Home মূল কাগজ তারকার বাড়ি

রাইসুল ইসলাম আসাদ


রাজধানীর পল্টন লাইনের যে বাড়িতে এখন আছি, এখানেই আমার জন্ম, বেড়ে ওঠাও। ১৯৮৮/৮৯ সালের দিকে এখানে বহুতল ভবন হয়েছে। আগে তো পল্টন লাইনে ভবন ছিল হাতেগোনা। প্রায় সবই ছিল টিনের ঘর। যাদের বাড়ি তারাই থাকতো। মানে ভাড়াটিয়া ওঠানোর মানসিকতা ছিল না।
এ এলাকায় আগে প্রচুর গাছপালা ছিল। বাগান ছিল। কেউ ফুলের বাগান করতো। কেউ ফলের বাগান করতো। প্রত্যেকটা বাড়িতে তা-ই ছিল। এখন তো কারো বাড়িতে মাটি খুঁজে পাওয়া কঠিন। আমাদের এই বাড়িতে আম, জাম, নারিকেল, আতা, লেবু, কলা, লিচু, বেল, আনারস, কাঠাল, কমলা, তরমুজ, তাল, খেজুর, পেয়ারা, আঙুর, আমড়া, কুল, জাম্বুরা গাছ ছিল। আমরা এই মহল্লায়; আমার বাসায় খেজুরের রস খেতাম। কথায় বলে না, ঝড়ের দিনে আম কুড়াতে সুখ এখানে বিভিন্ন রকমের আমের গাছ ছিল। বৃষ্টি পড়ছে। শিলা পড়ছে। তার মধ্যে আম কুড়াতে বের হতাম আমরা। এই পল্টন লাইনে আমরা এগুলো করে বড় হয়েছি।
বহুতল ভবন হওয়ার সময় এসব গাছ কেটে ফেলতে হয়। গাছগুলো কাটার কারণে তিন/চারদিন আমি স্বাভাবিক ছিলাম না। কষ্টে বাড়ি থেকে দূরে দূরে থাকতাম। গাছগুলোর সঙ্গে বেড়ে উঠেছিলাম তো। এগুলো আমার সাথী ছিল।
পল্টন লাইন, পুরানা পল্টন, নয়া পল্টন, শান্তিনগর, সেগুন বাগিচা এসব এলাকা এ রকম নানা গাছপালায় ভরা ছিল। আমাদের এলাকার ভেতরেই ছিল পুকুর। সেখানে সাতার কাটা শিখেছি। সাতার কেটেছি। খেলার মাঠ ছিল। খেলতাম। এখন কোনো খেলার মাঠ নাই। খেলার কোনো জায়গা নাই। সব ফ্ল্যাট হয়ে গেছে। আশেপাশের ফ্ল্যাটে কারা থাকে, এ সময়ের বাচ্চারা সেই খবরও জানে না। এককভাবে সব জীবন যাপন শুরু করেছে। এই প্রজন্মের বাচ্চারা যেভাবে বেড়ে উঠছে, ভবিষ্যতে তারা কী হবে বলা বড় মুশকিল।
আমার জন্মের পর থেকেই দেখেছি এই বাড়িতে ৮/১০টা গরু ছিল। সেই গরুর দুধ হতো। আশেপাশের অনেক বাড়ির ছেলেমেয়ে আমাদের বাড়ির গরুর দুধ খেয়ে বড় হয়েছে। সেই দুধের সর। দুধ থেকে দই। সর থেকে ঘি এই সব আমাদের এই বাড়িতে হতো। আমরা বাড়ির গরু কুরবানি দিতাম। আমাদের সেভাবে বেড়ে ওঠা। এগুলো কি এখন ভাবা যায়?
এখনকার বাচ্চারা ঘরের ভেতর বন্দি! টেলিভিশন, না হলে ইন্টারনেট, না হলে মোবাইল ফোন-ল্যাপটপ নিয়ে ব্যস্ত। বেশিরভাগ ছেলেমেয়ে শারীরিকভাবে এক ধরনের প্রতিবন্ধী বলে আমার মনে হচ্ছে। আমার আশেপাশে যারা আছে, পরিচিত যাদের সঙ্গে কথা হয়, তাদের বেশিরভাগ স্কুলে পর্যন্ত খেলাধুলা করে না। কারণ স্কুলে খেলাধুলা করারও তাদের কোনো সময় নাই। শরীরচর্চার ব্যাপারটা মোটামুটি উঠে গেছে। এখন কিছু বললেই বলে, কেন জিমে যাবে? জিমে গিয়ে শরীরচর্চা করবে? কিন্তু খোলা জায়গায় খোলা মাঠে দৌড়ে বেড়ানো, খেলাধুলা এতে করে পুরো মহল্লার ছেলেপেলেদের মধ্যে যে একাত্মতা বা মিলেমিশে চলা আর সামাজিকভাবে বেড়ে ওঠার ব্যাপারটা একেবারে বদলে অন্যরকম হয়ে গেছে। এটা ভালো নাকি মন্দ, সেটা আরও বিশ-তিরিশ-চল্লিশ বছর পরে বোঝা যাবে।
আগে পল্টন লাইনের এদিকে আসলে মনেই হতো না ঢাকা শহরে আছি। এখন সব ঢাকাকেন্দ্রিক হয়ে যাওয়ায় একটা নাভিশ্বাস উঠে গেছে এই শহরের। এ অবস্থার পরিবর্তন যদি করা না যায় বা মানুষের ভাবনায় পরিবর্তন না আসে, তাহলে এই শহর আর বাসযোগ্য থাকবে বলে আমার মনে হয় না।
এখন আরেকটা সমস্যা হচ্ছে, আশেপাশের বাড়িগুলোতে নতুন নতুন ভাড়াটিয়া আসে। কিছুদিন থেকে চলে যায়। আবার নতুন লোক আসে। কেউ কাউকে চেনে না। আগে তো আমরা প্রত্যেকে প্রত্যেককে চিনতাম, জানতাম। প্রত্যেকটা বাড়ি ‘নিজেদের’ বাড়ি ছিল। প্রত্যেকটা বাড়ির অভিভাবক যারা ছিলেন, আমরা বাইরে কোথাও দুষ্টুমি করলে তারা শাসন করতেন। সেই অধিকার তাদের ছিল। এখন তো এক বাড়ির ছেলেমেয়েকে অন্য বাড়ির কেউ শাসন করলে এটা নিয়ে মারামারি লেগে যাওয়ার অবস্থা হয়ে যেতে পারে!
আগে পুরো পাড়াটা, পুরো মহল্লাটা একটা পরিবার ছিল। আমাদের খিদে লাগলে যেকোনো বাড়ির রান্নাঘরে ঢুকে খেয়ে ফেলতাম। প্রতিবেশিরা আমাদের আদর করতেন। শাসনও করতেন। এরকম পরিবেশে আমরা পুরো মহল্লার ছেলেমেয়ে বড় হয়েছি। এখনকার মতো তো পরিবারগুলোতে একটা দুইটা বাচ্চা না; কারও বাড়িতে ছয়টা সন্তান, কারও আটটা, কারও বাড়িতে ১০-১২টা সন্তান ছিল। পাড়ার বড়-ভাইবোনরা আমাদেরকে আদর করতেন। তাদেরকে শ্রদ্ধা করতাম। দুষ্টুমিও করতাম। আবার আমাদের সমবয়সী বা ছোটদের একটু-আধটু মধুর অত্যাচারও করতাম। কিন্তু একটা অন্যরকম পরিবেশে আমরা অনেক ছেলেমেয়ে এক পরিবারের মতো পুরো মহল্লাটায় বেড়ে উঠেছি।
শুটিংয়ের কাজে আমাকে প্রায়ই ঢাকার বাইরে যেতে হয়। বেশিরভাগ শুটিং হয় ঢাকার উত্তরা, গাজীপুরের পুবাইল, না হলে মানিকগঞ্জ, না হলে ঢাকার ধামরাই। উত্তরাতে অনেক শুটিং-হাউজ আছ। ওখানেই বেশি শুটিং হয়। যাদের সঙ্গে কাজ করি, সবাই বলে যে উত্তরাতে চলে আসতে পারো। যাতায়াতের যা অবস্থা। পুরানা পল্টন লাইনের ফ্ল্যাট ভাড়া দিয়ে চলে গেলে তো প্রতিদিন আসা-যাওয়ার তিন-চার ঘন্টা সময় বাঁচে। কিন্তু কল্পনাই করতে পারি না যে, এটা (পল্টন লাইনের বাড়ি) ছেড়ে দেব। নাড়ির টান বলে একটা কথা আছে। এখানেই জন্মেছি। এখানেই আছি। এখান থেকে অন্য কোথাও যাব, গিয়ে সেখানে স্থায়ীভাবে থাকব এটা কেন যেন আমি ভাবতেই পারি না।
অনুলিখন : সোহরাব শান্ত

ফারিয়া মৌ


ছোটবেলা কেটেছে ধানমন্ডিতে। বিকেলবেলা ছাদে যাওয়াটা ছিল প্রতিদিনের স্বাভাবিক অভ্যাস। এখন আর সময় হয় না। বর্তমানে থাকেন এয়ারপোর্ট রোডের একটি বাড়িতে। এই বাড়ির  প্রবেশপথে লিফট থেকে নামলেই কিছু গাছের দেখা মেলে। এরপর গৃহে প্রবেশের সময় সিলিংয়ে ঝোলানো লালচে আলোর আভায় এক পাশের দেয়ালে শোভা পাচ্ছে বৈচিত্র্যময় কিছু মুখোশ। একইভাবে বেশ গুরুত্বের সঙ্গে দেয়ালে জায়গা করে নিয়েছে দুটি দেয়ালচিত্র। আর এই দেয়ালের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে আরো বেশিসংখ্যক দেয়ালচিত্র রয়েছে গোটা দেয়ালজুড়ে।
শৈল্পিক এই বাসস্থান যার ছোঁয়া ও যাতে রঙিন, তার নাম সারা যাকের। কথায় কথায় সারা যাকের জানান, তার স্বামী নন্দিত অভিনেতা আলী যাকের পেইন্টিং ভালোবাসেন। একটা সময়ে  দু’জনে কোথাও বেড়াতে গেলেই পেইন্টিং কিংবা শোপিস খুঁজে খুঁজে নিয়ে আসতেন। খুব পছন্দ করেন নিজেদের বাড়ি নিজেরাই গুছিয়ে রাখতে। নিজের বাড়িতে আলাদা করে ইন্টেরিয়র ডিজাইনার দিয়ে ইন্টেরিয়রের কাজ করানোর পক্ষে না তিনি। নিজের রুচি অনুযায়ী নিজেদের আরামের কথা বিবেচনায় রেখে নিজেদের মতো করেই ঘর সাজানোতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন তিনি। ঘরটা যেমনই হোক সেটাকে গুছিয়ে পরিপাটি রাখাই আসল মনে হয় সারা যাকেরের। নিজের বাড়িতে এদিক-ওদিকে ঘুরে ঘুরে তিনি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রকমের টুকিটাকি পরিবর্তন করতে পছন্দ করেন। এতে করে তার ঘরের একঘেয়েমি দূর হয়। ঘর গোছানোর ক্ষেত্রে খুব নিয়ম করে কোনো ট্রেন্ড অনুসরণ করেন না তিনি। তবে নিজের ঘরের জন্য পুরনো দিনের স্টাইল বেশি পছন্দ। একটা সময়ে নিজের হাতে বেডকভার, কুশনকভার এমব্রয়ডারি করে ব্যবহার করতেন। এখন সেই সময়টা কোনোভাবেই হয়ে ওঠে না। নিজের বাসা সাজানোর ক্ষেত্রে তিনি পুরনো দিনের স্টাইল অনুসরণ করার চেষ্টা করেন। শ্বশুরবাড়ি এবং দাদার থেকে পাওয়া পুরনো ফার্নিচারগুলো তার বেশ পছন্দের। সেগুলোকে এখন নিজের মতো করে পরিবর্তন করে ব্যবহার করেন। বেডরুমের বেডটা দু’দিকে উঁচু ছিল। তিনি সেটাকে কাস্টমাইজড করে নিজের ঘরে ব্যবহার করছেন। শাশুড়ির কাছে পাওয়া একটি আলমারি মেয়েকে দিয়েছেন। মেয়ে শ্রেয়ার ফ্ল্যাটের ইন্টেরিয়র ডিজাইনটাও সারা যাকের নিজেই করেছেন। মেয়ের বাসাটাকে তিনি মেয়ের পছন্দকে গুরুত্ব দিয়েই গুছিয়ে দিয়েছেন। সেখানে আধুনিকতার ছাপটাই বেশি পাওয়া যায়। আর নিজের বাড়িতে ঘর গোছানোর ক্ষেত্রে স্বামী আলী যাকেরের কাছ থেকে বেশ সহযোগিতা পান তিনি। উইন্ডো সিলিংয়ে গাছ লাগানোটাও হয়েছে আলী যাকেরের কল্যাণে। তিনি সবুজ পরিবেশ, গাছগাছালি খুব পছন্দ করেন। গাছের সঙ্গে বেশ সখ্য তার। বাস্তবতার সঙ্গে সহজে খাপ খাওয়াতে পারেন সারা যাকের। গ্রামের বাড়িতে গেলে সেখানকার প্রাকৃতিক পরিবেশে থাকতেই বেশি পছন্দ করেন।
লেখালেখি বা একান্ত নিজের মতো করে সময় কাটাতে নিজের ঘরটাই বেশি পছন্দ সারা যাকেরের। আর ছেলে-মেয়েসহ পরিবারের সবাই মিলে লিভিংরুমে সময় কাটাতে খুব পছন্দ করেন। যদিও সবার ব্যস্ততার জন্য তেমন সময় পাওয়া হয় না। কিন্তু কাজের ফাঁকে পরিবারের সবাইকে নিয়ে অবসর সময়টাকে আনন্দঘন করতেই বেশি পছন্দ তার। অবসরে বাড়ির একটা ঘরে থিয়েটার সিস্টেমে নিজের পছন্দের সিনেমা দেখেন। আর বই পড়াটাকে তার দৈনন্দিন একটা অভ্যাস বলে মনে করেন তিনি। প্রতিদিনের পড়া বইগুলোকে নিয়ম করে গুছিয়ে রাখাটাও তার দৈনিক একটা কাজের অংশ।
সারা যাকের নিয়মিত নাটক লেখেন। নাটকের রিহার্সেলটা তার বাড়িতেই হয়। বাড়ির একটা ঘরে প্রায় নিয়ম করেই এই রিহার্সেল চলে। ঠিক উল্টোপাশেই একটা রুমে পরিবারের সদস্যদের জন্য রয়েছে শরীরচর্চা কেন্দ্র। সার্বিকভাবে যে কোনো অজুহাতে বাড়িতে থাকাটাই এখন বেশি পছন্দ একুশে পদকপ্রাপ্ত এই সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের।

উত্থান-পথন, পাওয়া-না পাওয়ার নানা গল্পের শেষে অবশেষে আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘর বাধলেন ভারতিয় ক্রিকেটার বিরাট কোহলি ও অভিনেত্রী আনুষকা শর্মা। হচ্ছে-হবে করে এই ডিসেম্বরেই শোনা গেলো, ভারতের জাতীয় ক্রিকেট দল থেকে ছুটি নিয়েছেন কোহলি। কেন সেটা জানতেও খুব একটা বেগ পেতে হলো না। ডিসেম্বরের ১১ তারিখ হলো বিয়ে। সে আয়োজন মূল ধারার মিডিয়ার ধরা-ছোঁয়ার বাইরে রাখা হলেও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিয়ের ছবিগুলো ঠিকই বিরাট-আনুশকাভক্তদের মধ্যে তুলেছে আলোড়ন। সম্ভবত সেটা ২০১৭ সালের শেষ হয়ে গেলেও চলবে।

এখন প্রশ্নটা হচ্ছে, বিয়ের পর সংসারটা কোথায় পাতবেন এই তারকা দম্পতি? জানা গেছে মুম্বাইয়ের ওরলিতে গত বছরই একটি আলিশান ফ্ল্যাট কিনেছিলেন কোহলি। সেটা আনুশকাকে নিয়ে থাকার জন্যই কিনা কে জানে! ওমকার রিয়েলটরস অ্যান্ড ডেভেলপারসের কাছ থেকে ৩৪ কোটি ভারতীয় রুপিতে কিনেছিলেন সেটা। ওমকার ‘১৯৭৩’ কমপ্লেক্সের সবচেয়ে বিলাশবহুল অংশ টাওয়ার ‘সি’-এর ওই অ্যাপার্টমেন্টের আয়তন সব মিলিয়ে ৭ হাজার ১৭১ বর্গফুট। অ্যাারাবিয়ান সাগরের দিকে মুখ করা অ্যাপার্টমেন্টটি দেখলে কোহলির রুচির প্রশংসা না করে উপায় নেই।

ওমকার ১৯৭৩-এর অধীনে মোট তিনটি টাওয়ার। সব মিলিয়ে ৭০টি ফ্লোর। চার বেডরুমের অ্যাপার্টমেন্টগুলোর নকশা চাইলে কোম্পানির ওয়েবসাইট থেকে যেকেউ দেখে নিতে পারবেন। ছাদের উচ্চতা ১৩ যা সবগুলো ঘরকে করেছে খোলামেলা। প্রতিটি বেডরুমের সাথেই আছে আলাদা বারান্দা। ওমকার ১৯৭৩’র ভেতরে অনেক কিছুর মধ্যে আলাদা উল্লেখ করতে হবে ইনডোর টেনিস কমপ্লেক্স, পোষা পশু-পাখির জন্য হাসপাতাল এবং শিশুদের জন্য ডে-কেয়ার সেন্টারের কথা।

কমপ্লেক্সের ইউনিটগুলো ২ হাজার ৬০০ থেকে ১৮ হাজার ২০০ বর্গফিটের। প্রবেশপথে বিশাল লবি, ব্যায়ামাগার সহ রয়েছে খেলাধুলার নানা সুবিধা। ছাদে যেকোনো ধরনের পার্টি আয়োজনের জন্য সুইমিংপুল ও খেলাধুলার সুবিধাসহ বিশেষ ব্যবস্থা।

বেশকয়েকটি বিশ্বসেরা স্থাপত্য বিষয়ক প্রতিষ্ঠানের নাম জড়িয়ে আছে অমকার প্রজেক্টের সাথে। যেমন ব্রেকলি-আমেরিকা পেট কেয়ার ফ্যাসিলিটি ও যুক্তরাজ্যের এইচবিএ (হার্স বেনডার অ্যাসোসিয়েটস)। এই এইচবিএই কমপ্লেক্সের সব আতিথেয়তা ব্যবস্থাপনা (Hospitality Management)  ও অভ্যন্তরীণ নকশা নির্ধারণের ক্ষেত্রে মূল ভূমিকা রেখেছে। এছাড়া ল্যান্ডস্কেপ আর্কিটেকচারের ক্ষেত্রে কাজ করেছে এলডিএ ডিজাইন। তবে পুরো কমপ্লেক্সের মূল দায়িত্বের ছিল লন্ডনভিত্তিক স্থাপত্যফার্ম ফস্টার + পার্টনার্স।

কোহলি ও আনুশকা যদি এখানেই ঘর বাধেন তাহলে নিজেদের মতোই বেশ কয়েকজন প্রতিবেশিকেও পেয়ে যাবেন তারা। কোহলি যেখানে অ্যাপার্টমেন্ট কিনেছেন সেই ‘সি’ টাওয়ারের ২৯ তলায় একটি ফ্ল্যাট কিনেছেন আরেক ভারতীয় ক্রিকেটার যুবরাজ সিং। সেটা অবশ্য ২০১৩ সালের কথা। ‘ভিরুস্কা’ নামে পরিচিতি পাওয়া কোহিলি আনুশকা জুটি বিয়ে হয়েছে ইতালিতে। তবে বিবাহোত্তর সংবর্ধনা দেয়া হয় প্রথমটি নয়াদিল্লীতে ডিসেম্বরের ২১ তারিখ। আরেকটি মুম্বাইতে ২৬ ডিসেম্বর। এসব শেষকরে হানিমুনের জন্য দুজন পাড়ি জমান দক্ষিণ আফ্রিকায়।

 

 

25497331_2005261239489787_266131856_n

 

0 583

কারিকা ডেক্স


১ম পর্ব

কিংবদন্তি ববি চার্লটনের রেকর্ড ভাঙা ওয়েন রুনি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে ফুটবলকে দিয়েছেন অনেক কিছু। আর ফুটবলও তাকে খালি হাতে ফেরায়নি। অর্জন করেছেন আকাশসম খ্যাতি। সেই সঙ্গে অঢেল অর্থের সুবাদে পেয়েছেন বিলাসি জীবন।চেশায়ারের মিলিয়নিয়রদের এলাকা প্রেটসবুরিতে ৫ মিলিয়ন পাউন্ড মূল্যের এক ম্যানসনে নিজের পরিবার নিয়ে থাকেন রুনি।এটার নাম নিয়েছেন ওয়েন’স ওয়ার্ল্ড। রুনি যখন ২০ একরের জমিটা কিনলেন তখন স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে থাকতেন ৫ বেডরুমের একটি ফ্ল্যাটে।রুনির  ডিজাইনের ওয়েন’স ওয়ার্ল্ডের  নির্মাণকাজ শেষ হয় ২০০৫ সালে। এটাকে ঠিক বাড়ি না বলে প্রাসাদ বললেই বেশি মানানসই হবে। এর মধ্যে রয়েছে সুইমিংপুল, জিম, বিলিয়ার্ড খেলার সুবিধা, ফুটবল মাঠ, এমনকি একটা সিনেমাহলও! সামনে কাকর বেছানো পথ। যার দুই শাখা ধরে চলে যাওয়া যাবে বাড়ির যেকোনো অংশে। বাড়ির চারধারের খোলা লনে রয়েছে ঘোরাঘুরির ব্যবস্থা যেখানে ছায়া দেয় বড় বড় গাছ। বাড়ির পাহারায় প্রাচীর আর তার ওপরে কাটাতার তো রয়েছেই, সেসব আবার পাহারা দিচ্ছে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা দিয়ে। ব্যক্তিগত জীবনে রুনি বেশ রক্ষণশীল। তার বাড়ির ভেতরটা দেখতে পাওয়া কঠিন কাজই বটে। ‘দ্য ম্যান  বিহাইন্ড দ্য গোল’ প্রামাণ্য চিত্রের কাজে অনেক বলেকয়ে বিবিসির ক্যামেরা ঢোকার অনুমতি পেয়েছিল রুনির প্রাসাদে ঢোকার। সেই প্রামণ্যচিত্রে কেবল বাড়ি নয়, বলা হয় ফুটবলার রুনির বাবা ও স্বামী হয়ে ওঠার গল্প, যেটা আবর্তিত হয়েছে রুনির সেই বাড়িটি ঘিরেই। স্ত্রীর পাশাপাশি রান্নার কাজটা রুনিও চালিতে নিতে পারেন। তাতে কষ্ট খুব একটা হয় বলে মনে হয় না। ক্লিভ ক্রিশ্চিয়ান রান্নাঘরটির পেছনে খরচ হয়েছে প্রায় দেড় লাখ পাউন্ড। ডুয়েল ফুয়েল ওভেনের দামটাই ২০ হাজার পাউন্ড। আছে সাড়ে ১৩ হাজার পাউন্ডের সাব-জিরো ফ্রিজ। সাব জিরো ওয়াইন কেবিনেটা বসাতে খরচ হয়েছে ১১ হাজার ডলার কিছু বেশি। এই রান্নাঘরেই আছে একটা রবার্টস রেডিও। যেটার দাম পড়েছে ২০০ পাউন্ড। ৪২ পাউন্ডের মেলন ক্যান্ডেলটাও দারুণ।

0 875

কারিকা ডেস্ক
বাড়ির নাম অ্যান্টিলিয়া। এর অবস্থান মুম্বাইয়ের আলতামাউন্ট সড়কে। এর মালিক পৃথিবীর শীর্ষ ধনীদের একজন মুকেশ আম্বানি । স্ত্রী নীতা আম্বানির সঙ্গে বুদ্ধি-পরামর্শ করে তিনি এ বাড়ি বানিয়েছেন। লোকজন বলাবলি করছে, এটি একুশ শতকের তাজমহল। এটি পৃথিবীর অন্যতম দামি বাড়ি।
বাড়িটি বানানোর আগে তারা দু’জনে মিলেই অনেক পরিকল্পনা করেছেন। জায়গাটা হওয়া চাই সাগরের ধারে। নীতারও এমনটাই ইচ্ছা ছিল। শুরু হলো জায়গা খোঁজা। পেয়েও গেলেন। দক্ষিণ মুম্বাইয়ের আলতামাউন্ট সড়ক। খুবই দামি সড়ক এই আলতামাউন্ট। ২০০৮ সালের একটি বেসরকারি জরিপে এটিকে বিশ্বের দশম দামি সড়ক হিসেবে দেখানো হয়েছে। এখানকার প্রতি বর্গমিটার জমির দাম প্রায় ২৫ হাজার মার্কিন ডলার। কাছেই কাম্বালা পাহাড়। আর আরব সাগর ডান দিকে। সমুদ্র উপকূল থেকে জায়গাটি মাত্র ৪৫৩২ বর্গমিটার দূরে। মুকেশ আম্বানি বাড়িটি তৈরির জন্য ২০০৪ সালে ১১৭৯৩ বর্গমিটার জমি কেনেন। বর্তমানে ৪০০ কোটি রুপিরও বেশি দাম। অনেক চিন্তাভাবনা করে আম্বানি পরিবার বাড়ির নাম রাখেন অ্যান্টিলিয়া। এটি মূলত একটি কল্পিত দ্বীপের নাম, যার অবস্থান ছিল নাকি আটলান্টিক মহাসাগরে। দ্বীপটি নিয়ে লোকমুখে অনেক গল্পগাথা। বিশেষ এই দ্বীপটির নামের সঙ্গে মিল রেখে বাড়ির নাম রাখেন অ্যান্টিলিয়া।
নানা দেশের নামি-দামি স্থপতি আর প্রকৌশলীদের সঙ্গে পরামর্শ করে ২০০৭ সালে শুরু হয় নির্মাণকাজ। নকশা তৈরি করে আমেরিকান প্রতিষ্ঠান পারকিনস অ্যান্ড উইলস। আর ঠিকাদার ছিল লেইটন হোল্ডিংস কোম্পানি। বাড়িটির কাঠামো গড়ে দিয়েছে স্টেরলিং ইঞ্জিনিয়ারিং কনসালটেন্সি প্রাইভেট কোম্পানি লিমিটেড। অ্যান্টিলিয়ার বাইরেটা বিদেশিরা করলেও ভেতরের সব কিছুই করেছেন ভারতীয়রা। তবে শ্রমিকদের সবাই ভারতীয় ছিলেন না। মোট শ্রমিকের ৮৫ শতাংশ ছিলেন আমেরিকান। বাকি ১৫ শতাংশ ভারতীয়। স্বপ্নের এই বাড়ি নির্মাণে মুকেশ আম্বানি অর্থ খরচ করতে কিন্তু এতটুকুও কার্পণ্য করেননি। দেদার খরচ করেছেন। জানা গেছে, পরিমাণটা ১০০ কোটি ডলারেরও বেশি। ফোর্বস ম্যাগাজিনের হিসাব মতে, বাড়িটি তৈরি করতে খরচ করা হয়েছে প্রায় দুই বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর বানাতে সময় লেগেছে প্রায় তিন বছর। মজার ব্যাপার হলো, এটি ২৭তলা হলেও উচ্চতা একটি ৬০তলা বাড়ির সমান। প্রতিটি তলার উচ্চতা স্বাভাবিক বাড়ির তুলনায় প্রায় দেড় গুণ বেশি। নকশা অনুযায়ী বাড়িটির উচ্চতা ৫৭০ ফুট। এ ছাড়া অ্যান্টিলিয়ার আছে বিশেষ ভূমিকম্প প্রতিরোধ ব্যবস্থা। রিখটার স্কেলে ৮ মাত্রার ভূমিকম্পের সময়ও এটি স্থির দাঁড়িয়ে থাকতে পারবে। বাড়ির ভেতর তেমন কোনো কম্পন অনুভূত হবে না। প্রতি তলায় আলাদা সাজ রয়েছে। শুধু তাই নয় প্রতিটি তলার সজ্জা একেবারে আলাদা। প্রতিটি তলার গঠন, কারুসজ্জা স্বতন্ত্র। আর এই পরিকল্পনায় ছিলেন স্বয়ং নীতা আম্বানি। তারই নির্দেশনায় প্রতিটি তলা তৈরি হয়েছে পৃথক পৃথক উপাদান দিয়ে। যেমন দশম তলায় যদি মার্বেল পাথর আর ক্রিস্টাল ব্যবহার করা হয়, তাহলে এর ওপর তলায় গ্রানাইট। সেখানে নতুন কোনো উপকরণ ব্যবহার করতে হবে। সেটি হতে পারে দুষ্প্রাপ্য গাছের কাঠ আর আকর্ষণীয় টাইলসের মিশ্রণ। মোট কথা, প্রতিটি তলায় নতুন কিছু চাই। এখানেই শেষ নয়। ২৭ তলার প্রতিটিতে নকশার কাজে ব্যবহার করা হয়েছে নানা রকম দুষ্প্রাপ্য পাথরের সঙ্গে মুক্তা, যার মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে চাঁদ ও সূর্যের নকশা। বাড়ির ভেতরে মোট থাকার জায়গা রয়েছে চার লাখ বর্গফুট। বেইজমেন্টে রয়েছে গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থা। একসঙ্গে ১৬৮টি গাড়ি পার্ক করা যায়। রয়েছে চমৎকার অভ্যর্থনাকক্ষ। ছাদে তিনটি হেলিপ্যাড। একসঙ্গে তিনটি হেলিকপ্টার নামতে পারবে। রয়েছে এয়ার ট্রাফিক সিস্টেম। আরো আছে যোগ ও ধ্যানের ঘর, বিশ্রামের ঘর, নাচের স্টুডিও। অবসরে গান শোনার জন্যও রয়েছে নিরিবিলি আলাদা ঘর। আটতলায় আছে ছোট একটা থিয়েটার। একসঙ্গে ৬৫ জন লোক বসে সিনেমা উপভোগ করতে পারবেন। পুরো একটি তলা সুইমিং পুল। এর চারপাশে ফুলের বাগান। বাড়িটির তিনটি তলাজুড়ে রয়েছে ঝুলন্ত বাগান। সেখানে নানা দুষ্পাপ্য ফুল, অর্কিড, পাতাবাহারগাছসহ চোখ জুড়ানো দেশি ফুলেরও দেখা মেলে। বাগানের মধ্যে আছে বসে বই পড়ার ব্যবস্থা। বাগানের পাশে উপাসনালয়। সেখানে মিসেস আম্বানি নিয়মিত গণেশ ও শিবের পূজা করেন। বিশাল এক বলঘর আছে এবং এর সিলিংয়ের প্রায় ৯০ শতাংশই দূর্লভ ক্রিস্টাল পাথরের তৈরি ঝাড়বাতি দিয়ে সাজানো। যার সেন্ট্রাল ঝাড়বাতিটি খাঁটি সোনার।
এ বাড়িতে একটি বিশেষ রুম রয়েছে। এখানে কৃত্রিমভাবে তুষারপাত সৃষ্টি করা যায়। যা প্রচণ্ড গরমেও সাইবেরিয়ার মতো শীতের আমেজ এনে দিতে পারে। পুরো একটি তলা সাজানো হয়েছে অতিথিদের রাতে থাকার সুবিধার জন্য। আরো  রয়েছে সুবিশাল পাঠাগার ও বিরাট খাবার ঘর। বাড়িটির শীর্ষ তলায় শোবার ঘর। এখান থেকে মুম্বাই শহরের প্রায় পুরোটাই দেখা যায়। রাতের আঁধারে আরব সাগরের বুকে ভেসে চলা বড় কোনো মাছ ধরার নৌকা বা মালবাহী জাহাজের গায়ের টিমটিম করে জ্বলা আলোও চোখে পড়ে এখান থেকে। সে এক অপূর্ব দৃশ্য! খুবই দামি এই বাড়িটি সম্পর্কে নীতা আম্বানি সহজে কিছু বলতে চান না। তার কাছে এটি ব্যক্তিগত ব্যাপার। বাড়িটি নিয়ে মিডিয়ার এত মাতামাতি নীতার পছন্দ নয়। তিনি বলেন, ‘আসলে বাড়িটি নিয়ে অনেক মুখোরোচক কথা ছড়িয়ে রয়েছে।’ মুকেশ আম্বানিও বাড়ির ব্যাপারে মুখ খুলতে চান না। এ ব্যাপারে তিনি নীতা আম্বানির সঙ্গে একমত। তবে ব্যবসায়িক এক সংবাদ সম্মেলনে বাড়ি সম্পর্কে বলেন, ‘এটি একটি আধুনিক বাড়ি।’ এতটুকুই বলেই তিনি ইতি টানেন। ২০১০ সালে নির্মাণকাজ শেষ হলে অ্যান্টিলিয়ায় ছোট একটি পূজার আয়োজন করেন মিসেস আম্বানি। এরপর ২৮ অক্টোবর উদ্বোধন হয় বাড়িটির। তবে সেদিন থেকেই সেখানে বসবাস শুরু করেনি আম্বানি পরিবার। শুভ দিনের অপেক্ষায় ছিল। সপরিবারে গৃহে প্রবেশ করেন পরের বছরের দেওয়ালিতে। এত বড় বাড়িটিতে থাকেন মাত্র ছয়জন মানুষ। মুকেশ আম্বানি, তার সহধর্মিণী নীতা আম্বানি, দুই ছেলে, এক মেয়ে আর মুকেশ আম্বানির মা। আর এই ছয়জন বাসিন্দার বাড়িটির নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতার কাজ করে ৬০০ জন কর্মী।

0 804

বলিউডের সর্বকালের অন্যতম সেরা অভিনেতা হিসেবে অনেকেই মানেন তাকে। তিনি অমিতাভ বচ্চন। সংক্ষেপে বিগ বি নামেও ডাকেন অনেকে। বলিউডের আঙিনা পেরিয়ে দুনিয়াজোড়া তার জনপ্রিয়তা। জনপ্রিয় এ অভিনেতা মুম্বাইয়ে যে বাড়িটিতে থাকেন, সেটিও তার নামের মতোই পরিচিত! বাংলো টাইপের বাড়িটির নাম ‘জলসা’। বিলাসবহুল এ বাংলোটির আয়তন ১০ হাজার ১২৫ বর্গফুট।

মুম্বাইয়ের জুহু নামক অভিজাত এলাকায় জলসার অবস্থান। তবে শুধু জলসাই নয়, অমিতাভের আরেকটি বাড়ি রয়েছে, যার নাম ‘প্রতীক্ষা’। এ বাড়িতেই বেড়ে উঠেছেন বিগ বি। তাই এ বাড়িতে না থাকলেও মাঝে মাঝেই চলে যান পুরনো স্মৃতিবিজড়িত বাড়িটিতে। মা-বাবার স্মৃতি হিসেবেই বাড়িটিকে রেখে দিয়েছেন অমিতাভ। জলসার সঙ্গে বিগ বি ‘জনক’ নামের একটি ছোটখাটো বাড়ি সংযুক্ত রেখেছেন। এটি নিজের এবং পরিবারের অন্য সদস্যদের পারিবারিক জিম হিসেবে ব্যবহƒত হয়। এছাড়াও ভারতে ‘বৎস’ ও নতুন নাম না দেয়া একটি বাড়িও রয়েছে অমিতাভের।

জনপ্রিয় হিন্দি সিনেমা ‘শোলে’র পরিচালক রমেশ সিপ্পি বিগ বিকে ‘জলসা’ বাংলোটি উপহার হিসেবে দিয়েছিলেন। বাংলোটি বিগ বি’র স্ত্রী অভিনেত্রী জয়া বচ্চনের নামে নিবন্ধিত। আর এই বাংলোতেই তিনি তার পরিবার নিয়ে থাকেন। ছেলে অভিনেতা অভিষেক বচ্চন এবং পুত্রবধূ অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনও এখানেই থাকেন। জলসা বাংলোটিতে বর্তমান সময়ের আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে। উন্নত নিরাপত্তা, দারুণ ডিজাইন আর ইন্টেরিয়রের অসাধারণ এক মেলবন্ধন আছে বাড়িটিতে। বাড়ির ইন্টেরিয়র এমনই পছন্দ হয়েছিল যে, পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপ নিজের একটি সিনেমাতে জলসা’র কিছু অংশ দেখিয়েছিলেন। জলসাতেই পুরো পরিবারসহ থাকলেও গত ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বিগ বি প্রতি রোববার তার পুরনো বাংলো ‘প্রতীক্ষা’য় যান। সেখানে তার জন্য অসংখ্য ভক্ত ভিড় করে থাকেন প্রতি রোববার।

নুরুন্নবী চৌধুরী হাছিব