Home বাজার দর ইন্টেরিয়ার

কামরুজ্জামান কাজল


‘আজি ঝরঝর মুখর বাদর দিনে…’ বর্ষার রিমঝিমের সঙ্গে সঙ্গে অজান্তেই গেয়ে ওঠে মন। বর্ষা আবেগের ঋতু। নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলার ঋতু। সেই সঙ্গে টুকটাক নাগরিক ভোগান্তিরও ঋতু। বর্ষায় রাস্তাঘাট পানিতে যেমন জনজীবন বিপর্যস্ত করে তোলে, তেমনি ঘরের ভেতর আছে পোকামাকড়ের ঘরবসতি। আলমারির কাপড় থেকে ভ্যাপসা গন্ধের ভোগান্তি। যারা একটু পরিপাটি থাকতে পছন্দ করেন ঘরের মাঝে, তাদের জন্য বাড়তি বিড়ম্বনা যোগ হয় এ মাসটাতে। তবে ইচ্ছায় কী না হয়। একটুখানি ইচ্ছা এবং কৌশলী হতে পারলেই এ বর্ষায় আপনার ঘরবাড়িও থাকবে পরিপাটি। মনের মতো। আর তার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন ফারজানা’স ব্লিজ এর স্বত্বাধিকারী ফারজানা গাজী। তিনি জানান, আসবাব সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা হলে আর ঘরের মধ্যে আলো-বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা করা গেলে এ মৌসুমেও ঘর থাকবে সুন্দর ও স্বাস্থ্যকর।

দেয়ালে বর্ষার ছাপ
বৃষ্টি এলেই ঘরের জানালা লাগিয়ে দেওয়া হয়। তবে এরই মধ্যে বৃষ্টির ছাঁট এলে ভিজে যেতে পারে জানালায় ঝোলানো পর্দাগুলো। তাই এ সময় এমন কাপড়ের পর্দা ব্যবহার করা উচিত, যেন তা ভিজে গেলেও সহজেই শুকিয়ে যায়। কারণ দীর্ঘক্ষণ পর্দা ভেজা থাকলে পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়তে পারে সোঁদা গন্ধ। পলিয়েস্টার, রেশম বা পাতলা সুতির কাপড়ে তৈরি পর্দা এ সময়টার জন্য বেশ উপযোগী।
বৃষ্টি থেমে গেলে খুলে দিন জানালা, সরিয়ে দিন পর্দা। শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রটাও বন্ধ থাক খানিকটা সময়। প্রাকৃতিক হাওয়া ঘরে এলে ঘরের গুমোট ভাবটা কেটে যাবে। ঘরের স্যাঁতসেঁতে ভাব এড়াতে হলে খেয়াল রাখুন, ঘরে কোনো ভেজা জিনিস যেন না থাকে। ভেজা জুতা, ভেজা মোজা বা ভেজা কাপড়, যেকোনোটির জন্যই ঘরে সোঁদা গন্ধ পাবেন আপনি। ঘরের ভেতরের দেয়াল বা মেঝে ভেজা অবস্থায় রাখবেন না। দেয়াল বা ছাদ থেকে বৃষ্টির পানি চুইয়ে পড়লে নির্মাণকর্মীদের দিয়ে দেয়াল বা ছাদের সমস্যাটি সারিয়ে নিন তাড়াতাড়ি।

যত্নেরর বই যত্নেই থাকুক
যত্ন করে গুছিয়ে রাখা বইগুলোতেও বর্ষার প্রভাব পড়তে পারে। সাধারণত যে বইগুলো একটু কম নাড়াচাড়া হয়, সেগুলো এ মৌসুমে স্যাঁতসেঁতে হয়ে পড়ে। শখ করে কেনা হোক বা প্রয়োজনীয় কোনো বই, মাঝেমধ্যেই সেগুলোকে বইয়ের তাক থেকে নামিয়ে শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে রাখুন। এতে বইগুলো ভালো থাকবে বহুদিন। এ ছাড়া বইয়ের তাকে শুকনো নিমপাতা রাখতে পারেন। কোনো বইয়ের পাতায় বা মলাটে স্যাঁতসেঁতে ভাব দেখা গেলে অপেক্ষা করুন রোদের জন্য। যেদিন খানিক রোদের দেখা মিলবে, সেদিন বইগুলোকে বারান্দায় রোদে রাখুন কিছুটা সময়ের জন্য।

খবর নেই কাপড়ের
আলমারি বা ওয়্যারড্রোব থেকে কাপড় বের করার পর অবশ্যই তা ভালোভাবে আটকে রাখতে হবে। কাঠের তৈরি আসবাবপত্র সঠিকভাবে লাগানো হলো কিনা, সেদিকে বিশেষ খেয়াল রাখুন, কারণ এগুলো অনেক সময়ই সঠিকভাবে লাগাতে পারা যায় না। আসবাবপত্র সঠিকভাবে লাগানো না হলে ভেতরে থাকা কাপড়গুলো বাতাসের আর্দ্রতার কারণে স্যাঁতসেঁতে হয়ে পড়তে পারে।

ফুলে সুরভিত ঘর
হালকা ঘ্রাণযুক্ত ফুল ঘরে রাখা যেতে পারে। তাজা বেলি ফুলের একটা মালা ঘরে রেখে দেখুন, সতেজ হয়ে উঠবে ঘরের পরিবেশটা। সুগন্ধি অন্য কোনো ফুলও পানিতে ভিজিয়ে রাখতে পারেন। গন্ধরাজ ফুলের মতো যেসব ফুলের পাপড়ি একটু পুরু, সেগুলো বেশ কিছুদিন পানিতে ভিজিয়ে রাখা যায়। তবে ফুলদানি বা বোতলে পানি দিয়ে ফুল রাখলে অবশ্যই প্রতিদিন পানি পাল্টে দিতে হবে। ফুল সতেজ থাকা অবস্থায় যদি ফুলের ডাঁটার কোনো অংশ পচে যায়, তাহলে পচা অংশটুকু কেটে ফেলে দিন।
আপনার মন চনমনে রাখতে ঘরের রঙে পরিবর্তন এনে লাল, হলুদ অথবা পার্পল ও গাঢ় পার্পল ওয়েদারকোট লাগাতে পারেন। বাড়ির বাগানে একটা বড় রঙচঙা ছাতা লাগাতে পারেন, যা আপনার বৃষ্টি দিনগুলোকে আরো উপভোগ্য করবে।

গ্রীষ্মে রোদের উত্তাপ থেকে বাঁচতে ঘরে যে হালকা রঙের পর্দাগুলো লাগিয়েছিলেন, সেখানে বৃষ্টির দিনে উজ্জ্বল রঙের পর্দা লাগান। বর্ষায় এমনিতেই চারপাশ কেমন ফ্যাকাশে হয়ে যায়। তাই ঘরের উজ্জ্বল ভাব আপনাকে প্রাণবন্ত করবে।
ঘরের পরিবেশ সুন্দর রাখতে ঘরে নরম আলোর বাল্ব ব্যবহার করুন। যেমন হালকা নীল অথবা হালকা সবুজ।
আপনার বেডশিট ও বেডকভারে হালকা স্প্রে করুন, এতে আর্দ্রভাব কমবে।
বিছানা ও বালিশের কভার নরম কটনের ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। গোলাপি, লাল, সাদা ও হালকা সবুজ রঙের চাদর ব্যবহার করতে পারেন।

সাবরিনা মিলি

•আলো আর সবুজের প্রাচুর্যতার মিশেল


অফিসটিতে ঢুকতেই মনের মধ্যে অন্যরকম একটা অনুভূতি উঁকি দিল। নাকে কৃত্রিম লেবুর সুগন্ধ ঠেকলেও কেন যেন সেখানে সতেজতার পাশাপাশি প্রাকৃতিক আলোর প্রাচুর্যতা মনে ভিন্নরকম প্রশান্তি এনে দিল। বলছি রাওয়া কমপ্লেক্সের ১১তলায় অবস্থিত ম্যাক্স গ্রুপের করপোরেট অফিসের গল্প।
‘গল্প’ শব্দটি ব্যবহারের কারণ আমাদের গতানুগতিক অফিসগুলোর ভেতরের পরিবেশ থেকে এটা ব্যতিক্রম। স্বপ্নের অফিস বলতে যা বোঝায় অনেকটা সে রকমই।
আঠারো হাজারের বেশি বর্গফুটের এই অফিসের খোলামেলা পরিবেশ, সবুজের সমারোহের সঙ্গে কাঠ এবং গ্লাসের চমৎকার মিশেলে তৈরি ইন্টেরিয়র ডিজাইন একজন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে স্থপতি, ইন্টেরিয়র ডিজাইনার বা যেকোনো শিল্পীর নজর কাড়তে বাধ্য।
রাওয়া কমপ্লেক্সের এই ভবনটির অবস্থানের সুযোগটাকে কাজে লাগাতেই অফিসের ইন্টেরিয়র ডিজাইনে মূল উপাদান হিসেবে গ্লাস ব্যবহার করা হয়েছে। ভবনটির সামনের কিছু অংশে রয়েছে মহাখালী ফ্লাইওভারের রাস্তা, এক পাশে মহাখালী ডিওএইচএসের রাস্তা এবং পেছনের অংশে মহাখালী ডিওএইচএস। ফলে সামনে ও পাশে রাস্তার সুবিধার পাশাপাশি পেছনে ডিওএইচএসের কারণে নেই কোনো বহুতল ভবন। এই সুযোগটাই পুরোপুরিভাবে লুফে নিয়েছেন ভবনটির ডিজাইনার স্থপতি আজরিন আলম। এটির ফ্লোরে ব্যবহার করা হয়েছে ইতালিয়ান মার্বেল আর দেয়ালে শোভা পাচ্ছে মালয়েশিয়ান এবং চায়নার রাস্টিক টাইলস। তবে কিছু দেয়ালে ডেকোরেটিভ টাইলসও ব্যবহার করা হয়েছে। এখানে চেয়ারম্যানের রুম থেকে শুরু করে ম্যানেজিং ডিরেক্টর, ডিরেক্টর, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের রুম ছাড়াও কনফারেন্স রুম, রিসিপশন ও ওয়েটিং জোনের প্রতিটা জায়গায় মিলবে ডিজাইনারের সূক্ষ্ চিন্তার বহিঃপ্রকাশ। ডিজাইনারের চিন্তা থেকে বাদ যায়নি কিচেন, নামাজের কক্ষ, স্টোর রুম, ওয়াশরুম এবং অজুখানার স্থানটিও। ওয়াশরুমে ঢুকতেই দু’পাশে রাস্টিক টাইলসের পাশাপাশি সামনের দেয়ালজুড়ে আছে মোজাইক টাইলস। রয়েছে পরিপাটি অজুখানা। এসব কেবল নান্দনিকতার পরিচয়ই বহন করে না, বরং শিল্পীর রুচিবোধ এবং সমৃদ্ধ মানসিকতাই ফুটিয়ে তোলে। লাইটিংয়ে ক্ষেত্রেও মেলে ভিন্ন চিন্তার প্রকাশ।

সার্বিক বিষয় নিয়ে কথা হয় ম্যাক্স গ্রুপের পরিচালক, ইন্টেরিয়র ডিজাইনার ও স্থপতি আজরিন আলমের সঙ্গে।

28461083_10156216433649511_978388825_o
কোন ভাবনা থেকে এই কাজটি করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন?
এটি ছিল আমার বাবার স্বপ্নের প্রকল্পের মধ্যে একটি। তিনি সবসময় ভাবতেন ম্যাক্স গ্রুপের করপোরেট অফিস হবে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন। আমাকেও তার স্বপ্ন ও অনুভূতির কথা জানিয়েছিলেন। তখন থেকেই এই অফিসের ডেকোরেশন নিয়ে আমি চিন্তা-ভাবনা শুরু করি। আমি বুয়েট থেকে স্থাপত্য বিষয়ে পড়াশোনা করেছি। লক্ষ্য ছিল গতানুগতিক ধারার বাইরে এসে ডিজাইন করব। কারণ বাংলাদেশের অধিকাংশ অফিসের পরিবেশ অনেক হিজিবিজি। তাই আমি চেয়েছিলাম এখানে খোলামেলা পরিবেশ এবং অনেক জায়গা ফাঁকা থাকবে। সেই ভাবনা থেকেই কাজটি করা।

কাজটি করতে গিয়ে মূল চ্যালেঞ্জ কী ছিল?
প্রথম দিকে আমার ভাই এ নিয়ে আমাকে অনেকবার বলেছে কেন এত জায়গা ফাঁকা রাখছি। আমি আমার সিদ্ধান্তে অটুট ছিলাম। আসলে আমি চাচ্ছিলাম পরিবেশটা এমন হোক যাতে এক জায়গা থেকে সম্পূর্ণ অফিস দৃষ্টিগোচর হয়। কারণ অফিস তো কাজেরই জায়গা, এখানে এত প্রাইভেসির কিছু নেই। তাই খোলা পরিবেশের পাশাপাশি গ্লাস ব্যবহারের কারণে স্বচ্ছতার এক নতুন আবহ সৃষ্টির চেষ্টা করেছি।

অন্য কোনো অফিসের ক্ষেত্রে এত সহজে কি কাজটি করা যেত?
গত পাঁচ-ছয় বছরের অভিজ্ঞতার আলোকে দেখেছি, আগে কাজ করার জন্য এত বেশি স্বাধীনতা দিতেন না গ্রাহকরা। কিন্তু ধারণা পাল্টাচ্ছে। কারণ কিছু ভালো কাজ করার ফলে মানুষ বুঝতে পারছে। ফলে তারা ডিজাইনারদেরও সুযোগ দিচ্ছে।

আপনার ডিজাইনে কী কী ধরনের উপাদান রাখার চেষ্টা করেছেন?
আমি প্রধানত গ্লাস এবং অ্যালোবোর্ড ব্যবহার করেছি অনেক। গ্লাস এখানে মূল উপাদান। আমার চিন্তা ছিল বাইরের লাইটকে আমার ডিজাইনের ভেতরে নিয়ে আসব। এখানে কিছু মেটালিক টাস্কও রেখেছি। এ ছাড়া ফ্লোরে ইতালিয়ান মার্বেল, দেয়ালে রাস্টিক টাইলসের পাশাপাশি কিছু ডেকোরেটিভ টাইলস বা মোজাইক টাইলস ব্যবহার করেছি। অফিসের ভেতরে সবুজের ছোঁয়া আনার জন্য গাছ রেখেছি, যা মানসিক প্রশান্তির জন্য প্রয়োজন। লাইটিংয়েও আমি কিছু পরিবর্তন এনেছি। গতানুগতিকভাবে একই ধরনের লাইট না দিয়ে স্থান এবং কাজের ধরন বুঝে লাইটের ব্যবহার করেছি। যদিও এর সঙ্গে অতিরিক্ত কিছু লাইট দিয়ে একটি ড্রামা তৈরি করারও চেষ্টা করেছি। সার্বিকভাবে আমার লক্ষ্য ছিল একটি সুন্দর কর্মপরিবেশ তৈরি।

28459586_10156216433644511_516317015_o

এই অফিসটি ডিজাইনের সময় কোন জায়গাটি ইন্টারেস্টিং মনে হয়েছে?
আমার অফিস-রুমে দাঁড়িয়ে খোলা আকাশ, ফ্লাইওভার অর্থাৎ বাইরের পরিবেশটা দেখতে পারছি। বাইরের সেই খোলামেলা পরিবেশ আমি আমার ডিজাইনের মাধ্যমে ভেতরে আনার চেষ্টা করেছি। বাইরে যদি আমি এই পরিবেশ না পেতাম, তাহলে হয়তো ভেতরে এমন পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব হতো না। এক কথায় ডে-লাইটের প্রাচুর্যতার পাশাপাশি খোলামেলা পরিবেশ একে ইন্টারেস্টিং করে তুলেছে। আমি মনে করি একজন ডিজাইনার তখনই সফল, যখন বাইরের সৌন্দর্যটাকে ভেতরে নিয়ে আসতে পারে। আমার কাছে মনে হয় এদিক দিয়ে আমি সফল।

এক্সটেরিয়র আর ইন্টেরিয়রকে আপনি পরস্পরের পরিপূরক মনে করেন কিনা?
অবশ্যই। ধরুন বাইরের থেকে দেখতে একটা ভবন খুব সুন্দর ডিজাইন করলাম কিন্তু ভেতরে ডিজাইনের সময় সেই গ্র্যামার ধরে রাখতে পারলাম না এমন হলে একজন ডিজাইনার ব্যর্থ। তাই ডিজাইনের সময় বাইরে এবং ভেতরে দুটো বিষয়ই মাথায় রেখে কাজ শুরু করতে হবে।

ডিজাইন নিয়ে বর্তমান ব্যস্ততা কেমন যাচ্ছে?
আমি আমাদের প্রতিষ্ঠানের কাজই বেশি করছি। কিছুদিন আগে আমার নিজের বাসার এক্সটেরিয়র এবং ইন্টেরিয়রও আমিই করেছি। তবে এর পাশাপাশি অন্যদেরও কিছু কাজ করি। এ ছাড়া পাওয়ার প্লান্টের কাজও করেছি। ঢাকা ও ঢাকার বাইরে দুটি মসজিদের ডিজাইন করেছি।

কারিকা ডেক্স


অফিস কিংবা ঘরের অন্দর সাজসজ্জা নিয়ে বরাবরই আলোচনা চলে খাবার টেবিল থেকে ড্রইংরুমেও। গৃহশৈলীর নিত্যনতুন সামগ্রী সাধ আর সাধ্যের মধ্যে রেখে বসবাসের ঘরটি আকর্ষণীয় করে তুলতে চায় সবাই। এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখে আলোকসজ্জা। জেনে নিন লাইট ব্যবহারে কিছু প্রয়োজনীয় বিষয়

১. ঝাড়বাতির জন্য চাই বড় আয়তনের বসার ঘর। কারণ বড় বসার ঘরে ইচ্ছেমতো ঝাড়বাতি স্থাপন করা যায়। অন্যদিকে ছোট বাসার ঘরে ঝাড়বাতি বেমানান লাগে।
২. মাঝারি ধরনের বসার ঘরের জন্য সিলিং ছোট আকারের লাগোয়া ঝাড়বাতি বেছে নিতে পারেন। এক্ষেত্রে ফুলের নকশা বা চার কোণাকৃতির ঝাড়বাতি ভালো মানায়।
৩. ঘরের ইন্টেরিয়র পরিকল্পনার শুরুতেই লাইটিং প্ল্যান করে নেয়া ভালো। অন্দরসজ্জায় তিন ধরনের বাতির ব্যবহার হয়। জেনারেল, টাস্ক এবং একসেন্ট লাইটিং। আপনি পছন্দমতো এবং ইন্টেরিয়র ডিজাইনারের সঙ্গে আলোচনা করে পরিকল্পনামাফিক ব্যবহার করলে অতি সহজেই ঘরে জমকালো আমেজ এনে দেবে।
৪. ঘরের প্রতিটি অংশে পর্যাপ্ত আলো পৌঁছে দিতে জেনারেল লাইট ব্যবহার করা হয়। সিলিং লাইট, টেবিল এবং ফ্লোর ল্যাম্প, আপ অ্যান্ড ডাউন ওয়াল লাইট ইত্যাদি জেনারেল লাইটিংয়ের মধ্যে পড়ে।
৫. জরুরি কাজের জায়গাগুলো আলোকিত করার জন্য টাস্ক লাইট ব্যবহার করা হয়। যেমন শোবার ঘরের স্টাডি টেবিল, রান্নাঘরের কাউন্টারটপ ইত্যাদি।
৬. ঘরের কোণ কিংবা একটি নির্দিষ্ট জিনিসকে হাইলাইট করার জন্য একসেন্ট লাইটিং ব্যবহৃত হয়। দেয়ালের পেইন্টিং, স্কাল্পচার, গাছ অথবা কোনো বিশেষ শোপিস এর মাধ্যমে হাইলাইটেড হয়।
৭. বসার ঘরে লাগাতে পারেন রকমারি ওয়াল ব্র্যাকেট। ঝাড়বাতির সঙ্গে মিল রেখে স্টিল, পিতল ইত্যাদি ধরনের ওয়াল ব্রাকেট পাওয়া যায়। ব্রাকেট ব্যবহার করতে চাইলে বসার ঘরের জানালার ওপর স্থাপন করাই ভালো।
৮. বড় বসার ঘরে অথবা ফলস সিলিং বসানো থাকলে সোফার এক পাশে রাখতে পারেন গাছের আদলের স্ট্যান্ডিং লাইট। অ্যালুমিনিয়াম স্ট্যান্ডে ক্রিস্টাল আর কাচের তৈরি এই লাইট বেশ জমকালো ভাব আনবে ঘরে।
৯. খাবার টেবিলের ওপর পছন্দসই শেডযুক্ত পেনডেন্ট লাইটের ব্যবস্থা রাখতে পারেন।
১০. ঘর বড় হলে ওয়াল লাইট ব্যবহার করতে পারেন। বিশেষ কিছু হাইলাইট করার জন্য ব্যবহার করতে পারেন স্পটলাইটও।
১১. খাবার টেবিল বরাবর সিলিং থেকে ছোট-বড় কয়েকটি হ্যাংগিং লাইটও ঘরের পরিবেশে যোগ করবে ভিন্ন মাত্রা।
১২. শোবার ঘরে ওয়াল লাইটের সঙ্গে ঘরের এক কোণে পেনডেন্ট লাইটও লাগিয়ে নিন।
১৩. বিছানার পাশে ওয়াল ব্রাকেট লাগালে বই পড়ার কাজে লাগবে। শোবার ঘরে ডিমার লাইটিংয়ের ব্যবস্থা রাখা যেতে পারে। আবার ড্রেসিং টেবিলের ওপর লাগানোর জন্য স্পটলাইটই উপযুক্ত।
১৪. ঘরের প্যাসেজ বা প্রবেশপথে দরকার পর্যাপ্ত আলো। তাই সিলিং লাইট কিংবা আপ অ্যান্ড ডাউন লাইটের ব্যবহার এখানে বেশি মানানসই।
১৫. দেয়ালে কোনো পেইন্টিং, আয়না বা শিল্পকর্ম থাকলে তার ওপর ব্যবহার করুন স্পটলাইটের মতো একসেন্ট লাইটিং।
১৬. ছোটদের ঘরেও ব্যবহার করুন বিভিন্ন ডেকোরেটিভ লাইট। যেমন খেলার ঘর সাজাতে পারেন রিকশা, সাইকেল, জিপ, ফুটবল ইত্যাদির আদলে তৈরি সিলিং হ্যাংগিং দিয়ে। পড়ার টেবিলে রাখার জন্য মজার কবিতা লেখা ল্যাম্পশেডও এখন বাজারে পাওয়া যায়।

‘দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানো’ বলে একটা প্রবাদ আছে। বাথটাবে গোসল করা যেন সে রকমই এক ব্যাপার! আধুনিক ফ্ল্যাটের ভেতর এক টুকরো পুকুর! শহরের বাড়ির সামনে তো আর পুকুর মেলে না, তাই এই ব্যবস্থা। সাধারণত বিত্তশালীদের বাড়ি বা ফ্ল্যাটেই বাহারি বাথটাবের দেখা মেলে। যেখানে শুয়ে-বসে শাওয়ার নেওয়া হয়। এমনকি দাঁড়িয়ে শাওয়ার নেওয়ার মতো বাথটাবও দেখা যায়।
সারা দিন কাজের পর ঘরে ফিরে বাথটাবে কুসুম গরম পানিতে গোসল করার মজাই আলাদা। এতে যেন সব ক্লান্তি দূর হয়ে যায়। ঋতুরাজ বসন্ত চলছে। সামনে গ্রীষ্মকাল। অবশ্য এখনই গরম টের পাওয়া যাচ্ছে। এ সময় বাথটাবে গোসল করে পুকুর-নদীর সামান্য তৃপ্তি মেটানো যেতেই পারে। শহরের স্যানিটারি-পণ্যের দোকানগুলোতে বাথটাব বিক্রি বাড়ছে। সাধারণত ফ্ল্যাটের মাস্টার-বাথরুমগুলোতে বাথটাব ব্যবহার করা হয়।
সাধারণ বাথটাব, জ্যাকুজি ইত্যাদি বাথটাব বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। এসব বাথটাবে আপনি শুয়ে-বসে যেকোনো ভঙ্গিতে গোসল করতে পারেন। দাঁড়িয়ে গোসল করার জন্য আছে ‘স্টুডিও বাথটাব’। আকৃতি ও নকশাভেদে এসব বাথটাবের দাম পড়বে সাড়ে চার হাজার থেকে ৭৫ হাজার টাকার মধ্যে জানালেন হাতিরপুলের আল আমান স্যানিটারির বিক্রয়কর্মী মো. জসিম উদ্দিন। অবশ্য বিশেষায়িত কিছু বাথটাবের দাম লাখ টাকারও বেশি।
রাজধানী ঢাকার গ্রিনরোড, পান্থপথ, হাতিরপুল, কলাবাগান, নিউমার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড, স্টেডিয়াম মার্কেট, গুলিস্তান, মৌচাক, মগবাজারসহ নানা হার্ডওয়্যার ও স্যানিটারির দোকানে খোঁজ করলেই পেয়ে যাবেন পছন্দের বাথটাব।
আরএকে সিরামিকসের সেলস বিভাগের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ সৈয়দ সাইফুল ইসলাম জানান, আমাদের দেশীয় সিরামিকস কোম্পানিগুলো এখনও বাথটাব উৎপাদনে সেভাবে কাজ শুরু করেনি। এখনও এ খাতের ব্যবসা আমদানিনির্ভর। তিনি জানান, মূলত ইতালি, কোরিয়া, ভিয়েতনাম থাইল্যান্ড, চীন ও ভারত থেকে বিভিন্ন আকৃতি, নকশা ও মানের বাথটাব আমদানি করা হয়।
আল আমান স্যানিটারির বিক্রয়কর্মী মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ‘আরসি ফাইবার নামের দেশীয় একটি প্রতিষ্ঠান বাথটাব তৈরি করে। তবে মানের দিক দিয়ে দেশি বাথটাব ততটা উন্নত নয়। বিদেশি বাথটাবের দাম একটু বেশি হলেও দীর্ঘস্থায়ী হয়। দীর্ঘদিন ব্যবহারেও রঙের হেরফের হয় না। অর্থাৎ ডিসকালার হয় না। বিদেশি বাথটাবগুলোর ক্ষেত্রে দেশভেদে ৫ বছর থেকে ১০ বছরের ওয়ারেন্টি দেওয়া হয়।’
বাথটাব কেনার পর তা ফিটিং করার সময় সতর্ক থাকতে হবে। অভিজ্ঞ ও দক্ষ স্যানিটারি মিস্ত্রি দিয়ে বাথটাব ফিট করা উচিত। এতে বাথটাব মাপমতো বসানোর পাশাপাশি নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। কারণ বাথটাব বাথরুমে বসানোর সময় ভারসাম্য ঠিক না থাকলে পরবর্তী সময়ে তা দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা মূলত বাথটাব বিক্রি করে থাকে। বাসায় ফিটিং করে দেওয়ার দায়িত্ব নেয় না। তবে কোনো ক্রেতা যদি স্যানিটারি মিস্ত্রির খোঁজ চান, তখন তারা দক্ষ মিস্ত্রির খোঁজ দিয়ে সহযোগিতা করেন।
বাথরুমের আয়তনের ওপর নির্ভর করে বাথটাবটি কীভাবে রাখবেন। বাথরুম যদি আয়তাকার হয় তাহলে বাথরুমের একপাশে বাথটাব রাখার পরামর্শ দিয়েছেন বিক্রেতারা। বাথরুমের দেয়ালের টাইলসের সঙ্গে মিলিয়ে বাথটাব লাগালে সুন্দর দেখায়। তবে সাদা ও অফ হোয়াইট রঙের বাথটাব সব রঙের সঙ্গে যায়। বাথরুমে বেসিন কমোড শুষ্ক জায়গায় থাকে। তাই বাথটাবের পাশে গ্লাস লাগিয়ে পার্টিশন দেওয়া যেতে পারে। টেম্পার গ্লাস হলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা কমে যাবে। বাজারে বিভিন্ন ধরনের ডেকোরেটিভ গ্লাসও রয়েছে। গ্লাস লাগাতে না চাইলে বাথরুমের টাইলস বা রঙের সঙ্গে মিলিয়ে লাগিয়ে নিতে পারেন শাওয়ার কার্টেন বা পর্দা।
অধিক সৌন্দর্যের জন্য বাথটাবের ওপর ছোট রঙিন আলো কিংবা ঝাড়বাতি লাগানো যেতে পারে। বাথটাব লাগানোর পর বাথরুম ছোট মনে হলে বাথটাবের বিপরীত দেয়ালে বড় আয়না লাগিয়ে নিলে বাথরুম অনেক বড় দেখাবে। তাছাড়া দেয়ালে সাদা টাইলস ব্যবহার করলেও বাথরুম অনেক বড় দেখায়। বাথটাব লাগানো বাথরুমের ফ্লোরে স্লিপ রেসিস্ট্যান্ট টাইলস ব্যবহার করা ভালো। এছাড়া বাথটাবের পাশে কিংবা কিছুটা ওপরে কেবিনেটের মতো করে সেখানে গোসলের প্রয়োজনীয় জিনিস রাখা যায়।

কারিকা ডেস্ক :
নগর জীবনে বর্তমানে সবুজের দেখা পাওয়া বেশ দুষ্কর। দিন দিন কমে যাচ্ছে সবুজের ছোঁয়া। কিছুদিন আগেও দু/চারটা গাছ নেই এমন কোন বাড়ি ছিল না। সময় দ্রুতই পাল্টাচ্ছে। এখন বড় বড় অট্টালিকার কবলে দেশ। অথচ শহরের অধিকাংশ বাড়ির ছাদগুলো এখনও ফাঁকা পরে আছে। এই ছাদগুলোকে অনায়াসেই সবুজ করা যায়। আর তাতে নগরীর প্রতিটি বাড়ির ছাদ হয়ে উঠতে পারে একখন্ড সবুজ বাগান।শহরের পরিবেশ রক্ষায় এ ধরণের ছাদ ও ব্যালকনি বাগানের ভূমিকা অপরিসীম।বিষমুক্ত টাটকা ফল-মূল, শাক-সবজির স্বাদ আস্বাদনের জন্য ছাদে বাগানের কোন বিকল্প নেই। গ্রীনহাউজ প্রতিক্রিয়ার কবল থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য গাছ-পালার মাধ্যমে সবুজায়ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে রুফ গার্ডেন সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে। অবকাঠামো তৈরীতে যে পরিমান জমি নষ্ট হচ্ছে তা কিছুটা পুষিয়ে নেয়া যাবে রুফ গার্ডেনিং এর মাধ্যমে।
বাড়ির ছাদে বাগান করতে গেলে প্রথমেই যে বিষয়টি সামনে চলে আসে তা হলো ছাদ নষ্ট হওয়া। ছাদ সুরক্ষার জন্য প্রযোজনীয় ব্যবস্থা নিয়েই ছাদ বাগান করতে হবে। ছাদে স্থায়ী বাগান করতে হলে প্রথমেই দুই ইঞ্চি পুরু করে অতিরিক্ত একটি ঢালাই দিয়ে নেট ফিনিশিং দিতে হবে। যদি উক্ত ছাদের উপর ভবিষ্যতে আরো ছাদ দেওয়ার সম্ভাবনা থাকে তাহলে স্থায়ী বেড না করে টব বা ড্রামে বাগান করাই উত্তম। টব/ড্রাম যে কোন সময় স্থান পরিবরর্তন করার ফলে ছাদ পরিস্কার থাকে। আর তাতে ছাদ নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনাও কম থাকে। টব বা ড্রামটিকে ছাদের ফ্লোর থেকে সামান্য উপরে বসালে পানি জমে থাকে না, ড্রামের নিচে পরিস্কার করতেও সুবিধা হয়।নতুন বাগান করার ক্ষেত্রে ছোট ছোট টব দিয়েই শুরু করা ভাল। ছোট টবের জন্য উপযোগী ফল গাছ যেমন – লেবু , ডালিম , কামরাংগা , করমচা , সফেদা , মিশরীয় ডুমুর , চেরী ফল , কমলা, বারমাসী আমড়া, আতা ইত্যাদি। যা খুব সহজেই ছাদে চাষ সম্ভব।
মাঝারী আকারের উপযোগী গাছ যেমন – থাই মিষ্টি তেতুল , পেয়ারা , জামরুল , আংগুর , বাতাবী লেবু , আম , অরবরই , আমলকি , মালটা ইত্যাদি। আর বড় টবের উপযোগী গাছ যেমন- যে কোন কূল জাতীয় গাছ , জলপাই , কতবেল , বেল , বারমাসী কাঁঠাল , জাম , পেঁপেঁ , কলা ইত্যাদি। টবের গাছে প্রতিবছর ফল পেতে হলে বছরে একবার টবের আংশিক মাটি পরিবর্তন করতে হবে। যদি গাছটি ছোট টবে হয় তাহলে বড় টবে নিতে হবে। আর যদি টবের সাইজ ১৬ ইঞ্চি থেকে ২০ ইঞ্চি বা তার চেয়ে বড় কোন টব বা হাফ ড্রাম হয় তবে টব পরিবর্তন করতে হবে না। শুধু টবের আংশিক মাটি পরিবর্তন করলেই চলবে এবং এটি ধারাবাহিক ভাবে প্রতিবছর করতে হবে। যদি নিয়ম মাফিক কাজটি করা যায় তাহলে প্রতিবছর উক্ত গাছ থেকে ফল পাওয়া যাবে।
ছাদে খুব অল্প পরিশ্রমে যে সব শাক-সবজির চাষ করা যায় তা হলো- করলা, টমেটো,করলা, ঢেঁড়শ, চিচিংগা, ঝিংগা, পুঁই শাক, চালকুমড়া, কলমীশাক, মুলা, কাচামরিচ, ক্যাপসিকাম, ধনেপাতা, কচু, ফুলকপি, বাধাকপি, ব্রুকলি, গাজর, ডাটা, লাল শাক ইত্যাদি।

ফারিয়া মৌ

ব্যস্ত জীবনের সব কিছুকে ছাপিয়ে যখন মানুষ আপন নীড়ে ফিরে আসে, তখন শোবার ঘরটাই যেন হয়ে ওঠে ক্লান্তি নিবারণের একমাত্র উপলক্ষ। তাই শোবার ঘরের সাজসজ্জায় প্রয়োজন খানিকটা বাড়তি মনোযোগ। অপ্রয়োজনীয় বা অতিরিক্ত আসবাবপত্র এ ঘরে না-থাকাই ভালো। এতে ঘরটা খোলামেলা থাকবে, ফলে বাতাস চলাচলে সুবিধা হবে।

আসবাবপত্রের ব্যবহার
শোবার ঘরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে বিছানা। পাশাপাশি আলমারি, ড্রেসিং টেবিল, ওয়ারড্রব ইত্যাদি ফার্নিচারও এই ঘরেই স্থান পায়। তবে যতটা সম্ভব কম আসবাবপত্র ব্যবহার করলে এ ঘরে স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচল করা সম্ভব।

আলোর ব্যবহার
শোবার ঘরের জন্য হাল্কা ও উষ্ণ আলোর ব্যবহারই আরামদায়ক। চাইলে ঘুমানোর সময় মৃদু আলোর ব্যবহার করতে পারেন। সম্ভব হলে ঘরের জানালা বন্ধ রাখতে হয়, এমন স্থানে কোনো আসবাব না রাখাই ভালো।

দেয়ালের রঙ
হালকা অথচ উজ্জ্বল দেয়ালে এমন রঙ ব্যবহার করা ভলো। এতে আপনার ঘরের পরিবেশটা বেশ মোহনীয় লাগবে। উজ্জ্বল সাদা, চাপা সাদা, হাল্কা গোলাপি, হাল্কা সবুজ, নীল ইত্যাদি রঙ আপনার শোবার ঘরের জন্য মানানসই। আপনার ব্যক্তিগত রুচির সাথে যায় এমন রঙটিই বেছে নিন।

দেয়ালসজ্জা
শোবার ঘরের সবচেয়ে দীর্ঘ দেয়ালে আপনার পরিবারের সবচেয়ে মিষ্টি মুহূর্তটিকে বড় কোনো ফ্রেমে বাঁধিয়ে রাখতে পারেন, যা আপনাদের প্রিয় সময়গুলোকে মনে করিয়ে দেবে। এছাড়া চাইলে অন্য কোনো শৌখিন কিছু দেয়ালসজ্জার উপকরণ হতে পারে। তবে লক্ষ্য রাখবেন তা যেন দেখতে ভালো লাগে এবং আপনার ঘরের আনুসঙ্গিক জিনিসগুলোর সাথে মানানসই হয়।

অন্যান্য অনুষঙ্গ
আপনার দেয়ালের রঙের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ রঙের বিছানার চাদর, দরজা-জানালার পর্দা ব্যবহার করবেন। সম্ভব হলে পারিবারিক আড্ডার জন্য মেঝেতে বসার ব্যবস্থা করতে পারেন।

পরিচ্ছন্নতা
এই ঘরটিকে সবসময় পরিচ্ছন্ন রাখা উচিত। আর হাল্কা সুগন্ধির ব্যবহার আপনার শোবার ঘরকে করতে পারে আরো আকর্ষণীয়।

0 868

মো. জগলুল হায়দার

সুস্থ ও আয়েশিভাবে বেঁচে থাকার জন্য কতই না আয়োজন। চলতে হবে নিরবচ্ছিন্নভাবে। শরীরে জাপটে এসে লাগতে হবে ফুরফুরে হাওয়া। আর দমটাও নিতে হবে আত্মার চাহিদামাফিক। তবেই না আত্মা তৃপ্ত! গ্রীষ্মকাল মানেই গরমে হাঁসফাঁস জীবন। তাই এ সময়টাতে আত্মাও চায় ‘কুল, কুল’ অর্থাৎ ঠা-া হাওয়ার শ্বাস-প্রশ্বাস। এ বিষয়টাকে মাথায় রেখে প্রযুক্তিও এগিয়ে চলছে। হাতপাখা থেকে টেবিল ও সিলিংফ্যান সর্বোপরি এয়ারকুলার থেকে এয়ারকন্ডিশনারÑ সবই মানুষের যাপিত জীবনে ব্যবহার হচ্ছে। বর্তমান সময়কে বলা হয় এয়ারকন্ডিশনারের যুগ। বাড়ি-গাড়ি, অফিস-আদালত, শপিংমল ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাÑ সবক্ষেত্রেই এখন এর অপ্রতিরোধ্য প্রভাব। এয়ারকন্ডিশনার ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার ভেতরকার বায়ুম-লের পরিবেশের কথা এখন চিন্তাও করা যায় না।

এয়ারকুলার বনাম এয়ারকন্ডিশনার
অনেকের ধারণা এয়ারকুলার ও এয়ারকন্ডিশনার একই প্রযুক্তির জিনিস। আসলে কিন্তু তা নয়। এ দুটি প্রযুক্তি কার্যকারিতার দিক থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। এয়ারকুলারের কাজ হলো শুধু ঠা-া বাতাস প্রবাহিত করা। অর্থাৎ ঘরের ভেতরের তপ্ত পরিবেশকে ঠা-া করতে এটি ভূমিকা পালন করে থাকে। গ্রীষ্মকালে এটির ব্যবহার সম্ভব, শীতকালে নয়। আর এয়ারকন্ডিশনার এমন এক প্রযুক্তি, যা দ্বারা ঘরের ভেতরে থাকা আবদ্ধ বায়ুম-লের অনেকটা তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রিত হয়। এ যন্ত্র শীতকালে গরম আর গরমকালে ঠা-া বাতাস প্রবাহ করতে পারে। ফলে গ্রীষ্ম ও শীতÑ উভয় ঋতুতেই এর ব্যবহার সম্ভব।
তবে ঢাকার বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আমাদের দেশে এয়ারকন্ডিশনারের চেয়ে এয়ারকুলারের চাহিদাই বেশি। কারণ হিসেবে উঠে এসেছে সামর্থ্যরে বিষয়টাই।

হিসাব ও দামদর
বারো হাজার ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট সমান এক টন, যা ১২০ থেকে ১৩০ বর্গফুট জায়গা নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা রাখে। এ হিসাব ধরেই বাজারে বিক্রি হয় এয়ারকুলার ও এয়ারকন্ডিশনার। আবাসিক ক্ষেত্রে সাধারণত এক, দেড় ও দুই টনের এয়ারকুলার ও এয়ারকন্ডিশনার ব্যবহার করা হয়। বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে পাঁচ থেকে শুরু করে শতাধিক টন পর্যন্ত এয়ারকুলার ও এয়ারকন্ডিশনার
ব্যবহার করা হয়। বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী বিভিন্ন ব্র্যান্ডের এক টনের এয়ারকুলার ৩০ থেকে ৬৫ হাজার টাকা এবং এয়ারকন্ডিশনার ৫০ থেকে ৭০ হাজার টাকা বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান
বাংলাদেশের বাজারে ওয়ালটন, জেনারেল, এলজি, শার্প, প্যানাসনিক, গ্রে (চায়না), হিটাচি, মিৎসুবিশি, তোশিবা, ট্রান্সটেক, স্যামসাং ও সিঙ্গার ব্র্যান্ডের এয়ারকুলার পাওয়া যায়। আর এয়ারকন্ডিশনারের ব্র্যান্ডের মধ্যে জেনারেল, ওয়ালটন ও এলজির চাহিদাই বেশি।
এয়ারকুলার ও এয়ারকন্ডিশনার বিক্রিকে কেন্দ্র করে দেশের সবচেয়ে বড় বাজার গড়ে উঠেছে রাজধানীর স্টেডিয়াম মার্কেটে, যা বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম মার্কেট নামেও পরিচিত। এছাড়া বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা শহরের বিভিন্ন মার্কেটে এমনকি উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শোরুমেও বর্তমানে এয়ারকুলার ও এয়ারকন্ডিশনার বিক্রি
হচ্ছে।

যতœআত্তির কৌশল
এয়ার ফিল্টার সাধারণত ২ মাস পরপর সাবান-পানি দিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে। ফিল্টার পরিষ্কার থাকলে তা সহজে এয়ারকুলার ও এয়ারকন্ডিশনারের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে না। এছাড়া এয়ারকুলার ও এয়ারকন্ডিশনার ব্যবহারের জন্য আলাদা বিদ্যুৎ-লাইন টেনে নেয়া উচিত। এতে ভোল্টেজ-সমস্যা দূর হয়। ফলে এয়ারকুলার ও এয়ারকন্ডিশনারে অতিরিক্ত চাপ পড়ে না এবং সহজে নষ্ট হয় না। ইনভার্টার এয়ারকন্ডিশনার বিদ্যুৎ-সাশ্রয়ী। ইনভার্টার এসি নরমাল এসির তুলনায় ৬০ শতাংশ কম বিদ্যুৎ খরচ
করে।

মাহেনাজ এম

‘পারফেক্টলি ইমপারফেক্ট’ বা ‘সঠিকরূপে বেঠিক’ এই দুটি ছোট্ট শব্দ ইন্টেরিয়ার ডিজাইনার ও গ্রেস হোম ডিজাইন ফার্মের প্রতিষ্ঠাতা জেনিফার ভিসোস্কির সুপরিসর ইন্টেরিয়র ডিজাইনিং ফিলোসফিকে যথাযথভাবে উপস্থাপন করে। বর্তমান সময়ের স্বনামধন্য এই ইন্টেরিয়র ডিজাইনারের কাজের বৈশিষ্ট্য হলো, সঠিকতর মাপকাঠিতে ব্যতিক্রমি হওয়া। ভিসোস্কি ডিজাইনের কাজ শুরু করার আগে বাড়ির মালিকের সঙ্গে কথাবার্তা বলে নেন; তারপর তৈরি করেন স্টাইলিশ, আরামদায়ক আবেদনের সাজসজ্জা যা গৃহকে দেয় স্বতঃস্ফূর্ত স্বাভাবিক সৌন্দর্য্যরে অনুভূতি। ভিসোস্কির ভাষায়, ‘আমি এমনভাবে ঘর সাজাতে চাই যেন তা দেখতে ভালো হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বসবাসেও সুবিধাজনক হয়।’

মেধাবী এই ডিজাইনারের সঙ্গে সাক্ষাতকারে আলোকপাত হয় ইন্টেরিয়র ডিজাইনিং নিয়ে ভবিষ্যত ভাবনার নানান দিক। আমেরিকার এই বিখ্যাত ইন্টেরিয়ার ডিজাইনার জানান, ইন্টেরিয়ার ডিজাইনিংয়ের ধারা আজকাল কোন দিকে যাচ্ছে, ওনার গ্রাহকরা কী চাচ্ছেন এবং আগামীতে গৃহ বা অফিসের ইন্টেরিয়র কেমন হবে।

 

জেনিফারের করা ইন্টেরিয়রের অংশবিশেষ

 

 

গৃহসজ্জা ও ব্যক্তিত্বকে এক সুঁতোয় গাঁথা

প্রত্যেকেরই নিজস্ব পছন্দ-অপছন্দ আছে, ভিসোস্কি তাঁর গ্রাহকদের মতামতের ব্যাপারটি প্রাধান্য দিয়ে বিবেচনা করেন। তিনি বলেন, ‘গ্রাহকেরা বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যম থেকে অসংখ্য ছবি জোগাড় করে আমার কাছে আসে। আমার কাজ হলো তাদের সেসব ছবি বা ইচ্ছাগুলোকে বাস্তবসম্মতভাবে তাঁদের বাড়ির ডিজাইনে সম্পৃক্ত করা।’

এসব অনলাইন মাধ্যমকে দু’মুখো তলোয়ারের সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, ‘একদিকে এসব থেকে ডিজাইনার ও গ্রাহকদেরর ডিজাইনের উপলব্ধি সংবৃদ্ধ হয়, অন্যদিকে এগুলো নানান বিভ্রান্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘যখন কোনো গ্রাহক অনলাইন থেকে জোগাড় করা আইডিয়া ও ছবিসহ আমাদের কাছে আসেন তখন সেসব ভাবনা খতিয়ে দেখে তাঁর মূল চাওয়া পর্যন্ত পৌঁছানো বেশ মুশকিল হয়ে পরে। তাছাড়া জোগাড় করা সেসব ছবির হুবহু কপি তৈরি না করে তাতে স্বাতন্ত্র আনাও কঠিন হয়ে পরে।’

তবে অনলাইন সুবিধাগুলোকে চমৎকার উল্লেখ করে ভিসোস্কি বলেন, ‘পক্ষান্তরে একটি বাড়ির অরিজিনালিটি বা মৌলিকত্ব বজায় রেখে স্বতন্ত্র অন্দরসজ্জার জন্য গ্রাহকদের উচিৎ ডিজাইনারের ওপর আস্থা রাখা।’

0 3908

নতুন সংসার পাততে হলে খাট, আলমিরা, আলনা, চেয়ার টেবিল তো লাগবেই। সাধ আর সাধ্যের মিল ঘটাতে হিমশিম খেতে থাকা দম্পতিদের জন্য আছে জাহাজের ফার্নিচারের খবর। চট্টগ্রাম নগরের কর্নেলহাট, ফৌজদারহাট এলাকায় পাওয়া যায় শিপের ফার্নিচার নামে পরিচিত এসব আসবাবপত্র। ইদানিংকালে ঘরে ব্যবহার্য আসবাব হিসেবে এসব ফার্নিচারের কদরও বেড়েছে। কাঠের আসবাবের তুলনায় দাম অনেকটা সহনীয় হওয়ায় মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত পরিবারগুলোতে এসব আসবাবপত্র দেখা যায় সচরাচর। টেকসই এবং তুলনামূলক সস্তা হওয়ায় জাহাজের পুরনো আসবাবপত্র জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। চট্টগ্রামের কর্নেলহাট থেকে ফৌজদারহাট পর্যন্ত কয়েকটি দোকান ঘুরলে দেখা যাবে টেবিল, সোফা, ওয়ারড্রোব, শোকেস, ডাইনিং টেবিল, কম্পিউটার টেবিল, আলমারি, ফাইল কেবিনেট, চেস্ট অব ড্রয়ার, সেক্রেটারি টেবিল, টি-টেবিল, টিভি ট্রলি ইত্যাদি। খাটের মধ্যে আছে বিট খাট, রাউন্ড খাট, মিনার খাট, চাল খাট, ফিটিং খাট ইত্যাদি। কোট-হ্যাঙ্গারসহ আছে ওয়ারড্রোব ও শোকেস। আলমারি আছে সিঙ্গেল ও ডাবল।
ওইসব দোকানে থাকা লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, ৩০ বছর আগে চট্টগ্রামে শুরু হয়েছিল পুরনো জাহাজ ভাঙা ব্যবসা। সেই সঙ্গে ফৌজদারহাট, ভাটিয়ারি, মাদাম বিবিরহাট এলাকায় গড়ে ওঠে জাহাজের আসবাবপত্র বিক্রির ব্যবসাও। জাহাজে ব্যবহৃত আসবাবপত্র বিক্রি হয় এখানে। ধীরে ধীরে এ ব্যবসা প্রসার লাভ করেছে চট্টগ্রাম থেকে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে।
রকমফেরে আসবাবের দাম ভিন্ন। খাটের দাম পড়বে তিন হাজার ৫০০ থেকে বার হাজার টাকা, ড্রেসিং টেবিলের দাম পড়বে আড়াই হাজার থেকে চার হাজার ৫০০ টাকা, সোফা সাত থেকে ১৩ হাজার টাকা। ওয়ারড্রোব কেনা যাবে আটত্রিশ শ’ থেকে ৯ হাজার টাকায়, শোকেস দুই হাজার ৮০০ থেকে ১০ হাজার টাকায়, ডাইনিং টেবিল তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকায় এবং কম্পিউটার টেবিল পাওয়া যাবে দুই হাজার ২০০ থেকে চার হাজার টাকায়। আলমারির দাম তিন থেকে ৯ হাজার টাকা, ফাইল কেবিনেট চার থেকে আট হাজার টাকা, চেস্ট অব ড্রয়ার দুই থেকে তিন হাজার টাকা, সেক্রেটারিয়েট টেবিলের দাম পড়বে দুই হাজার ২০০ থেকে তিন হাজার ৫০০ টাকা, টি-টেবিল কেনা যাবে এক হাজার ৫০০ থেকে তিন হাজার টাকায় আর টিভি ট্রলি এক হাজার ২০০ থেকে দুই হাজার টাকায়। কামাল। বয়স ষাট ছুঁই ছুঁই। ভাটিয়ারিতে শিপের ফার্নিচার আনা নেয়ার কাজ করছেন তিনি বিশ বছরেরও বেশি সময় ধরে। তিনি বললেন, চট্টগ্রামের নানা জায়গায় এবং দেশের বিভাগীয় শহরগুলোতেও এ আসবাবপত্র সরবরাহ করা হয় এখান থেকে। এ ছাড়া কুমিল্লা, ফেনী, নোয়াখালী, ঢাকা, সিলেট, যশোর, বগুড়া, দিনাজপুর, ফরিদপুরসহ বিভিন্ন জেলা শহরে এ আসবাবপত্র যায়। ক্রেতা প্রয়োজনীয় আসবাব পছন্দ করে দরদাম আর গাড়িভাড়া পেমেন্ট করে গেলেই ঠিকানা মতো ফার্নিচার পৌঁছে যায়।

আর্কিডেন ইন্টেরিয়র
ক্রিস্টাল প্যালেস, (৩য় তলা)
বাড়ি #এসই (ডি) ২২, রোড # ১৪০
গুলশান সাউথ অ্যাভিনিউ, গুলশান – ১, ঢাকা – ১২১২
ফোন – ০১৭৯৪৬০৪৬০৮, ০১৭৯৪৬০৪৬০৯
ওয়েবসাইট – www.archideninterior.com
ক্রিয়েটিভ ইন্টেরিয়র ডিজাইন
মোহাম্মদী হাউজিং সোসাইটি
ফ্ল্যাট #এ৪, রোড #৪, বাড়ি #২৩৫
মোহাম্মদপুর, ঢাকা – ১২০৭
ফোন – ০১৭৫৫৫৫৯৩৩৭, ০১৭৫৫৫৫৯৩৩৯, ৮১২৮৬৬৪
ওয়েবসাইট – www.creativeinteriorbd.com
ইভানজেল আর্কিটেক্ট
বাড়ি #৩৭১, রোড – ২৮, নিউ ডিওএইচএস মহাখালী
ঢাকা ১২০৬, বাংলাদেশ
ফোন – ০২ – ৯৮৩৬৩৩০, ০১৭৬০১৩২১৯৯
ওয়েবসাইট – www.evangelarchitects.com
জিরো ইঞ্চ ইন্টেরিয়রস লিমিটেড
বাড়ি #১৪, রোড ৬/এ, সেক্টর ৫
উত্তরা, ঢাকা – ১২৩০
ফোন – ০১৮১৬ ০৮৯৮০৪
ওয়েবসাইট – www.zeroinchinteriorsltd.com
তামান্না ইন্টেরিয়রস
৬০/ই/১, দেওয়ান কমপ্লেক্স (২য় ফ্লোর)
পুরানা পল্টন, ঢাকা – ১০০০, বাংলাদেশ
ফোন – ০২ – ৭১১৯৯৩৩, ৭১১৮২৭১
ওয়েবসাইট – www.tamannainteriors.com
ইন্টেরিয়র কনসেপ্টস
৩২৩, আফতাব টাওয়ার, ২য় তলা, পূবালী ব্যাংকের পাশে
ডিআইটি রোড, পূর্ব রামপুরা
ফোন – ০১৬১৮৯০০৫৫৫, ০১৬১৮৯০০৫৫৬, ০১৬১৮৯০০৫৫৭
ওয়েবসাইট – www.interiorconcepts.bd.com
ডিজাইন অ্যাসোসিয়েট বিডি
২১, শাহ মাকদ্দুম অ্যাভিনিউ, সেক্টর – ১৪, উত্তরা, ঢাকা
ফোন – ০১৬৭২৩৩৬৫৮৬
ওয়েবসাইট – www.designassociatebd.com
আইনেক্স ইনটেরিয়র
কলাবাগান বাস স্ট্যান্ড, (ধানমন্ডি – ৮) ম্যাবস কোচিং সেন্টার বিল্ডিং, (৩য় তলা)
ফোন – ০১৯১১৭৭২৩৯৮, ০১৬১১৭৭২৩৯৮, ০১৬৭১৫০২৩৯৬
ওয়েবসাইট – www.inexterior-black-iz.com
স্থপতি অ্যাসোসিয়েট লিমিটেড
বাড়ি – ৩১ (৪র্থ তলা), রোড নং – ১, ব্লক – এফ, বনশ্রী
ফোন – ০২ ৮৩৯৯৫১৩, ০১৭৭৪৯৫৫৫৯৯, ০১৯১৩৫২৯২৩৩
ওয়েবসাইট – www.bdsthapati.com
ঢাকা ডেকর
রোড – ২৮, বাড়ি # ৩, সেক্টর – ৭
উত্তরা – ১২৩০, ঢাকা
ফোন – +৮৮ ০২ ৭৯১৩৩১০
মোবাইল – ০১৭১২৪০৫৫৮২, ০১৭৪৯১৯০২৭০
ওয়েবসাইট – www.dhakadecor.com
আইকনিক ডি স্টুডিও
বাড়ি # ৬২, রোড # ১৪/১, ব্লক জি, নিকেতন, গুলশান – ১
ঢাকা ১২১২
ফোন – ০১৭৪১৫৫৯৩৮৯
ওয়েবসাইট – www.iconicdstudio.com
ইন্টেরিয়র নলেজ
বাড়ি # ৫/এ, রোড – ১৩৭, গুলশান, ঢাকা – ১২১২
ফোন – ০১৭১১২৩৩৩৮৩, ০১৭১১৯৭৫৫৯৭
ওয়েবসাইট – www.interiorknowledge.org

আইডিই ডিজাইন লিমিটেড
সুইট – ৫০৩, প্লাজা এআর, হাউজ নং – ২
রোড নং – ১৪, সোবহানবাগ, ধানমন্ডি – ঢাকা – ১২০৯
ফোন – ০১৮১৭২৯৪৩২৮, ৮১১০৩৫২, ৯১১৪০৭৯
ওয়েবসাইট – www.ide-bd.com
স্কেচ ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড আর্কিটেক্টস
বাড়ি # ৩৪, রোড # ১৪/এ
লেভেল ৪, ফ্ল্যাট ৪/বি
ঢাকা – ১২০৯
ফোন – ০২ ৮১৫৪৫৩৭, ৯১০৩৯৪৪
মোবাইল – ০১৭১৪১১৫৮২২
ওয়েবসাইট – www.scetchinterioir.com
আস্থা ইন্টেরিয়র
বাড়ি # ৩৫৮ – ৩৬০, রোড – ৭
মিরপুর ডিওএইচএস, ঢাকা ১২১৬
ফোন – ৮০৮১২৭৭, ৯১৪০৭৩৩, ০১৭৩৬৯৯৪৬৮২, ০১৯৭৭২২৫৫৩২
ওয়েবসাইট – www.asthainterior.com
একে ট্রেডার্স লিমিটেড
সুইট # ৬/সি, রূপসা টাওয়ার, কামাল আতার্তুক অ্যাভিনিউ, বনানী
ঢাকা – ১২১৩
ফোন – ০২ ৮৮৫৯০৭৪, ৯৮৮৩৫৩৫
অ্যাডভান্স ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড
২১/এফ, বাঁশবাড়ি, ব্লক ডি, মোহাম্মদপুর
ঢাকা – ১২০৭
ফোন – ০২ – ৮১২০৫১০
স্যানমার ইন্টেরিয়র অ্যান্ড আর্কিটেকচার
ল্যান্ডমার্ক টাওয়ার (৩য় তলা), ১২, ১৪ নর্থ অ্যাভিনিউ গুলশান ২,
ঢাকা ১২১২
ফোন – ০২ – ৫৮৮১০৩৪৮-৫০, ৮৮৩৬৯৪৪