভিং স্পেসটির সঙ্গে ৫’x ৬’’x ১০’ x ৬” সাইজের একটি বারান্দা নতুন মাত্রা যোগ করেছে। চাইলে আপনার বসার ঘরটি সঙ্গে বারান্দাটি সুন্দর ও সবুজে সাজিয়ে তুলতে পারেন। ডাইনিং স্পেসটিও বেশ খোলামেলা।  এই ইউনিটে বারান্দাসহ কিচেন, সারভেন্ট বেড এবং সারভেন্ট টয়লেটও রয়েছে।
এবিসি রিয়েল এস্টেটের মহাব্যবস্থাপক তানভীর হায়দার বলেন, ‘দ্যা ওয়েসিস একটি কন্ডোমিনিয়াম কমপ্লেক্স প্রজেক্ট। এখানে মানুষ যে শুধু বসবাস করবে তা নয়, বরং এখানে একজন মানুষ তার প্রতিটি মুহূর্তে বিশ্বমানের বাসস্থানের সকল সুবিধা উপভোগ করবেন।’
তিনি আরো বলেন, ‘গ্রাউন্ড ফ্লোরে আমরা সকলের জন্য একটি গেটেড কমিউনিটি স্পেস রেখেছি। যেটি কলোনির পরস্পরের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনে সেতুবন্ধ হিসেবে কাজ করবে।’
পুরো প্রকল্পটিকে মোট ছয়টি জোনে ভাগ করা হয়েছে। জোনগুলোই বলে দেবে কোথায় কী আছে।

ফিটনেস ও স্পোর্টস জোন
এই জোনে টাওয়ার-২-এর নিচতলায় সুইমিং পুল, টাওয়ার-৩-এর নিচতলায় ছেলেদের ফিটনেস সেন্টার, টাওয়ার-১-এর নিচতলায় মেয়েদের ফিটনেস সেন্টার, বিলিয়ার্ড রুম, স্কোয়াশ, বাস্কেট বল কোর্ট এবং জগিং লুপ রয়েছে।

অতিথি আপ্যায়ন
যেকোনো অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য এখানকার বাসিন্দাদের যেন বাইরে যেতে না হয় সেজন্য এই জোনের মধ্যেই দুটি পার্টি হলের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। টাওয়ার-৬-এর নিচতলা ও একতলা জুড়ে রয়েছে পার্টি হল-১ এবং টাওয়ার-৭-এর নিচতলা এবং একতলা জুড়ে রয়েছে পার্টি হল-২। ক্যাফে এবং বেকারির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে টাওয়ার-৮-এর নিচতলায়। অতিথিদের অপেক্ষার বিষয়টিও স্থপতিদের নজর এড়ায়নি। তাই তাদের অপেক্ষার জন্য টাওয়ার-২-এর একতলায় রয়েছে বসার সুব্যবস্থাও।

ফ্যামিলি এন্টারটেইনমেন্ট
এই জোনের মধ্যে অ্যাম্ফিথিয়েটার, মুভি থিয়েটার, লাইব্রেরি/ রিডিং রুম, সিনিয়ার লাউঞ্জ ছাড়াও রয়েছে নামাজের স্থান।

শিশুদের বিনোদন-ব্যবস্থা
কংক্রিটের এই নগরীতে শিশুদের সময় কাটছে চার দেয়ালের মধ্যে। বাধাগ্রস্থ হচ্ছে তাদের স্বাভাবিক বেড়ে ওঠা। তাই এই প্রকল্পে শিশুদের জন্য রাখা হয়েছে খেলার মাঠ, ব্যাডমিন্টন কোর্ট, টোডলার নার্সারি এবং অ্যাকটিভিটি রুমের ব্যবস্থা।

প্রয়োজনীয় অন্যান্য সুবিধা
কমপ্লেক্সের বাসিন্দাদের সুবিধার জন্য মিনি মার্ট, বিউটি পার্লার, সেলুন, বিজনেস সেন্টার, লন্ড্রি, ডাক্তার হাউজ, ২৪ ঘন্টা ফার্মেসি সুবিধা এবং গাড়ি মেরামতের ব্যবস্থাও রয়েছে।

কাঠামোগত সুবিধাদি
গেট হাউজ, ইএমই হাব, ওয়াটার রিজার্ভার, গ্যাস/এলপিজি স্টোরেজ হাব, অগ্নি নির্বাপক অফিস, নিরাপত্তাকেন্দ্র, গারবেজ এবং এখানে কর্মরত কর্মচারীদের জন্য ডরমেটরির ব্যবস্থাও রয়েছে এই প্রকল্পের আওতায়।

প্রকল্পটির ডিজাইন কনসালটেন্ট ভলিউম জিরো এবং স্ট্রাকচারাল বিষয় নিয়ে কাজ করেছেন ড. এম. শামিম জে. বসুনিয়া। সব মিলিয়ে এটি একটি বিশ্বমানের আবাসন প্রকল্প হিসেবে গড়ে উঠছে বলেই দাবি করছেন এর সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা।

সাবরিনা মিলি


বাংলাদেশের প্রথম টাউনশিপ মেগা স্যাটেলাইট সিটি ‘লেকসিটি কনকর্ড’। রাজধানীর বারিধারা থেকে মাত্র ২০ মিনিটের দূরত্বে খিলক্ষেতে অবস্থিত এই প্রকল্পে মোট ১৪টি আবাসিক ভবন রয়েছে। যার প্রতিটি ১৬ তলাবিশিষ্ট। ইতিমধ্যে ১১টি ভবনের কাজ শেষ হয়েছে। বাকি তিনটি ভবনের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। এখানে রয়েছে ১,০১৮ থেকে ১,৪৫০ বর্গফুটেরর বিভিন্ন সাইজের ফ্ল্যাট। ইতিমধ্যে অনেক ফ্ল্যাট বিক্রি হয়ে গেলেও এখনো রয়েছে আধুনিক সকল সুযোগ-সুবিধাসহ ১,২০২ বর্গফুট থেকে সর্বোচ্চ ১,৪৫০ বর্গফুটের কয়েক সাইজের রেডি ও নির্মাণাধীন ফ্ল্যাট কেনার সুযোগ। ক্রেতাদের জন্য রয়েছে দীর্ঘমেয়াদী কিস্তির সুবিধাও।

প্রকল্পটির বাসিন্দাদের জন্য রয়েছে ফুটপাতসহ প্রশস্ত রাস্তা, স্কুল, মসজিদ, রেস্টুরেন্ট, পার্টি সেন্টার, শপিং কমপ্লেক্স, কনভেনশন হল, জিম এবং খেলার মাঠ। এছাড়া সার্বক্ষণিক পানি সরবারহ-ব্যবস্থা, কার পার্কিং, বিদ্যুৎ এবং গ্যাস সংযোগ-ব্যবস্থার পাশপাশি রয়েছে সকল নাগরিক আধুনিক সুবিধা।

বাসিন্দাদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে ভবন নির্মাণে কনকর্ড এই প্রকল্পতে আরসিবিএম (রি-ইনফোর্সমেন্ট কনক্রিট ব্লক মেশিনারি) টেকনোলজি ব্যবহার করেছে। একে ইঞ্জিনিয়ারিং ব্রিকও বলা হয়। সাধারণ ইটের তুলনায় আরসিবিএম অনেক বেশি লোড বহন করতে পারে, অনেক বেশি টেকসই এবং পরিবেশবান্ধব।
প্রতিষ্ঠানটির সূত্রে জানা যায়, কনকর্ড পরিবেশবান্ধব এবং বিশ্বমানের কাজে বিশ্বাসী। তাই খিলক্ষেতে খোলামেলা, আলো-বাতাসপূর্ণ পরিবেশে এমন একটি আন্তর্জাতিকমানের প্রকল্প গড়ে তুলেছে। ভূমিকম্পের বিষয়টিও তাই নজর এড়ায়নি। ৭.৫ মাত্রা পর্যন্ত ভূমিকম্প সহন-ক্ষমতাও রয়েছে এই ভবনগুলোর।

যোগাযোগ : প্রধান কার্যালয়, কনকর্ড সেন্টার, ৪৩ নর্থ কমার্শিয়াল এরিয়া, গুলশান-২, ঢাকা-১২১২। মোবাইল : ০১৯১৪-৬০২৯২২, ০১৯২৮-৬৮৬০৯০

সাবরিনা মিলি


উত্তরার ৯ নম্বর রোডের ১০ নম্বর সেক্টরে ২৬ কাঠা জমির ওপর নির্মিত হচ্ছে টোকিও সিটি। প্রকল্পটির জেনারেল ম্যানেজার মো. শাহাদাত হোসাইন কারিকাকে বলেন, ‘এটি একটি কনডোমনিয়াম প্রজেক্ট। আমরা ঢাকা শহরের মানুষের ব্যস্ত জীবন এবং যানজটের কথা মাথায় রেখেই এই প্রজেক্টের কাজ শুরু করি। এখানে এক ছাদের নিচে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের নাগরিক সুযোগ-সুবিধা। প্রকল্পটিতে কাজ হবে তিনটি ধাপে।’
টোকিও সিটি প্রকল্পের আওতায় রয়েছে তিনটি বহুতল ভবন। প্রথমটি ১২ কাঠা জায়গার ওপর ১০ তলা ভবন। এই ভবনটির প্রতিটি ফ্লোরে রয়েছে ১,৫০০ বর্গফুটের চারটি করে ইউনিট। বেজমেন্ট ও গ্রাউন্ড ফ্লোরে রয়েছে পার্কিয়ের ব্যবস্থা। এছাড়া গ্রাউন্ড ফ্লোরে মসজিদ, টপ ফ্লোরে বারবিকিউ, কমিউনিটি স্পেস এবং সুইমিং পুলের ব্যবস্থাও রয়েছে।
দ্বিতীয়টি ১০ কাঠা জায়গার ওপর ১০ তলা ভবন। এই ভবনের প্রতিটি ফ্লোরে ১,৩৫০ বর্গফুটের চারটি করে ইউনিট রয়েছে। বেজমেন্ট ও গ্রাউন্ড ফ্লোরে রয়েছে পার্কিং-ব্যবস্থা। এছাড়া টপ ফ্লোরে রয়েছে বারবিকিউ, কমিউনিটি স্পেস এবং সুইমিং পুলের ব্যবস্থা।
তৃতীয়টি চার কাঠা জায়গার ওপর আটতলা ভবন। এই ভবনের প্রতিটি ফ্লোরে ৯৫০ বর্গফুটের দুটি করে ইউনিট রয়েছে। গ্রাউন্ড ফ্লোরে আছে পার্কিং-ব্যবস্থা। এ ছাড়াও শিশুদের খেলাধুলার জন্য রাখা হয়েছে পর্যাপ্ত জায়গা।

যোগাযোগ : মোহাম্মদ শাহাদাত হোসাইন, জেনারেল ম্যানেজার

টোকিও ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড।

মোবাইল : ০১৬১৯-৪৫৬৪৫৬, ০১৭০৭-২০২৩০৩