Home বাজার দর রড

কারিকা ডেক্স


ইট
১ নম্বর ইট পরিবহন খরচ বাদে হাজার-প্রতি ১০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ২ নম্বর ইটের দাম হাজার-প্রতি ৮-৯ হাজার টাকা। মেট্রোসেম অটো ব্রিকস পরিবহন খরচ বাদে গ্রেড-১ সলিড ১১ হাজার টাকা ও গ্রেড-২ সলিড ৯,৫০০ টাকা এবং পিকেট ১০ হাজার টাকা, থ্রি হোল ১২ হাজার টাকা এবং টেন হোল ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বালি
রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে পরিবহন খরচসহ প্রতি ট্রাক (৫ টনি) সিলেট বালি বিক্রি হচ্ছে ১২,৩৫০ টাকা এবং আস্তর বালি বিক্রি হচ্ছে ৩,২০০ টাকায়।

সিমেন্ট
শাহ সিমেন্ট স্পেশাল ব্যাগ-প্রতি ৪৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। শাহ পপুলারের ব্যাগ-প্রতি দাম ৪৪০ টাকা। হোলসিম নরমাল ব্যাগ-প্রতি ৪৭০ থেকে ৪৮০ টাকা ও হোলসিম ওপিসির দাম ৫৩০ থেকে ৫৫০ টাকা। স্ক্যান ব্যাগ-প্রতি ৪১০ টাকা ও ডায়মন্ড ব্যাগ-প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৪১০ থেকে ৪২৫ টাকা। সুপারক্রিট সিমেন্ট প্রতি বস্তা বিক্রি হচ্ছে ৩৯০ টাকা। ব্যাগ-প্রতি সেভেন রিং স্পেশাল ৪০০ টাকা, সেভেন রিং নরমাল ৩৮০ টাকা এবং সেভেন রিং গোল্ড ৪৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রড
পরিবহন খরচ ছাড়া কেএসআরএমের প্রতি টন বিক্রি হচ্ছে ৬৬ হাজার টাকা। টন-প্রতি বিএসআরএম ৬৬ হাজার, জিপিএইচ ৬৪ হাজার এবং রহিম স্টিল ৬৬ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মার্বেল ও গ্রানাইট
বিভিন্ন দেশ থেকে এগুলো আমদানি করা হয়। যেমন ইন্ডিয়া, নরওয়ে, ইতালি, টার্কিসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশ। মেঝে এবং দেয়াল সবখানে মার্বেল ও টাইলস ব্যবহার করা হয়। রান্নাঘরে চুলার নিচের যে স্পেস, আমাদের দেশে সেখানেই মার্বেলের ব্যবহার হয় বেশি। ইতালির মার্বেলকে বিভিন্ন আকৃতি দেয়া যায়। অন্যান্য ব্র্যান্ডের তুলনায় ইতালি এবং নরওয়ের মার্বেলের দাম একটু বেশি।
মার্বেল : ইন্ডিয়ান মার্বেল প্রতি বর্গফুটের দাম ১৫০ থেকে ৮৫০ টাকা। ইতালিয়ান ব্র্যান্ডের মার্বেলের প্রতি বর্গফুটের দাম ৫০০ থেকে ১,২৫০ টাকা। ইতালিয়ান ব্র্যান্ডের মধ্যে অরোরা, বায়ালজ গ্রিন, রোজালিয়া লাইট, মাসাকারার, সিলভার নোভা ইত্যাদি বেশ জনপ্রিয়। নরওয়ের মার্বেলের প্রতি বর্গফুটের দাম ৫৫০ থেকে ১,৩৫০ টাকা।
গ্রানাইট : ইন্ডিয়ান নরমাল গ্রানাইটের প্রতি বর্গফুটের দাম ৬০০ থেকে ৭৫০ টাকা, হেভি গ্রানাইট ১,০৫০ থেকে ১,৩৫০ টাকা। ইন্ডিয়ান গ্রানাইটের মধ্যে সিলভার পার্ল, সার্ফ হোয়াই, জাফরানা, মার্সেল এস, কারারা সিলেট ইত্যাদি বেশ পরিচিত।
ইতালিয়ান ব্র্যান্ডের মধ্যে রয়েছে ব্ল্যাক পার্ল, ইমারেল পার্ল, ব্লু পার্ল ইত্যাদি। এর প্রতি বর্গফুটের দাম পড়বে ৯৫০ থেকে ১,২৫০ টাকা। চায়না গ্রানাইট প্রতি বর্গফুটের দাম ৯০০ থেকে ১,০৫০ টাকা। নরওয়ে গ্রানাইট প্রতি বর্গফুটের দাম ৯০০ থেকে ১,৭৫০ টাকা।

টাইলস অ্যাডহেসিভ
খাদিম’স হাই বন্ড ২৫ কেজির দাম ৬৮৫ টাকা, টাইল ম্যাট ২৫ কেজি ৫১০ টাকা, টাইল মাস্টার ২৫ কেজি ৩৩৫ টাকা। খাদিম’স মারবেল গ্লু সাদা ২০ কেজি ৮৯০ টাকা ও ধূসর ২০ কেজি ৭৬৫ টাকা। খাদিম’স সিমেন্ট প্ল্যাস্টার ৫০ কেজি ৭০০ টাকা। খাদিম’স ফায়ার ফেড মর্টার ৫০ কেজি ১,৭০০ টাকা এবং টাইলস পয়েন্টিং (ওয়াটার প্রুফ) ১ কেজি ১২০ টাকা।

রঙ
বার্জারের ১৮.২ লিটারের বালতি-ভর্তি প্লাস্টিক ইমালশন বিক্রি হচ্ছে ৫,২০০ থেকে ৫,৫০০ টাকা। অ্যানামেল পেইন্ট প্রতি গ্যালন বিক্রি হচ্ছে ৯৬০ টাকা। এশিয়ান পেইন্টের ইন্টেরিয়র ওয়াল ফিনিশিংয়ের মধ্যে রয়েল গ্লিডার গোল্ড শেড ৪ লিটারের দাম ৫,৬০০ টাকা এবং ১ লিটারের দাম ১,৪৫০ টাকা। এক্সটেরিয়র ওয়াল ফিনিশিংয়ের মধ্যে অ্যাপেক্স আলটিমা ওয়েদার প্রুফ এমালশনের ১৮ লিটার ৮,২৮৫ টাকা, ৪ লিটার ১,৭৪০ টাকা এবং ১ লিটার বিক্রি হচ্ছে ৪৮০ টাকায়।
এশিয়ান এনামেল পেইন্টের মধ্যে অ্যাপকোলিট প্রিমিয়াম গ্লসের ১৮ লিটার ৬,০৭৫ টাকা, ৪ লিটার ১,২৫৫ টাকা এবং ১ লিটার বিক্রি হচ্ছে ৩৩৫ টাকায়।

কারিকা ডেক্স


দেশের বাজারে হঠাৎই বেড়ে গেছে রডের দাম। এ নিয়ে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে নির্মাণখাত সংশ্লিষ্টদের মধ্যে। ইস্পাত শিল্প-মালিকদের দাবি, আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের মূল্য বৃদ্ধির সঙ্গে দেশের অভ্যন্তরে পরিবহন-খরচ বৃদ্ধি, টাকার অবমূল্যায়ন, ব্যাংকের সুদের হার বৃদ্ধি এবং চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য খালাস বিলম্বের কারণে রডের দাম বেড়েছে। তবে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কনস্ট্রাকশন ইন্ডাস্ট্রির (বিএসিআই) অভিযোগ, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দাম বাড়ানো হয়েছে।
গত ২৯ মার্চ এক সংবাদ সম্মেলনে বিএসিআই’র পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, অধিক মুনাফা হাতিয়ে নিতে দেশের ইস্পাত শিল্প-মালিকরা নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে ইচ্ছেমতো দাম বাড়িয়ে চলেছে। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) অনুষ্ঠিত ওই সংবাদ সম্মেলনে বিএসিআই সভাপতি মুনীর উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘রডের দাম এতটা অস্বাভাবিক বৃদ্ধি যুক্তিযুক্ত নয়। প্রকৃতপক্ষে এসব কারণে দর বৃদ্ধির মধ্যে ধরলে দেশের বাজারে রডের মূল্য সর্বোচ্চ ৭ থেকে ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেতে পারে। কিন্তু গত ৬ মাসে দেশে রডের দাম ৫০ শতাংশ বেড়েছে।’
সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া তথ্যানুসারে, দেশে গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে প্রতি টন রডের দাম ছিল ৪৮ হাজার টাকা। যা এখন ৭২ হাজার টাকায় উঠেছে। ছয় মাস ব্যবধানে পণ্যটির দাম ৯ দফা বাড়িয়েছে উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলো। তবে এ সময়ের ব্যবধানে আন্তর্জাতিক বাজারে রডের কাঁচামালের দাম উল্টো কমেছে। কারণ গত সেপ্টেম্বরে আন্তর্জাতিক বাজারে রডের দাম ছিল ৫৬০ ডলার, যা এখন নেমেছে ৫২৫ ডলারে।
বিএসিআই’র সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএসিআই’র সাবেক সভাপতি শেখ মো. রফিকুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি সফিকুল আলম ভুইয়া, সাবেক সভাপতি আতিকুর রহমান, সাবেক সভাপতি আফতাব উদ্দিন আহমেদ ও সহ-সভাপতি এসএম খোরশেদ আলম।
এদিকে, একই দিন অপর এক অনুষ্ঠানে ‘রডের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির’ কারণ জানতে চায় ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই। রাজধানীর মতিঝিলে ফেডারেশন ভবনে এক মতবিনিময় সভায় এ বিষয়ে জানতে চান এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মো. শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন। আসন্ন ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরের বাজেট উপলক্ষে রাজস্ব নীতিমালা, আমদানি শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর (মুসক) ও আয়কর এবং মাঠ পর্যায়ে মুসক ও কর সম্পর্কিত নানাবিধ সমস্যা নিয়ে ওই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে ইস্পাত শিল্প-মালিকদের উদ্দেশে এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, ‘আপনাদের কত টাকা উৎপাদন খরচ বেড়েছে? আর বাজারে দাম বাড়িয়েছেন কত? দাম বাড়ানোর যৌক্তিকতা কতটুকু বলেন। এটার সঙ্গে ব্যবসায়ীদের ভাবমূর্তি জড়িত হয়ে পড়েছে।’
প্রতিউত্তরে রড ব্যবসায়ীদের একজন প্রতিনিধি বলেন, ‘দাম বাড়ার পেছনে কয়েকটি কারণ রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো রডের কাঁচামাল যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করতে হয়। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র এ কাঁচামালের ওপর কর বাড়িয়েছে। আগে যেখানে আমদানি খরচ ৩০০ ডলার লাগতো, এখন লাগে ৪৩০ ডলার। এ ছাড়া বন্দর ও পরিবহন খরচ বেড়েছে।’
এরপর এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি রড ব্যবসায়ীদের দাম বাড়ার যৌক্তিক কারণ লিখিত আকারে জানাতে বলেন।
শুধু রড নয়, বাজারে নির্মাণ-খাতের অন্য প্রধান উপকরণ সিমেন্টের দামও বেড়েছে বস্তাপ্রতি ৬০ টাকা। সার্বিক এ পরিস্থিতিতে সংবাদ সম্মেলনে সরকারের হস্তক্ষেপে আহব্বান করে বিএসিআই। অন্যথায় ১৫ এপ্রিল থেকে সমস্ত নির্মাণ-কাজ বন্ধ করে দেওয়ারও হুমকি দিয়েছে সংগঠনটি।
সংগঠনটির সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ভৌত অবকাঠামো নির্মাণে রড-জাতীয় পণ্যের পরিমাণ হয় ২০ থেকে ২৫ শতাংশ। তাই রডের মূল্য বৃদ্ধি পেলে পুরো স্থাপনার নির্মাণ-ব্যয় ৭ থেকে ৮ শতাংশ বেড়ে যায়। এতে পূর্বে চুক্তিবদ্ধ কাজে লোকসান করে ঠিকাদাররা। এছাড়া গ্রাম-গঞ্জে ব্যক্তিগত স্থাপনা নির্মাণ বাধাগ্রস্ত হয়। ইতিমধ্যে এমন পরিস্থিতিতে সারা দেশে প্রচুর নির্মাণ-কার্যক্রম বন্ধ হয়ে রয়েছে।
মুনীর উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আগে কয়েকবার সরকারের বিভিন্ন মহলকে চিঠি দিয়েছি। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে অবগতও রয়েছে। এরমধ্যে এফবিসিসিআই আমাদের সঙ্গে ইস্পাত শিল্প-ব্যবসায়ীদের একটি বৈঠকের আশ্বাস দিয়েছে। সকলে আন্তরিক হলে দ্রুত এ সমস্যার সমাধান সম্ভব। নতুবা কাজ বন্ধ করা ছাড়া আমাদের কোনো উপায় থাকবে না।’
অপরদিকে রড ও সিমেন্টের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছে দেশে আবাসন খাতের কোম্পানিগুলো। তারা বলছে, এতে নির্মাণ-ব্যয় বাড়বে এবং ফ্ল্যাটের দামের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। সম্প্রতি এ বিষয়ে একটি সংবাদ সম্মেলন করে আবাসন খাতের ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)। সম্মেলনে রড সিমেন্টসহ অন্যান্য নির্মাণ-সামগ্রীর দাম বাড়ানোকে অযৌক্তিক বলে দাবি করে সংগঠনটি।

কারিকা ডেক্সঃ


ইটঃ
বাড়ি নির্মাণে সাধারণত যে ধরনের ইট ব্যবহার করা হয়, তার মধ্যে ১ নম্বর ইট হাজারপ্রতি পরিবহন-খরচ বাদে ৮ থেকে সাড়ে ৮ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ২ নম্বর ইটের দাম ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা।

ব্লক ইট বা হলো ব্লকঃ
ইটের পরিবর্তে এখন অনেক নির্মাণকাজে ব্লক ইট বা হলো ব্লক ব্যবহার হচ্ছে। কারণ এগুলো তৈরিতে মাটি বা মাটি পোড়ানোর ঝামেলা নেই। ব্যবহার হয় পাথর, বালি এবং সিমেন্ট।
হাজারপ্রতি ব্লকের দাম ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা। একটি সাধারণ ইটের তুলনায় ব্লক ইট ৪ থকে ৬ গুন বড় এবং ভেতরে ফাঁপা। তাই ব্লক ইট পরিবেশবান্ধব, নির্মাণে খরচ কম এবং এটি ব্যবহারে ভবনের ওজনও কমে যায়।
সাধারণ ভবনে এক বর্গফুটের নির্মাণ-খরচ পড়ে ১ হাজার ৮০০ টাকা। অথচ ব্লক ইট ব্যবহার করে ভবন তৈরি করতে প্রতি বর্গফুটে খরচ হয় মাত্র ১ হাজার ১৫০ টাকা।

থ্রি হোল ও টেন হোল ইটঃ
এই দুই ধরণের ইটকে বলা হয় ‘ইঞ্জিনিয়ারিং ইট’। মীর সিরামিক্স এই ইট উৎপাদন করে। দাম তুলনামূলক বেশি হলেও এসব ইট অন্যান্য দিকে সাশ্রয়ী। থ্রি হোল ইট প্রতি হাজার পরিবহন-খরচ বাদে বিক্রি হচ্ছে ১৯ হাজার ৫০০ টাকা। ইটের সাইজ ৭.৫ ী ৪.৫ ী ৬.৫। এই ইট ব্যবহার করলে দেয়ালে প্লাস্টারের প্রয়োজন হয় না। সাধারণ ইটের তুলনায় এই ইট ভার্টিক্যালি বেশি লোড নিতে পারে। ১০০ এসএফটি নির্মাণে প্রয়োজন হয় গড়ে ২৯৫টি ইট। আর টেন হোল ইট প্রতি হাজার পরিবহন-খরচ বাদে বিক্রি হচ্ছে ১৮ হাজার ৯০০ টাকা। ইটের সাইজ ৯.৯ ী ৪.৫ ী ২.২৫। ১০০ এসএফটি নির্মাণে প্রয়োজন হয় গড়ে ৫০০টি ইট।

বালিঃ
রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে পরিবহন খরচসহ প্রতি ট্রাক (৫ টনি) ভালো মানের আস্তর বালি বিক্রি হচ্ছে ৫ থেকে সাড়ে ৫ হাজার টাকায়। ভিটি বালি বিক্রি হচ্ছে ২ থেকে আড়াই হাজার টাকায়।

সিমেন্ট
বর্তমান বাজারে সিমেন্টের দাম অনেকটাই স্থিতিশীল। শাহ সিমেন্ট স্পেশাল ব্যাগ-প্রতি ৩৮০ থেকে ৩৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অপরদিকে শাহ পপুলারের ব্যাগ-প্রতি দাম ৩৭০ থেকে ৩৭৫ টাকা। সেভেন রিং স্পেশাল ব্যাগ-প্রতি ৪০০ টাকা, সেভেন রিং নরমাল ৩৮০ এবং সেভেন রিং গোল্ড ৪৩০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। হোলসিম নরমাল ব্যাগ-প্রতি ৪৩৫ থেকে ৪৪০ টাকা, হোলসিম ওপিসির ব্যাগ-প্রতি দাম ৪৮৫ থেকে ৪৯০ টাকা। স্ক্যান ব্যাগ-প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৪১০ টাকায়। ডায়মন্ড সিমেন্ট ব্যাগ-প্রতি দাম ৪১০ থেকে ৪১৫ টাকা।

রডঃ
কেএসআরএমের ৬০ গ্রেড এবং ৫০০ডব্লিউ রডের দাম প্রতি টন ৫১ হাজার থেকে ৫১ হাজার ৫০০ টাকা। বিএসআরএমের দাম প্রতি টন ৫২ হাজার টাকা। একেএস ৫০০টিএমটি প্রতি টন ৫১ হাজার টাকা। আনোয়ার ব্র্যান্ডের রড প্রতি টন ৪৯ হাজার থেকে ৪৯ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

টাইলসঃ
দেশে তৈরি ১২ ইঞ্চি বাই ২০ ইঞ্চি সাইজের ওয়াল টাইলস ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, ১০ ইঞ্চি বাই ১৬ ইঞ্চি ৫০ থেকে ৬৫ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি ৩৫ থেকে ৩৮ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১৮ ইঞ্চি ৫০ থেকে ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফ্লোরের জন্য সাড়ে ১২ ইঞ্চি বাই সাড়ে ১২ ইঞ্চি সাইজের টাইলস বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি সাইজের হোমোজিনাস টাইলস ৫৫ থেকে ৬০ টাকা এবং ১৬ ইঞ্চি বাই ১৬ ইঞ্চি সাইজের হোমোজিনাস টাইলসের দাম ৫৭ থেকে ৬৫ টাকা। অপরদিকে ১২ ইঞ্চি বাই ২৪ ইঞ্চি সাইজের চায়না ওয়াল টাইলসের দাম ১৪০ থেকে ১৬৫ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি সাইজের দাম ১৪০ থেকে ১৬৫ টাকা। আর ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি সাইজের ফ্লোর টাইলসের দাম ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা।

রঙঃ
চাহিদাসম্পন্ন অধিকাংশ রঙের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। বার্জার, এশিয়ান ও আরএকের মতো শীর্ষ ব্র্যান্ডের রঙ আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। বার্জারের ১৮.২ লিটারের বালতি-ভর্তি প্লাস্টিক ইমালশন বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৬৫০ টাকা, অ্যানামেল পেইন্ট প্রতি গ্যালন ৯৬০ টাকা। অপরদিকে ১৮.২ লিটারের বালতি-ভর্তি ডিসটেম্পার বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫৫০ টাকা। একই পরিমাপের ওয়েদারকোট বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৬০০ টাকা। একই পরিমাপের ওয়াটার সিলার বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৮৫০ টাকা। ২০ কেজি ডিওরোসেম বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ২০০ টাকা। এশিয়ান অনুরূপ ওজনের রঙ যথাক্রমে বিক্রি করছে ৩ হাজার ৩৫০ টাকা, ২ হাজার ৬৫০ টাকা, ৬৮০ টাকা, ১ হাজার ৪৫০ টাকা, ৪ হাজার ৪০০ টাকা, ২ হাজার ৮০০ টাকা ও ১ হাজার ১৫০ টাকা। আরএকে বিক্রি করছে ৩ হাজার টাকা, ৯৫০ টাকা, ৪ হাজার ২০০ টাকা, ২ হাজার ৬০০ টাকা ও ১ হাজার ২০০ টাকা।

সাবরিনা মিলি


ইটঃ
বর্তমানে বাড়ি নির্মাণের জন্য বিভিন্ন ধরনের এবং মানের ইট ব্যবহার করা হচ্ছে। ধরন এবং মানের ওপর নির্ভর করে দামেরও ভিন্নতা রয়েছে।
আমরা বাড়ি নির্মাণে সাধারণত যে ধরনের ইট করি এ ধরনের ইটের মধ্যে ১ নম্বর ইট পরিবহন খরচ বাদে ৮ হাজার থেকে ৮ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ২ নম্বর ইটের দাম ৬ হাজার থেকে ৭ হাজার টাকা। কিছুদিন আগেও দাম কিছুটা কম ছিল।

ব্লক ইট বা হলো ব্লকঃ
ইটের পরিবর্তে এখন অনেক নির্মাণ কাজে ব্লক ইট বা হলো ব্লক ব্যবহার হচ্ছে। কারণ তৈরিতে মাটি বা মাটি পোড়ানোর কোনো ঝামেলা নেই। ব্যবহার হয় পাথর, বালি এবং সিমেন্ট।
ইটের হাজার যেখানে ৬ হাজার থেকে ৮ হাজার টাকা, সেখানে ১ হাজার হলো ব্লকের দাম ৬ হাজার থেকে ৭ হাজার টাকা। ইটের তুলনায় একটি ব্লক ৪ থেকে ৬ গুণ বড় এবং ভেতরে ফাঁপা। তাই ব্লক ইট পরিবেশবান্ধব, নির্মাণে খরচ কম এবং ভবনের ওজনও কমে যায়।
সাধারণ ভবনে এক বর্গফুটের নির্মাণ খরচ পড়ে ১ হাজার ৮০০ টাকা। অথচ ব্লক ইট ব্যবহার করে ভবন তৈরি করতে প্রতি বর্গফুটে খরচ হয় মাত্র ১ হাজার ১৫০ টাকা।

থ্রি হোল ব্রিকঃ
এই ইটকে ইঞ্জিনিয়ারিং ইট বলে। মীর সিরামিক্স এই ইট উৎপাদন করে। এটির দাম একটু বেশি মনে হলেও অন্যান্য দিকে সাশ্রয়ী। থ্রি হোল ইট প্রতি হাজার পরিবহন খরচ বাদে বিক্রি হচ্ছে ১৯৫০০ টাকা। ইটের সাইজ ৭.৫ x ৪.৫ x ৬.৫ নির্মাণ কাজে এই ইট ব্যবহার করলে ওয়ালে প্লাস্টারের প্রয়োজন হয় না। সাধারণ ইটের থেকে এই ইট ভার্টিক্যালি বেশি লোড নিতে পারে। ১০০ এসেফটি নির্মাণে প্রয়োজন হয় ২৯৫টি ইট।

টেন হোল ইটঃ
এই ইটকে ইঞ্জিনিয়ারিং ইট বলে। এটির দাম একটু বেশি মনে হলেও অন্যান্য দিকে সাশ্রয়ী। টেন হোল ইট প্রতি হাজার পরিবহন খরচ বাদে বিক্রি হচ্ছে ১৮৯০০ টাকা। ইটের সাইজ ৯.৯x ৪.৫x ২.২৫। নির্মাণ কাজে এই ইট ব্যবহার করলে ওয়ালে প্লাস্টারের প্রয়োজন হয় না। সাধারণ ইটের থেকে এই ইট ভার্টিক্যালি বেশি লোড নিতে পারে। ১০০ এসেফটি নির্মাণে প্রয়োজন হয় ৫০০টি ইট। এটি মীর সিরামিক্সের একটি পণ্য।

বালিঃ
মাটিতে গর্ত করে এক ধরনের বালি পাওয়া যায়, যা মসৃণ, কোনাকার এবং ক্ষতিকারক লবণ থেকে মুক্ত থাকে। এই ধরনের বালি সাধারণত মর্টারের কাজে ব্যবহৃত হয়।
নদীর বালিঃএই ধরনের বালি নদীর উপকূলে পাওয়া যায়, যা চিকন ও গোলাকার হয়ে থাকে। এটা পিট বালি অপেক্ষা সূক্ষ্ম, তাই প্লাস্টারিংয়ের কাজে এই বালি ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
মোটা দানাঃ বালির দানা তুলনামূলক একটু বড় আকৃতির হয়, তাই নির্মাণ কাজে ঢালাইয়ের সময় খুবই উপযোগী।
রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে পরিবহন খরচসহ প্রতি ট্রাক (৫ টনি) ভালো মানের আস্তর বালি বিক্রি হচ্ছে পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচ হাজার টাকায়। ভিটি বালি বিক্রি হচ্ছে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকায়। তৈরিতে সিলেট বালি সমান থাকে।

সিমেন্ট
নির্মাণ কাজে সিমেন্ট একটি অপরিহার্য পর্দাথ। বর্তমান বাজারে সিমেন্টের দাম অনেকটাই স্থিতিশীল। শাহ সিমেন্ট স্পেশাল ব্যাগ-প্রতি ৩৮০ থেকে ৩৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অপরদিকে শাহ পপুলারের ব্যাগ-প্রতি দাম ৩৭০ থেকে ৩৭৫ টাকা। সেভেন রিং স্পেশালের ব্যাগ-প্রতি দাম ৪০০ টাকা, সেভেন রিং নরমাল ব্যাগ-প্রতি ৩৮০ টাকা এবং সেভেন রিং গোল্ড ব্যাগ-প্রতি ৪৩০ টাকা। হোলসিম নরমাল ব্যাগ-প্রতি দাম ৪৩৫ থেকে ৪৪০ টাকা, হোলসিম ওপিসির ব্যাগ-প্রতি দাম ৪৮৫ থেকে ৪৯০ টাকা। স্ক্যান ব্যাগ-প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৪১০ টাকায়। ডায়মন্ড সিমেন্ট ব্যাগ-প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৪১০ থেকে ৪১৫ টাকা।

রডঃ
কেএসআরএমের ৬০ গ্রেড এবং ৫০০ডব্লিউ রডের প্রতি টন ৫১ হাজার থেকে ৫১ হাজার ৫০০ টাকা। বিএসআরএমের দাম প্রতি টন ৫২ হাজার টাকা। একেএস ৫০০টিএমটি প্রতি টন ৫১ হাজার টাকা। আনোয়ারের রডের প্রতি টন ৪৯ হাজার থেকে ৪৯ হাজার ৫০০ টাকা।

টাইলসঃ
দেশে তৈরি ১২ ইঞ্চি বাই ২০ ইঞ্চি সাইজের ওয়াল টাইলস ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, ১০ ইঞ্চি বাই ১৬ ইঞ্চি ৫০ থেকে ৬৫ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি ৩৫ থেকে ৩৮ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১৮ ইঞ্চি ৫০ থেকে ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফ্লোরের জন্য সাড়ে ১২ ইঞ্চি বাই সাড়ে ১২ ইঞ্চি সাইজের টাইলস বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি সাইজের হোমোজিনাস টাইলস ৫৫ থেকে ৬০ টাকা এবং ১৬ ইঞ্চি বাই ১৬ ইঞ্চি সাইজের হোমোজিনাস টাইলস ৫৭ থেকে ৬৫ টাকা। অপরদিকে ১২ ইঞ্চি বাই ২৪ ইঞ্চি সাইজের চায়না ওয়াল টাইলসের দাম ১৪০ থেকে ১৬৫ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি সাইজের দাম ১৪০ থেকে ১৬৫ টাকা। আর ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি সাইজের ফ্লোর টাইলসের দাম ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা।

রঙঃ
চাহিদাসম্পন্ন অধিকাংশ রঙের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। বার্জার, এশিয়ান ও আরএকের মতো শীর্ষ ব্র্যান্ডের রঙ আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। বার্জারের ১৮.২ লিটারের বালতি-ভর্তি প্লাস্টিক ইমালশন বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৬৫০ টাকা, অ্যানামেল পেইন্ট প্রতি গ্যালন বিক্রি হচ্ছে ৯৬০ টাকা। অপরদিকে ১৮.২ লিটারের বালতি-ভর্তি ডিসটেম্পার বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫৫০ টাকা। একই পরিমাপের ওয়েদারকোট বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৬০০ টাকা। একই পরিমাপের ওয়াটার সিলার বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৮৫০ টাকা। ২০ কেজি ডিওরোসেম বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ২০০ টাকা। এশিয়ান অনুরূপ ওজনের রঙ যথাক্রমে বিক্রি করছে ৩ হাজার ৩৫০, ২ হাজার ৬৫০, ৬৮০, ১ হাজার ৪৫০, ৪ হাজার ৪০০, ২ হাজার ৮০০ ও ১ হাজার ১৫০ টাকা। আরএকে বিক্রি করছে ৩ হাজার, ৯৫০, ৪ হাজার ২০০, ২ হাজার ৬০০ ও ১ হাজার ২০০ টাকা।

বি. দ্র. : স্থান ও সময়ভেদে দামের তারতম্য হতে পারে।

কারিকা ডেক্সঃ


নতুন বাজেটর হিসাব-নিকাশে নির্মাণ-সামগ্রী ব্যবসায়ীরাও আগাম হিসাব কষছেন। তারপরও চলতি মাসে অধিকাংশ নির্মাণ-সামগ্রীর বাজারদরে বড় ধরনের কোনো প্রভাব পড়েনি।

ইট
ইটের দাম হাজার-প্রতি বেড়েছে এক থেকে দেড় হাজার টাকা। বর্তমানে ১ নম্বর ইট প্রতি-হাজার পরিবহন খরচ বাদে আট থেকে সাড়ে আট হাজার টাকা বিক্রি হচ্ছে। দুই মাস আগে ১ নম্বর ইটের হাজার-প্রতি দাম ছিল সাত থেকে সাড়ে সাত হাজার টাকা। অপরদিকে একইভাবে বেড়েছে ২ নম্বর ইটের দামও। দুই নম্বর ইট পরিবহন খরচ বাদে হাজার-প্রতি বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ছয় থেকে সাত হাজার টাকা।

বালি
রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে পরিবহন খরচসহ প্রতি ট্রাক (৫ টনি) ভালো মানের আস্তর বালি বিক্রি হচ্ছে পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচ হাজার টাকায়। ভিটি বালি বিক্রি হচ্ছে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকায়। তবে রাজধানীর পার্শ্ববর্তী জেলা শহরগুলোতে বারোশ’ থেকে দেড় হাজার টাকায় ভালো মানের ভিটি বালি পাওয়া যাচ্ছে।

সিমেন্ট
বর্তমান বাজারে সিমেন্টের দাম অনেকটাই স্থিতিশীল। শাহ সিমেন্ট স্পেশাল ব্যাগ-প্রতি ৩৮০ থেকে ৩৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অপরদিকে শাহ পপুলারের ব্যাগ-প্রতি দাম ৩৭০ থেকে ৩৭৫ টাকা। সেভেন রিং স্পেশালের ব্যাগ-প্রতি দাম ৪০০ টাকা, সেভেন রিং নরমাল ব্যাগ-প্রতি ৩৮০ টাকা এবং সেভেন রিং গোল্ড ব্যাগ-প্রতি ৪৩০ টাকা। হোলসিম নরমাল ব্যাগ-প্রতি দাম ৪৩৫ থেকে ৪৪০ টাকা, হোলসিম ওপিসির ব্যাগ-প্রতি দাম ৪৮৫ থেকে ৪৯০ টাকা। স্ক্যান ব্যাগ-প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৪১০ টাকায়। ডায়মন্ড সিমেন্ট ব্যাগ-প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৪১০ থেকে ৪১৫ টাকা।

রড
দেশের শীর্ষ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান সর্বাধুনিক প্রযুক্তির দাবি করে সেভেন্টি টু পয়েন্ট ফাইভ গ্রেডের রড বাজারে বিক্রি করছে। এর মধ্যে বিএসআরএম এমন গ্রেডের প্রতি টন রড বিক্রি করছে ৪৯,১০০ থেকে ৪৯,২০০ টাকায়। জিপিএইচ ও একেএস একই গ্রেডের রড টন-প্রতি বিক্রি করছে ৪৭,৫০০ টাকায়।

টাইলস
দেশে তৈরি ১২ ইঞ্চি বাই ২০ ইঞ্চি সাইজের ওয়াল টাইলস ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, ১০ ইঞ্চি বাই ১৬ ইঞ্চি ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি ৩৫ থেকে ৩৮ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১৮ ইঞ্চি ৫০ থেকে ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফ্লোরের জন্য সাড়ে ১২ ইঞ্চি বাই সাড়ে ১২ ইঞ্চি সাইজের টাইলস বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি সাইজের হোমোজিনাস টাইলস ৫৫ থেকে ৬০ টাকা এবং ১৬ ইঞ্চি বাই ১৬ ইঞ্চি সাইজের হোমোজিনাস টাইলস ৫৭ থেকে ৬৫ টাকা। অপরদিকে ১২ ইঞ্চি বাই ২৪ ইঞ্চি সাইজের চায়না ওয়াল টাইলসের দাম ১৪০ থেকে ১৬৫ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি সাইজের দাম ১৪০ থেকে ১৬৫ টাকা। আর ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি সাইজের ফ্লোর টাইলসের দাম ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা।

রঙ
চাহিদাসম্পন্ন অধিকাংশ রঙের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। বার্জার, এশিয়ান ও আরএকের মতো শীর্ষ ব্র্যান্ডের রঙ আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। বার্জারের ১৮.২ লিটারের বালতি-ভর্তি প্লাস্টিক ইমালশন বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৬৫০ টাকা, অ্যানামেল পেইন্ট প্রতি গ্যালন বিক্রি হচ্ছে ৯৬০ টাকা। অপরদিকে ১৮.২ লিটারের বালতি-ভর্তি ডিসটেম্পার বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫৫০ টাকা। একই পরিমাপের ওয়েদারকোট বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৬০০ টাকা। একই পরিমাপের ওয়াটার সিলার বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৮৫০ টাকা। ২০ কেজি ডিওরোসেম বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ২০০ টাকা। এশিয়ান অনুরূপ ওজনের রঙ যথাক্রমে বিক্রি করছে ৩ হাজার ৩৫০ টাকা, ২ হাজার ৬৫০ টাকা, ৬৮০ টাকা, ১ হাজার ৪৫০ টাকা, ৪ হাজার ৪০০ টাকা, ২ হাজার ৮০০ টাকা ও ১ হাজার ১৫০ টাকা। আরএকে বিক্রি করছে ৩ হাজার টাকা, ৯৫০ টাকা, চার হাজার ২০০ টাকা, ২ হাজার ৬০০ টাকা ও ১ হাজার ২০০ টাকা।

বি. দ্র. : স্থান ও সময়ভেদে দামের তারতম্য হতে পারে। এছাড়া বিভিন্ন কোম্পানির দেওয়া অফার ও ছাড় এ দামের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

 

কারিকা ডেক্সঃ


রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ও রাস্তার মোড়ে সাত-সকালে প্রতিদিনই জমে নির্মাণ-শ্রমিকের হাট। এসব হাটে শ্রম বিক্রির জন্য ভিড় জমায় নির্মাণ-পেশার নানা দক্ষতার শ্রমিক। নির্মাণ-কাজে কখনও কর্মঘণ্টার হিসাব ধরে আবার কখনও চুক্তিতে পারিশ্রমিক নিয়ে থাকেন তারা। রাজধানীর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নির্মাণ-শ্রমিকের হাট ঘুরে তাদের বর্তমান হাজিরা ও চুক্তিমূল্য জানাচ্ছেন জগলুল হায়দার

রাজমিস্ত্রিঃ
নির্মাণ-শ্রমিক বলতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সাধারণত আমরা রাজমিস্ত্রিকেই বুঝি। কারণ তাদের দক্ষ হাতেই গড়ে ওঠে শক্তিশালী স্থাপনা। বর্তমান বাজারে একজন রাজমিস্ত্রির কর্মঘণ্টা ৮ ঘণ্টা হিসাব ধরে তার হাজিরা-মূল্য ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা। আর তার সহযোগীর হাজিরা-মূল্য ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা। চুক্তিতে নিচতলা পর্যন্ত প্রতি বর্গফুট কাজের পারিশ্রমিক ৭০ থেকে ৮০ টাকা। দোতলা পর্যন্ত কাজ সমাপ্ত করতে প্রতি বর্গফুটের পারিশ্রমিক ১৮০ টাকা। তবে সেপটিক ট্যাঙ্কের আলাদা মূল্য দিতে হয় তাদের। এক্ষেত্রেও প্রতি বর্গফুটের পারিশ্রমিক ১৮০ টাকা।

রডমিস্ত্রিঃ
বর্তমান বাজারে একজন রডমিস্ত্রির হাজিরা-মূল্য ৬০০ টাকা, সহযোগী রডমিস্ত্রির হাজিরা-মূল্য ৪০০ টাকা।

রংমিস্ত্রিঃ
একজন হেড রংমিস্ত্রির সারাদিনের (৮ ঘণ্টা) হাজিরা-মূল্য ৫০০ টাকা, সহযোগীর ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তারা হাজিরার পরিবর্তে চুক্তিতে কাজ করে থাকেন।

কাঠমিস্ত্রিঃ
একজন কাঠমিস্ত্রির হাজিরা-মূল্য (৮ ঘণ্টা) ৫০০ টাকা, সহযোগীর ৪০০ টাকা। তবে কাঠমিস্ত্রিরা খাট, দরজা ও জানালা প্রস্তুতের ক্ষেত্রে চুক্তিতে কাজ করে থাকেন। একটি বঙ্খাট তৈরির ক্ষেত্রে ২০ হাজার টাকা (ফিনিশিং ও বার্নিশসহ), হাফ বঙ্খাট ১৫ হাজার টাকা, ইংলিশ খাট ৮ হাজার টাকা, দরজায় ৩ হাজার টাকার বেশি, জানালায় আড়াই হাজার টাকা, দরজার চৌকাঠে ১ হাজার টাকা ও জানালার চৌকাঠে দেড় হাজার টাকা পারিশ্রমিক নিয়ে থাকেন।

স্যানিটারি-মিস্ত্রিঃ
বাথরুম ও কিচেনের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো সমাধান করে থাকেন স্যানিটারি-মিস্ত্রি। একজন স্যানিটারি-মিস্ত্রির বর্তমান হাজিরা-মূল্য ৬০০ টাকা আর সহযোগীর ৩৫০ টাকা।

টাইলস-মিস্ত্রিঃ
টাইলস-মিস্ত্রিরা বর্গফুট হিসাব ধরে কাজ করেন। একজন টাইলস-মিস্ত্রির হাজিরা-মূল্য ৭০০ টাকা আর সহযোগীর ৪০০ টাকা। তবে বেশিরভাগ টাইলস-মিস্ত্রি চুক্তিতে কাজ করে থাকেন।কারন টিলসের সাইজের অনেক ভিন্নতা রয়েছে। তারা বর্তমানে প্রতি বর্গফুটে টাইলসের সাইজের উপর নির্ভর করে পারিশ্রমিক নিচ্ছেন ১২ থেকে ২৫ টাকা।

থাই-মিস্ত্রিঃ
থাই-মিস্ত্রিরাও সাধারণত বর্গফুট হিসাব ধরে কাজ করেন। বর্তমানে তারা থাই দরজা ও জানালা তৈরির ক্ষেত্রে প্রতি বর্গফুট কাজের জন্য ১৫ থেকে ২৫ টাকা পর্যন্ত পারিশ্রমিক নিয়ে থাকেন।

ইলেকট্রিশিয়ানঃ
ইলেকট্রিশিয়ানের কাজের হিসাব সম্পূর্ণ ভিন্ন। তারা কাজ করেন পয়েন্ট হিসাব ধরে। প্রতি কনসোল (অভ্যন্তরীণ) পয়েন্টের জন্য ১৫০ টাকা আর বাটাম পয়েন্টের জন্য ৭০ টাকা থেকে ৮০ টাকা পারিশ্রমিক নিয়ে থাকেন।

কারিকা ডেক্সঃ


রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ও রাস্তার মোড়ে সাত-সকালে প্রতিদিনই জমে নির্মাণ-শ্রমিকের হাট। এসব হাটে শ্রম বিক্রির জন্য ভিড় জমায় নির্মাণ-পেশার নানা দক্ষতার শ্রমিক। নির্মাণ-কাজে কখনও কর্মঘণ্টার হিসাব ধরে আবার কখনও চুক্তিতে পারিশ্রমিক নিয়ে থাকেন তারা। রাজধানীর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নির্মাণ-শ্রমিকের হাট ঘুরে তাদের বর্তমান হাজিরা ও চুক্তিমূল্য জানাচ্ছেন জগলুল হায়দার

রাজমিস্ত্রি:
নির্মাণ-শ্রমিক বলতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সাধারণত আমরা রাজমিস্ত্রিকেই বুঝি। কারণ তাদের দক্ষ হাতেই গড়ে ওঠে শক্তিশালী স্থাপনা। বর্তমান বাজারে একজন রাজমিস্ত্রির কর্মঘণ্টা ৮ ঘণ্টা হিসাব ধরে তার হাজিরা-মূল্য ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা। আর তার সহযোগীর হাজিরা-মূল্য ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা। চুক্তিতে নিচতলা পর্যন্ত প্রতি বর্গফুট কাজের পারিশ্রমিক ৭০ থেকে ৮০ টাকা। দোতলা পর্যন্ত কাজ সমাপ্ত করতে প্রতি বর্গফুটের পারিশ্রমিক ১৮০ টাকা। তবে সেপটিক ট্যাঙ্কের আলাদা মূল্য দিতে হয় তাদের। এক্ষেত্রেও প্রতি বর্গফুটের পারিশ্রমিক ১৮০ টাকা।

রডমিস্ত্রি:
বর্তমান বাজারে একজন রডমিস্ত্রির হাজিরা-মূল্য ৬০০ টাকা, সহযোগী রডমিস্ত্রির হাজিরা-মূল্য ৪০০ টাকা।

রংমিস্ত্রি:
একজন হেড রংমিস্ত্রির সারাদিনের (৮ ঘণ্টা) হাজিরা-মূল্য ৫০০ টাকা, সহযোগীর ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তারা হাজিরার পরিবর্তে চুক্তিতে কাজ করে থাকেন।

কাঠমিস্ত্রি:
একজন কাঠমিস্ত্রির হাজিরা-মূল্য (৮ ঘণ্টা) ৫০০ টাকা, সহযোগীর ৪০০ টাকা। তবে কাঠমিস্ত্রিরা খাট, দরজা ও জানালা প্রস্তুতের ক্ষেত্রে চুক্তিতে কাজ করে থাকেন। একটি বঙ্খাট তৈরির ক্ষেত্রে ২০ হাজার টাকা (ফিনিশিং ও বার্নিশসহ), হাফ বঙ্খাট ১৫ হাজার টাকা, ইংলিশ খাট ৮ হাজার টাকা, দরজায় ৩ হাজার টাকার বেশি, জানালায় আড়াই হাজার টাকা, দরজার চৌকাঠে ১ হাজার টাকা ও জানালার চৌকাঠে দেড় হাজার টাকা পারিশ্রমিক নিয়ে থাকেন।

স্যানিটারি-মিস্ত্রি:
বাথরুম ও কিচেনের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো সমাধান করে থাকেন স্যানিটারি-মিস্ত্রি। একজন স্যানিটারি-মিস্ত্রির বর্তমান হাজিরা-মূল্য ৬০০ টাকা আর সহযোগীর ৩৫০ টাকা।

টাইলস-মিস্ত্রি:
টাইলস-মিস্ত্রিরা বর্গফুট হিসাব ধরে কাজ করেন। একজন টাইলস-মিস্ত্রির হাজিরা-মূল্য ৬০০ টাকা আর সহযোগীর ৪০০ টাকা। তবে বেশিরভাগ টাইলস-মিস্ত্রি চুক্তিতে কাজ করে থাকেন। তারা বর্তমানে প্রতি বর্গফুটের পারিশ্রমিক নিচ্ছেন ১২ থেকে ১৫ টাকা।

থাই-মিস্ত্রি:
থাই-মিস্ত্রিরাও সাধারণত বর্গফুট হিসাব ধরে কাজ করেন। বর্তমানে তারা থাই দরজা ও জানালা তৈরির ক্ষেত্রে প্রতি বর্গফুট কাজের জন্য ১৫ থেকে ২৫ টাকা পর্যন্ত পারিশ্রমিক নিয়ে থাকেন।

ইলেকট্রিশিয়ান:
ইলেকট্রিশিয়ানের কাজের হিসাব সম্পূর্ণ ভিন্ন। তারা কাজ করেন পয়েন্ট হিসাব ধরে। প্রতি কনসোল (অভ্যন্তরীণ) পয়েন্টের জন্য ১৫০ টাকা আর বাটাম পয়েন্টের জন্য ৭০ টাকা থেকে ৮০ টাকা পারিশ্রমিক নিয়ে থাকেন।

কারিকা ডেক্সঃ


দরজা, জানালা ও গ্রিল-ব্যবস্থাপনাকে একটি ভবনের নিরাপত্তার সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্তর হিসেবে গণ্য করা হয়। যখন যে উপাদানের প্রচলন ছিল, তার সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই নির্মিত হয়েছে দরজা, জানালা ও গ্রিল। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবনে বহুলাংশে ব্যবহৃত হচ্ছে লোহার তৈরি দরজা, জানালা ও গ্রিল। সম্প্রতি বাজার ঘুরে জানা যায়, কয়েক বছর আগেও রডের পাতি দিয়ে তৈরি গ্রিল ও তার সঙ্গে সংযুক্ত জানালার বেশ কদর ছিল। বর্তমানে সে-স্থান দখল করে নিয়েছে স্কয়ার বারের (চারকোনা রড) তৈরি গ্রিল ও তার সঙ্গে সংযুক্ত দরজা ও জানালা।
রাজধানীর ওয়ার্কশপ ব্যবসায়ীরা জানান, গ্রিল তৈরিতে বর্তমানে চাহিদার শীর্ষে রয়েছে স্কয়ার বার। আর এ চাহিদাকে পুঁজি করে দেশের শীর্ষ রড প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বাজারে বিভিন্ন মানের স্কয়ার বার সরবরাহ করছে। যার বর্তমান কেজি-প্রতি দাম ৪৪ থেকে ৪৬ টাকা।
রাজধানীর খিলগাঁওয়ের সামিয়া ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপের মালিক মো. মনজু মিয়া জানান, গ্রিল তৈরিতে পাতির ব্যবহার অনেকাংশে কমে এসেছে। তবে স্কয়ার বারের গ্রিল তৈরির ক্ষেত্রে মূল কাঠামোটি তৈরিতে স্কয়ার বারের ব্যবহার থাকলেও কাঠামোর ধাপে ধাপে ছিদ্র করে পাতির ব্যবহার করেই বর্তমান প্রচলিত স্কয়ার বারের গ্রিল তৈরি করতে হয়।
তিনি আরও জানান, গ্রিল তৈরিতে অধিকাংশ ক্ষেত্রে চার সুতার স্কয়ার বার ও দেড় সুতার পাতি ব্যবহার করা হয়। বাজারদর নির্ণয় করা সাধারণত দু’ভাবে। অনেক ক্ষেত্রে কেজি হিসেবে, অনেক ক্ষেত্রে ফুট হিসেবে ধরে। কেজি হিসেবে ধরে আলাদাভাবে একটি গ্রিল তৈরিতে প্রতি কেজির মূল্য ৮০ টাকা। দৈর্ঘ্যরে ক্ষেত্রে প্রতি বর্গফুটের মূল্য ১৫০ টাকা। একইভাবে গ্রিলসহ বক্স জানালার প্রতি কেজির মূল্য ১০০ টাকা ও প্রতি বর্গফুটের মূল্য ৩৫০ টাকা। অনুরূপভাবে গ্রিলসহ সাধারণ জানালার প্রতি কেজির মূল্য ১০০ টাকা ও প্রতি বর্গফুটের মূল্য ৩২০ টাকা।
তার দেওয়া তথ্যানুসারে, ফ্ল্যাটবার ও প্লেইনশিটের তৈরি একটি সাধারণ মানের সাত ফুট বাই তিন ফুট আকৃতির দরজার দাম সাড়ে তিন হাজার টাকা। অনুরূপ আকৃতি ও উপাদানের কর্ণফুলি ডিজাইনের দরজার দাম ছয় হাজার টাকা ও বক্স দরজার দাম সাড়ে সাত হাজার টাকা। অপরদিকে, জিপিসহ একটি কেচি গেট তৈরিতে প্রতি বর্গফুটের দাম ৬০০ টাকা। জিপি ছাড়া হলে প্রতি বর্গফুটের দাম ৪৫০ টাকা। কেজি হিসেবে জিপিসহ প্রতি কেজির দাম ১২০ টাকা, জিপি ছাড়া প্রতি কেজির দাম ১০০ টাকা।

0 828
কারিকা ডেস্ক
অপরিশোধিত ইস্পাতের বৈশ্বিক উৎপাদন দীর্ঘদিন ধরে কমতির দিকে রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত মাসেও পণ্যটির উৎপাদন নিম্নমুখী ছিল বলে ওয়ার্ল্ড স্টিল অ্যাসোসিয়েশনের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
অ্যাসোসিয়েশনের তথ্যমতে, চলতি বছরের এপ্রিলে বিশ্বব্যাপী ১৩ কোটি ৫০ লাখ টন ইস্পাত উৎপাদন হয়। এর পরিমাণ ২০১৫ সালের একই সময়ের তুলনায় দশমিক ৫ শতাংশ কম।
বিশ্বে অপরিশোধিত ইস্পাত উৎপাদনকারী শীর্ষ দেশ চীন। গত মাসে দেশটিতে পণ্যটির উৎপাদন দাঁড়ায় ৬ কোটি ৯৪ লাখ টনে। ২০১৫ সালের এপ্রিলের তুলনায় যা দশমিক ৫ শতাংশ বেশি। এশিয়ার অপর দেশ জাপানে এ সময় পণ্যটির উৎপাদন বাড়লেও কমেছে দক্ষিণ কোরিয়ায়। ২০১৬ সালের এপ্রিলে জাপানে ৮৫ লাখ টন ইস্পাত উৎপাদন হয়, যা পূর্ববর্তী বছরের একই সময়ের চেয়ে ১ দশমিক ২ শতাংশ বেশি। অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়ায় গত মাসে পণ্যটির উৎপাদন ১ দশমিক ৩ শতাংশ কমে ৫৭ লাখ টনে দাঁড়ায়।
ওয়ার্ল্ড স্টিল অ্যাসোসিয়েশনের তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের এপ্রিলে রাশিয়ায় ৫৯ লাখ টন অপরিশোধিত ইস্পাত উৎপাদন হয়েছে। ২০১৫ সালের একই সময়ের চেয়ে যা দশমিক ৪ শতাংশ কম। তবে গত মাসে ইউক্রেনে ১১ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে পণ্যটির উৎপাদন দাঁড়ায় ২২ লাখ টনে। ২০১৬ সালের এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদন হয় ৬৬ লাখ টন ইস্পাত। পূর্ববর্তী বছরের একই সময়ের চেয়ে যা ২ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি। এদিকে গত মাসে ব্রাজিলে উৎপাদন হয় ২৩ লাখ টন অপরিশোধিত ইস্পাত। ২০১৫ সালের এপ্রিলের চেয়ে যা ২০ দশমিক ৬ শতাংশ কম।
ওয়ার্ল্ড স্টিল বিশ্বের ইস্পাত উৎপাদনকারী ৬৬টি দেশের ওপর জরিপের ভিত্তিতে প্রতি মাসে পণ্যটির উৎপাদন-সংক্রান্ত তথ্য হালনাগাদ করে থাকে। পণ্যটির উৎপাদন হ্রাসের পাশাপাশি ব্যবহার সক্ষমতাও ২০১৫ সালের এপ্রিলের তুলনায় ৬ দশমিক ৬ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। অন্যদিকে চলতি বছরের মার্চের চেয়ে গত মাসে পণ্যটির ব্যবহার কমেছে দেড় শতাংশ।
২০১৬ সালের এপ্রিলে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) ইস্পাত উৎপাদনকারী দেশগুলোর মধ্যে ইতালিতে উৎপাদন বাড়লেও কমেছে অন্যান্য দেশে। অ্যাসোসিয়েশনের তথ্যমতে, ২০১৬ সালের এপ্রিলে জার্মানিতে ৩৬ লাখ টন অপরিশোধিত ইস্পাত উৎপাদন হয়। এর পরিমাণ গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ১ দশমিক ৫ শতাংশ কম। ২০১৬ সালের এপ্রিলে ইতালিতে ২১ লাখ টন অপরিশোধিত ইস্পাত উৎপাদন হয়। পূর্ববর্তী বছরের একই সময়ের চেয়ে যা ১৪ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি। গত মাসে স্পেনে ১০ দশমিক ৬ শতাংশ কমে পণ্যটির উৎপাদন দাঁড়ায় ১২ লাখ টনে।

0 2722

কেএসআরএম স্টিল
কর্পোরেট অফিস
কবির মঞ্জিল, শেখ মুজিব রোড, আগ্রাবাদ, চিটাগং
ফোন: ০৩১ – ৭১১৫০১ – ৪, ২৫১৩৭৯১৪
ঢাকা অফিস
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৫ম তলা
৮৯, বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, বাংলামটর, ঢাকা।
ফোন – ০২ – ৮৬২৯৭৪৭, ৯৬৬৪৮৯৭, ৯৬১১৪০৭ – ৮
ওয়েবসাইট – www.ksrm.com

আবুল খায়ের অ্যান্ড কোং (একেএস)
হুসেইন এন্ড খান সেন্টার, (১৪ তলা), ১৩ দিলখুশা
ঢাকা – ১০০০
ফোন – ০২ – ৯৫৫৪০২৫, ৯৫৫০৩২৪

বসুন্ধরা স্টিল
১২৫/এ। বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা
বারিধারা, ঢাকা ১২২৯
পিএবিএক্স : ০২ ৮০৪২০০৮ – ১৭,
ফ্যাক্টরি অফিস
বসুন্ধরা স্টিল কমপ্লেক্স লিমিটেড
গোলোরা, জাগির, পোস্ট অফিস – কাইট্টা
জেলা: মানিকগঞ্জ
পিএবিএক্স – ০৬৫১ – ৬১০০৮
ওয়েবসাইট – www.basundhorasteel.com

রাণী রি – রোলিং মিলস
বাড়ি : ৩৯, রোড : ১২, ব্লক – কে
বারিধারা ডিপ্লোম্যাটিক জোন, ঢাকা ১২১২।
ফোন – +৮৮ – ০২ – ৯৮৯৪৪৮৪
ফ্যাক্টরি অফিস
বাড়ি : ২১, রোড : ৩২
শ্যামপুর, কদমতলী শিল্প এলাকা ঢাকা – ১২০৪ বাংলাদেশ
ফোন – ০১৭৭৭৭৫৮১০০
ওয়েবসাইট – www.ranisteel.com

রতনপুর স্টিল রি – রোলিং মিলস লিমিটেড
হেড অফিস – নাহার ম্যানশন, ১১৬ সিডিএ অ্যাভিনিউ, মুরাদপুর, চিটাগং
ফোন – +৮৮ ০৩১৬৫২২৫৫ – ৭
ঢাকা অফিস
রূপায়ন গোল্ডেন এজ, (অষ্টম তলা), ৯৯ গুলশান অ্যাভিনিউ, গুলশান – ২
ঢাকা – ১২১২
ফোন –: ০২ – ৯৮৯২৯৩৬, ৯৮৯০৪৫৭, ৮৮১২৫২১
ওয়েবসাইট – www.rsrmbd.com
শেয়ার ডেপট
২৯১, ফকিরাপুল ( জমিদার বাড়ি), অ্যাপার্টমেন্ট #বি – ৯ ( ১০ম তলা)
ফোন : +৮৮ – ০২ ৭১৯৫৮৪০, ৭১৯৫৮৪১
ফ্যাক্টরি
১৭৫ -৭৬ বায়জিদ বোস্তামী আই/এ, বায়জিদ বোস্তামী রোড চিটাগং
ফোন : + ৮৮ ০৩১ ২৫৮০৩৮০

বিএসআরএম স্টিল
চিটাগং কর্পোরেট অফিস
আলী ম্যানশন, ১২০৭/১০৯৯, সদরঘাট রোড, চট্টগ্রাম
ফোন: + ৩১ – ২৮৫৪৯০১ – ১০
ঢাকা কর্পোরেট অফিস
মাহবুব ক্যাসেল, (৩য় ও ৫ম তলা)
৩৫/এ, পুরানা পল্টন লাইন
ঢাকা – ১০০০, বাংলাদেশ
ফোন – +৮৮ ৩১ ৬১০১০১
ওয়েবসাইট – www.bsrm.com

জিপিএইচ ইস্পাত
হেড অফিস
৩২৫, আসাদ্গঞ্জ, চিটাগং – ৪০০০
ফোন: ৩১৬৩৮৫০৭, ৮৪০৩৫৮, ৮৪২৪৮৬, ৬১১৩১৩, ৬৩৪৩৮৭,৬২৪২৮১, ২৮৫০১১০
পিএবিএক্স : ৬৩১৪৬০
ঢাকা অফিস
হামিদ টাওয়ার, ৫ম তলা
২৪, গুলশান বাণিজ্যিক এলাকা, সার্কেল -২, ঢাকা – ১২১৩
ফোন : ০২ – ৯৮৪০১৭৭
ফ্যাক্টরি
মসজিদ্দাহ, কুমিরা, সীতাকুণ্ড, চিটাগং

কর্ণফুলী স্টিল মিলস
বড় কুমিরা, সীতাকুন্ড, চিটাগং
ফোন: ০১৭১৩১০৬১৮৪
ওয়েবসাইট – www.tkgroupbd.net

জালালাবাদ স্টিল লিমিটেড
৫৬, গোলনগর লেন, ইংলিশ রোড
ঢাকা – ১০০০
ফোন – ০২ – ৭৩৯৩০৯২

বাংলাদেশ স্টিল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশন
বিএসইসি ভবন, ১০২, কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ
ঢাকা ১২১৫
ফোন : ০২ – ৮১২০৩০১

এএসআরএম
হেড অফিস
বাড়ি: ১১৯, (২য় তলা), রোড: ০১
ব্লক : এফ, বনানী, ঢাকা – ১২১৩
ফোন: ০২ ৯৮৯৪১৬৯
ফ্যাক্টরি অফিস
বাউপাড়া, ভীমবাজার, গাজীপুর
ফোন – ০১৭১১১৮২৩৫৪, ০২ ৯২০৪১৫৩
ওয়েবসাইট – www.satata.com

রহিম স্টিল
২৯/১০, কেএম দাস লেন, টিকাটুলি
ঢাকা – ১২০৩, বাংলাদেশ।
ফোন: ০২ – ৯৫৫৭৬২১, ৭১১৭২৯৭, ৯৫৬৩০০৪ – ৫
ওয়েবসাইট: www.rahimgroup.org

পিইবিএসএএল স্টিল এলায়েন্স লিমিটেড
৭ম এবং ৮ম তলা, প্রিয়প্রাঙ্গন টাওয়ার
১৯, কামাল আতার্তুক অ্যাভিনিউ, বনানী
ঢাকা ১২১৩
ফ্যাক্টরি: নয়াবাজার, চৌদ্দগ্রাম, কুমিল্লা
ফোন – ০২ ৯৮২১৮৮৬, ০২ ৯৮২১৮৮৮, ০২ ৯৮২১৮৮৯, ০২ ৯৮২১৮৯০

এইচএসজি স্টিল (হক স্টিল গ্রুপ)
বাড়ি ৪৩, রোড ১, ধানমন্ডি, ঢাকা – ১২০৫, বাংলাদেশ
ফোন: ০২ ৯৬১১৮২২, ০২ ৯৬১১৮২৫
ওয়েবসাইট: www.hsg,.com.bd

ম্যাগনাম স্টিল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড
বাড়ি ১৫, রোড ২৪, (সিএনডব্লিউ) , (৩য় তলা)
গুলশান, ঢাকা ১২১২
ফোন: ০২ ৮৮১৪২৪৭

হাই টেক স্টিল অ্যান্ড রি – রোলিং মিলস
১৯৯, সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরণী, বিজয়নগর
৬ষ্ঠ তলা, সুইট # ৬
ফোন: +৮৮ – ০১৭১৩০০২৪০০
ওয়েবসাইট – www.hi-techbd.com

স্যামসন স্টিল মিলস লিমিটেড
সিটি হার্ট (৮ম তলা)। ৬৭ নয়াপল্টন
ঢাকা ১০০০
ফোন –০২ ৯৩৪৬৫৯৭, ৯৩৪৬৯৫০, ৮৩৫৩০৯৬

আই আই টিউব মিলস লিমিটেড
১৯/১বি, ওয়ারী
ঢাকা – ১২০৩
ফোন – ০২ – ৭১১৭৫৮৯, ৭১১৬০০৭

খান স্টিল
২২৮/১ -২, শেওড়াপাড়া, বেগম রোকেয়া সরণী, মিরপুর
ঢাকা – ১২১৬
ফোন – ০২ – ৮১১২৪৭৪, ৮০১২০১৫, ৯১৩২৬৭৫

মেসার্স সিফাত স্টিল কম্পানি
৯১, সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরণী
১৯, পুরোনো মালীতলা লেন
ঢাকা ১১০০
ফোন – ০২ – ০৪৪৭৭৮৯০৪৩৪, ০১৭৩৩৫৯৫৭১০

শফিউল আলম স্টিল মিলস লিমিটেড
২৭, দিলখুশা বাণিজ্যিক এলাকা, (১২ তলা) সুইট # ১২০৫
ঢাকা – ১২০৫
ফোন – ৭১৭৬৮৩৪, ৯৫৫১৬০৪

স্টিলটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড
২১৯ – ২২০ গাউছিয়া প্লাজা, (৪র্থ তলা) নবাবপুর রোড
ঢাকা – ১১০০
ফোন – ০২ -৭১১৪৭৮৩, ৭১৬৫৭০৫

সুমাইয়া স্টিল কর্পোরেশন
৩৭১, ডিআইটি রোড, পূর্ব রামপুরা
ঢাকা – ১২১৯
ফোন -০২ – ৮৩৫১৪২৮

জামিল স্টিল
৭১, সোহরাওয়ার্দী অ্যাভিনিউ, বারিধারা।
ঢাকা – ১২১২
ফোন – ০২ – ৯৮৮৫৮২৯ – ৩০

গ্ল্যাকো স্টিল
৯০, ফ্রেঞ্চ রোড, নয়াবাজার
ঢাকা
ফোন – ০২ ৭৩১১৮৮৬, ৭৩১১৪৭৮, ৭৩১০১৬৭