Home বাজার দর সিমেন্ট

কারিকা ডেক্স


ইট
১ নম্বর ইট পরিবহন খরচ বাদে হাজার-প্রতি ১০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ২ নম্বর ইটের দাম হাজার-প্রতি ৮-৯ হাজার টাকা। মেট্রোসেম অটো ব্রিকস পরিবহন খরচ বাদে গ্রেড-১ সলিড ১১ হাজার টাকা ও গ্রেড-২ সলিড ৯,৫০০ টাকা এবং পিকেট ১০ হাজার টাকা, থ্রি হোল ১২ হাজার টাকা এবং টেন হোল ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বালি
রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে পরিবহন খরচসহ প্রতি ট্রাক (৫ টনি) সিলেট বালি বিক্রি হচ্ছে ১২,৩৫০ টাকা এবং আস্তর বালি বিক্রি হচ্ছে ৩,২০০ টাকায়।

সিমেন্ট
শাহ সিমেন্ট স্পেশাল ব্যাগ-প্রতি ৪৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। শাহ পপুলারের ব্যাগ-প্রতি দাম ৪৪০ টাকা। হোলসিম নরমাল ব্যাগ-প্রতি ৪৭০ থেকে ৪৮০ টাকা ও হোলসিম ওপিসির দাম ৫৩০ থেকে ৫৫০ টাকা। স্ক্যান ব্যাগ-প্রতি ৪১০ টাকা ও ডায়মন্ড ব্যাগ-প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৪১০ থেকে ৪২৫ টাকা। সুপারক্রিট সিমেন্ট প্রতি বস্তা বিক্রি হচ্ছে ৩৯০ টাকা। ব্যাগ-প্রতি সেভেন রিং স্পেশাল ৪০০ টাকা, সেভেন রিং নরমাল ৩৮০ টাকা এবং সেভেন রিং গোল্ড ৪৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রড
পরিবহন খরচ ছাড়া কেএসআরএমের প্রতি টন বিক্রি হচ্ছে ৬৬ হাজার টাকা। টন-প্রতি বিএসআরএম ৬৬ হাজার, জিপিএইচ ৬৪ হাজার এবং রহিম স্টিল ৬৬ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মার্বেল ও গ্রানাইট
বিভিন্ন দেশ থেকে এগুলো আমদানি করা হয়। যেমন ইন্ডিয়া, নরওয়ে, ইতালি, টার্কিসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশ। মেঝে এবং দেয়াল সবখানে মার্বেল ও টাইলস ব্যবহার করা হয়। রান্নাঘরে চুলার নিচের যে স্পেস, আমাদের দেশে সেখানেই মার্বেলের ব্যবহার হয় বেশি। ইতালির মার্বেলকে বিভিন্ন আকৃতি দেয়া যায়। অন্যান্য ব্র্যান্ডের তুলনায় ইতালি এবং নরওয়ের মার্বেলের দাম একটু বেশি।
মার্বেল : ইন্ডিয়ান মার্বেল প্রতি বর্গফুটের দাম ১৫০ থেকে ৮৫০ টাকা। ইতালিয়ান ব্র্যান্ডের মার্বেলের প্রতি বর্গফুটের দাম ৫০০ থেকে ১,২৫০ টাকা। ইতালিয়ান ব্র্যান্ডের মধ্যে অরোরা, বায়ালজ গ্রিন, রোজালিয়া লাইট, মাসাকারার, সিলভার নোভা ইত্যাদি বেশ জনপ্রিয়। নরওয়ের মার্বেলের প্রতি বর্গফুটের দাম ৫৫০ থেকে ১,৩৫০ টাকা।
গ্রানাইট : ইন্ডিয়ান নরমাল গ্রানাইটের প্রতি বর্গফুটের দাম ৬০০ থেকে ৭৫০ টাকা, হেভি গ্রানাইট ১,০৫০ থেকে ১,৩৫০ টাকা। ইন্ডিয়ান গ্রানাইটের মধ্যে সিলভার পার্ল, সার্ফ হোয়াই, জাফরানা, মার্সেল এস, কারারা সিলেট ইত্যাদি বেশ পরিচিত।
ইতালিয়ান ব্র্যান্ডের মধ্যে রয়েছে ব্ল্যাক পার্ল, ইমারেল পার্ল, ব্লু পার্ল ইত্যাদি। এর প্রতি বর্গফুটের দাম পড়বে ৯৫০ থেকে ১,২৫০ টাকা। চায়না গ্রানাইট প্রতি বর্গফুটের দাম ৯০০ থেকে ১,০৫০ টাকা। নরওয়ে গ্রানাইট প্রতি বর্গফুটের দাম ৯০০ থেকে ১,৭৫০ টাকা।

টাইলস অ্যাডহেসিভ
খাদিম’স হাই বন্ড ২৫ কেজির দাম ৬৮৫ টাকা, টাইল ম্যাট ২৫ কেজি ৫১০ টাকা, টাইল মাস্টার ২৫ কেজি ৩৩৫ টাকা। খাদিম’স মারবেল গ্লু সাদা ২০ কেজি ৮৯০ টাকা ও ধূসর ২০ কেজি ৭৬৫ টাকা। খাদিম’স সিমেন্ট প্ল্যাস্টার ৫০ কেজি ৭০০ টাকা। খাদিম’স ফায়ার ফেড মর্টার ৫০ কেজি ১,৭০০ টাকা এবং টাইলস পয়েন্টিং (ওয়াটার প্রুফ) ১ কেজি ১২০ টাকা।

রঙ
বার্জারের ১৮.২ লিটারের বালতি-ভর্তি প্লাস্টিক ইমালশন বিক্রি হচ্ছে ৫,২০০ থেকে ৫,৫০০ টাকা। অ্যানামেল পেইন্ট প্রতি গ্যালন বিক্রি হচ্ছে ৯৬০ টাকা। এশিয়ান পেইন্টের ইন্টেরিয়র ওয়াল ফিনিশিংয়ের মধ্যে রয়েল গ্লিডার গোল্ড শেড ৪ লিটারের দাম ৫,৬০০ টাকা এবং ১ লিটারের দাম ১,৪৫০ টাকা। এক্সটেরিয়র ওয়াল ফিনিশিংয়ের মধ্যে অ্যাপেক্স আলটিমা ওয়েদার প্রুফ এমালশনের ১৮ লিটার ৮,২৮৫ টাকা, ৪ লিটার ১,৭৪০ টাকা এবং ১ লিটার বিক্রি হচ্ছে ৪৮০ টাকায়।
এশিয়ান এনামেল পেইন্টের মধ্যে অ্যাপকোলিট প্রিমিয়াম গ্লসের ১৮ লিটার ৬,০৭৫ টাকা, ৪ লিটার ১,২৫৫ টাকা এবং ১ লিটার বিক্রি হচ্ছে ৩৩৫ টাকায়।

সিমেন্টঃ
ইটের পর ইট গেঁথে সুউচ্চ অট্টালিকা তৈরির যে গল্প, তার পেছনে সিমেন্টের ভূমিকা অস্বীকার করার উপায় নেই। একবিংশ শতাব্দীতে এসে সিমেন্টের সাহায্যে ভবন নির্মাণ কৌশলের বিকল্প থাকলেও এখনো সেসব তেমন পরিচিতি লাভ করতে পারেনি। যে কারণে এই সিমেন্টই ধরে রেখেছে সবচেয়ে বেশি মানুষের আস্থা।
ইতিহাসঃ
সিমেন্টের ব্যবহার প্রথম কারা শুরু করেছিল জানা যায়নি। তবে খ্রীষ্টের জন্মেরও তিন হাজার বছর আগে মেসোপটেমিয়ার ভবন নির্মাণে সিমেন্ট বা এই ধরনের কিছু বস্তু ব্যবহারের প্রমাণ মিলেছে। সেই সময়ে চুনের সঙ্গে ছাই বা ঝামা পাথর মিশানো হতো, যেটা জমাট বাঁধতে সাহায্য করত। তবে এই প্রক্রিয়ার আবিষ্কারক তারা ছিল না। মেসোপটেমিয়ার মানুষ এগুলো ব্যবহার করত। পরবর্তীতে রোমান স্থপতিরা এর মাধ্যমে বড় বড় স্থাপনা নির্মাণ করেছিল।
মধ্যযুগে এসে কিছু কিছু খাল, বন্দর আর দূর্গ নির্মাণে সিমেন্ট ব্যবহারের নমুনা পাওয়া যায়। ১৮ শতকে এসে অবশ্য তা অনেক বেশি আধুনিক রূপ লাভ করে। এই সময় পানি-নিরোধক সিমেন্টও আবিষ্কৃত হয়। আধুনিক সিমেন্টের আবির্ভাব ঘটে মূলত ইউরোপের শিল্পবিপ্লবের সময়কাল থেকে।
একটা সময় পর্যন্ত ভবন নির্মাণে পাথরের ব্যবহার ছিল। কিন্তু মানুষ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভবনের চাহিদাও বাড়তে থাকে। তাই বাড়তি পাথরের যোগান দেয়াও কঠিন হয়ে পড়ে। যে কারণে বাড়ে ইট আর সিমেন্টের ব্যবহার। উনিশ শতকের সেই সময়টাতে হাইড্রোলিক সিমেন্টের আবির্ভাব ঘটে, যেটা বেশ অল্প সময়ের মধ্যেই জমাট বাঁধে। কিন্তু এ ধরনের সিমেন্টে কাজ করতেও বেশকিছু সমস্যা দেখা দেয়।
জন স্মেটন যখন ইংলিশ চ্যানেলে তৃতীয় এডিস্টন বাতিঘর (১৭৫৫-৯) নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছিলেন, তখন প্রচলিত সিমেন্টে সেই কাজ স¤পন্ন করা কঠিন হয়ে যাচ্ছিল। তার দরকার ছিল এমন ধরনের সিমেন্ট যেটা দিয়ে প্রবল জোয়ারের সময়ও কাজ করা যাবে এবং যেটা জমাট বাঁধতে অন্তত ১২ ঘণ্টা সময় নেবে। তাই স্মেটন বাজারে প্রচলিত সব ধরনের হাইড্রোলিক সিমেন্ট নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। নিজের চাহিদা তিনি পূরণ করেছিলেন কাদা ও আর চুনাপাথরের সংমিশ্রণকে নিয়ন্ত্রণ করে। ১৮১৭ সালে লুই ভ্যাকেটও এই পদ্ধতি অনুসরণ করে ভিন্নধর্মী সিমেন্ট তৈরি করেছিলেন। জেমস ফ্রস্ট নামক এক ব্যক্তিও প্রায় ভ্যাকেটের মতো একই ধরনের সিমেন্ট তৈরি করেন। তিনি সেটার নাম দেন ‘ব্রিটিশ সিমেন্ট’। ১৮২২ সালে পেটেন্টও সেরে ফেলেন। জোসেফ অ্যাসপোডিনও বিশেষ ধরনের সিমেন্ট তৈরি করেছিলেন, যেটার রঙ ছিল ইংল্যান্ডের পোর্টল্যান্ড উপকূলের এক ধরনের দামি পাথরের মতো। এই পাথর পোর্টল্যান্ড নামেই পরিচিত। এর নাম অনুসারে অ্যাসপোডিনও তার সিমেন্টের নাম রাখেন ‘পোর্টল্যান্ড সিমেন্ট’।

বাংলাদেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানাঃ
বাংলাদেশের অর্থনীতি বরাবরই কৃষিভিত্তিক হওয়ায় সিমেন্ট-শিল্পের বিকাশ হয়েছে অনেক পরে। তাছাড়া সিমেন্ট তৈরিতে প্রয়োজনীয় প্রাকৃতিক স¤পদেরও বেশ অভাব এখানে। কিন্তু যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশে নগরের বিকাশ ঘটতে শুরু করে। অর্থনীতির প্রধান অংশ কৃষির ওপর নির্ভরশীল থাকলেও তাতে শিল্পের প্রভাব বাড়তে শুরু করে। বাড়তে শুরু করে সিমেন্টের চাহিদাও। ২০১০ সালে হওয়া এক সমীক্ষা বলছে, পুরো বাংলাদেশে এক বছরে সিমেন্টের মোট চাহিদা ১৫ লাখ টন।
দেশের শিল্প কারখানার ইতিহাসে ছাতক সবচেয়ে পুরনো প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি। দেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানাও এটি। ১৯৪১ সালে সিলেটের ছাতক উপজেলায় সুরমা নদীর পাড়ে যাত্রা শুরু করে আসামবেঙ্গল সিমেন্ট কো¤পানি। পরবর্তীতে এটি ‘ছাতক সিমেন্ট কারখানা’ নামকরণ করা হয়। বর্তমানে এটি পরিচালিত হচ্ছে বাংলাদেশ কেমিকেল ইন্ডাস্ট্রি করপোরেশনের অধীনে।
ছাতকে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা হয় চুনাপাথর। মূল যোগান আসে ভারতের আসাম থেকে। তবে ছাতক সিমেন্ট কারখানার টেকেরঘাটে নিজস্ব পাথর উত্তোলনকেন্দ্র রয়েছে। বর্তমানে এই কারখানা থেকে বছরে ২ লাখ ৩৩ হাজার মেট্রিক টন সিমেন্ট উৎপাদিত হয়। এখানকার সিমেন্ট আসামে রফতানি হয়।

কারিকা ডেক্সঃ


ইটঃ
বাড়ি নির্মাণে সাধারণত যে ধরনের ইট ব্যবহার করা হয়, তার মধ্যে ১ নম্বর ইট হাজারপ্রতি পরিবহন-খরচ বাদে ৮ থেকে সাড়ে ৮ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ২ নম্বর ইটের দাম ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা।

ব্লক ইট বা হলো ব্লকঃ
ইটের পরিবর্তে এখন অনেক নির্মাণকাজে ব্লক ইট বা হলো ব্লক ব্যবহার হচ্ছে। কারণ এগুলো তৈরিতে মাটি বা মাটি পোড়ানোর ঝামেলা নেই। ব্যবহার হয় পাথর, বালি এবং সিমেন্ট।
হাজারপ্রতি ব্লকের দাম ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা। একটি সাধারণ ইটের তুলনায় ব্লক ইট ৪ থকে ৬ গুন বড় এবং ভেতরে ফাঁপা। তাই ব্লক ইট পরিবেশবান্ধব, নির্মাণে খরচ কম এবং এটি ব্যবহারে ভবনের ওজনও কমে যায়।
সাধারণ ভবনে এক বর্গফুটের নির্মাণ-খরচ পড়ে ১ হাজার ৮০০ টাকা। অথচ ব্লক ইট ব্যবহার করে ভবন তৈরি করতে প্রতি বর্গফুটে খরচ হয় মাত্র ১ হাজার ১৫০ টাকা।

থ্রি হোল ও টেন হোল ইটঃ
এই দুই ধরণের ইটকে বলা হয় ‘ইঞ্জিনিয়ারিং ইট’। মীর সিরামিক্স এই ইট উৎপাদন করে। দাম তুলনামূলক বেশি হলেও এসব ইট অন্যান্য দিকে সাশ্রয়ী। থ্রি হোল ইট প্রতি হাজার পরিবহন-খরচ বাদে বিক্রি হচ্ছে ১৯ হাজার ৫০০ টাকা। ইটের সাইজ ৭.৫ ী ৪.৫ ী ৬.৫। এই ইট ব্যবহার করলে দেয়ালে প্লাস্টারের প্রয়োজন হয় না। সাধারণ ইটের তুলনায় এই ইট ভার্টিক্যালি বেশি লোড নিতে পারে। ১০০ এসএফটি নির্মাণে প্রয়োজন হয় গড়ে ২৯৫টি ইট। আর টেন হোল ইট প্রতি হাজার পরিবহন-খরচ বাদে বিক্রি হচ্ছে ১৮ হাজার ৯০০ টাকা। ইটের সাইজ ৯.৯ ী ৪.৫ ী ২.২৫। ১০০ এসএফটি নির্মাণে প্রয়োজন হয় গড়ে ৫০০টি ইট।

বালিঃ
রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে পরিবহন খরচসহ প্রতি ট্রাক (৫ টনি) ভালো মানের আস্তর বালি বিক্রি হচ্ছে ৫ থেকে সাড়ে ৫ হাজার টাকায়। ভিটি বালি বিক্রি হচ্ছে ২ থেকে আড়াই হাজার টাকায়।

সিমেন্ট
বর্তমান বাজারে সিমেন্টের দাম অনেকটাই স্থিতিশীল। শাহ সিমেন্ট স্পেশাল ব্যাগ-প্রতি ৩৮০ থেকে ৩৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অপরদিকে শাহ পপুলারের ব্যাগ-প্রতি দাম ৩৭০ থেকে ৩৭৫ টাকা। সেভেন রিং স্পেশাল ব্যাগ-প্রতি ৪০০ টাকা, সেভেন রিং নরমাল ৩৮০ এবং সেভেন রিং গোল্ড ৪৩০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। হোলসিম নরমাল ব্যাগ-প্রতি ৪৩৫ থেকে ৪৪০ টাকা, হোলসিম ওপিসির ব্যাগ-প্রতি দাম ৪৮৫ থেকে ৪৯০ টাকা। স্ক্যান ব্যাগ-প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৪১০ টাকায়। ডায়মন্ড সিমেন্ট ব্যাগ-প্রতি দাম ৪১০ থেকে ৪১৫ টাকা।

রডঃ
কেএসআরএমের ৬০ গ্রেড এবং ৫০০ডব্লিউ রডের দাম প্রতি টন ৫১ হাজার থেকে ৫১ হাজার ৫০০ টাকা। বিএসআরএমের দাম প্রতি টন ৫২ হাজার টাকা। একেএস ৫০০টিএমটি প্রতি টন ৫১ হাজার টাকা। আনোয়ার ব্র্যান্ডের রড প্রতি টন ৪৯ হাজার থেকে ৪৯ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

টাইলসঃ
দেশে তৈরি ১২ ইঞ্চি বাই ২০ ইঞ্চি সাইজের ওয়াল টাইলস ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, ১০ ইঞ্চি বাই ১৬ ইঞ্চি ৫০ থেকে ৬৫ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি ৩৫ থেকে ৩৮ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১৮ ইঞ্চি ৫০ থেকে ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফ্লোরের জন্য সাড়ে ১২ ইঞ্চি বাই সাড়ে ১২ ইঞ্চি সাইজের টাইলস বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি সাইজের হোমোজিনাস টাইলস ৫৫ থেকে ৬০ টাকা এবং ১৬ ইঞ্চি বাই ১৬ ইঞ্চি সাইজের হোমোজিনাস টাইলসের দাম ৫৭ থেকে ৬৫ টাকা। অপরদিকে ১২ ইঞ্চি বাই ২৪ ইঞ্চি সাইজের চায়না ওয়াল টাইলসের দাম ১৪০ থেকে ১৬৫ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি সাইজের দাম ১৪০ থেকে ১৬৫ টাকা। আর ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি সাইজের ফ্লোর টাইলসের দাম ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা।

রঙঃ
চাহিদাসম্পন্ন অধিকাংশ রঙের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। বার্জার, এশিয়ান ও আরএকের মতো শীর্ষ ব্র্যান্ডের রঙ আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। বার্জারের ১৮.২ লিটারের বালতি-ভর্তি প্লাস্টিক ইমালশন বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৬৫০ টাকা, অ্যানামেল পেইন্ট প্রতি গ্যালন ৯৬০ টাকা। অপরদিকে ১৮.২ লিটারের বালতি-ভর্তি ডিসটেম্পার বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫৫০ টাকা। একই পরিমাপের ওয়েদারকোট বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৬০০ টাকা। একই পরিমাপের ওয়াটার সিলার বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৮৫০ টাকা। ২০ কেজি ডিওরোসেম বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ২০০ টাকা। এশিয়ান অনুরূপ ওজনের রঙ যথাক্রমে বিক্রি করছে ৩ হাজার ৩৫০ টাকা, ২ হাজার ৬৫০ টাকা, ৬৮০ টাকা, ১ হাজার ৪৫০ টাকা, ৪ হাজার ৪০০ টাকা, ২ হাজার ৮০০ টাকা ও ১ হাজার ১৫০ টাকা। আরএকে বিক্রি করছে ৩ হাজার টাকা, ৯৫০ টাকা, ৪ হাজার ২০০ টাকা, ২ হাজার ৬০০ টাকা ও ১ হাজার ২০০ টাকা।

সাবরিনা মিলি


ইটঃ
বর্তমানে বাড়ি নির্মাণের জন্য বিভিন্ন ধরনের এবং মানের ইট ব্যবহার করা হচ্ছে। ধরন এবং মানের ওপর নির্ভর করে দামেরও ভিন্নতা রয়েছে।
আমরা বাড়ি নির্মাণে সাধারণত যে ধরনের ইট করি এ ধরনের ইটের মধ্যে ১ নম্বর ইট পরিবহন খরচ বাদে ৮ হাজার থেকে ৮ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ২ নম্বর ইটের দাম ৬ হাজার থেকে ৭ হাজার টাকা। কিছুদিন আগেও দাম কিছুটা কম ছিল।

ব্লক ইট বা হলো ব্লকঃ
ইটের পরিবর্তে এখন অনেক নির্মাণ কাজে ব্লক ইট বা হলো ব্লক ব্যবহার হচ্ছে। কারণ তৈরিতে মাটি বা মাটি পোড়ানোর কোনো ঝামেলা নেই। ব্যবহার হয় পাথর, বালি এবং সিমেন্ট।
ইটের হাজার যেখানে ৬ হাজার থেকে ৮ হাজার টাকা, সেখানে ১ হাজার হলো ব্লকের দাম ৬ হাজার থেকে ৭ হাজার টাকা। ইটের তুলনায় একটি ব্লক ৪ থেকে ৬ গুণ বড় এবং ভেতরে ফাঁপা। তাই ব্লক ইট পরিবেশবান্ধব, নির্মাণে খরচ কম এবং ভবনের ওজনও কমে যায়।
সাধারণ ভবনে এক বর্গফুটের নির্মাণ খরচ পড়ে ১ হাজার ৮০০ টাকা। অথচ ব্লক ইট ব্যবহার করে ভবন তৈরি করতে প্রতি বর্গফুটে খরচ হয় মাত্র ১ হাজার ১৫০ টাকা।

থ্রি হোল ব্রিকঃ
এই ইটকে ইঞ্জিনিয়ারিং ইট বলে। মীর সিরামিক্স এই ইট উৎপাদন করে। এটির দাম একটু বেশি মনে হলেও অন্যান্য দিকে সাশ্রয়ী। থ্রি হোল ইট প্রতি হাজার পরিবহন খরচ বাদে বিক্রি হচ্ছে ১৯৫০০ টাকা। ইটের সাইজ ৭.৫ x ৪.৫ x ৬.৫ নির্মাণ কাজে এই ইট ব্যবহার করলে ওয়ালে প্লাস্টারের প্রয়োজন হয় না। সাধারণ ইটের থেকে এই ইট ভার্টিক্যালি বেশি লোড নিতে পারে। ১০০ এসেফটি নির্মাণে প্রয়োজন হয় ২৯৫টি ইট।

টেন হোল ইটঃ
এই ইটকে ইঞ্জিনিয়ারিং ইট বলে। এটির দাম একটু বেশি মনে হলেও অন্যান্য দিকে সাশ্রয়ী। টেন হোল ইট প্রতি হাজার পরিবহন খরচ বাদে বিক্রি হচ্ছে ১৮৯০০ টাকা। ইটের সাইজ ৯.৯x ৪.৫x ২.২৫। নির্মাণ কাজে এই ইট ব্যবহার করলে ওয়ালে প্লাস্টারের প্রয়োজন হয় না। সাধারণ ইটের থেকে এই ইট ভার্টিক্যালি বেশি লোড নিতে পারে। ১০০ এসেফটি নির্মাণে প্রয়োজন হয় ৫০০টি ইট। এটি মীর সিরামিক্সের একটি পণ্য।

বালিঃ
মাটিতে গর্ত করে এক ধরনের বালি পাওয়া যায়, যা মসৃণ, কোনাকার এবং ক্ষতিকারক লবণ থেকে মুক্ত থাকে। এই ধরনের বালি সাধারণত মর্টারের কাজে ব্যবহৃত হয়।
নদীর বালিঃএই ধরনের বালি নদীর উপকূলে পাওয়া যায়, যা চিকন ও গোলাকার হয়ে থাকে। এটা পিট বালি অপেক্ষা সূক্ষ্ম, তাই প্লাস্টারিংয়ের কাজে এই বালি ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
মোটা দানাঃ বালির দানা তুলনামূলক একটু বড় আকৃতির হয়, তাই নির্মাণ কাজে ঢালাইয়ের সময় খুবই উপযোগী।
রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে পরিবহন খরচসহ প্রতি ট্রাক (৫ টনি) ভালো মানের আস্তর বালি বিক্রি হচ্ছে পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচ হাজার টাকায়। ভিটি বালি বিক্রি হচ্ছে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকায়। তৈরিতে সিলেট বালি সমান থাকে।

সিমেন্ট
নির্মাণ কাজে সিমেন্ট একটি অপরিহার্য পর্দাথ। বর্তমান বাজারে সিমেন্টের দাম অনেকটাই স্থিতিশীল। শাহ সিমেন্ট স্পেশাল ব্যাগ-প্রতি ৩৮০ থেকে ৩৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অপরদিকে শাহ পপুলারের ব্যাগ-প্রতি দাম ৩৭০ থেকে ৩৭৫ টাকা। সেভেন রিং স্পেশালের ব্যাগ-প্রতি দাম ৪০০ টাকা, সেভেন রিং নরমাল ব্যাগ-প্রতি ৩৮০ টাকা এবং সেভেন রিং গোল্ড ব্যাগ-প্রতি ৪৩০ টাকা। হোলসিম নরমাল ব্যাগ-প্রতি দাম ৪৩৫ থেকে ৪৪০ টাকা, হোলসিম ওপিসির ব্যাগ-প্রতি দাম ৪৮৫ থেকে ৪৯০ টাকা। স্ক্যান ব্যাগ-প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৪১০ টাকায়। ডায়মন্ড সিমেন্ট ব্যাগ-প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৪১০ থেকে ৪১৫ টাকা।

রডঃ
কেএসআরএমের ৬০ গ্রেড এবং ৫০০ডব্লিউ রডের প্রতি টন ৫১ হাজার থেকে ৫১ হাজার ৫০০ টাকা। বিএসআরএমের দাম প্রতি টন ৫২ হাজার টাকা। একেএস ৫০০টিএমটি প্রতি টন ৫১ হাজার টাকা। আনোয়ারের রডের প্রতি টন ৪৯ হাজার থেকে ৪৯ হাজার ৫০০ টাকা।

টাইলসঃ
দেশে তৈরি ১২ ইঞ্চি বাই ২০ ইঞ্চি সাইজের ওয়াল টাইলস ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, ১০ ইঞ্চি বাই ১৬ ইঞ্চি ৫০ থেকে ৬৫ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি ৩৫ থেকে ৩৮ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১৮ ইঞ্চি ৫০ থেকে ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফ্লোরের জন্য সাড়ে ১২ ইঞ্চি বাই সাড়ে ১২ ইঞ্চি সাইজের টাইলস বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি সাইজের হোমোজিনাস টাইলস ৫৫ থেকে ৬০ টাকা এবং ১৬ ইঞ্চি বাই ১৬ ইঞ্চি সাইজের হোমোজিনাস টাইলস ৫৭ থেকে ৬৫ টাকা। অপরদিকে ১২ ইঞ্চি বাই ২৪ ইঞ্চি সাইজের চায়না ওয়াল টাইলসের দাম ১৪০ থেকে ১৬৫ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি সাইজের দাম ১৪০ থেকে ১৬৫ টাকা। আর ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি সাইজের ফ্লোর টাইলসের দাম ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা।

রঙঃ
চাহিদাসম্পন্ন অধিকাংশ রঙের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। বার্জার, এশিয়ান ও আরএকের মতো শীর্ষ ব্র্যান্ডের রঙ আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। বার্জারের ১৮.২ লিটারের বালতি-ভর্তি প্লাস্টিক ইমালশন বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৬৫০ টাকা, অ্যানামেল পেইন্ট প্রতি গ্যালন বিক্রি হচ্ছে ৯৬০ টাকা। অপরদিকে ১৮.২ লিটারের বালতি-ভর্তি ডিসটেম্পার বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫৫০ টাকা। একই পরিমাপের ওয়েদারকোট বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৬০০ টাকা। একই পরিমাপের ওয়াটার সিলার বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৮৫০ টাকা। ২০ কেজি ডিওরোসেম বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ২০০ টাকা। এশিয়ান অনুরূপ ওজনের রঙ যথাক্রমে বিক্রি করছে ৩ হাজার ৩৫০, ২ হাজার ৬৫০, ৬৮০, ১ হাজার ৪৫০, ৪ হাজার ৪০০, ২ হাজার ৮০০ ও ১ হাজার ১৫০ টাকা। আরএকে বিক্রি করছে ৩ হাজার, ৯৫০, ৪ হাজার ২০০, ২ হাজার ৬০০ ও ১ হাজার ২০০ টাকা।

বি. দ্র. : স্থান ও সময়ভেদে দামের তারতম্য হতে পারে।

কারিকা ডেক্সঃ


নতুন বাজেটর হিসাব-নিকাশে নির্মাণ-সামগ্রী ব্যবসায়ীরাও আগাম হিসাব কষছেন। তারপরও চলতি মাসে অধিকাংশ নির্মাণ-সামগ্রীর বাজারদরে বড় ধরনের কোনো প্রভাব পড়েনি।

ইট
ইটের দাম হাজার-প্রতি বেড়েছে এক থেকে দেড় হাজার টাকা। বর্তমানে ১ নম্বর ইট প্রতি-হাজার পরিবহন খরচ বাদে আট থেকে সাড়ে আট হাজার টাকা বিক্রি হচ্ছে। দুই মাস আগে ১ নম্বর ইটের হাজার-প্রতি দাম ছিল সাত থেকে সাড়ে সাত হাজার টাকা। অপরদিকে একইভাবে বেড়েছে ২ নম্বর ইটের দামও। দুই নম্বর ইট পরিবহন খরচ বাদে হাজার-প্রতি বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ছয় থেকে সাত হাজার টাকা।

বালি
রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে পরিবহন খরচসহ প্রতি ট্রাক (৫ টনি) ভালো মানের আস্তর বালি বিক্রি হচ্ছে পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচ হাজার টাকায়। ভিটি বালি বিক্রি হচ্ছে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকায়। তবে রাজধানীর পার্শ্ববর্তী জেলা শহরগুলোতে বারোশ’ থেকে দেড় হাজার টাকায় ভালো মানের ভিটি বালি পাওয়া যাচ্ছে।

সিমেন্ট
বর্তমান বাজারে সিমেন্টের দাম অনেকটাই স্থিতিশীল। শাহ সিমেন্ট স্পেশাল ব্যাগ-প্রতি ৩৮০ থেকে ৩৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অপরদিকে শাহ পপুলারের ব্যাগ-প্রতি দাম ৩৭০ থেকে ৩৭৫ টাকা। সেভেন রিং স্পেশালের ব্যাগ-প্রতি দাম ৪০০ টাকা, সেভেন রিং নরমাল ব্যাগ-প্রতি ৩৮০ টাকা এবং সেভেন রিং গোল্ড ব্যাগ-প্রতি ৪৩০ টাকা। হোলসিম নরমাল ব্যাগ-প্রতি দাম ৪৩৫ থেকে ৪৪০ টাকা, হোলসিম ওপিসির ব্যাগ-প্রতি দাম ৪৮৫ থেকে ৪৯০ টাকা। স্ক্যান ব্যাগ-প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৪১০ টাকায়। ডায়মন্ড সিমেন্ট ব্যাগ-প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৪১০ থেকে ৪১৫ টাকা।

রড
দেশের শীর্ষ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান সর্বাধুনিক প্রযুক্তির দাবি করে সেভেন্টি টু পয়েন্ট ফাইভ গ্রেডের রড বাজারে বিক্রি করছে। এর মধ্যে বিএসআরএম এমন গ্রেডের প্রতি টন রড বিক্রি করছে ৪৯,১০০ থেকে ৪৯,২০০ টাকায়। জিপিএইচ ও একেএস একই গ্রেডের রড টন-প্রতি বিক্রি করছে ৪৭,৫০০ টাকায়।

টাইলস
দেশে তৈরি ১২ ইঞ্চি বাই ২০ ইঞ্চি সাইজের ওয়াল টাইলস ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, ১০ ইঞ্চি বাই ১৬ ইঞ্চি ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি ৩৫ থেকে ৩৮ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১৮ ইঞ্চি ৫০ থেকে ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফ্লোরের জন্য সাড়ে ১২ ইঞ্চি বাই সাড়ে ১২ ইঞ্চি সাইজের টাইলস বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি সাইজের হোমোজিনাস টাইলস ৫৫ থেকে ৬০ টাকা এবং ১৬ ইঞ্চি বাই ১৬ ইঞ্চি সাইজের হোমোজিনাস টাইলস ৫৭ থেকে ৬৫ টাকা। অপরদিকে ১২ ইঞ্চি বাই ২৪ ইঞ্চি সাইজের চায়না ওয়াল টাইলসের দাম ১৪০ থেকে ১৬৫ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি সাইজের দাম ১৪০ থেকে ১৬৫ টাকা। আর ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি সাইজের ফ্লোর টাইলসের দাম ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা।

রঙ
চাহিদাসম্পন্ন অধিকাংশ রঙের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। বার্জার, এশিয়ান ও আরএকের মতো শীর্ষ ব্র্যান্ডের রঙ আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। বার্জারের ১৮.২ লিটারের বালতি-ভর্তি প্লাস্টিক ইমালশন বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৬৫০ টাকা, অ্যানামেল পেইন্ট প্রতি গ্যালন বিক্রি হচ্ছে ৯৬০ টাকা। অপরদিকে ১৮.২ লিটারের বালতি-ভর্তি ডিসটেম্পার বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫৫০ টাকা। একই পরিমাপের ওয়েদারকোট বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৬০০ টাকা। একই পরিমাপের ওয়াটার সিলার বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৮৫০ টাকা। ২০ কেজি ডিওরোসেম বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ২০০ টাকা। এশিয়ান অনুরূপ ওজনের রঙ যথাক্রমে বিক্রি করছে ৩ হাজার ৩৫০ টাকা, ২ হাজার ৬৫০ টাকা, ৬৮০ টাকা, ১ হাজার ৪৫০ টাকা, ৪ হাজার ৪০০ টাকা, ২ হাজার ৮০০ টাকা ও ১ হাজার ১৫০ টাকা। আরএকে বিক্রি করছে ৩ হাজার টাকা, ৯৫০ টাকা, চার হাজার ২০০ টাকা, ২ হাজার ৬০০ টাকা ও ১ হাজার ২০০ টাকা।

বি. দ্র. : স্থান ও সময়ভেদে দামের তারতম্য হতে পারে। এছাড়া বিভিন্ন কোম্পানির দেওয়া অফার ও ছাড় এ দামের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

 

কারিকা ডেস্ক :
সিমেন্ট কোম্পানি হোলসিম বাংলাদেশকে কিনে নেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট। ১১ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার বা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৯৩৬ কোটি টাকায় হোলসিমকে কিনে নেবে লাফার্জ। বুধবার লাফার্জ সুরমা সিমেন্টের পরিচালনা পর্ষদের বিশেষ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে বাংলাদেশের সিমেন্টের যে বাজার, তাতে আলাদাভাবে অষ্টম ও নবম অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে লাফার্জ ও হোলসিম। এখন দুটি কোম্পানি এক হয়ে গেলে সিমেন্টের বাজারে দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে যাবে এটি। তখন তাদের বাজার অংশ হবে ১০ শতাংশের বেশি। শীর্ষে অবস্থানকারী শাহ সিমেন্টের বাজার অংশ হচ্ছে সাড়ে ১৪ শতাংশ। সিমেন্ট খাতের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, এ বছর শেষে বাংলাদেশে সিমেন্টের বাজারটির আকার বেড়ে দাঁড়াবে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকায়।
লাফার্জের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বিশেষ সভায় হোলসিম বাংলাদেশের শতভাগ শেয়ার কেনার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়। এর আগে গত ২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত লাফার্জের পর্ষদ সভা শেষে জানানো হয়েছিল, হোলসিমের সঙ্গে লাফার্জের একীভূত ব্যবসার সম্ভাবনা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
এর আগে ২০১৪ সালের এপ্রিলে বৈশ্বিকভাবে লাফার্জ ও হোলসিম একীভূত হওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে। সেই অনুযায়ী, বৈশ্বিকভাবে কোম্পানি দুটির একীভূত কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। ফলে বিশ্বের সিমেন্ট খাতে জায়ান্ট দুই কোম্পানি এক ছাতার নিচে এসে ‘লাফার্জহোলসিম’ হিসেবে যাত্রা শুরু করে। এতে করে দুই কোম্পানি মিলে হয়ে যায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় সিমেন্ট কোম্পানি।
বৈশ্বিকভাবে একীভূত হওয়ার পর বাংলাদেশেও কোম্পানি দুটি একীভূতকরণের বিষয়টি সামনে চলে আসে। কারণ, এ দেশেও দুই কোম্পানির আলাদা কার্যক্রম ছিল। এর মধ্যে লাফার্জ সুরমা বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হলেও হোলসিম তালিকাভুক্ত নয়। তাই এ দেশে লাফার্জ ও হোলসিমের একীভূত হওয়ার ক্ষেত্রে কিছুটা জটিলতা থাকায় তাতে কিছুটা বিলম্ব ঘটে। শেষ পর্যন্ত হোলসিমকে কিনে নেওয়ার মাধ্যমে এ জটিলতা নিরসনের সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে লাফার্জকে।

কারিকা ডেস্ক :
বাংলাদেশের বিশাল উপকূলীয় অঞ্চলে টেকসই স্থাপনা নির্মাণের জন্য লবণসহিঞ্চু বিশেষায়িত সিমেন্ট বাজারে আনছে দেশের খ্যাতনামা শিল্প প্রতিষ্ঠান ডায়মন্ড সিমেন্ট লিমিটেড (ডিসিএল)। ডায়মন্ড কোস্টাল প্লাস নামের প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে তৈরি এই সিমেন্ট উপকূলীয় রুক্ষ জলবায়ুর বিরুদ্ধে স্থাপনাকে দীর্ঘস্থায়ী প্রতিরোধের শক্তি দেবে বলে জানিয়েছে উ‍ৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানটি।
সম্প্রতি চট্টগ্রামের রেডিসন ব্লু হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ডায়মন্ড কোস্টাল প্লাস সিমেন্ট বাজারে আনার ঘোষণা দেন ডায়মন্ড সিমেন্টের পরিচালক লায়ন হাকিম আলী।
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার নাফ নদীর মোহনা থেকে সাতক্ষীরার রায়মঙ্গল কালিন্দী নদী পর্যন্ত বাংলাদেশের উপকূল অঞ্চলের দৈর্ঘ্য ৭১০ কিলোমিটার।  চট্টগ্রাম, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের মোট ১৪টি উপকূলীয় জেলায় বিস্তৃত বিশাল এই অঞ্চলে বাস করে চার কোটিরও বেশি মানুষ।
বিশাল এই উপকূলীয় অঞ্চলে কংক্রিট স্থাপনার সুরক্ষার কথা চিন্তা করে ব্যাপক গবেষণার মাধ্যমে ডায়মন্ড কোস্টাল প্লাস সিমেন্ট তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন হাকিম আলী।
উপকূলীয় অঞ্চলে বাঁধ, জেটি, আশ্রয়কেন্দ্র, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, জলাধার, সাগরের পানি ও সালফেটে উন্মুক্ত মেরিন কংক্রিট এবং জলে ডুবে থাকা যে কোন স্ট্রাকচার, পানি ও পয়:নিস্কাশন পাইপলাইন ও ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট, ব্রিজ, কালভার্ট, বহুতল ভবনসহ যে কোন ধরনের কংক্রিট কাঠামো নির্মাণে ডায়মন্ড কোস্টাল প্লাস একটি আদর্শ সিমেন্ট বলে মন্তব্য করেন হাকিম আলী।
সংবাদ সম্মেলনে উপকূলীয় অঞ্চলে লবণসহিঞ্চু সিমেন্ট ব্যবহারের যৌক্তিকতা তুলে ধরে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম প্রযুক্তি ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের পুর:প্রকৌশল বিভাগের সহযোগি অধ্যাপক ড. সাদেকুল ইসলাম সাদী।
উপকূলীয় অঞ্চলের বিভিন্ন স্থাপনার ছবি উপস্থাপন করে ড.সাদী বলেন, সমুদ্র লবণে থাকা ক্লোরাইড আয়রণের প্রভাবে উপকুলীয় এলাকায় কংক্রিট নির্মিত স্থাপনার ইস্পাতে সহজেই মরিচা ধরে যায়।  কংক্রিটের ভেতরে অতিমাত্রায় নুন ও আর্দ্রতা জমে গিয়ে ইস্পাতে মরিচা পড়ে এবং পুরো কাঠামোয় ক্ষয় ও ফাটল দেখা দেয়।  এর ফলে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই দূর্বল হয়ে পড়ে স্থাপনা।
‘তাই ক্লোরাইড আয়ন বা লবনাক্ততার অনুপ্রবেশ ঠেকানোর জন্যে ঘনবদ্ধ অভেদ্য কংক্রিট ব্যবহার জরুরি।  কিন্তু বাংলাদেশের বাজারে সেই ধরনের বিশেষায়িত কোন সিমেন্ট নেই।  ডায়মন্ড কোস্টাল প্লাস বাজারে এলে সেটি উপূকলীয় এলাকার স্থাপনার সুরক্ষার জন্য সহায়ক হবে। ’ বলেন ড.সাদী।
তিনি বলেন, ডায়মন্ড কোস্টাল প্লাস সিমেন্ট বিশেষ প্রক্রিয়ায় তৈরি ব্লাস্টফার্নেস পোর্টল্যান্ড স্ল্যাগ সিমেন্ট।  বাজারে এখন যেসব সিমেন্ট আছে অর্থাৎ অর্ডিনারি পোর্টল্যান্ড সিমেন্ট (ওপিসি) এবং পোর্টল্যান্ড কম্পোজিট সিমেন্টের লবণাক্ততার অনুপ্রবেশ ঠেকানোর ক্ষমতা নেই।  এক্ষেত্রে স্ল্যাগ সিমেন্টই একমাত্র উপযোগী।
সংবাদ সম্মেলনে ডায়মন্ড সিমেন্ট লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক (সেলস এন্ড মার্কেটিং) জসীম উদ্দিন খোন্দকার, মহাব্যবস্থাপক (হিসাব) এবিএম কামালউদ্দিন এবং উপ-মহাব্যবস্থাপক (সেলস এন্ড মার্কেটিং) আবদুর রহিম।
এছাড়া স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর, পানি উন্নয়ন বোর্ড, সড়ক ও জনপথ বিভাগের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

কারিকা ডেস্ক
বিশ্ববাজারে সিমেন্টের অন্যতম কাঁচামাল ক্লিংকারের প্রধান সরবরাহকারী চীন। দেশটি থেকে মানভেদে প্রতি টন ক্লিংকার আমদানিতে খরচ পড়ে ৩০-৪০ ডলার। এর সঙ্গে অন্যান্য খরচ মিলিয়ে দেশে সিমেন্ট উৎপাদনে টনপ্রতি ব্যয় হয় সর্বোচ্চ ৭০ ডলার বা ৫ হাজার ৬০০ টাকা। আন্তর্জাতিক বাজারে এখন প্রতি টন সিমেন্ট বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ৬০ ডলার বা ৪ হাজার ৮০০ টাকায়। অথচ দেশের বাজারে বর্তমানে ৫০ কেজি ওজনের প্রতি ব্যাগ সিমেন্টের গড় দাম কোম্পানিভেদে ৪০০-৪৫০ টাকা। এতে টনপ্রতি বাজারমূল্য দাঁড়ায় সর্বনিম্ন ৮ হাজার টাকা বা ১০০ ডলার। এ হিসাবে বাংলাদেশে সিমেন্ট বিক্রি হচ্ছে আন্তর্জাতিক বাজারমূল্যের চেয়ে ৬০-৬৫ শতাংশ বেশি দামে।
বেশি দামে সিমেন্ট বিক্রির কথা স্বীকার করেন উৎপাদকরাও। তাদের দাবি, সিমেন্টে লাভের বড় একটা অংশ চলে যাচ্ছে মধ্যস্বত্বভোগী বিতরণকারীদের পকেটে। আর বিতরণকারী ডিলাররা বলছেন, মালিকরাই বাড়তি মুনাফা করছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে উপকরণের দাম কমলেও অলিগোপলি বা অপূর্ণ প্রতিযোগিতার (গুটি কয়েক প্রতিষ্ঠানের আধিপত্য) কারণে দেশে সিমেন্টের দাম কমছে না। যদিও দাম কমানো হয়েছে বলে দাবি উৎপাদকদের। তবে ব্যাগপ্রতি (৫০ কেজি) ১০-২০ টাকা কমানো আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান লাইটক্যাসলের তথ্যমতে, বর্তমানে দেশে সিমেন্ট শিল্পের বাজার ১৭৪ কোটি ডলারের। এর ৮৫ শতাংশই নিয়ন্ত্রণ করছে শীর্ষ ১০ কোম্পানি। আর শীর্ষ পাঁচ কোম্পানির হাতে রয়েছে মোট বাজারের ৪৮ দশমিক ১২ শতাংশ। এর মধ্যে ১৫ দশমিক ৯১ শতাংশ দখল করে আছে শাহ সিমেন্ট। ৯ দশমিক ৭৬ শতাংশ বাজার দখল নিয়ে এর পরই রয়েছে হাইডেলবার্গ। অন্য বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে মেঘনা সিমেন্টের দখলে রয়েছে এ বাজারের ৮ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ, হোলসিমের ৭ দশমিক ৪ ও লাফার্জের ৬ দশমিক ৯৭ শতাংশ। কোম্পানিগুলো উৎপাদিত সিমেন্ট আন্তর্জাতিক বাজারের চেয়ে ৬০-৬৫ শতাংশ বেশি দামে বিক্রি করছে। আর নিজেদের উৎপাদন খরচের চেয়ে বেশি রাখছে ৪০ শতাংশ।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ফ্রেশ ব্র্যান্ডের ৫০ কেজি ওজনের প্রতি ব্যাগ সিমেন্ট বিক্রি হচ্ছে ৪৪০ টাকায়। হাইডেলবার্গের স্ক্যান সিমেন্ট বিক্রি হচ্ছে ৪৮৫ টাকায়, লাফার্জের সুপারক্রিট ৪৫৫, হোলসিম ৫০০-৫১০ ও আকিজ সিমেন্ট ৪৬০ টাকায়।
এ প্রসঙ্গে আকিজ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ বশির উদ্দিন বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আকিজ সিমেন্টের দাম কমানো হয়েছে। বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে।
একই কথা জানান কনফিডেন্স সিমেন্টের নির্বাহী পরিচালক নেওয়াজ মোহাম্মদ ইকবাল ইউসুফ। তিনি বলেন, ‘এরই মধ্যে আমরা সিমেন্টের দাম কমিয়েছি। এ বিষয়ে ঘোষণাও দেয়া হয়েছে। তবে খুচরা পর্যায়ে দাম না কমলে আমাদের কিছু করার নেই।’
পরিবেশকদের দাবি, লাভের বেশির ভাগই কোম্পানিগুলো নিয়ে যাচ্ছে। নগদে কিনলে কোম্পানিগুলো এক ধরনের দাম রাখে। আবার বাকিতে কিনলে আরেক দাম।
নেত্রকোনা সদর উপজেলার পরিবেশক মীরন তালুকদার বলেন, বাকিতে পণ্য কিনলে কোম্পানিগুলোকে ব্যাগপ্রতি ২৫-৩০ টাকা অতিরিক্ত দিতে হয়। প্রতি ব্যাগ ক্রাউন সিমেন্ট বাকিতে কিনলে ৪৬৩ টাকা পরিশোধ করতে হয়। আর নগদে কিনলে ৪৪০ টাকায় পাওয়া যায়। একইভাবে আকিজ সিমেন্ট বাকিতে কিনলে ব্যাগপ্রতি ৪৪০ ও নগদে ৪১০ টাকা পরিশোধ করতে হয়।
তবে পরিবেশকদের এ দাবির সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করেন উৎপাদকরা। বাংলাদেশ সিমেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি ও মেট্রোসেম সিমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শহীদুল্লাহ বলেন, ডিলার ও খুচরা ব্যবসায়ীদের অতিরিক্ত সুবিধা দেয়ার কারণে সিমেন্টের মূল্য সুবিধা গ্রাহকরা পান না। এক ব্যাগ সিমেন্টের দাম ৫০০ টাকা হলে ডিলার ও খুচরা বিক্রেতার কমিশন এবং পরিবহনে ব্যয় হয় ১০০ টাকা। এ কারণে গ্রাহক পর্যায়ে দাম বেশি পড়ে।
তমা কনস্ট্রাকশনের পরিচালক শওকত আলী এ প্রসঙ্গে বলেন, নির্মাণ ব্যয়ের সিংহভাগই হয় রড ও সিমেন্ট বাবদ। দুটি নির্মাণসামগ্রীর দামই আন্তর্জাতিক বাজারের চেয়ে দেশে বেশি। নির্মাণ খরচও তাই বেশি পড়ছে। সিমেন্টের দাম কম থাকলে নির্মাণ ব্যয়ও কম হতো। তাতে সরকারি-বেসরকারি সব প্রকল্প কম ব্যয়ে সম্পাদন করা যেত।
উল্লেখ্য, দেশে সিমেন্টের চাহিদা রয়েছে বছরে ১ কোটি ৮০ লাখ থেকে দুই কোটি টন। এর বিপরীতে খাতটির উৎপাদন সক্ষমতা ৩ কোটি ৩০ লাখ থেকে ৩ কোটি ৫০ লাখ টন। চাহিদা কম থাকায় কারখানাগুলো উৎপাদন ক্ষমতা পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারছে না। সক্ষমতার গড়ে ৬০-৬৫ শতাংশ অব্যবহূত থাকছে।

0 814

১. আহাদ সিমেন্ট ফ্যাক্টরি লিমিটেড
৫৫ পুরানা পল্টন, আজাদ সেন্টার (৪র্থ তলা), ঢাকা-১০০০
ফোন : ০২-৯৫৬৭৫৩৩
ওয়েব – নেই।

২. আলম অ্যান্ড কোং প্রাইভেট লিমিটেড
৫৩/৩, ডিআইটি এক্সটেনশান রোড, ফকিরাপুল, ঢাকা
ফোন : ০২-৯৩৫৪৮১০, ০১৭১১-৬৮৬৭৬৩
ওয়েব – নেই।

৩. আনোয়ার সিমেন্ট লিমিটেড
বাইতুল হোসেন বিল্ডিং (২য় তলা), ২৭, দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০
ফোন : ০২–৯৫৫২১৩৪, ৯৫৭২২৫৭, ৯৫৬৪০৩৩
ওয়েব – www.anwargroup.net

৪. আপন সিমেন্ট মিলস লিমিটেড
৪১/১, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০
ফোন : ০২–৭৩৯২৪১৫, ৯৩৯২৫৯২
ওয়েব – নেই।

৫. আরামিত সিমেন্টস লিমিটেড
রেড ক্রিসেন্ট কনকর্ড টাওয়ার (১৬ তলা), ১৭ মহাখালী, ঢাকা-১২১২
ফোন : ০২-৯৮৮১০৯৫
ওয়েব – www.aramit.com

৬. বসুন্ধরা সিমেন্ট ট্রেডিং কোং লিমিটেড (কিং ব্র্যান্ড সিমেন্ট)
সেলস অফিস : ১২–এ/এ, প্রথম কলোনী, মাজার রোড, মিরপুর-১, ঢাকা-১২১৬
ফোন : ০২-৯০০২৮৮৬, ০১৭১১-৫৩২৩৫৫
ওয়েব – www.bashundharacement.com

৭. বেঙ্গল টাইগার সিমেন্ট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড
ইকবাল সেন্টার (১৮ তলা), বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : ০২-৮৮১৩৩৮১-৬
ওয়েব – www.imamgp.com

৮. এমআই সিমেন্ট ফ্যাক্টরি লিমিটেড (ক্রাউন সিমেন্ট)
হেড অফিস : বাড়ি : ১ ও ৭, রোড : ৯৫, ব্লক : সিইএন (এ), গুলশান নর্থ অ্যাভিনিউ, গুলশান–২, ঢাকা-১২১২
ফোন : ০২-৯৮৫২৬৩১, ৯৮৫২৬৩৩–৪, ৯৮৫২৬৩৬, ৯৮৫২৬৪১
ওয়েব – www.crowncement.com

৯. টাইগার সিমেন্ট
মদিনা স্কয়ার (৫ম তলা), ৬৪/এ, শহীদ বুদ্ধিজীবি মুনির চৌধুরী সড়ক (সেন্ট্রাল রোড), ধানমন্ডি, ঢাকা–১২০৫
ফোন : ০২-৯৬৬৩৭০৬, ০২-৯৬৬৩৭১৪
ওয়েব – www.tigercementbd.com

১০. সেভেন রিংস সিমেন্ট
ল্যান্ডভিউ টাওয়ার (৮ ও ৯ তলা), ২৮, গুলশান নর্থ অ্যাভিনিউ, সি/এ, গুলশান-২, ঢাকা–১২১২
ফোন : ০২-৮৮১৭৬৯০-৩
ফ্যাক্টরি : চর মিরপুর, কালিগঞ্জ, গাজীপুর।
মোবাইল : ০১১৯৯-৮০১০০৬
ওয়েব – www.sevenrings.com.bd

১১. প্রিমিয়ার সিমেন্ট
টি.কে. ভবন (১৩ তলা), ১৩ কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ, ঢাকা-১২১৫
ফোন : ০২-৯১২৬২২০
ওয়েব – www.premiercement.com

১২. হোলসিম সিমেন্ট
বাড়ি : ৮, রোড : ১৪, বারিধারা, ঢাকা-১২১২
ফোন : ০২-৯৮৮১০০২–৩, ০২-৮৮১২৪৮৫
ওয়েব – www.holcim.com.bd

১৩. শাহ সিমেন্ট
১৩ দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০
ফোন : ০২-৯৫৫৪০২৫, ০২-৯৫৫০৩২৪
ওয়েব – www.shahcement.com

১৪. ইস্টার্ন সিমেন্ট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড
২১–২৩ কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ, ঢাকা-১০০০
ফোন : ০২-৯৬৬৫৩৩৮-৯
ওয়েব- নেই।

১৫. ইমেক করপোরেশন লিমিটেড
১০/২০(বি), ইস্টার্ন প্লাজা (৯ম তলা), সোনারগাঁও রোড, ঢাকা–১২০৫
ফোন : ০২-৯৬৬৪২১২, ০২-৯৬৬০৫২৩
ওয়েব- নেই।

১৬. জেমকন সিমেন্ট
মিনা হাউস, ৭১৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা।
ফোন : ০২-৯১৩৮২৪২৪-৩, ০২-৯১২৭৯৭৭
ওয়েব – www.gemcongroup.com.bd

১৭. কনফিডেন্স সিমেন্ট
ইস্পাহানী বিল্ডিং (৫ম তলা), ১৪–১৫ মতিঝিল সি/এ, ঢাকা–১০০০
ফোন : ০২-৯৫৬২৪৩১
ওয়েব – www.confidencecement.com