Home মূল রচনা

লেফটেন্যান্ট কর্নেল জিল্লুর রহমান
পরিচালক (অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স), ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতর

চকবাজারের চুড়িহাট্টার রাসায়নিক গুদামে আগুন লাগার পর বনানীর এফআর টাওয়ারের অগ্নিদুর্ঘটনা। একের পর এক ধারাবাহিক অগ্নিদুর্ঘটনা ফায়ার সার্ভিসসহ পুরো দেশবাসীকে কতটা আশঙ্কায় ফেলেছিল, সচেতন মানুষমাত্রই জানেন। ধারাবাহিক অগ্নিদুর্ঘটনার পুরো ধকল সামলিয়েছে ‘দ্য লাইফ সেভিংস ফোর্স’ খ্যাত বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাঁচিয়েছে বহু প্রাণ ও মূল্যবান সম্পদ। অগ্নিনির্বাপণে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জসহ অগ্নিদুর্ঘটনা ও সচেতনতার নানা বিষয় নিয়ে কারিকার সঙ্গে কথা বলেছেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতরের নবনিযুক্ত পরিচালক (অপারেশন্স অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল জিল্লুর রহমান।

ঢাকার মতো জনবহুল শহরে অগ্নিনির্বাপণের চ্যালেঞ্জগুলো কী?
আমরা জানি, ঢাকা শহরের বেশিরভাগ স্থাপনা অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠেছে। একটি ভবনের সঙ্গে গা লাগিয়ে আরেকটি ভবন। এসব ক্ষেত্রে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটলে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকে। চকবাজারের ঘটনায় আমরা দেখেছি, পুরান ঢাকার আবাসিক ভবনগুলোতে কীভাবে অবৈধভাবে রাসায়নিক মজুদ করা হয়েছে। সেখানে আগুন লাগলে নেভানো কষ্টসাধ্য। পুরান ঢাকায় একই সঙ্গে পানির অপ্রতুলতাও রয়েছে। সেখানকার সড়ক ও গলিপথগুলোও প্রশস্ত নয়। অপ্রশস্ত সড়ক ও গলিপথের কোনো স্থাপনায় আগুন লাগলে সেখানে ফায়ার সার্ভিসের ইউনিটগুলো যেতে পারে না। আর যানজটের সমস্যা তো আছেই। যানজটের কারণে অনেক সময় আমাদের দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছতে দেরি হয়। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে অগ্নিনির্বাপণে প্রতিনিয়ত আমাদের কাজ করে যেতে হয়।

এই চ্যালেঞ্জ উত্তরণে আপনারা কী ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছেন?
হঠাৎ লাগা আগুনের বিরুদ্ধে যাতে ন্যূনতম ২০ মিনিট প্রতিরোধ গড়ে তোলা যায়, সেজন্য বহুতল আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবনসহ যেকোনো স্থাপনায় নিজস্ব ফায়ার ফাইটিং সিস্টেম গড়ে তোলার ওপর আমরা এখন জোর দিচ্ছি। এ ছাড়াও ইউএনডিপির সহায়তায় ফায়ার সার্ভিসে আধুনিক প্রযুক্তির অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম যুক্ত হচ্ছে। অন্যদিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে যাতে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছতে পারি, সেজন্য বর্তমানে আধুনিক রেডিও সেট, অত্যাধুনিক ভিএইচএফ প্রযুক্তির রেডিও ব্যবহার করা হচ্ছে। মোবাইল ফোন প্রযুক্তিও তথ্য আদান-প্রদানে আমাদের অনেক সহায়তা করছে। যানজটের কারণে যাতে দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছতে দেরি না হয়, সেজন্য নির্ধারিত ফায়ার স্টেশন ছাড়াও মহাখালী-বাংলামোটরসহ রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আমাদের ফায়ার ফাইটিং ইউনিট সবসময় প্রস্তুত আছে।

সেক্ষেত্রে বহুতল আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবনে নিজস্ব ফায়ার ফাইটিং সিস্টেম গড়ে তুলতে কী ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি বলে আপনি মনে করেন?
ছয়তলার বেশি কোনো ভবন নির্মাণ করলে ফায়ার সার্ভিস থেকে অনুমতি নিতে হয়। অনুমতি নেয়া বাধ্যতামূলক। এছাড়া বহুতল আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবনে নিজস্ব ফায়ার ফাইটার, ভালো মানের ফায়ার ডোরসহ ফায়ার এক্সিট রুট, ফায়ারপ্রুফ সিলিং, আলাদা পাওয়ার সাপ্লাই সিস্টেমসহ ইমার্জেন্সি লিফট, ফায়ার এক্সটিংগুইশার, ফায়ার অ্যালার্ম, হোস পাইপ, ফায়ার হাইডেন্ট সিস্টেম ইত্যাদি থাকতে হবে।

রেগুলেটরি বডি হিসেবে ফায়ার সার্ভিসকে বিচারিক ক্ষমতা দেয়ার কথা শোনা যাচ্ছিল অনেকদিন থেকে। বিষয়টির অগ্রগতি কেমন হলো?
আগামী মাস থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যৌথভাবে ফায়ার সার্ভিসের মোবাইল কোর্ট পরিচালনার বিষয়টি চূড়ান্ত হওয়ার পথে। এর ফলে অগ্নিনির্বাপণ আইন লঙ্ঘনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যৌথভাবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে দায়ীদের শাস্তি দিতে পারবে ফায়ার সার্ভিস। সেই সঙ্গে স্থাপনা পরিদর্শন করে নোটিস দেয়ার নিয়মিত কার্যক্রমও অব্যাহত থাকবে।

বনানীর এফআর টাওয়ারে অগ্নিকান্ডের পর অগ্নিনির্বাপণ সামগ্রী কেনার হিড়িক পড়ে গিয়েছিল। তখন অনেকেই নিম্নমানের সামগ্রী কিনে প্রতারিত হয়েছেন। অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জামের মান দেখভালের জন্য ফায়ার সার্ভিসের কোনো তদারকি কি আছে?
না, বর্তমানে এ নিয়ে কোনো কার্যক্রম নেই। তবে আপনি যেহেতু বিষয়টি উত্থাপন করলেন, এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া যায় কিনা, আমি মহাপরিচালক মহোদয়ের সঙ্গে কথা বলব। অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম কেনার সময় ক্রেতা যদি একটু সচেতন থাকেন, একটু দাম বেশি হলেও ভালো ব্র্যান্ডের সরঞ্জাম কেনেন, তাহলে আর নিম্নমানের পণ্য কেনার ঝুঁকি থাকে না।
আমি মনে করি গণমাধ্যম, ফায়ার সার্ভিস অধিদফতর- সবার সমন্বিত প্রচেষ্টায় জনগণের মধ্যে সচেতনতা তৈরি হবে। তখন আমরা অগ্নিজনিত দুর্ঘটনা অনেকাংশেই কমিয়ে আনতে পারব বলে আশা রাখি।

আপনাকে ধন্যবাদ।
আপনাকেও ধন্যবাদ।

একহারা গড়নের ছোটখাটো পেন্নি ড্রু বাইর্ডকে দেখতে সাধারণ মানুষ মনে হলেও কাজের ক্ষেত্রে তিনি হচ্ছেন ‘পাওয়ার হাউজ’। নিউইয়র্কে জন্ম নেয়া এই স্থপতির ইন্টেরিয়র ডিজাইনে বিষয়বস্তুর প্রতি ফোকাস, নিপুণতা ও সংকল্পবদ্ধতা লক্ষ্য করা যায়। পেন্নি ড্রু বাইর্ডকে ‘রুচিশীল ইন্টেরিয়র ডিজাইনের প্রবর্তক’ বলা হয়। তার স্থাপত্যকর্মে নকশার প্রাধান্য লক্ষ্য করা যায়।
ইন্টেরিয়র ডিজাইন ফার্ম পরিচালনার পাশাপাশি সংসারও সামলাচ্ছেন পেন্নি। অন্যসব স্থপতির মতো তিনি কখনো তীব্রভাবে প্যারিসে থাকার আকুলতা অনুভব করেননি। কিন্তু কয়েক বছর আগে হঠাৎ করে তিনি স্বামী ও তিন সন্তানসহ এক বছরের জন্য প্যারিসে বসবাস শুরু করেন। সেই সঙ্গে প্যারিসে থাকার তার সুপ্ত বাসনাও পূরণ হয়।
প্যারিসের দক্ষিণমুখী একটি বাড়িতে বেশ কয়েকটি গ্রীষ্ম কাটানোর পর পেন্নি খুব করে চাইছিলেন তার সন্তানরা দ্বিভাষিক হয়ে উঠুক। সেই সঙ্গে তিনি আরও চাইছিলেন তারা ইউরোপিয়ান সংস্কৃতিতে অভ্যস্ত হোক। পেন্নি বাইর্ডের স্বামীরও একই চাওয়া ছিল।
পেন্নি বলেন, ‘প্যারিসে আমি অবকাশযাপন করতে আসিনি। প্যারিস ও লন্ডনে আমার অনেক কাজ আছে।’
তিনি জানতেন তার দক্ষ ও বিশ্বস্ত টিম নিউইয়র্কের সব কাজ সামাল দিতে পারবে। তাই তিনি নিউইয়র্কে টিম মেম্বারদের সঙ্গে মাসে একবার মিটিং করতেন এবং প্যারিস থেকে ইন্টেরিয়র ফার্ম পরিচালনা করতেন।
নিজের দৃঢ়চেতা মনোভাব আর স্বামীর সমর্থন থাকায় তিনি প্যারিসে একটি রিয়েল এস্টেট কোম্পানির কয়েকটি অ্যাপার্টমেন্ট রিনোভেশন করার দায়িত্ব পান।
নিজেকে ভাগ্যবান দাবি করে পেন্নি বলেন, ‘একদিন আমি তিন-চারটি নিখুঁত অ্যাপার্টমেন্ট দেখছিলাম। সেখান থেকেই রিনোভেশন করার জন্য তিনটি ব্লক বেছে নিলাম।’
পেন্নি ড্রু বাইর্ড যেসব অ্যাপার্টমেন্ট রিনোভেশন করার দায়িত্ব পেয়েছিলেন সেসব অ্যাপার্টমেন্ট ছিল প্যারিসের অভিজাত মানুষের আবাসস্থল। ১৯ শতকের শেষভাগে নির্মিত অ্যাপার্টমেন্টগুলো থেকে শহরের সৌন্দর্য পুরোপুরি উপভোগ করা যায়।
চার হাজার স্কয়ার ফিটের বিশাল অ্যাপার্টমেন্টে বিশাল আকারের ড্রইং রুম ছাড়াও একটি লিভিং রুম, একটি ডাইনিং রুম, একটি লাইব্রেরি রুম, একটি কিচেন ও পাঁচটি বেড রুম ছিল। এগুলোর সবকিছুই ভালো অবস্থায় ছিল, যা রিনোভেশন করার কোনো প্রয়োজন ছিল না। তাই বাইর্ড শুধু পুরনো রান্নাঘর এবং বাথরুমের বদলে নতুন রান্নাঘর ও বাথরুম তৈরি করলেন। তুলে দিলেন লিভিং রুম আর লাইব্রেরির মাঝখানের দরজাটা।
প্যারিসের অধিবাসীরা যেহেতু ঐতিহ্যগতভাবেই সংস্কৃতি-সচেতন, তাই অ্যাপার্টমেন্টগুলো রিনোভেশন করার সময় পেন্নিকে অনেক সতর্ক থাকতে হয়েছে।
পেন্নি বলেন, ‘আমি বাড়ি থেকে অনেক দূরে বসবাসকারী ফেঞ্চ-পরিবারের জন্য একটি দুর্দান্ত ফেঞ্চ-সংস্কৃতির সংস্করণ তৈরি করতে চেয়েছিলাম। ফ্রান্স যেভাবে ডেকোরেশন করা হয়েছে, আমিও অ্যাপার্টমেন্টটি সেভাবে ডেকোরেশন করেছি।’
পেন্নি মনে করেন অ্যাপার্টমেন্টের ইন্টেরিয়র ডেকোরেশনের ক্ষেত্রে পছন্দসই ডেকোরেশন আইটেমের ব্যবহার-ই মূল কথা নয়। পছন্দ করা ডেকোরেশন আইটেমটি অ্যাপার্টমেন্টের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করল কিনা, সেটাই বিবেচ্য বিষয়।
পেন্নি ড্রু বাইর্ড ইন্টেরিয়র ডিজাইন করার ক্ষেত্রে সস্তা কিন্তু এক্সক্লুসিভ ডেকোরেশন আইটেম ব্যবহার করে থাকেন। তিনি ফ্রান্সের বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে এসব এক্সক্লুসিভ ডেকোরেশন আইটেম খুঁজে বের করেন। তিনি বলেন, ‘ফ্রান্সের মার্কেট ঘুরে আমি একবার একটি প্রাচীন লম্বা কেসঘড়ি খুঁজে পেলাম। সম্ভবত ওই কেসঘড়িটি ছিল আমার সেরা অনুসন্ধান।’
প্যারিসে পেন্নি ড্রু বাইর্ডের দিনগুলো ভালোই কাটছিল। কাজের পাশাপাশি তিনি ওই সময়টাতে প্যারিসের সমৃদ্ধিশালী সংস্কৃতির অনুরক্ত হয়ে উঠেছিলেন।

কারিকা ডেস্ক

0 361

কারিকা ডেক্স


শিল্পকলা একাডেমিঃ

এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে সন্ধ্যা ৭.০০ টায় মঞ্চায়িত হবে শত নারী এক পুরুষ।

স্টার সিনেপ্লেক্সঃ    
বসুন্ধরা সিনেপ্লেক্সে ২ডি চলচ্চত্রের মধ্যে চলবে হ্যালুয়িন, দেবী, জনি ইংলিশ স্ট্রাইক এগেইন, ফিফত ওয়ে্ডিং এবং দ্যা নান।

থ্রিডি চলচ্চিত্রের মধ্যে চলবে ভেনম।

ব্লকবাস্টারঃ

যমুনা ব্লকবাস্টারে ২ডি চলচ্চত্রের মধ্যে চলবে জনি ইংলিশ-৩, হ্যালুয়িন, অ্যা সিম্পল ফেভর, দ্যা নান এবং দেবী।

থ্রিডি চলচ্চিত্রের মধ্যে চলবে মিশনঃ ইম্পসিবল- ফলআউট এবং ভেনম।

0 302

কারিকা ডেক্স


শিল্পকলা একাডেমিঃ

স্টুডিও থিয়েটার হলে সন্ধ্যা ৭.০০টায় মঞ্চায়িত হবে নননপুরের মেলায় একজন কমলাসুন্দরী ও একটি বাঘ আসে।

স্টার সিনেপ্লেক্সঃ  
বসুন্ধরা সিনেপ্লেক্সে ২ডি চলচ্চত্রের মধ্যে চলবে জিও পাগলা, গহীন বালুচর, ডার্কেস্ট আওয়ার এবং হালদা।

থ্রিডি চলচ্চিত্রের মধ্যে চলবে জুম্যানজিঃ ওয়েলকাম টু দ্যা জংগল , মেজ রানারঃ দ্যা ডেথ কিওর এবং জাস্টিক লিগ।

ব্লকবাস্টারঃ
যমুনা ফিউচার পার্কের ব্লকবাস্টারে ২ডি চলচ্চিত্রের মধ্যে ঢাকা অ্যাটাক, ডাউনসিজিং, ওন্ডার, ড্যাডিস হোম টু, ডার্কেস্ট আওয়ার, হালদা, গহীন বালুচর এবং জিও পাগলা।

থ্রিডি চলচ্চিত্রের মধ্যে চলবে জুম্যানজিঃ ওয়েলকাম টু দ্যা জংগল।