Home বাজার দর পেইন্ট

কারিকা ডেক্স


ইট
১ নম্বর ইট পরিবহন খরচ বাদে হাজার-প্রতি ১০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ২ নম্বর ইটের দাম হাজার-প্রতি ৮-৯ হাজার টাকা। মেট্রোসেম অটো ব্রিকস পরিবহন খরচ বাদে গ্রেড-১ সলিড ১১ হাজার টাকা ও গ্রেড-২ সলিড ৯,৫০০ টাকা এবং পিকেট ১০ হাজার টাকা, থ্রি হোল ১২ হাজার টাকা এবং টেন হোল ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বালি
রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে পরিবহন খরচসহ প্রতি ট্রাক (৫ টনি) সিলেট বালি বিক্রি হচ্ছে ১২,৩৫০ টাকা এবং আস্তর বালি বিক্রি হচ্ছে ৩,২০০ টাকায়।

সিমেন্ট
শাহ সিমেন্ট স্পেশাল ব্যাগ-প্রতি ৪৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। শাহ পপুলারের ব্যাগ-প্রতি দাম ৪৪০ টাকা। হোলসিম নরমাল ব্যাগ-প্রতি ৪৭০ থেকে ৪৮০ টাকা ও হোলসিম ওপিসির দাম ৫৩০ থেকে ৫৫০ টাকা। স্ক্যান ব্যাগ-প্রতি ৪১০ টাকা ও ডায়মন্ড ব্যাগ-প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৪১০ থেকে ৪২৫ টাকা। সুপারক্রিট সিমেন্ট প্রতি বস্তা বিক্রি হচ্ছে ৩৯০ টাকা। ব্যাগ-প্রতি সেভেন রিং স্পেশাল ৪০০ টাকা, সেভেন রিং নরমাল ৩৮০ টাকা এবং সেভেন রিং গোল্ড ৪৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রড
পরিবহন খরচ ছাড়া কেএসআরএমের প্রতি টন বিক্রি হচ্ছে ৬৬ হাজার টাকা। টন-প্রতি বিএসআরএম ৬৬ হাজার, জিপিএইচ ৬৪ হাজার এবং রহিম স্টিল ৬৬ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মার্বেল ও গ্রানাইট
বিভিন্ন দেশ থেকে এগুলো আমদানি করা হয়। যেমন ইন্ডিয়া, নরওয়ে, ইতালি, টার্কিসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশ। মেঝে এবং দেয়াল সবখানে মার্বেল ও টাইলস ব্যবহার করা হয়। রান্নাঘরে চুলার নিচের যে স্পেস, আমাদের দেশে সেখানেই মার্বেলের ব্যবহার হয় বেশি। ইতালির মার্বেলকে বিভিন্ন আকৃতি দেয়া যায়। অন্যান্য ব্র্যান্ডের তুলনায় ইতালি এবং নরওয়ের মার্বেলের দাম একটু বেশি।
মার্বেল : ইন্ডিয়ান মার্বেল প্রতি বর্গফুটের দাম ১৫০ থেকে ৮৫০ টাকা। ইতালিয়ান ব্র্যান্ডের মার্বেলের প্রতি বর্গফুটের দাম ৫০০ থেকে ১,২৫০ টাকা। ইতালিয়ান ব্র্যান্ডের মধ্যে অরোরা, বায়ালজ গ্রিন, রোজালিয়া লাইট, মাসাকারার, সিলভার নোভা ইত্যাদি বেশ জনপ্রিয়। নরওয়ের মার্বেলের প্রতি বর্গফুটের দাম ৫৫০ থেকে ১,৩৫০ টাকা।
গ্রানাইট : ইন্ডিয়ান নরমাল গ্রানাইটের প্রতি বর্গফুটের দাম ৬০০ থেকে ৭৫০ টাকা, হেভি গ্রানাইট ১,০৫০ থেকে ১,৩৫০ টাকা। ইন্ডিয়ান গ্রানাইটের মধ্যে সিলভার পার্ল, সার্ফ হোয়াই, জাফরানা, মার্সেল এস, কারারা সিলেট ইত্যাদি বেশ পরিচিত।
ইতালিয়ান ব্র্যান্ডের মধ্যে রয়েছে ব্ল্যাক পার্ল, ইমারেল পার্ল, ব্লু পার্ল ইত্যাদি। এর প্রতি বর্গফুটের দাম পড়বে ৯৫০ থেকে ১,২৫০ টাকা। চায়না গ্রানাইট প্রতি বর্গফুটের দাম ৯০০ থেকে ১,০৫০ টাকা। নরওয়ে গ্রানাইট প্রতি বর্গফুটের দাম ৯০০ থেকে ১,৭৫০ টাকা।

টাইলস অ্যাডহেসিভ
খাদিম’স হাই বন্ড ২৫ কেজির দাম ৬৮৫ টাকা, টাইল ম্যাট ২৫ কেজি ৫১০ টাকা, টাইল মাস্টার ২৫ কেজি ৩৩৫ টাকা। খাদিম’স মারবেল গ্লু সাদা ২০ কেজি ৮৯০ টাকা ও ধূসর ২০ কেজি ৭৬৫ টাকা। খাদিম’স সিমেন্ট প্ল্যাস্টার ৫০ কেজি ৭০০ টাকা। খাদিম’স ফায়ার ফেড মর্টার ৫০ কেজি ১,৭০০ টাকা এবং টাইলস পয়েন্টিং (ওয়াটার প্রুফ) ১ কেজি ১২০ টাকা।

রঙ
বার্জারের ১৮.২ লিটারের বালতি-ভর্তি প্লাস্টিক ইমালশন বিক্রি হচ্ছে ৫,২০০ থেকে ৫,৫০০ টাকা। অ্যানামেল পেইন্ট প্রতি গ্যালন বিক্রি হচ্ছে ৯৬০ টাকা। এশিয়ান পেইন্টের ইন্টেরিয়র ওয়াল ফিনিশিংয়ের মধ্যে রয়েল গ্লিডার গোল্ড শেড ৪ লিটারের দাম ৫,৬০০ টাকা এবং ১ লিটারের দাম ১,৪৫০ টাকা। এক্সটেরিয়র ওয়াল ফিনিশিংয়ের মধ্যে অ্যাপেক্স আলটিমা ওয়েদার প্রুফ এমালশনের ১৮ লিটার ৮,২৮৫ টাকা, ৪ লিটার ১,৭৪০ টাকা এবং ১ লিটার বিক্রি হচ্ছে ৪৮০ টাকায়।
এশিয়ান এনামেল পেইন্টের মধ্যে অ্যাপকোলিট প্রিমিয়াম গ্লসের ১৮ লিটার ৬,০৭৫ টাকা, ৪ লিটার ১,২৫৫ টাকা এবং ১ লিটার বিক্রি হচ্ছে ৩৩৫ টাকায়।

কারিকা ডেক্সঃ


ইটঃ
বাড়ি নির্মাণে সাধারণত যে ধরনের ইট ব্যবহার করা হয়, তার মধ্যে ১ নম্বর ইট হাজারপ্রতি পরিবহন-খরচ বাদে ৮ থেকে সাড়ে ৮ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ২ নম্বর ইটের দাম ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা।

ব্লক ইট বা হলো ব্লকঃ
ইটের পরিবর্তে এখন অনেক নির্মাণকাজে ব্লক ইট বা হলো ব্লক ব্যবহার হচ্ছে। কারণ এগুলো তৈরিতে মাটি বা মাটি পোড়ানোর ঝামেলা নেই। ব্যবহার হয় পাথর, বালি এবং সিমেন্ট।
হাজারপ্রতি ব্লকের দাম ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা। একটি সাধারণ ইটের তুলনায় ব্লক ইট ৪ থকে ৬ গুন বড় এবং ভেতরে ফাঁপা। তাই ব্লক ইট পরিবেশবান্ধব, নির্মাণে খরচ কম এবং এটি ব্যবহারে ভবনের ওজনও কমে যায়।
সাধারণ ভবনে এক বর্গফুটের নির্মাণ-খরচ পড়ে ১ হাজার ৮০০ টাকা। অথচ ব্লক ইট ব্যবহার করে ভবন তৈরি করতে প্রতি বর্গফুটে খরচ হয় মাত্র ১ হাজার ১৫০ টাকা।

থ্রি হোল ও টেন হোল ইটঃ
এই দুই ধরণের ইটকে বলা হয় ‘ইঞ্জিনিয়ারিং ইট’। মীর সিরামিক্স এই ইট উৎপাদন করে। দাম তুলনামূলক বেশি হলেও এসব ইট অন্যান্য দিকে সাশ্রয়ী। থ্রি হোল ইট প্রতি হাজার পরিবহন-খরচ বাদে বিক্রি হচ্ছে ১৯ হাজার ৫০০ টাকা। ইটের সাইজ ৭.৫ ী ৪.৫ ী ৬.৫। এই ইট ব্যবহার করলে দেয়ালে প্লাস্টারের প্রয়োজন হয় না। সাধারণ ইটের তুলনায় এই ইট ভার্টিক্যালি বেশি লোড নিতে পারে। ১০০ এসএফটি নির্মাণে প্রয়োজন হয় গড়ে ২৯৫টি ইট। আর টেন হোল ইট প্রতি হাজার পরিবহন-খরচ বাদে বিক্রি হচ্ছে ১৮ হাজার ৯০০ টাকা। ইটের সাইজ ৯.৯ ী ৪.৫ ী ২.২৫। ১০০ এসএফটি নির্মাণে প্রয়োজন হয় গড়ে ৫০০টি ইট।

বালিঃ
রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে পরিবহন খরচসহ প্রতি ট্রাক (৫ টনি) ভালো মানের আস্তর বালি বিক্রি হচ্ছে ৫ থেকে সাড়ে ৫ হাজার টাকায়। ভিটি বালি বিক্রি হচ্ছে ২ থেকে আড়াই হাজার টাকায়।

সিমেন্ট
বর্তমান বাজারে সিমেন্টের দাম অনেকটাই স্থিতিশীল। শাহ সিমেন্ট স্পেশাল ব্যাগ-প্রতি ৩৮০ থেকে ৩৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অপরদিকে শাহ পপুলারের ব্যাগ-প্রতি দাম ৩৭০ থেকে ৩৭৫ টাকা। সেভেন রিং স্পেশাল ব্যাগ-প্রতি ৪০০ টাকা, সেভেন রিং নরমাল ৩৮০ এবং সেভেন রিং গোল্ড ৪৩০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। হোলসিম নরমাল ব্যাগ-প্রতি ৪৩৫ থেকে ৪৪০ টাকা, হোলসিম ওপিসির ব্যাগ-প্রতি দাম ৪৮৫ থেকে ৪৯০ টাকা। স্ক্যান ব্যাগ-প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৪১০ টাকায়। ডায়মন্ড সিমেন্ট ব্যাগ-প্রতি দাম ৪১০ থেকে ৪১৫ টাকা।

রডঃ
কেএসআরএমের ৬০ গ্রেড এবং ৫০০ডব্লিউ রডের দাম প্রতি টন ৫১ হাজার থেকে ৫১ হাজার ৫০০ টাকা। বিএসআরএমের দাম প্রতি টন ৫২ হাজার টাকা। একেএস ৫০০টিএমটি প্রতি টন ৫১ হাজার টাকা। আনোয়ার ব্র্যান্ডের রড প্রতি টন ৪৯ হাজার থেকে ৪৯ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

টাইলসঃ
দেশে তৈরি ১২ ইঞ্চি বাই ২০ ইঞ্চি সাইজের ওয়াল টাইলস ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, ১০ ইঞ্চি বাই ১৬ ইঞ্চি ৫০ থেকে ৬৫ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি ৩৫ থেকে ৩৮ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১৮ ইঞ্চি ৫০ থেকে ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফ্লোরের জন্য সাড়ে ১২ ইঞ্চি বাই সাড়ে ১২ ইঞ্চি সাইজের টাইলস বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি সাইজের হোমোজিনাস টাইলস ৫৫ থেকে ৬০ টাকা এবং ১৬ ইঞ্চি বাই ১৬ ইঞ্চি সাইজের হোমোজিনাস টাইলসের দাম ৫৭ থেকে ৬৫ টাকা। অপরদিকে ১২ ইঞ্চি বাই ২৪ ইঞ্চি সাইজের চায়না ওয়াল টাইলসের দাম ১৪০ থেকে ১৬৫ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি সাইজের দাম ১৪০ থেকে ১৬৫ টাকা। আর ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি সাইজের ফ্লোর টাইলসের দাম ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা।

রঙঃ
চাহিদাসম্পন্ন অধিকাংশ রঙের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। বার্জার, এশিয়ান ও আরএকের মতো শীর্ষ ব্র্যান্ডের রঙ আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। বার্জারের ১৮.২ লিটারের বালতি-ভর্তি প্লাস্টিক ইমালশন বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৬৫০ টাকা, অ্যানামেল পেইন্ট প্রতি গ্যালন ৯৬০ টাকা। অপরদিকে ১৮.২ লিটারের বালতি-ভর্তি ডিসটেম্পার বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫৫০ টাকা। একই পরিমাপের ওয়েদারকোট বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৬০০ টাকা। একই পরিমাপের ওয়াটার সিলার বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৮৫০ টাকা। ২০ কেজি ডিওরোসেম বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ২০০ টাকা। এশিয়ান অনুরূপ ওজনের রঙ যথাক্রমে বিক্রি করছে ৩ হাজার ৩৫০ টাকা, ২ হাজার ৬৫০ টাকা, ৬৮০ টাকা, ১ হাজার ৪৫০ টাকা, ৪ হাজার ৪০০ টাকা, ২ হাজার ৮০০ টাকা ও ১ হাজার ১৫০ টাকা। আরএকে বিক্রি করছে ৩ হাজার টাকা, ৯৫০ টাকা, ৪ হাজার ২০০ টাকা, ২ হাজার ৬০০ টাকা ও ১ হাজার ২০০ টাকা।

সাবরিনা মিলি


ইটঃ
বর্তমানে বাড়ি নির্মাণের জন্য বিভিন্ন ধরনের এবং মানের ইট ব্যবহার করা হচ্ছে। ধরন এবং মানের ওপর নির্ভর করে দামেরও ভিন্নতা রয়েছে।
আমরা বাড়ি নির্মাণে সাধারণত যে ধরনের ইট করি এ ধরনের ইটের মধ্যে ১ নম্বর ইট পরিবহন খরচ বাদে ৮ হাজার থেকে ৮ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ২ নম্বর ইটের দাম ৬ হাজার থেকে ৭ হাজার টাকা। কিছুদিন আগেও দাম কিছুটা কম ছিল।

ব্লক ইট বা হলো ব্লকঃ
ইটের পরিবর্তে এখন অনেক নির্মাণ কাজে ব্লক ইট বা হলো ব্লক ব্যবহার হচ্ছে। কারণ তৈরিতে মাটি বা মাটি পোড়ানোর কোনো ঝামেলা নেই। ব্যবহার হয় পাথর, বালি এবং সিমেন্ট।
ইটের হাজার যেখানে ৬ হাজার থেকে ৮ হাজার টাকা, সেখানে ১ হাজার হলো ব্লকের দাম ৬ হাজার থেকে ৭ হাজার টাকা। ইটের তুলনায় একটি ব্লক ৪ থেকে ৬ গুণ বড় এবং ভেতরে ফাঁপা। তাই ব্লক ইট পরিবেশবান্ধব, নির্মাণে খরচ কম এবং ভবনের ওজনও কমে যায়।
সাধারণ ভবনে এক বর্গফুটের নির্মাণ খরচ পড়ে ১ হাজার ৮০০ টাকা। অথচ ব্লক ইট ব্যবহার করে ভবন তৈরি করতে প্রতি বর্গফুটে খরচ হয় মাত্র ১ হাজার ১৫০ টাকা।

থ্রি হোল ব্রিকঃ
এই ইটকে ইঞ্জিনিয়ারিং ইট বলে। মীর সিরামিক্স এই ইট উৎপাদন করে। এটির দাম একটু বেশি মনে হলেও অন্যান্য দিকে সাশ্রয়ী। থ্রি হোল ইট প্রতি হাজার পরিবহন খরচ বাদে বিক্রি হচ্ছে ১৯৫০০ টাকা। ইটের সাইজ ৭.৫ x ৪.৫ x ৬.৫ নির্মাণ কাজে এই ইট ব্যবহার করলে ওয়ালে প্লাস্টারের প্রয়োজন হয় না। সাধারণ ইটের থেকে এই ইট ভার্টিক্যালি বেশি লোড নিতে পারে। ১০০ এসেফটি নির্মাণে প্রয়োজন হয় ২৯৫টি ইট।

টেন হোল ইটঃ
এই ইটকে ইঞ্জিনিয়ারিং ইট বলে। এটির দাম একটু বেশি মনে হলেও অন্যান্য দিকে সাশ্রয়ী। টেন হোল ইট প্রতি হাজার পরিবহন খরচ বাদে বিক্রি হচ্ছে ১৮৯০০ টাকা। ইটের সাইজ ৯.৯x ৪.৫x ২.২৫। নির্মাণ কাজে এই ইট ব্যবহার করলে ওয়ালে প্লাস্টারের প্রয়োজন হয় না। সাধারণ ইটের থেকে এই ইট ভার্টিক্যালি বেশি লোড নিতে পারে। ১০০ এসেফটি নির্মাণে প্রয়োজন হয় ৫০০টি ইট। এটি মীর সিরামিক্সের একটি পণ্য।

বালিঃ
মাটিতে গর্ত করে এক ধরনের বালি পাওয়া যায়, যা মসৃণ, কোনাকার এবং ক্ষতিকারক লবণ থেকে মুক্ত থাকে। এই ধরনের বালি সাধারণত মর্টারের কাজে ব্যবহৃত হয়।
নদীর বালিঃএই ধরনের বালি নদীর উপকূলে পাওয়া যায়, যা চিকন ও গোলাকার হয়ে থাকে। এটা পিট বালি অপেক্ষা সূক্ষ্ম, তাই প্লাস্টারিংয়ের কাজে এই বালি ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
মোটা দানাঃ বালির দানা তুলনামূলক একটু বড় আকৃতির হয়, তাই নির্মাণ কাজে ঢালাইয়ের সময় খুবই উপযোগী।
রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে পরিবহন খরচসহ প্রতি ট্রাক (৫ টনি) ভালো মানের আস্তর বালি বিক্রি হচ্ছে পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচ হাজার টাকায়। ভিটি বালি বিক্রি হচ্ছে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকায়। তৈরিতে সিলেট বালি সমান থাকে।

সিমেন্ট
নির্মাণ কাজে সিমেন্ট একটি অপরিহার্য পর্দাথ। বর্তমান বাজারে সিমেন্টের দাম অনেকটাই স্থিতিশীল। শাহ সিমেন্ট স্পেশাল ব্যাগ-প্রতি ৩৮০ থেকে ৩৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অপরদিকে শাহ পপুলারের ব্যাগ-প্রতি দাম ৩৭০ থেকে ৩৭৫ টাকা। সেভেন রিং স্পেশালের ব্যাগ-প্রতি দাম ৪০০ টাকা, সেভেন রিং নরমাল ব্যাগ-প্রতি ৩৮০ টাকা এবং সেভেন রিং গোল্ড ব্যাগ-প্রতি ৪৩০ টাকা। হোলসিম নরমাল ব্যাগ-প্রতি দাম ৪৩৫ থেকে ৪৪০ টাকা, হোলসিম ওপিসির ব্যাগ-প্রতি দাম ৪৮৫ থেকে ৪৯০ টাকা। স্ক্যান ব্যাগ-প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৪১০ টাকায়। ডায়মন্ড সিমেন্ট ব্যাগ-প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৪১০ থেকে ৪১৫ টাকা।

রডঃ
কেএসআরএমের ৬০ গ্রেড এবং ৫০০ডব্লিউ রডের প্রতি টন ৫১ হাজার থেকে ৫১ হাজার ৫০০ টাকা। বিএসআরএমের দাম প্রতি টন ৫২ হাজার টাকা। একেএস ৫০০টিএমটি প্রতি টন ৫১ হাজার টাকা। আনোয়ারের রডের প্রতি টন ৪৯ হাজার থেকে ৪৯ হাজার ৫০০ টাকা।

টাইলসঃ
দেশে তৈরি ১২ ইঞ্চি বাই ২০ ইঞ্চি সাইজের ওয়াল টাইলস ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, ১০ ইঞ্চি বাই ১৬ ইঞ্চি ৫০ থেকে ৬৫ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি ৩৫ থেকে ৩৮ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১৮ ইঞ্চি ৫০ থেকে ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফ্লোরের জন্য সাড়ে ১২ ইঞ্চি বাই সাড়ে ১২ ইঞ্চি সাইজের টাইলস বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি সাইজের হোমোজিনাস টাইলস ৫৫ থেকে ৬০ টাকা এবং ১৬ ইঞ্চি বাই ১৬ ইঞ্চি সাইজের হোমোজিনাস টাইলস ৫৭ থেকে ৬৫ টাকা। অপরদিকে ১২ ইঞ্চি বাই ২৪ ইঞ্চি সাইজের চায়না ওয়াল টাইলসের দাম ১৪০ থেকে ১৬৫ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি সাইজের দাম ১৪০ থেকে ১৬৫ টাকা। আর ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি সাইজের ফ্লোর টাইলসের দাম ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা।

রঙঃ
চাহিদাসম্পন্ন অধিকাংশ রঙের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। বার্জার, এশিয়ান ও আরএকের মতো শীর্ষ ব্র্যান্ডের রঙ আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। বার্জারের ১৮.২ লিটারের বালতি-ভর্তি প্লাস্টিক ইমালশন বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৬৫০ টাকা, অ্যানামেল পেইন্ট প্রতি গ্যালন বিক্রি হচ্ছে ৯৬০ টাকা। অপরদিকে ১৮.২ লিটারের বালতি-ভর্তি ডিসটেম্পার বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫৫০ টাকা। একই পরিমাপের ওয়েদারকোট বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৬০০ টাকা। একই পরিমাপের ওয়াটার সিলার বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৮৫০ টাকা। ২০ কেজি ডিওরোসেম বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ২০০ টাকা। এশিয়ান অনুরূপ ওজনের রঙ যথাক্রমে বিক্রি করছে ৩ হাজার ৩৫০, ২ হাজার ৬৫০, ৬৮০, ১ হাজার ৪৫০, ৪ হাজার ৪০০, ২ হাজার ৮০০ ও ১ হাজার ১৫০ টাকা। আরএকে বিক্রি করছে ৩ হাজার, ৯৫০, ৪ হাজার ২০০, ২ হাজার ৬০০ ও ১ হাজার ২০০ টাকা।

বি. দ্র. : স্থান ও সময়ভেদে দামের তারতম্য হতে পারে।

কারিকা ডেক্সঃ


নতুন বাজেটর হিসাব-নিকাশে নির্মাণ-সামগ্রী ব্যবসায়ীরাও আগাম হিসাব কষছেন। তারপরও চলতি মাসে অধিকাংশ নির্মাণ-সামগ্রীর বাজারদরে বড় ধরনের কোনো প্রভাব পড়েনি।

ইট
ইটের দাম হাজার-প্রতি বেড়েছে এক থেকে দেড় হাজার টাকা। বর্তমানে ১ নম্বর ইট প্রতি-হাজার পরিবহন খরচ বাদে আট থেকে সাড়ে আট হাজার টাকা বিক্রি হচ্ছে। দুই মাস আগে ১ নম্বর ইটের হাজার-প্রতি দাম ছিল সাত থেকে সাড়ে সাত হাজার টাকা। অপরদিকে একইভাবে বেড়েছে ২ নম্বর ইটের দামও। দুই নম্বর ইট পরিবহন খরচ বাদে হাজার-প্রতি বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ছয় থেকে সাত হাজার টাকা।

বালি
রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে পরিবহন খরচসহ প্রতি ট্রাক (৫ টনি) ভালো মানের আস্তর বালি বিক্রি হচ্ছে পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচ হাজার টাকায়। ভিটি বালি বিক্রি হচ্ছে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকায়। তবে রাজধানীর পার্শ্ববর্তী জেলা শহরগুলোতে বারোশ’ থেকে দেড় হাজার টাকায় ভালো মানের ভিটি বালি পাওয়া যাচ্ছে।

সিমেন্ট
বর্তমান বাজারে সিমেন্টের দাম অনেকটাই স্থিতিশীল। শাহ সিমেন্ট স্পেশাল ব্যাগ-প্রতি ৩৮০ থেকে ৩৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অপরদিকে শাহ পপুলারের ব্যাগ-প্রতি দাম ৩৭০ থেকে ৩৭৫ টাকা। সেভেন রিং স্পেশালের ব্যাগ-প্রতি দাম ৪০০ টাকা, সেভেন রিং নরমাল ব্যাগ-প্রতি ৩৮০ টাকা এবং সেভেন রিং গোল্ড ব্যাগ-প্রতি ৪৩০ টাকা। হোলসিম নরমাল ব্যাগ-প্রতি দাম ৪৩৫ থেকে ৪৪০ টাকা, হোলসিম ওপিসির ব্যাগ-প্রতি দাম ৪৮৫ থেকে ৪৯০ টাকা। স্ক্যান ব্যাগ-প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৪১০ টাকায়। ডায়মন্ড সিমেন্ট ব্যাগ-প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৪১০ থেকে ৪১৫ টাকা।

রড
দেশের শীর্ষ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান সর্বাধুনিক প্রযুক্তির দাবি করে সেভেন্টি টু পয়েন্ট ফাইভ গ্রেডের রড বাজারে বিক্রি করছে। এর মধ্যে বিএসআরএম এমন গ্রেডের প্রতি টন রড বিক্রি করছে ৪৯,১০০ থেকে ৪৯,২০০ টাকায়। জিপিএইচ ও একেএস একই গ্রেডের রড টন-প্রতি বিক্রি করছে ৪৭,৫০০ টাকায়।

টাইলস
দেশে তৈরি ১২ ইঞ্চি বাই ২০ ইঞ্চি সাইজের ওয়াল টাইলস ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, ১০ ইঞ্চি বাই ১৬ ইঞ্চি ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি ৩৫ থেকে ৩৮ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১৮ ইঞ্চি ৫০ থেকে ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফ্লোরের জন্য সাড়ে ১২ ইঞ্চি বাই সাড়ে ১২ ইঞ্চি সাইজের টাইলস বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি সাইজের হোমোজিনাস টাইলস ৫৫ থেকে ৬০ টাকা এবং ১৬ ইঞ্চি বাই ১৬ ইঞ্চি সাইজের হোমোজিনাস টাইলস ৫৭ থেকে ৬৫ টাকা। অপরদিকে ১২ ইঞ্চি বাই ২৪ ইঞ্চি সাইজের চায়না ওয়াল টাইলসের দাম ১৪০ থেকে ১৬৫ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি সাইজের দাম ১৪০ থেকে ১৬৫ টাকা। আর ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি সাইজের ফ্লোর টাইলসের দাম ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা।

রঙ
চাহিদাসম্পন্ন অধিকাংশ রঙের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। বার্জার, এশিয়ান ও আরএকের মতো শীর্ষ ব্র্যান্ডের রঙ আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। বার্জারের ১৮.২ লিটারের বালতি-ভর্তি প্লাস্টিক ইমালশন বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৬৫০ টাকা, অ্যানামেল পেইন্ট প্রতি গ্যালন বিক্রি হচ্ছে ৯৬০ টাকা। অপরদিকে ১৮.২ লিটারের বালতি-ভর্তি ডিসটেম্পার বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫৫০ টাকা। একই পরিমাপের ওয়েদারকোট বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৬০০ টাকা। একই পরিমাপের ওয়াটার সিলার বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৮৫০ টাকা। ২০ কেজি ডিওরোসেম বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ২০০ টাকা। এশিয়ান অনুরূপ ওজনের রঙ যথাক্রমে বিক্রি করছে ৩ হাজার ৩৫০ টাকা, ২ হাজার ৬৫০ টাকা, ৬৮০ টাকা, ১ হাজার ৪৫০ টাকা, ৪ হাজার ৪০০ টাকা, ২ হাজার ৮০০ টাকা ও ১ হাজার ১৫০ টাকা। আরএকে বিক্রি করছে ৩ হাজার টাকা, ৯৫০ টাকা, চার হাজার ২০০ টাকা, ২ হাজার ৬০০ টাকা ও ১ হাজার ২০০ টাকা।

বি. দ্র. : স্থান ও সময়ভেদে দামের তারতম্য হতে পারে। এছাড়া বিভিন্ন কোম্পানির দেওয়া অফার ও ছাড় এ দামের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

 

কারিকা ডেক্সঃ


রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ও রাস্তার মোড়ে সাত-সকালে প্রতিদিনই জমে নির্মাণ-শ্রমিকের হাট। এসব হাটে শ্রম বিক্রির জন্য ভিড় জমায় নির্মাণ-পেশার নানা দক্ষতার শ্রমিক। নির্মাণ-কাজে কখনও কর্মঘণ্টার হিসাব ধরে আবার কখনও চুক্তিতে পারিশ্রমিক নিয়ে থাকেন তারা। রাজধানীর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নির্মাণ-শ্রমিকের হাট ঘুরে তাদের বর্তমান হাজিরা ও চুক্তিমূল্য জানাচ্ছেন জগলুল হায়দার

রাজমিস্ত্রি:
নির্মাণ-শ্রমিক বলতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সাধারণত আমরা রাজমিস্ত্রিকেই বুঝি। কারণ তাদের দক্ষ হাতেই গড়ে ওঠে শক্তিশালী স্থাপনা। বর্তমান বাজারে একজন রাজমিস্ত্রির কর্মঘণ্টা ৮ ঘণ্টা হিসাব ধরে তার হাজিরা-মূল্য ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা। আর তার সহযোগীর হাজিরা-মূল্য ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা। চুক্তিতে নিচতলা পর্যন্ত প্রতি বর্গফুট কাজের পারিশ্রমিক ৭০ থেকে ৮০ টাকা। দোতলা পর্যন্ত কাজ সমাপ্ত করতে প্রতি বর্গফুটের পারিশ্রমিক ১৮০ টাকা। তবে সেপটিক ট্যাঙ্কের আলাদা মূল্য দিতে হয় তাদের। এক্ষেত্রেও প্রতি বর্গফুটের পারিশ্রমিক ১৮০ টাকা।

রডমিস্ত্রি:
বর্তমান বাজারে একজন রডমিস্ত্রির হাজিরা-মূল্য ৬০০ টাকা, সহযোগী রডমিস্ত্রির হাজিরা-মূল্য ৪০০ টাকা।

রংমিস্ত্রি:
একজন হেড রংমিস্ত্রির সারাদিনের (৮ ঘণ্টা) হাজিরা-মূল্য ৫০০ টাকা, সহযোগীর ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তারা হাজিরার পরিবর্তে চুক্তিতে কাজ করে থাকেন।

কাঠমিস্ত্রি:
একজন কাঠমিস্ত্রির হাজিরা-মূল্য (৮ ঘণ্টা) ৫০০ টাকা, সহযোগীর ৪০০ টাকা। তবে কাঠমিস্ত্রিরা খাট, দরজা ও জানালা প্রস্তুতের ক্ষেত্রে চুক্তিতে কাজ করে থাকেন। একটি বঙ্খাট তৈরির ক্ষেত্রে ২০ হাজার টাকা (ফিনিশিং ও বার্নিশসহ), হাফ বঙ্খাট ১৫ হাজার টাকা, ইংলিশ খাট ৮ হাজার টাকা, দরজায় ৩ হাজার টাকার বেশি, জানালায় আড়াই হাজার টাকা, দরজার চৌকাঠে ১ হাজার টাকা ও জানালার চৌকাঠে দেড় হাজার টাকা পারিশ্রমিক নিয়ে থাকেন।

স্যানিটারি-মিস্ত্রি:
বাথরুম ও কিচেনের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো সমাধান করে থাকেন স্যানিটারি-মিস্ত্রি। একজন স্যানিটারি-মিস্ত্রির বর্তমান হাজিরা-মূল্য ৬০০ টাকা আর সহযোগীর ৩৫০ টাকা।

টাইলস-মিস্ত্রি:
টাইলস-মিস্ত্রিরা বর্গফুট হিসাব ধরে কাজ করেন। একজন টাইলস-মিস্ত্রির হাজিরা-মূল্য ৬০০ টাকা আর সহযোগীর ৪০০ টাকা। তবে বেশিরভাগ টাইলস-মিস্ত্রি চুক্তিতে কাজ করে থাকেন। তারা বর্তমানে প্রতি বর্গফুটের পারিশ্রমিক নিচ্ছেন ১২ থেকে ১৫ টাকা।

থাই-মিস্ত্রি:
থাই-মিস্ত্রিরাও সাধারণত বর্গফুট হিসাব ধরে কাজ করেন। বর্তমানে তারা থাই দরজা ও জানালা তৈরির ক্ষেত্রে প্রতি বর্গফুট কাজের জন্য ১৫ থেকে ২৫ টাকা পর্যন্ত পারিশ্রমিক নিয়ে থাকেন।

ইলেকট্রিশিয়ান:
ইলেকট্রিশিয়ানের কাজের হিসাব সম্পূর্ণ ভিন্ন। তারা কাজ করেন পয়েন্ট হিসাব ধরে। প্রতি কনসোল (অভ্যন্তরীণ) পয়েন্টের জন্য ১৫০ টাকা আর বাটাম পয়েন্টের জন্য ৭০ টাকা থেকে ৮০ টাকা পারিশ্রমিক নিয়ে থাকেন।

কারিকা ডেস্ক :
বাড়ির সৌন্দর্য ফুটে উঠে রঙের উপর। তাই তো চিন্তায় থাকেন কোন রং করাবেন? কোন রং করালে বাড়ি আরও সুন্দর দেখাবে।
এখনকার সময়ে গাঢ় রঙেরই চল বেশি। তাই বেছে নিতে পারেন পছন্দসই কোনও রং। এতে বাড়ির সৌন্দর্য ফুটে উঠে।
বাড়িতে রং করানোর আগে অনেককিছু খেয়াল রাখতে হবে। যেমন আপনি যদি চান রঙে ড্যাম্প না ধরে তবে বর্ষার আগেই করা ভালো। রইল কিছু টিপস—
ফাঙ্কি ইয়লো
বেডরুম, ডাইনিং বা অন্যান্য জায়গার জন্য এই রংটি আদর্শ হতে পারে। বিশেষ করে ঘরের বারান্দা, সিঁড়ি, ব্যালকনি, বাগানে এই ধরনের রং বেশ মানানসই। শুধু ঘরের কথা বাদ দিলে, রান্নার সরঞ্জামও কিনতে পারেন এই রঙের। তাহলে আপনার ডিনার টেবিল বা কফি ট্রে আরও উজ্জ্বল ও মানানসই দেখাবে।
লাইল্যাকস্ ও পার্পল
ঘরে নরম রঙের ছোঁয়া আনতে ব্যবহার করতে পারেন এই রংগুলি। তবে সরাসরি না করে, তার সঙ্গে ধূসর বা নীল রংও মিশিয়ে নিতে পারেন। এতে গরমের দিনেও ঘরে একটা আলাদা স্পন্দন পাবেন আপনি। এর সঙ্গে ঘরের প্রবেশ পথে ল্যাভেন্ডার গাছ, ল্যাভেন্ডার কালারের ল্যাম্প শেড, ডোর ম্যাট ও পর্দা ভালো মানাবে।
ব্রিঞ্জল
এ বছর ঘরের জন্য রোমাঞ্চের রং হল এই ব্রিঞ্জল বা বেগুনি রং। আপনি লাল ও কমলা রঙে একঘেঁয়ে বোধ করলে এবার ঘর রং করাতে পারেন বেগুনি রঙে। এতে আপনার লিভিং রঙের চাকচিক্যই বদলে যাবে। দেখতে লাগবে অনেক বেশি সফিস্টিকেডেট। ঘরের দেওয়াল বেগুনি হলে তার সঙ্গে মানাবে লাল, সবুজ ও হলুদ রঙের সজ্জা সামগ্রী। তাতে ঘরে একটা কম্বিনেশন লুকও আসবে।
মিল্কি ব্লু
এই রঙের সব জিনিসই সবসময় একটা আলাদা আবেদন রাখে। তাই ঘর রঙিন করতে পারেন মিল্কি ব্লু রং দিয়েও। গরমের সময় বেশ ভালোই মানাবে এই রং।
ব্লাশিং পিঙ্ক
ঘর রং করতে পারেন গোলাপি রঙেও। তার সঙ্গে ঘরের কোণায় কোণায় বা দেওয়া ব্রোঞ্জ়ের রঙের নকশা এনে দেবে আলাদা মাত্রা।
বোল্ড গ্রিন
শুধু গৃহসজ্জার উপকরণ হিসেবেই নয়। এই রংটি দেওয়াল এমনকী শুধু সিলিংয়েও ভালোই মানায়।

কারিকা ডেস্ক :
নোনা ধরা দেয়াল ভালো রাখতে ঘরে পর্যাপ্ত ভেন্টিলেশন বা বাতাস চলাচলের সুবিধা থাকা প্রয়োজন। দেয়ালের ড্যাম্প পুরোপুরি সারিয়ে তোলা বেশ ব্যয়সাপেক্ষ। দেয়ালের পুরনো প্লাস্টার তুলে ড্যাম্প নিরোধক কেমিক্যাল ব্যবহার করে তারপর আবার প্লাস্টার করতে হবে। পুরনো দেয়ালে ছত্রাক জন্মালে রং করার আগে তা চেঁছে তুলে ফেলতে হবে। তারপর দেয়ালে অ্যান্টি-ফাঙ্গাশ সলিউশন ব্যবহার করুন। এতে দেয়ালের রং দীর্ঘস্থায়ী হবে। অবশ্যই দেয়ালের বাইরে ও ভেতরে ড্যাম্প নিরোধক রং ব্যবহার করতে হবে। ড্যাম্প দেয়ালে চুন রং ব্যবহার না করাই ভালো। এতে ছত্রাক আরো দ্রুত হয়। ড্যাম্প দেয়ালে রং করতে সাধারণত চারটি ধাপ অনুসরণ করতে হয়। ধাপগুলো হলো— সারফেস প্রিপারেশন, প্রাইমার বা আস্তর, পুটি, রঙের কোট।
সারফেস প্রিপারেশন :
প্লাস্টার ভালোভাবে শুকাতে হবে এবং খুব ভালোভাবে কিউরিং হতে হবে। প্লাস্টার করার ৪৫ দিন পর রং করা উচিত। রং শুরু করার আগে যেকোনো ধরনের ড্যাম্প, স্যাঁতসেঁতে, ভেজা বা নষ্ট থাকলে তা ঠিক করে নিন। এরপর পাথর বা স্যান্ডস্টোন দিয়ে ভালোভাবে ঘষে নিতে হবে। প্লাস্টার করা দেয়াল সমতল হতে হবে। সমতল না থাকলে পাথর দিয়ে ঘষে সমতল করতে হয়। এতে আলগা ময়লা বা অন্য কিছু থাকলে সরিয়ে ফেলতে হবে। এরপর চুনের পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললে ভালো হয়। এতে প্লাস্টার ভালোভাবে শুকিয়ে যায়। শেষে স্যান্ডপেপার বা শিরিষ কাগজ দিয়ে ঘষে নিন।
প্রাইমার বা আস্তর:
সারফেস প্রিপারেশন হলে পরে প্রাইমার বা আস্তর দিতে হয়। এক আস্তর দেওয়া হয় এই প্রাইমার। মূলত প্লাস্টার ও রঙের মধ্যে আঠালো সম্পর্ক তৈরি করে এই প্রাইমার। প্রতি গ্যালনে প্রাইমার ৪৫ স্কয়ার মিটার আস্তর দেওয়া যায়। রোলার বা ব্রাশ দিয়ে প্রাইমার দেওয়া হয়। দেওয়ার আগে এই প্রাইমার পানি দিয়ে পাতলা করে নেওয়া হয়। এটি আঠালো সম্পর্ক তৈরি হওয়ার পাশাপাশি সারফেসকে মসৃণ করে। এ ছাড়া শোষণক্ষমতা কমিয়ে দেয় এবং রং সুন্দরভাবে ও বেশি জায়গায় ছড়িয়ে দেয়।
পুটি:
কোনো ফাটল বা সমস্যা থাকলে পুটি করা হয়। একে ছিট পুটিও বলা হয়। কমপক্ষে চার দিন এই পুটি শুকিয়ে নিতে হবে। বেশি পুটি যেখানে থাকবে, সেখানে স্ক্র্যাপ করে নিতে হবে। এক গ্যালন প্লাস্টিক পেইন্টের সঙ্গে এক লিটার এনামেল পেইন্ট ও ২৫ কেজি চক পাউডার মিশিয়ে এই পুটি তৈরি করা হয়।
রঙের কোট :
রং দুই থেকে তিনবার প্রলেপ দেওয়া হয়। প্রথম প্রলেপের পর সাত দিন শুকানোর সময় দিতে হবে। এরপর দ্বিতীয় প্রলেপ দেওয়া হয়। এতেও যদি রং ভালো না হয়, যেমন—পরিচ্ছন্ন না হয়ে ছোপ ছোপ থাকে বা রং হালকা হয় তাহলে দ্বিতীয় প্রলেপের তিন দিন পর তৃতীয় প্রলেপ দেওয়া হয়। প্রথম প্রলেপের সঙ্গে সর্বোচ্চ ২০ ভাগ পানি মেশানো হয়। দ্বিতীয় প্রলেপের সঙ্গে সর্বোচ্চ ১৫ ভাগ পানি মেশানো হয়। ড্যাম্প, স্যাঁতসেঁতে বা ভেজা দেয়ালে পেইন্ট করা যাবে না। আর্দ্রতা ২০ থেকে ৫০ ভাগের মধ্যে থাকতে হবে। সরাসরি সূর্যের আলো যেন রং করার সময় না আসে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
বাইরের দেয়ালকে ঝড়-বৃষ্টি মোকাবিলা করতে হয়। তাই বাইরের দেয়ালে ব্যবহার করুন অ্যাক্রেলিক ইমালশন। দেয়ালের জন্য সাধারণত ডিসটেম্পার ও প্লাস্টিক পেইন্ট এই দুই ধরনের রং ব্যবহার করা যায়। তবে রং বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান থেকে জেনে নিন  আপনার কেনা রঙের মেয়াদকাল। সে অনুযায়ী বাড়ির পুরনো রং তুলে নতুন করে রং করিয়ে নিন। সাধারণত পুরনো বাড়ির ক্ষেত্রে বাইরের দেয়াল তিন বছর পর পর রং করা উচিত। ভেতরের দেয়ালের রং সাধারণত পাঁচ বছর পর্যন্ত উজ্জ্বল থাকে। দেয়ালের রং খুব ভালোভাবে শুকিয়ে গেলে সিলার ব্যবহার করতে পারেন। এতে দেয়াল মসৃণ ও রং দীর্ঘদিন ভালো থাকবে।

0 1306

বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ
বার্জার হাউজ, বাড়ি # ৮, রোড # ২, সেক্টর #৩
উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা – ১২৩০
ফোন – ০২ – ৮৯৫৩৬৬৫
ওয়েবসাইট – www.bergerbd.com

আরএকে পেইন্ট লিমিটেড
বাড়ি : ০৫, (৩য় এবং ৪র্থ তলা)
রোড ১/এ, সেক্টর : ৪
উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা ১২৩০, বাংলাদেশ।
ফোন – ০২ – ৮৯১৩৫৫১
ওয়েবসাইট – www.rakpaints.com

রক্সি পেইন্টস
বাড়ি : ৮, লেভেল : ৪ – ৫, রোড : ৪
ধানমন্ডি আবাসিক এলাকা, ঢাকা – ১২০৫
ফোন – +৮৮ ০২ ৯১১৮৪৮১, ৯১২ ৬১৫৪
ওয়েবসাইট – www.roxypaints.com

এশিয়ান পেইন্টস বাংলাদেশ
বাড়ি : ৪২৮/এ (৪, ৫, এবং ৬ষ্ঠ তলা)
রোড : ৩০, নিউ ডিওএইচএস, মহাখালী, ঢাকা – ১২০৬।
ফোন : ০২ – ৮৮৫৯৩২৯, ৯৮৯৩২৮৩, ৮৭১৩০৮৭O
ওয়েবসাইট – www.asianpaints.com

অ্যাকুয়া পেইন্টস
৫৪, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (৩য় তলা), ঢাকা – ১০০০ বাংলাদেশ
ফোন – ৯৫৬১৩৭৬, ৭১৬০১৩২, ০১১৯৯৮৮৮১০০
ওয়েবসাইট – www.aquapaints.com

নাভানা পেইন্টস
৩৮৮/এ, তেঁজগাও ১/এ, ঢাকা ১২০৮
ফোন – ৯১৩৭২১৭৮, ৮১২৩১৭৪
ওয়েবসাইট – www.navana.com

এফএমসি পেইন্ট
রূপসা টাওয়ার, ফ্ল্যাট #১৩সি, রোড #১৭, হাউজ #৭
কামাল আতার্তুক অ্যাভিনিউ, বনানী।
ঢাকা – ১২১৩, বাংলাদেশ।
ফোন – +৮৮ ০২ ৯৮২১১০৮, +৮৮ ০১৯৭১৩৬২০৬৬
ওয়েবসাইট – www.fmcgroupbd.com

পেইলাক পেইন্ট অ্যান্ড কেমিক্যাল কোং
বাড়ি -৪৬ / ৬এ, ঝিগাতলা, ধানমন্ডি।
ফোন – ০১৭১৩১১৭৯৩

এলিট পেইন্ট
এলিট হাউজ, ৫৪ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা
ফোন – ৯৫৬১৩৭৬

রোমানা পেইন্ট
১০২৮/১, মালিবাগ বাজার রোড, নূর প্লাজা, প্রথম ফ্লোর।
ফোন – ০২ ৯৩৩২৬৮৮, ৯৩৩৭৭১, ৯৩৫৬৪১০

এলাইট পেইন্ট
৮ নং নূর মসজিদ মাদ্রাসা মার্কেট
মালিবাগ চৌধুরীপাড়া ঢাকা।
ফোন – ৯৩৪৬৫০, ৯৩৪৬৫১৪, ৯৩৩৮০২৭
ওয়েবসাইট – www.alightpaint.com

উজালা পেইন্টস
এএইচএন টাওয়ার
১৩, বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড
বাংলামটর। ঢাকা – ১০০০
ফোন – ০১৯৮৭৭০৫৯০৯ – ১২
ওয়েবসাইট -www.ujalapaints.com

জতুন পেইন্টস বাংলাদেশ
বাড়ি নং ৬, ৯ (৮ম তলা), রোড ২বি, ব্লক জে, আমেরিকান অ্যাম্বেসির কাছে
জাপানীজ অ্যাম্বেসি স্কুল, বারিধারা, ঢাকা – ১২১৬
ফোন – ০২ ৯৮৫৬৮৮৬
ওয়েবসাইট – www.jotun.com