Home মূল কাগজ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স

কারিকা প্রতিবেদক
এ বছর বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজযাত্রী পবিত্র হজ পালনে সৌদি আরব যাবেন। এর মধ্যে ৬৩ হাজার ৫৯৯ জন হজযাত্রী পরিবহন করবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।
গত ৪ জুলাই বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রথম হজ-ফ্লাইট ৪১৭ জন যাত্রী নিয়ে সৌদি আরবের জেদ্দার উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী ও ধর্ম প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শেখ মো. আবদুল্লাহ বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে উদ্বোধনী ফ্লাইটের হজযাত্রীদের বিদায় জানান। এ সময় বিমান পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইনামুল বারী, সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান, ধর্ম সচিব, বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও, হাব সভাপতি ছাড়াও মন্ত্রণালয়, সিভিল এভিয়েশন ও বিমানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী হজযাত্রীদের উদ্দেশে বলেন, সব হজযাত্রী যেন নির্বিঘ্নে ও সুষ্ঠুভাবে হজ পালন সম্পন্ন করতে পারেন সে ব্যাপারে অধিকতর সতর্কতা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। হজ-সংক্রান্ত সব বিষয়ে যেকোনো ধরনের অবহেলা, সংকট ও অনিয়মকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে এবং হবে বলে তিনি জানান। দেশ তথা জাতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় অনুভূতিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সবার কাছ থেকে ইতিবাচক সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
চলতি মৌসুমে হজযাত্রীদের ঢাকা-জেদ্দা-ঢাকা রুটে পরিবহনের জন্য বিমানের চারটি নিজস্ব বোয়িং ৭৭৭-৩০০ ইআর উড়োজাহাজ প্রস্তুত আছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স হজ অপারেশন ২০১৯-এর তথ্য অনুযায়ী, ১১ জুলাই সকাল পর্যন্ত ৩৭টি ডেডিকেটেড এবং ৭টি শিডিউল ফ্লাইট পরিচালিত করেছে বিমান। ৩৭টি ডেডিকেটেড হজ-ফ্লাইটের মাধ্যমে তারা এ পর্যন্ত মোট ১৬ হাজার ২০৬ জন হজযাত্রী পরিবহন করেছে।
এ বছর বিমানের হজযাত্রীরা ওয়ানওয়েতে ১০০ ডলার বা সমপরিমাণ টাকা এবং রিটার্ন যাত্রা ২০০ ডলার বা সমপরিমাণ টাকার বিনিময়ে উড়োজাহাজের সামনের অপেক্ষাকৃত বড় ও আরামদায়ক আসনে যাতায়াত করতে পারবেন।
চলতি বছর থেকে প্রথমবারের মতো কিছু ফ্লাইটের জেদ্দা বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন কার্যক্রম ঢাকা থেকেই সম্পন্ন করা হচ্ছে। এ উদ্দেশে সৌদি আরবের ইমিগ্রেশন টিম ঢাকায় অবস্থান করছে। চলতি বছর ধর্ম মন্ত্রণালয় ‘রোড টু মক্কা’র আওতায় ১২২টি ফ্লাইটের ইমিগ্রেশন ঢাকায় সম্পন্ন করার অনুমতি দিয়েছে। ভবিষ্যতে সব ফ্লাইটের ইমিগ্রেশন ঢাকায় সম্পন্ন হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
‘রোড টু মক্কা’ কার্যক্রমের আওতায় হজযাত্রীদের ইমিগ্রেশন ঢাকায় সম্পন্ন হওয়ার ফলে মুসল্লিদের জেদ্দা বিমানবন্দরে দীর্ঘ প্রতীক্ষা এবং ভোগান্তির অবসান ঘটেছে।
এ ছাড়াও হজযাত্রীদের যাত্রা সহজীকরণ, গতিশীল ও সফল করার জন্য ‘বিমান হজ-ফ্লাইট’ নামে এ বছর একটি হজ-অ্যাপস চালু করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। এটি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের অফিসিয়াল অ্যাপস। যেকোনো অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনে অ্যাপসটি ডাউনলোড করলে দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে হজ-ফ্লাইট সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া যাবে। ‘বিমান হজ-ফ্লাইট’ অ্যাপসের মাধ্যমে হজযাত্রীরা সহজেই ফ্লাইট সম্পর্কিত সব তথ্য, ডিলে নোটিফিকেশন্স, হজ-ফ্লাইট স্ট্যাটাস, হজ-ফ্লাইট শিডিউল এবং হজ ইনস্ট্রাকশন্স জানতে পারবেন।

কারিকা প্রতিবেদক
দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণ ও উচ্চমানসম্পন্ন সিমেন্ট সরবরাহ করার লক্ষ্য নিয়ে দেশের খ্যাতনামা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বেঙ্গল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের নতুন সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করেছে বেঙ্গল সিমেন্ট।
গত ৩০ জুন রাজধানীর বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে বর্ণিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে বেঙ্গল সিমেন্টের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।
বেঙ্গল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মোরশেদ আলমের সভাপতিত্বে বেঙ্গল সিমেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।
বাণিজ্যমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন বিশ্ব মানচিত্রে উন্নত দেশ হওয়ার লক্ষ্যে এগিয়ে চলছে। এর জন্য অবকাঠামোগত উন্নয়নে রাজধানীসহ সারাদেশে ব্যাপক কর্মযজ্ঞ চলমান। এই মুহূর্তে বেঙ্গল সিমেন্টের আত্মপ্রকাশ দেশের উন্নয়ন ও বাণিজ্য ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।’
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ড. এম শামীম জেড বসুনিয়া। আরও উপস্থিত ছিলেন বেঙ্গল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের ভাইস চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দীন, বেঙ্গল সিমেন্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফিরোজ আলম ও চিফ অপারেটিং অফিসার আসাদুল হক সুফিয়ানী। এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে বেঙ্গল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালনা পর্ষদের সব পরিচালক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, বেঙ্গল সিমেন্ট লিমিটেড, বেঙ্গল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান হিসেবে নারায়ণগঞ্জের বারদীতে ১.৪ মিলিয়ন টন বার্ষিক উৎপাদন-ক্ষমতাসম্পন্ন অত্যাধুনিক ফ্যাক্টরি নিয়ে যাত্রা করল।

কারিকা ডেস্ক
“শ্রেষ্ঠত্বের প্রতিশ্রুতি’ শিরোনামে গত ৭ থেকে ৮ জুলাই কক্সবাজারের হোটেল সী প্যালেসে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো গার্ডিয়ান লাইফ ইনস্যুরেন্স লিমিটিডের সেলস কনফারেন্স। গার্ডিয়ান লাইফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, এম.এম.মনিরুল আলম প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
রিটেইল বিজনেসের প্রধান মাহমুদুর রহমান খান দুইদিন ব্যাপী অনুষ্ঠিত সেলফ কনফারেন্স অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। এছাড়াও উপব্যবস্থাপনা পরিচালক, মোহাম্মদ সাজ্জাদুল করিম; চীফ ফিনান্সিয়াল অফিসার, শেখ রাকিবুল করিম; হেড অফ মার্কেটিং রুবাইয়াত সালেহীন; মানব সম্পদ উন্নয়ন বিভাগ প্রধান হাবিব হাসান চৌধুরী সহ প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ পদস্থ অনেকেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
উদ্ধোধনী বক্তব্যে গার্ডিয়ান লাইফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, এম.এম.মনিরুল আলম ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠানের প্রসার, উন্নয়ন এবং গঠনমূলক কর্মকাণ্ডে অবদান রাখায় প্রতিষ্ঠানের সম্মানিত পরিচালকবৃন্দ, ব্যবস্থাপনা কমিটি, শাখা প্রধান, ব্রাঞ্চ ম্যানেজার সহ প্রতিষ্ঠানের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি এই উন্নয়নের ধারা ভবিষ্যতেও বহাল থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
কনফারেন্সের একটি বড় অংশ জুড়েই বছরব্যাপী উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ কর্ম পরিকল্পনা নিয়ে ব্রাঞ্চ ম্যানেজারদের মধ্যে সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের পরবর্তী ধাপে ২০১৮ এর সেরা পারফর্মার এবং গার্ডিয়ান স্টার পুরষ্কার বিতরণ করা হয়। সমাপনী বক্তব্যে এম.এম.মনিরুল আলম বলেন, “গার্ডিয়ান লাইফ বাংলাদেশের ইনস্যুরেন্স সেক্টর এর উন্নয়নের মশাল হাতে নিয়ে এগিয়ে যেতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং আত্মবিশ্বাসী। নিবেদিত গ্রাহক সেবা, সৃজনশীল এবং নিত্যনতুন অর্থনৈতিক সেবা এবং ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে ইন্স্যুরেন্সের প্রতি দেশের সাধারণ মানুষের প্রথাগত ধারণা পরিবর্তনে গার্ডিয়ান লাইফ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ”। মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং র্যাফেল ড্র এর মাধ্যমে দুইদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

কারিকা ডেস্ক: গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ডিজিটাল মান্থলি সেভিংস প্ল্যান প্রচার কেন্দ্র করে নতুন ইজিলাইফ অ্যাপ-এ চলছে বিশ্বকাপের চরম উত্তেজনাময়  Easy life ক্রিকেট ম্যানিয়া। দেশজুড়ে হাজারো প্রতিযোগীর ভিড়ে প্রতিদিন কুইজে সর্বোচ্চ পয়েন্ট অর্জন করে অনেকেই জিতে নিয়েছেন বাংলাদেশ দলের জার্সি। সম্প্রতি গার্ডিয়ান লাইফের হেড অফিসে অনুষ্ঠিত হলো ইজিলাইফ ক্রিকেট ম্যানিয়ার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। যেখানে দশজন বিজয়ীদের হাতে জার্সি তুলে দিলেন জি.এল.আই.এল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা।

বিশ্বকাপ ক্রিকেটের এই কুইজ প্রতিযোগীতা চলবে টুর্নামেন্ট শেষ হওয়া পর্যন্ত। প্লে­স্টোর থেকে সহজেই ইজিলাইফ অ্যাপ ডাউনলোড করে অংশ নেয়া যাবে এই কুইজে এবং প্রতিদিন থাকছে বাংলাদেশ দলের জার্সি জেতার সুযোগ। এছাড়া, টুর্নামেন্ট শেষে সর্বোচ্চ পয়েন্ট অর্জনকারী জিতে নিবেন একজন সঙ্গী সহ থাইল্যান্ডে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ।

এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান গার্ডিয়ান লাইফ ইন্সুরেন্স লিমিটেড-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর এন্ড সি.ই.ও; এম. এম. মনিরুল আলম, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর জনাব মোহাম্মদ সাজ্জাদুল করিম;  হেড অব মার্কেটিং এ্যান্ড কমিউনিকেশন্স, রুবাইয়াত সালেহিন; হেড অব ডিজিটাল চ্যানেল, ইয়াছিন আরাফাত এবং প্রতিষ্ঠানের আরো  অনেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

কারিকা ডেস্ক: বাংলাদেশের চা প্রেমিকদের জন্য হালদা ভ্যালী নিয়ে এলো নিজস্ব বাগানের বাছাইকৃত উন্নতমানের চায়ের সম্ভার। ইউনিমার্টের শেফ’স টেবিল গুলশানে গত ১৪ মে হালদা ভ্যালী টি বুটিক এর যাত্রা শুরু হয়। রুচিশীল ও স্বাস্থ্যসচেতন চাপ্রেমী মানুষদের কথা চিন্তা করেই এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হালদা ভ্যালী ফুড এন্ড বেভারেজ লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর শামীম খান। হেড অব বিজনেস ডেভেলপমেন্ট আশিক পাশা, ব্র্যান্ড ম্যানেজার আজমাঈন রহমান ও পেড্রোল এনকে লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার মোঃ কফিল উদ্দিন, হেড অব সেলস শরীফ উদ্দিন আহমেদসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

উদ্ধোধন উপলক্ষ্যে ফুডকোর্টে আগত সকলের জন্য টি বুটিকের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে চা আস্বাদনের সুযোগ ছিলো।
পবিত্র রোজা উপলক্ষে টি বুটিকে তিন ধরনের চা পাওয়া যাচ্ছে। রামাদান স্পেশাল, ফ্রেশ টি এবং আইসটি। রামাদান স্পেশাল ফ্লেভারে থাকছে হালদা ভ্যালী স্পেশাল টি, পার্সিয়ান টি, ইজিপ্সিয়ান কারকেদে টি, মরক্কোয়ান মিন্ট টি, টার্কিশ ট্রেডিশনাল টি, মাগরেবি হানি টি, শাহি মিন্ট টি, সোলেমানি জিঞ্জার টিসহ আরও প্রায় ১৮ ফ্লেভারের চা।

কারখানা ঘুরে

মির্জা মাহমুদ আহমেদ
বাংলাদেশের নির্মাণ শিল্পে প্লাইউড বহুল ব্যবহৃত হলেও জিপসাম বোর্ডের ব্যবহার এখনো অতটা প্রচলিত নয়। অথচ স্থাপনা নির্মাণ কিংবা সাজসজ্জায় সাধারণ প্লাইউড বা ইটের চেয়ে জিপসাম সিলিং কিংবা জিপসাম ওয়াল বোর্ড অধিক টেকসই ও সাশ্রয়ী। বাংলাদেশের মতো অগ্নিদুর্ঘটনাপ্রবণ দেশে আগুনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে পারে জিপসাম ফায়ার রেজিস্ট্যান্ট বোর্ড।
এক সময় বাংলাদেশের জিপসাম সিলিং ও জিপসাম বোর্ডের পুরো বাজারটি ছিল চীন ও থাইল্যান্ডের দখলে। নিম্নমানের বিদেশি জিপসাম বোর্ডের কারণে ক্রেতারা পরিবেশবান্ধব এই নির্মাণসামগ্রীর সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছিলেন।
বাংলাদেশে পারটেক্সই প্রথম নিজস্ব কারখানায় বিশ্বমানের জিপসাম বোর্ড ও জিপসাম সিলিং উৎপাদন শুরু করেছে। পারটেক্সের উৎপাদিত জিপসাম বোর্ড, জিপসাম ফায়ার রেজিস্ট্যান্ট বোর্ড ও জিপসাম সিলিং দেশীয় বাজারের শতভাগ চাহিদা মিটিয়ে ভারতসহ অনান্য পার্শ¦বর্তী দেশে রফতানি করা সম্ভব।
গত বছরের মে থেকে দেশেই বিশ্বমানের জিপসাম সিলিং, জিপসাম স্ট্যান্ডার্ড বোর্ড, জিপসাম ফায়ার রেজিস্ট্যান্ট বোর্ড তৈরি করছে পারটেক্স জিপসাম বোর্ড মিলস লিমিটেড। বাংলাদেশের আর্দ্র আবহাওয়ার কথা বিবেচনায় রেখে খুব শিগগিরই বাজারে আসছে পারটেক্স জিপসাম ময়েশ্চার রেজিস্ট্যান্ট বোর্ড।
নারায়ণগঞ্জের মদনপুরে ১ লাখ ২০ হাজার স্কয়ার ফিটের বিশাল আয়তনজুড়ে গড়ে উঠেছে পারটেক্স জিপসাম বোর্ড মিলস। পারটেক্সের জিপসাম বোর্ডের কারখানায় গিয়ে দেখা যায় সম্পূর্ণ অটোমেটিক মেশিনে তৈরি হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের সিলিং, স্ট্যান্ডার্ড ও ফায়ার রেজিস্ট্যান্ট জিপসাম বোর্ড। কমপ্লায়েন্স এ কারখানাটিতে পাঁচ শতাধিক শ্রমিক কর্মকর্তার দিন-রাতের পরিশ্রম ও মেধায় তৈরি হচ্ছে পরিবেশবান্ধব নির্মাণসামগ্রী।
জিপসাম বোর্ড তৈরির বিশাল এই কর্মযজ্ঞ ঘুরে দেখা যায় জিপসাম পাউডার মিশ্রণ থেকে শুরু করে প্যাকেজিং পর্যন্ত চলছে কঠোর নজরদারি।
কারখানার টেকনিক্যাল কনসালট্যান্ট মোহাম্মদ ইমদাদুল হক জানালেন, বোর্ড তৈরির কোনো পর্যায়েই তারা মানের সঙ্গে আপস করেন না। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের জিপসাম বোর্ড কারখানায় ৩২ বছর কাজ করে আসা ইমদাদুল হক জানালেন, তাদের কারখানাতে উৎপাদিত জিপসাম বোর্ড সম্পর্কে ক্রেতারা খুবই সন্তুষ্ট। সঠিক স্থাপনায় সঠিক পুরুত্বের জিপসাম বোর্ড ও সিলিং ব্যবহার করলে এটি লাইফ টাইম ব্যবহারেও কিছু হয় না বলে জানালেন তিনি।
পারটেক্স জিপসাম সিলিং বোর্ড ওজনে হালকা, তাই ভূমিকম্পে সাধারণ ইটের দেয়ালের চেয়ে বেশি সহনীয়। শব্দ ও তাপ প্রতিরোধক বোর্ডগুলোতে পোকামাকড়ও আক্রমণ করতে পারে না। পারটেক্সের ফায়ার রেজিস্ট্যান্ট বোর্ড ২ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে আগুন প্রতিরোধ করতে পারে।
বাংলাদেশে অপেক্ষাকৃত নতুন জিপসাম প্রযুক্তির সঙ্গে সারাদেশের নির্মাণ শ্রমিকদের পরিচিত করে দিতে সামাজিক দায়বদ্ধতার আওতায় নির্মাণ শ্রমিকদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করেছে পারটেক্স জিপসাম। ‘স্বনির্ভর’ নামের এই প্রশিক্ষণ কর্মশালা শেষে অংশগ্রহণকারী নির্মাণ শ্রমিকদের সনদপত্র দেয়া হবে।
জিপসাম বোর্ড তৈরির মূল উপাদান জিপসাম পাউডারের উৎপত্তি প্রাকৃতিক পাথরের খনি থেকে। পারটেক্স মূলত এসব জিপসাম পাউডার সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশ থেকে আমদানি করে থাকে।
পারটেক্স স্টার জিপসাম বোর্ড মিলস লিমিটেডের হেড অব প্ল্যান্ট মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান ভূইয়া কারিকাকে জানান, চায়না থেকে আমদানিকৃত জিপসাম বোর্ডগুলো তৈরি হয় কয়লাভিত্তিক পাওয়ার প্ল্যান্টের বর্জ্য থেকে। যাতে স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকে। কিন্তু পারটেক্সের আমদানিকৃত জিপসাম পাউডার সরাসরি খনি থেকে সংগৃহীত। এই জিপসাম পাউডার থেকে উৎপাদিত জিপসাম বোর্ডে কোনো স্বাস্থঝুঁকি নেই। তিনি আরও বলেন, চায়না থেকে যেসব জিপসাম বোর্ড আমদানি করা হয়, সেগুলোর পুরুত্ব ও স্থায়িত্ব কম।
দেশীয় ব্র্যান্ড হিসেবে পারটেক্সের সুনাম ও দায়বদ্ধতা থাকায় পারটেক্স স্থানীয় বাজারে ইউরোপিয়ান স্ট্যান্ডার্ড বোর্ড সরবরাহ করে থাকে বলে জানান তিনি।
মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান ভূইয়া বলেন, বর্তমান সরকার পরিবেশবান্ধব স্থাপনা ও নির্মাণসামগ্রীর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। সেই সূত্র ধরে দেশীয় ব্র্যান্ড হিসেবে পারটেক্স এই প্রথম নিজেদের কারখানায় পরিবেশবান্ধব জিপসাম বোর্ড উৎপাদন শুরু করেছে। কিন্তু ট্যারিক ভ্যালু ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে চায়না থেকে আমদানিকৃত কমদামি নিম্নমানের জিপসাম বোর্ডের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে বেশি দূর এগোনো যাচ্ছে না বলে জানান তিনি।
দেশীয় পরিবেশবান্ধব শিল্প রক্ষায় সরকারের কাছে নীতি সহায়তা চান মনিরুজ্জামান ভূইয়া। তিনি জানান, স্থানীয় বাজারে জিপসাম বোর্ডের চাহিদা কম থাকায় কারখানাটি বর্তমানে সক্ষমতার মাত্র ২০ শতাংশ বোর্ড উৎপাদন করছে। পরিবেশবান্ধব নির্মাণসামগ্রী জিপসাম বোর্ডের ব্যবহার বাড়াতে সরকার, রিহ্যাব ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট মহল যদি এগিয়ে আসে তাহলে জিপসাম বোর্ড আবাসন খাতে বিপ্লব ঘটাতে পারবে বলে আশবাদ ব্যক্ত করেন মনিরুজ্জামান ভূইয়া। তিনি বলেন, দেশীয় শিল্পের বিকাশ হলে একদিকে যেমন হাজারো বেকারের কর্মসংস্থান হবে, অন্যদিকে দেশে স্থাপনা নির্মাণে পরিবেশবান্ধব জিপসাম বোর্ডের ব্যবহারও বাড়বে।
কারখানা দেখে ফেরার সময় হেড অব প্ল্যান্ট মনিরুজ্জামান একটি চমকপ্রদ তথ্য জানালেন, এত বড় কারখানাটি চলছে কোনো কাঠ-কয়লা না পুড়িয়েই। পাশের পারটেক্স প্লাইউড কারখানার ফেলে দেয়া জুট ডাস্ট ও উড ডাস্ট থেকেই জ্বালানির জোগান আসছে এত বিশাল এই কারখানাটিতে। পরিবেশবান্ধব নির্মাণসামগ্রী জিপসাম বোর্ড তৈরিও হচ্ছে পরিবেশের কোনো ক্ষতি না করেই।

কারিকা ডেস্ক
সম্প্রতি স্বনামধন্য চেইন শপ মীনা বাজারের সাথে হালদা ভ্যালীর একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। এই চুক্তির আওতায় এখন থেকে মীনা বাজারের সকল আউটলেটে হালদা ভ্যালীর সব পণ্য পাওয়া যাবে।
মীনা বাজারের সব আউটলেট থেকে ক্রেতারা হালদা ভ্যালীর জনপ্রিয় ড্রাগন ওয়েল টি, সিলভার নিডেল হোয়াইট টি ও অনান্য পণ্য কিনতে পারবেন। হালদা ভ্যালীর পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর শামীম খান এবং মীনা বাজারের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন জেমকন ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার প্রোডাক্টস লিমিটেডের সিইও শাহিন খান।

কারিকা প্রতিবেদক
দ্বিতীয় ইয়োলো বাংলাদেশ এক্সপো ২০১৯-এ অংশ নিয়েছে এমইএইচএস কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রি লিমিটেড। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ১ মার্চ থেকে ৩ মার্চ এই প্রর্দশনী অনুষ্ঠিত হয়। তিনদিনের এই আন্তজার্তিক প্রর্দশনীতে এমইএইচএস কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রি ছাড়াও দেশি-বিদেশি প্রায় আড়াইশ’র মতো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে।
এমইএইচএস মূলত গৃহ-নির্মাণ ও শিল্পখাতে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন কেমিক্যাল তৈরি, আমদানী ও সরবরাহ করে থাকে। তিনদিনের ইয়োলো বাংলাদেশ এক্সপোতে এম ই এইচ এস ক্রংকিট অ্যাডমিক্সচার, এম ই এইচ এস প্রি ফ্রেবিকেটেড ভার্টিকাল ড্রেইন, পাট শিল্পের জন্য এম ই এইচ এস জুট ইমুলসফাইং এজেন্ট, এম ই এইচ এস ওয়াটার প্রুফিং আরলি স্ট্রেথ অ্যাড মিক্সচার, কংক্রিটের স্থাপনার জন্য এম ই এইচ এস স্ট্রাকচারাল মাইক্রোফাইবার, এম ই এইচ এস ওয়াটার প্রুফিং মেইমব্রেইন, এমইএইচএস হিট রিফ্লেটিং কোর্টিং এবং খুচরা বাজারের জন্য এম ই এইচ এস কংক্রিট অ্যাডমিক্সচার কর্পোরেট ও ব্যাক্তি পর্যায়ের গ্রাহকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে বলে জানিয়েছেন বিক্রয়কর্মীরা। এম ই এইচ এস এর প্রশাসন ও মানব সম্পদ বিভাগের পরিচালক তাসমিয়া তাবাসসুম জানান, মুনাফালন্ধ টাকার একটি অংশ তাঁরা অনাথ শিশুদের জীবন মান উন্নয়ণে ব্যয় করছেন।

কারিকা ডেস্ক

স্যানমার আরাস প্যালেস রাজধানী ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ব্লকসি’র ১০ নম্বর রোডে অবস্থিত একটি আধুনিক আবাসিক প্রকল্প। ৯তলা বিশিষ্ট ভবনটির গ্রাউন্ড ফ্লোরে পার্কিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। অ্যাপার্টমেন্টটি মোট ৮তলা। টপ ফ্লোরে ক্লাব হাউজ, বারবিকিউ ও জিম রয়েছে।
স্যানমার সবসময় পরিবেশবান্ধব আধুনিক স্থাপনা নির্মাণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। আরাস প্যালেস এমনই একটি ভবন। এতে মোট একত্রিশটি (৩১) ইউনিট থাকছে। প্রতি ফ্লোরে পাঁচটি করে ইউনিট। ইউনিট এ-তে ১৮৮০ ও ১৭৯৫ বর্গফুট, বি-তে ১৬৯৫ থেকে ১৭৫০ বর্গফুট, সি-তে ১৭৩০ থেকে ১৭৬৫ বর্গফুট, ডি-তে ১৭৯৫ বর্গফুট এবং ই-তে ৩৭৭০ বর্গফুট জায়গা রয়েছে। প্রকল্পে মোট জমির পরিমাণ ১৫ কাঠা। আরাস প্যালেসের প্রতিটি ইউনিটে রয়েছে আধুনিক ডিজাইনের ড্রয়িংরুমসহ অন্যান্য সুবিধা।
যোগাযোগের সুবিধার কথা বিবেচনা করলেও স্যানমারের আরাস প্যালেসকে আকর্ষণীয় মনে হবে। প্রকল্পের অদূরেই ৩০০ ফুট পূর্বাচল হাইওয়ের অবস্থান। এছাড়া পাশে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার প্রশস্ত সড়ক। প্রকল্প এলাকার সন্নিকটে মসজিদ, দুইটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় (যথাক্রমে ইন্ডিপিন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ ও নর্থসাউথ ইউনিভার্সিটি) রয়েছে।

কারিকা ডেস্ক : রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) উদ্যোগে কাতারের দোহায় দুই দিনব্যাপী এক আবাসন মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২২-২৩ জানুয়ারি এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়।
‘প্রবাসে উপার্জন, স্বদেশে আবাসন’ স্লোগানে দোহার এয়ারপোর্ট রোডের ক্রাউন প্লাজায় মেলাটি অনুষ্ঠিত হয়।
‘রিহ্যাব হাউজিং ফেয়ার কাতার-২০১৬’ শীর্ষক এই মেলার বিস্তারিত জানাতে সম্প্রতি দোহার সালিমার প্যালেসে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে বক্তব্য দেন রিহ্যাবের মেলা আয়োজক কমিটির কো-চেয়ারম্যান (বিদেশ) শাকিল কামাল চৌধুরী। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহসভাপতি মো. আনোয়ারুজ্জামান।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, কাতারে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠেয় এ মেলায় অর্ধশতাধিক প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে রিহ্যাবের সদস্যরা ছাড়াও কয়েকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
রিহ্যাবের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। শুক্রবার দোহার স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় প্রধান অতিথি হিসেবে মেলার উদ্বোধন করেন কাতারে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আসুদ আহমদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রিহ্যাবের সভাপতি আলমগীর শামসুল আলামিন।
সংবাদ সম্মেলনে মেলার সার্বিক দিক তুলে ধরে বক্তারা জানান, ‘মাতৃভূমির প্রতি সবারই ভালোবাসা ও নাড়ির একটা টান থাকে। সেই লক্ষ্য সামনে রেখেই আমরা এবার কাতারে প্রথমবারের মতো মেলার আয়োজন করেছি।’
মেলায় কো-স্পনসর হিসেবে ছিল সাতটি প্রতিষ্ঠান। এতে এন্ট্রি ও পার্কিং সুবিধা ছিল সম্পূর্ণ ফ্রি। এ ছাড়া আগত দর্শকদের জন্য লটারির মাধ্যমে পুরস্কার জেতার সুযোগ ছিল।