Home বাজার দর লিফট

0 661
কারিকা ডেস্ক:
বহুতল ভবনের ওপরে ওঠার জন্য অপরিহার্য লিফট। হুড়মুড় করে লিফটে ওঠানামা ঠিক নয়, অন্যান্য গণপরিবহন ব্যবহারের মতো লিফটে চড়ারও রয়েছে কিছু আদবকেতা। জেনে নিন সেগুলো-
সাধারণত ইংরেজি ফ্লোর হিসেবে লিফটের ফ্লোর নম্বর দেওয়া হয়। তবে কিছু ভবনে ব্যতিক্রম থাকে। সে ক্ষেত্রে আগেই জেনে নিন বিল্ডিংয়ে কত তলায় যাবেন আর সেটা লিফটের কত নম্বর।
খুব জরুরি না হলে দুই বা তিনতলায় ওঠার জন্য লিফট ব্যবহার না করাই ভালো।
বেঁধে দেওয়া সীমার চেয়ে অতিরিক্ত ওজনের জিনিসপত্র নিয়ে উঠবেন না। অপেক্ষা করুন। লিফটে চাপ যখন কম থাকবে তখন মালপত্র ওঠানামার কাজ সেরে ফেলুন।
কোনো পরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে লিফটে দেখা হয়ে গেলে তার সঙ্গে সৌজন্যমূলক হাসি কিংবা কুশলবিনিময় সারতে পারেন লিফটে। তবে খেয়াল রাখবেন, সেটা যেন কোনো আড্ডায় রূপ না নেয়। লিফটে নিজেকে কিছুটা সংকুচিত করে রাখাই লিফটের ভদ্রতা।
লাইনে দাঁড়ান, ধীরেসুস্থে লিফটে উঠুন ও নামুন। লিফটে কথা কম বলুন। নিতান্তই বলতে হলে নিচু স্বরে বলুন। লিফটে গুনগুনিয়ে গান করা, তালি দেওয়া, আড়মোড়া ভাঙা, আঙুল ফোটানো-এসব করা চলবে না।
লিফটে চিপস, পপকর্ন, পানি, সফট ড্রিংকস খাবেন না। লিফটে উঠে সেলফোন, প্যাড কিংবা ট্যাবে জোরে গান বাজাবেন না। লিফটের ভেতর পারফিউম ব্যবহার করা বা ধূমপান করা মোটেই উচিত হবে না।
‘লেডিস ফার্স্ট’-এ প্রথা লিফটের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। লিফটে লাইনে যে যেভাবে দাঁড়াবে, তাকে সেভাবেই উঠতে দিন। অতিরিক্ত সৌজন্যবোধে আবার হিতেবিপরীত হতে পারে। তবে অসুস্থ বা শিশু হলে ভিন্ন কথা।
লিফট যদি হাসপাতালের হয়, তাহলে রোগীই অগ্রাধিকার পাবে-সন্দেহ নেই। রোগীর স্ট্রেচার বা হুইল চেয়ার আগে যেতে দিন।
লিফটে উঠে ধীরেসুস্থে নিজের ফ্লোর-বাটনে প্রেস করুন। আপনি যদি লিফট বাটন থেকে দূরে থাকেন, তাহলে সামনের জনকে অনুরোধ করুন। কাউকে ধাক্কা দিয়ে বা ডিঙিয়ে বাটন প্রেস করতে যাবেন না। আর লিফটম্যান থাকলে তাকেই ফ্লোর নম্বর বলে দিন।
নিজে ঢোকার পর অন্যদের ঢোকা ও দাঁড়ানোর জন্য জায়গা করে দিন। আর কল বাটন চেপে থাকলে এলিভেটর না আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।