Home বাজার দর অন্যান্য

কারিকা ডেক্স


চিকিৎসাসেবা
নানা ধরনের সেবার মধ্যে অতি প্রয়োজনীয় একটি চিকিৎসাসেবা। প্রযুক্তি এ সেবাটিকেও সহজ করেছে। চিকিৎসাসেবা এখন নগরবাসীর জন্য হাতের মুঠোয় থাকা স্মার্টফোনের অ্যাপের মাধ্যমে নেওয়ার সুযোগ চলে এসেছে। এমন একটি সেবার নাম ‘ডক্টরোলা’। চিকিৎসকের অ্যাপয়েন্টমেন্ট-ভিত্তিক ওয়েবসাইট ও কলসেন্টারসেবা নিয়ে কাজ করছে উদ্যোগটি। ২০১৩ সালে এক আড্ডা-ভাবনাকে বাস্তবে পরিণত করেই যাত্রা শুরু হয় ডক্টরোলার। ২০১৪ সালের ডিসেম্বর থেকে শুরু হয় অ্যাপয়েন্টমেন্ট-সার্ভিস। এরপর ২০১৫ সালে পুরোদমে শুরু হয়ে যায় ডক্টরোলার কাজ। মূলত সাধারণ মানুষকে সঠিক ডাক্তার খুঁজতে কাজ করা, অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিশ্চিত করা এবং ফলোআপের জন্য সাহায্য করা এ তিনটি বিষয়ে কাজ করে থাকে প্রতিষ্ঠানটি। এ উদ্যোগের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ের প্রায় ৪০০ অধ্যাপক যুক্ত রয়েছেন। এছাড়া চিকিৎসক যুক্ত রয়েছেন প্রায় ছয় হাজারের বেশি। তিনশ’র বেশি হাসপাতাল এবং ডায়াগনোসিস সেন্টারও ডক্টরোলার সঙ্গে যুক্ত। একই ধরনের আরেকটি সেবা ‘ডক্টরসবিডি’। নগরের পাশাপাশি দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মোবাইলের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছে ডক্টরসবিডি। যে কেউ নির্দিষ্ট ফি’র বিনিময়ে এই সেবা নিতে পারবেন।

কারিকা ডেক্স


প্রাকৃতিক পরিবেশ ও নগর-ব্যবস্থাপনার ওপর পলিথিনের বিরূপ প্রভাবের বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে অনেক আগেই। পচনশীল না হওয়ায় এই বস্তুটি প্রকৃতির স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যহত করে। অন্যদিকে পানি-চলাচলকেও পুরোপুরি আটকে দেয়। সে-কারণেই শহরের খাল ও নর্দমায় পলিথিন পানির প্রবাহ আটকে তৈরি করে জলাবদ্ধতা। বাধ্য হয়েই প্রায় ১৫ বছর আগে পলিথিন ব্যবহারকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে সরকার।
কিন্তু নিত্যদিনের প্রয়োজনীয় এই বস্তুটির সুনির্দিষ্ট ও সহজলভ্য কোনো বিকল্প মানুষের সামনে আনা হয়নি। কিংবা হলেও সঠিক প্রচারের অভাবে সেটি থেকে গেছে অগোচরেই। তাই কমেনি পলিথিনের ব্যবহার। কমেনি এর কারণে সৃষ্ট সমস্যাগুলো।
পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) পরিচালিত এক পরিসংখ্যান বলছে, কেবল ঢাকা শহরে দিনে জমা হচ্ছে এক কোটি ৮০ লাখ পলিথিন ব্যাগ। যেগুলো একবারের বেশি ব্যবহার করা হচ্ছে না। এই বিপুল পরিমাণ পলিথিন ব্যাগ নগরীর জলাবদ্ধতার পেছনে মূখ্য ভূমিকা রাখছে। এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অরগানাইজেশনের (ইএসডিও) তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার ৮০ শতাংশ জলাবদ্ধতার কারণ এই পলিথিন।
আশির দশকে বাণিজ্যিকভাবে পলিব্যাগ উৎপাদন শুরু হলেও ২০০২ সালে পরিবেশবাদীদের আন্দোলনের মুখে সেটা আইন করে নিষিদ্ধ করে সরকার। তবে উৎপাদন বন্ধ হয়নি মোটেও। সেই কাজটা গোপনে হলেও পলিথিনের বিক্রি ও ব্যবহার চলছে সবার সামনেই। এটির ব্যবহার বন্ধে মাঝে কিছুদিন অভিযান পরিচালিত হলেও সেটা সাম্প্রতিক সময়ে বন্ধ। একটা সময়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের যে তোড়জোড় চোখে পড়ত সেটা এখন আর দেখা যায় না। এমনকি দেশে কী পরিমাণ অবৈধ পলিথিন কারখানা আছে সেই হিসেবেও নেই তাদের কাছে।
আইন আনুযায়ী পলিথিন উৎপাদন, আমদানি ও বাজারজাতকরণের শাস্তি দুই বছর জেল এবং দুই লাখ টানা জরিমানা। একসঙ্গে দুটি দন্ড হওয়ারও বিধান আছে। পাশাপাশি পলিথিন বিক্রি, প্রদর্শন, মজুদ, বিতরণ, বাণিজ্যিক উদ্দেশে পরিবহন, বাণিজ্যিক উদ্দেশে ব্যবহারের শাস্তি এক বছর জেল অথবা ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা দুটিই একসঙ্গে।
ভোক্তা-পর্যায়ে পলিথিনের ব্যবহার কমানো সম্ভব হচ্ছে না মূলত এর বিকল্পের অভাবে। বাজারে প্রচলিত কাগজের ব্যাগ পলিথিনের মতো মজবুত হয়ে উঠতে পারে। আর পাটের ব্যাগের দাম আর সহজলভ্যতার অভাবের কারণে ভোক্তারা ঝুঁকছেন সেই পলিব্যাগের দিকেই। আর চাহিদা থাকায় রাতের আঁধারে হলেও পুরোদমে চলছে পলিথিনের উৎপাদন।
পরিবেশ রক্ষাসংক্রান্ত এই আইনের বাস্তবায়নের দায়িত্ব আইনগতভাবেই পরিবেশ অধিদপ্তরের কাঁধে। কিন্তু সেই দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে অধিদপ্তরের কার্যক্রম বা উদ্যোগ সফলতার মুখ দেখেনি।

0 879
কারিকা ডেস্ক :
হাউজিং এন্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (এইচবিআরআই)উদ্যোগে ১ জুন থেকে ৪ জুন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে পরিবেশ বান্ধব ইট ও ভূমিকম্প সহনশীল নির্মাণ প্রযুক্তি প্রদর্শনী। প্রদর্শনীতে থাকছে ভূমিকম্পসহ সকল দূর্যোগ সহনীয় নির্মাণ উপকরণ ও প্রযুক্তি। কৃষিবান্ধব, ব্যয় সাশ্রয়ী এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ও উপকরণ এবং এইচবিআরআই উদ্ভাবিত, প্রত্যয়িত ও স্বীকৃত বিকল্প নির্মাণ প্রযুক্তি ও উপকরণ। হাউজিং এন্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত প্রদর্শনীটি সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৬ টা পর্যন্ত সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।