Home বাজার দর টাইলস

কারিকা ডেক্স


ইসমাইল ফারুক চৌধুরী (মে. জে. অব.)
নির্বাহী পরিচালক
মিরপুর সিরামিক ওয়ার্কস লিমিটেড ও খাদিম সিরামিক লিমিটেড

স্বাধীনতার পূর্বে কলকারখানা, রাস্তাঘাট, অফিস-আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এসব দিক দিয়ে এ অঞ্চল ছিল অনেক পিছিয়ে। সেই সময়, পঞ্চাশ দশকের শেষের দিকে বিখ্যাত ব্যবসায়ী তাবানী পরিবারের পক্ষে দুই সহোদর আরিফ ওয়ালী মোহাম্মদ তাবানী ও রশীদ ওয়ালী মোহাম্মদ তাবানী জার্মানি ও যুক্তরাজ্যের তৈরি মেশিনের সমন্বয়ে বেসরকারিভাবে গড়ে তোলেন মিরপুর সিরামিক ওয়ার্কস লি.। যা এখনো পরিবেশবান্ধব সিরামিক, ইট, ব্লক, ক্লিংকার, পেভার এবং সাধারণ ফ্লোর ও রুফ টাইলস উৎপাদন অব্যাহত রেখেছে। এছাড়াও উলে­খযোগ্য পণ্যের মধ্যে রয়েছে ইঞ্জিনিয়ারিং ব্রিকস, আর্কিটেকচারাল ওয়াল টাইলস, ফেন্সি স্ক্রিন, পেভার্স টাইলস, রুফ টাইলস ইত্যাদি।

আমরা মনে করি বাজারে টিকতে হলে পণ্যের গুনগত মান, দৃষ্টিনন্দন ডিজাইন এবং ক্রেতাসন্তুটি অর্জন অত্যন্ত জরুরি। এছাড়া সময়ের সঙ্গে সঙ্গে গ্রাহকের চাহিদা পুরণে গবেষণা চালিয়ে নতুন নতুন উদ্ভাবনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিকমানের টাইলস বাজারে নিয়ে আসা প্রয়োজন। সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে চলেছে মিরপুর সিরামিকস।
মিরপুর সিরামিক ওয়ার্কস লিমিটেড রপ্তানি ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ‘জাতীয় রপ্তানি ট্রফি ১৯৯৬-৯৭’ অর্জন করেছে। দেশে উলে­খযোগ্য কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও আমরা অবদান রেখে চলেছি।
আমাদের ব্রিকস দিয়ে তৈরি হয়েছে বাঙালির বীরত্বগাঁথা স্বাধীনতার প্রতীক শহীদ মিনার, জাতীয় স্মৃতিসৌধ, জাতীয় সংসদ ভবন ইত্যাদি উলে­খযোগ্য স্থাপনা।
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও মিরপুর সিরামিকস ও খাদিম সিরামিকের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কারণ এটি ব্যবহারে বারবার রঙ ও প্লাস্টারের বাড়তি খরচ বেঁচে যায়। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপাদান থেকে তৈরি, তাই একবার ব্যবহার করেই আজীবন প্রকৃত বৈশিষ্ট্য বজায় থাকে।

গ্রাহকের সুবিধার জন্য দেশজুড়ে পণ্য সরবরাহ করতে ডিলার ও নিজস্ব শো-রুমের মাধ্যমে বিক্রয় ও বিতরণ করে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছে দেয়া হয়। ফলে দেশের অধিকাংশ গ্রাহকের চাহিদা মেটানো সম্ভব হচ্ছে। এ ছাড়াও বিশেষ করে বাংলাদেশের পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র ও ইউরোপীয় দেশসমূহে এর চাহিদা ব্যাপক। এক্ষেত্রে সরকারের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পেলে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি আরো বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব হবে।

বাংলাদেশে একমাত্র মিরপুর সিরামিকস দীর্ঘদিন ধরে তৈরি করে আসছে সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব ও অত্যাধুনিক মৈশিনে তৈরি সিরামিক ব্রিকস। আর্কিটেক্ট ও ইঞ্জিনিয়ারদের চাহিদার কারণে এবং সিরামিক শিল্পে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার আলোকে সিরামিক ব্রিকসের পাশাপাশি আগামী প্রজন্মের সিরামিক টাইলস, যেমন বিভিন্ন ডিজাইনের ওয়াল ও ফ্লোর টাইলস তৈরির পরিকল্পনা আমাদের আছে। এছাড়াও মিরপুর সিরামিকের সহযোগী-প্রতিষ্ঠান খাদিম সিরামিকস দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময় ধরে আন্তর্জাতিকমানের সিরামিক-সামগ্রী তৈরি করছে। সম্প্রপ্তি খাদিম সিরামিক বাজারে নিয়ে এসেছে বিশ্বখ্যাত স্প্যানিশ টাইল্স Diseno ও Europa সিরিজ, যা ঘরের ভিতরে এবং বাইরে ব্যবহার-উপযোগী। এছাড়াও খাদিম সিরামিক তৈরি করছে টাইলস্ ফিটিংয়ে চিরদিনের বন্ধন খাদিম’স টাইল অ্যাডহেসিভ।

সাবরিনা মিলি


বাড়ির সৌন্দর্য বাড়াতে একসময় মোজাইকের রাজত্ব ছিল। সময়ের পরিক্রমায় এখন তা টাইলসের হাতে! বাহ্যিক কিংবা অভ্যন্তরীণ সবখানেই রয়েছে এর ব্যাপক ব্যবহার। শোবার ঘর থেকে শুরু করে ড্রইংরুম, রান্নাঘর এবং বাথরুমের সৌন্দর্য্য বাড়াতে টাইলসের জয়জয়কার। কারিকার এবারের আয়োজন দেশিয় বাজারে বিদেশি টাইলসের চাহিদা নিয়ে।

বিদেশি টাইলস খুব দৃষ্টিনন্দন এবং দামেও চড়া। আমাদের দেশের বাজারে স্পেন, চীন, মালয়েশিয়া, ইতালি, তুরস্ক ইত্যাদি দেশ থেকে টাইলস আমদানি হয়। দাম এবং সৌন্দর্যের বিচারে চায়না টাইলসই এগিয়ে বলে জানান বিক্রেতারা। টাইলসের বাজার ঘুরেও দেখা গেছে ক্রেতাদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে চায়না টাইলস।
দেশিয় বাজারে অনেক ধরণের টাইলস আছে। তবে হোমোজিনাসের মধ্যে আধুনিক পদ্ধতিগুলো বেশ লক্ষণীয়। যেমন লেজার কাট, ডাবল মিরর, ডাবল লেয়ার, রাস্টিক, ইউরোগ্রানাইট, ফরসেলিং মার্বেল, টেরেস মেটালিক ইত্যাদি। এগুলো হোমোজিনাসের বিভিন্ন ধরণ। এর মধ্যে মেটালিক সবচেয়ে আধুনিক। যেমন ব্রোঞ্জ মেটাল কোটেড। এর প্রতি বর্গফুটের দাম ২৫০ টাকা থেকে হাজার টাকা ছাড়িয়ে যায়।

চায়নার টাইলস
চায়না টাইলসের মধ্যে ফ্লোরের জন্য গেনারম, উইন্টো, ভেনিজিয়া কে.আই.ওয়াই, হুয়াউই, মুভ সিরামিক্স, ইটো ব্রান্ডের টাইলস বেশি ব্যবহার হয়। এসকল টাইলসের প্রতি বর্গফুটের বর্তমান দাম ১৩০ থেকে ৩৫০ টাকা। ফ্লোর টাইলস সাধারণত ২৪ী২৪ ইঞ্চি, ২৪ী৩২ ইঞ্চি এবং ৩২ী৩২ ইঞ্চি সাইজের হয়ে থাকে।
ওয়াল টাইলসের মধ্যে মার্সেল, গোয়ানেক্স, সিরামিক্স আর্টিস্ট, সনো হুয়াল, জে.ডি.আই সিরামিক্স, হিমাই সিরামিক্স, কর্নিল, ডেটা ইত্যাদি ব্র্যান্ডের প্রচলন বেশি। সাইজ ১২ী২৪ ইঞ্চি। প্রতি বর্গফুটের দাম ১৫০ থেকে ২১০ টাকা। মিরর বাথরুম/কিচেন টাইলসের প্রতি বর্গফুটের দাম ১৫০ থেকে ১৯০ টাকা। সিরামিক বাথরুম/কিচেন টাইলসের প্রতি বর্গফুট ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা।

স্পেনের টাইলস
স্পেনে সিরামিক্সকে বলে সিরামিকা। আমাদের দেশে এর দামটাও অন্যান্য টাইলসের তুলনায় চড়া। বর্তমানে বাজারে স্পেনের ফ্লোর টাইলসের প্রতি বর্গফুটের দাম ১৫৫ থেকে ৪৫০ টাকা। এই টাইলসের সাইজে একটু ভিন্নতা রয়েছে। বাজার ঘুরে দেখা যায়, ২২.৫ী২২.৫ ইঞ্চি, ২৪ী২৪ ইঞ্চি, ১০ী৩৬ ইঞ্চি, ৯.৫ী৪৮ ইঞ্চি, ১০.২৫ী১০.২৫ ইঞ্চি, ১৫ী১৫ ইঞ্চি ইত্যাদি সাইজের হয়ে থাকে।
ওয়াল টাইলসের প্রতি বর্গফুটের দাম ২১৫ থেকে ৪৫০ টাকা। কিছু কিছু ওয়াল টাইলসে ইন্টারলক-ব্যবস্থা রয়েছে। এগুলো ৮ী২৪ ইঞ্চি, ১৩ী২৪ ইঞ্চি, ১৩ী৩০ ইঞ্চি ইত্যাদি সাইজের হয়ে থাকে। মিরর বাথরুম/কিচেন টাইলসের প্রতি বর্গফুটের দাম ১৫০ থেকে ১৯০ টাকা। আর সিরামিক বাথরুম/কিচেন টাইলসের প্রতি বর্গফুট ২৮০ থেকে ৩৮০ টাকা।

মার্বেল ও গ্রানাইট
ইন্ডিয়া, নরওয়ে, ইতালি, তুরস্ক এবং ইউরোপের আরও কয়েকটি দেশ থেকে মার্বেল ও গ্রানাইট আমদানি করা হয়। মেঝে এবং দেয়ালÑসবখানে মার্বেল ও টাইলস ব্যবহার করা হয়। সাধারণত রান্নাঘরে চুলার নিচের স্পেসেই আমাদের দেশে মার্বেলের ব্যবহার বেশি হয়। ইতালির মার্বেলে যেকোনো আকৃতি দেয়া যায়। অন্যান্য ব্র্যান্ডের তুলনায় ইতালি এবং নরওয়ের মার্বেলের দাম একটু বেশি।
ইন্ডিয়ান মার্বেল প্রতি বর্গফুটের দাম ১৫০ থেকে ৮৫০ টাকা। ইতালিয়ান ব্র্যান্ডের মার্বেল প্রতি বর্গফুটের দাম ৫০০ থেকে ১,২৫০ টাকা। ইতালিয়ান ব্র্যান্ডের মধ্যে অরোরা, বায়ালজ গ্রিন, রোজালিয়া লাইট, মাসাকারার, সিলভার নোভা ইত্যাদির বেশ জনপ্রিয়। আর নরওয়ের মার্বেলের প্রতি বর্গফুটের বর্তমান দাম ৫৫০ থেকে ১,৩৫০ টাকা।
অন্যদিকে ইন্ডিয়ান নরমাল গ্রানাইটের প্রতি বর্গফুটের বর্তমান দাম ৬০০ থেকে ৭৫০ টাকা। ইন্ডিয়ান হেভি গ্রানাইট প্রতি বর্গফুট ১,০৫০ থেকে ১,৩৫০ টাকা। ইন্ডিয়ান গ্রানাইটের মধ্যে সিলভার পার্ল, সার্ফ হোয়াই, জাফরানা, মার্সেল এস, কারারা সিলেট ইত্যাদি বেশ পরিচিত।
ইতালিয়ান ব্র্যান্ডের মধ্যে রয়েছে ব্লাক পার্ল, ইমারেল পার্ল ইত্যাদি। এর প্রতি বর্গফুটের দাম পড়বে ৯৫০ থেকে ১,২৫০ টাকা। চায়না গ্রানাইটের প্রতি বর্গফুটের দাম ৯০০ থেকে ১,০৫০ টাকা। আর নরওয়ের গ্রানাইটের প্রতি বর্গফুটের বর্তমান দাম ৯০০ থেকে ১,৭৫০ টাকা।

রাস্টিক
নতুন ধরণের টাইলস রাস্টিক। রাস্টিক টাইলস মূলত দেয়ালে ব্যবহার করা হয়। এগুলো আসে স্পেন, ইতালি, মালয়েশিয়া ইত্যাদি দেশ থেকে। দাম ১৯০ থেকে ৪০০ টাকার মধ্যে প্রতি বর্গফুট। এগুলো বুলেটপ্রুফ, ফায়ার স্পার্ক করে। বিভিন্ন সাইজের রাস্টিক টাইলস পাওয়া যায়। যেমন ৬১/২ী২০ ইঞ্চি, ৬১/২ী২৬ ইঞ্চি, ১২.৭৫ী১৬.৫ ইঞ্চি ইত্যাদি।

কারিকা ডেক্স


ঘরের অন্যন্য রুমের টাইলসের তুলনায় রান্নাঘরের টাইলস বেশি নোংরা হয় এবং অতি সহজেই দাগ পড়ে। কারণ প্রতিদিন মাছ, মাংস, সবজি কাটা-বাছা করার সময় ময়লা টাইলসে আটকে যায়। অন্যদিকে তেল-মসলার কারণে চিটচিটে ভাবটা তো থাকেই। সব মিলিয়ে ঘরের অন্য রুমের চাইতে রান্নাঘর পরিষ্কারে একটু বেশিই ধকল পোহাতে হয়। জেনে নিন আজ টাইলস পরিষ্কারের কিছু সহজ পদ্ধ

*  রান্না শেষ করার পর প্রতিদিন গরম পানি দিয়ে টাইলস মুছে ফেললে ঝকঝকে পরিষ্কার দেখাবে। টাইলসে দাগ পড়বেনা এবং জীবানুও থাকবে না।
*  টাইলসের জোড়াগুলোতেই সাধারণত ময়লা জমে থাকে। তাই সপ্তাহে অন্তত একদিন লিকুইড ক্লিনার বা ডিটারজেন্ট গুলিয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে।
*  টাইলসে যদি দাগ পড়ে যায় তবে বেকিং সোডার সাথে সমপরিমাণ গরম পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে। এবার তৈরি পেস্ট একটি ব্রাশে মেখে দাগের স্থানটিতে লাগিয়ে ঘষতে হবে। এরপর ১০-১৫ মিনিট পরে গরম পানি দিয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে।
*  ব্লিচ পাউডারও টাইলসের দাগ তুলে টাইলসে নতুনের মতো চমক আনে। ২৫ শতাংশ ব্লিচ পাউডারের সাথে ৭৫ শতাংশ পানি মিশিয়ে ব্রাশ দিয়ে টাইলস পরিষ্কার করা যায়।
*  দেয়ালের টাইলস শুকনো সুতি কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে।

কারিকা ডেক্সঃ


ইটঃ
বাড়ি নির্মাণে সাধারণত যে ধরনের ইট ব্যবহার করা হয়, তার মধ্যে ১ নম্বর ইট হাজারপ্রতি পরিবহন-খরচ বাদে ৮ থেকে সাড়ে ৮ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ২ নম্বর ইটের দাম ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা।

ব্লক ইট বা হলো ব্লকঃ
ইটের পরিবর্তে এখন অনেক নির্মাণকাজে ব্লক ইট বা হলো ব্লক ব্যবহার হচ্ছে। কারণ এগুলো তৈরিতে মাটি বা মাটি পোড়ানোর ঝামেলা নেই। ব্যবহার হয় পাথর, বালি এবং সিমেন্ট।
হাজারপ্রতি ব্লকের দাম ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা। একটি সাধারণ ইটের তুলনায় ব্লক ইট ৪ থকে ৬ গুন বড় এবং ভেতরে ফাঁপা। তাই ব্লক ইট পরিবেশবান্ধব, নির্মাণে খরচ কম এবং এটি ব্যবহারে ভবনের ওজনও কমে যায়।
সাধারণ ভবনে এক বর্গফুটের নির্মাণ-খরচ পড়ে ১ হাজার ৮০০ টাকা। অথচ ব্লক ইট ব্যবহার করে ভবন তৈরি করতে প্রতি বর্গফুটে খরচ হয় মাত্র ১ হাজার ১৫০ টাকা।

থ্রি হোল ও টেন হোল ইটঃ
এই দুই ধরণের ইটকে বলা হয় ‘ইঞ্জিনিয়ারিং ইট’। মীর সিরামিক্স এই ইট উৎপাদন করে। দাম তুলনামূলক বেশি হলেও এসব ইট অন্যান্য দিকে সাশ্রয়ী। থ্রি হোল ইট প্রতি হাজার পরিবহন-খরচ বাদে বিক্রি হচ্ছে ১৯ হাজার ৫০০ টাকা। ইটের সাইজ ৭.৫ ী ৪.৫ ী ৬.৫। এই ইট ব্যবহার করলে দেয়ালে প্লাস্টারের প্রয়োজন হয় না। সাধারণ ইটের তুলনায় এই ইট ভার্টিক্যালি বেশি লোড নিতে পারে। ১০০ এসএফটি নির্মাণে প্রয়োজন হয় গড়ে ২৯৫টি ইট। আর টেন হোল ইট প্রতি হাজার পরিবহন-খরচ বাদে বিক্রি হচ্ছে ১৮ হাজার ৯০০ টাকা। ইটের সাইজ ৯.৯ ী ৪.৫ ী ২.২৫। ১০০ এসএফটি নির্মাণে প্রয়োজন হয় গড়ে ৫০০টি ইট।

বালিঃ
রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে পরিবহন খরচসহ প্রতি ট্রাক (৫ টনি) ভালো মানের আস্তর বালি বিক্রি হচ্ছে ৫ থেকে সাড়ে ৫ হাজার টাকায়। ভিটি বালি বিক্রি হচ্ছে ২ থেকে আড়াই হাজার টাকায়।

সিমেন্ট
বর্তমান বাজারে সিমেন্টের দাম অনেকটাই স্থিতিশীল। শাহ সিমেন্ট স্পেশাল ব্যাগ-প্রতি ৩৮০ থেকে ৩৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অপরদিকে শাহ পপুলারের ব্যাগ-প্রতি দাম ৩৭০ থেকে ৩৭৫ টাকা। সেভেন রিং স্পেশাল ব্যাগ-প্রতি ৪০০ টাকা, সেভেন রিং নরমাল ৩৮০ এবং সেভেন রিং গোল্ড ৪৩০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। হোলসিম নরমাল ব্যাগ-প্রতি ৪৩৫ থেকে ৪৪০ টাকা, হোলসিম ওপিসির ব্যাগ-প্রতি দাম ৪৮৫ থেকে ৪৯০ টাকা। স্ক্যান ব্যাগ-প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৪১০ টাকায়। ডায়মন্ড সিমেন্ট ব্যাগ-প্রতি দাম ৪১০ থেকে ৪১৫ টাকা।

রডঃ
কেএসআরএমের ৬০ গ্রেড এবং ৫০০ডব্লিউ রডের দাম প্রতি টন ৫১ হাজার থেকে ৫১ হাজার ৫০০ টাকা। বিএসআরএমের দাম প্রতি টন ৫২ হাজার টাকা। একেএস ৫০০টিএমটি প্রতি টন ৫১ হাজার টাকা। আনোয়ার ব্র্যান্ডের রড প্রতি টন ৪৯ হাজার থেকে ৪৯ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

টাইলসঃ
দেশে তৈরি ১২ ইঞ্চি বাই ২০ ইঞ্চি সাইজের ওয়াল টাইলস ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, ১০ ইঞ্চি বাই ১৬ ইঞ্চি ৫০ থেকে ৬৫ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি ৩৫ থেকে ৩৮ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১৮ ইঞ্চি ৫০ থেকে ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফ্লোরের জন্য সাড়ে ১২ ইঞ্চি বাই সাড়ে ১২ ইঞ্চি সাইজের টাইলস বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি সাইজের হোমোজিনাস টাইলস ৫৫ থেকে ৬০ টাকা এবং ১৬ ইঞ্চি বাই ১৬ ইঞ্চি সাইজের হোমোজিনাস টাইলসের দাম ৫৭ থেকে ৬৫ টাকা। অপরদিকে ১২ ইঞ্চি বাই ২৪ ইঞ্চি সাইজের চায়না ওয়াল টাইলসের দাম ১৪০ থেকে ১৬৫ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি সাইজের দাম ১৪০ থেকে ১৬৫ টাকা। আর ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি সাইজের ফ্লোর টাইলসের দাম ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা।

রঙঃ
চাহিদাসম্পন্ন অধিকাংশ রঙের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। বার্জার, এশিয়ান ও আরএকের মতো শীর্ষ ব্র্যান্ডের রঙ আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। বার্জারের ১৮.২ লিটারের বালতি-ভর্তি প্লাস্টিক ইমালশন বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৬৫০ টাকা, অ্যানামেল পেইন্ট প্রতি গ্যালন ৯৬০ টাকা। অপরদিকে ১৮.২ লিটারের বালতি-ভর্তি ডিসটেম্পার বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫৫০ টাকা। একই পরিমাপের ওয়েদারকোট বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৬০০ টাকা। একই পরিমাপের ওয়াটার সিলার বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৮৫০ টাকা। ২০ কেজি ডিওরোসেম বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ২০০ টাকা। এশিয়ান অনুরূপ ওজনের রঙ যথাক্রমে বিক্রি করছে ৩ হাজার ৩৫০ টাকা, ২ হাজার ৬৫০ টাকা, ৬৮০ টাকা, ১ হাজার ৪৫০ টাকা, ৪ হাজার ৪০০ টাকা, ২ হাজার ৮০০ টাকা ও ১ হাজার ১৫০ টাকা। আরএকে বিক্রি করছে ৩ হাজার টাকা, ৯৫০ টাকা, ৪ হাজার ২০০ টাকা, ২ হাজার ৬০০ টাকা ও ১ হাজার ২০০ টাকা।

কারিকা ডেক্সঃ


নতুন বাজেটর হিসাব-নিকাশে নির্মাণ-সামগ্রী ব্যবসায়ীরাও আগাম হিসাব কষছেন। তারপরও চলতি মাসে অধিকাংশ নির্মাণ-সামগ্রীর বাজারদরে বড় ধরনের কোনো প্রভাব পড়েনি।

ইট
ইটের দাম হাজার-প্রতি বেড়েছে এক থেকে দেড় হাজার টাকা। বর্তমানে ১ নম্বর ইট প্রতি-হাজার পরিবহন খরচ বাদে আট থেকে সাড়ে আট হাজার টাকা বিক্রি হচ্ছে। দুই মাস আগে ১ নম্বর ইটের হাজার-প্রতি দাম ছিল সাত থেকে সাড়ে সাত হাজার টাকা। অপরদিকে একইভাবে বেড়েছে ২ নম্বর ইটের দামও। দুই নম্বর ইট পরিবহন খরচ বাদে হাজার-প্রতি বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ছয় থেকে সাত হাজার টাকা।

বালি
রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে পরিবহন খরচসহ প্রতি ট্রাক (৫ টনি) ভালো মানের আস্তর বালি বিক্রি হচ্ছে পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচ হাজার টাকায়। ভিটি বালি বিক্রি হচ্ছে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকায়। তবে রাজধানীর পার্শ্ববর্তী জেলা শহরগুলোতে বারোশ’ থেকে দেড় হাজার টাকায় ভালো মানের ভিটি বালি পাওয়া যাচ্ছে।

সিমেন্ট
বর্তমান বাজারে সিমেন্টের দাম অনেকটাই স্থিতিশীল। শাহ সিমেন্ট স্পেশাল ব্যাগ-প্রতি ৩৮০ থেকে ৩৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অপরদিকে শাহ পপুলারের ব্যাগ-প্রতি দাম ৩৭০ থেকে ৩৭৫ টাকা। সেভেন রিং স্পেশালের ব্যাগ-প্রতি দাম ৪০০ টাকা, সেভেন রিং নরমাল ব্যাগ-প্রতি ৩৮০ টাকা এবং সেভেন রিং গোল্ড ব্যাগ-প্রতি ৪৩০ টাকা। হোলসিম নরমাল ব্যাগ-প্রতি দাম ৪৩৫ থেকে ৪৪০ টাকা, হোলসিম ওপিসির ব্যাগ-প্রতি দাম ৪৮৫ থেকে ৪৯০ টাকা। স্ক্যান ব্যাগ-প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৪১০ টাকায়। ডায়মন্ড সিমেন্ট ব্যাগ-প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৪১০ থেকে ৪১৫ টাকা।

রড
দেশের শীর্ষ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান সর্বাধুনিক প্রযুক্তির দাবি করে সেভেন্টি টু পয়েন্ট ফাইভ গ্রেডের রড বাজারে বিক্রি করছে। এর মধ্যে বিএসআরএম এমন গ্রেডের প্রতি টন রড বিক্রি করছে ৪৯,১০০ থেকে ৪৯,২০০ টাকায়। জিপিএইচ ও একেএস একই গ্রেডের রড টন-প্রতি বিক্রি করছে ৪৭,৫০০ টাকায়।

টাইলস
দেশে তৈরি ১২ ইঞ্চি বাই ২০ ইঞ্চি সাইজের ওয়াল টাইলস ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, ১০ ইঞ্চি বাই ১৬ ইঞ্চি ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি ৩৫ থেকে ৩৮ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১৮ ইঞ্চি ৫০ থেকে ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফ্লোরের জন্য সাড়ে ১২ ইঞ্চি বাই সাড়ে ১২ ইঞ্চি সাইজের টাইলস বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি সাইজের হোমোজিনাস টাইলস ৫৫ থেকে ৬০ টাকা এবং ১৬ ইঞ্চি বাই ১৬ ইঞ্চি সাইজের হোমোজিনাস টাইলস ৫৭ থেকে ৬৫ টাকা। অপরদিকে ১২ ইঞ্চি বাই ২৪ ইঞ্চি সাইজের চায়না ওয়াল টাইলসের দাম ১৪০ থেকে ১৬৫ টাকা, ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি সাইজের দাম ১৪০ থেকে ১৬৫ টাকা। আর ১২ ইঞ্চি বাই ১২ ইঞ্চি সাইজের ফ্লোর টাইলসের দাম ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা।

রঙ
চাহিদাসম্পন্ন অধিকাংশ রঙের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। বার্জার, এশিয়ান ও আরএকের মতো শীর্ষ ব্র্যান্ডের রঙ আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। বার্জারের ১৮.২ লিটারের বালতি-ভর্তি প্লাস্টিক ইমালশন বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৬৫০ টাকা, অ্যানামেল পেইন্ট প্রতি গ্যালন বিক্রি হচ্ছে ৯৬০ টাকা। অপরদিকে ১৮.২ লিটারের বালতি-ভর্তি ডিসটেম্পার বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫৫০ টাকা। একই পরিমাপের ওয়েদারকোট বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৬০০ টাকা। একই পরিমাপের ওয়াটার সিলার বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৮৫০ টাকা। ২০ কেজি ডিওরোসেম বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ২০০ টাকা। এশিয়ান অনুরূপ ওজনের রঙ যথাক্রমে বিক্রি করছে ৩ হাজার ৩৫০ টাকা, ২ হাজার ৬৫০ টাকা, ৬৮০ টাকা, ১ হাজার ৪৫০ টাকা, ৪ হাজার ৪০০ টাকা, ২ হাজার ৮০০ টাকা ও ১ হাজার ১৫০ টাকা। আরএকে বিক্রি করছে ৩ হাজার টাকা, ৯৫০ টাকা, চার হাজার ২০০ টাকা, ২ হাজার ৬০০ টাকা ও ১ হাজার ২০০ টাকা।

বি. দ্র. : স্থান ও সময়ভেদে দামের তারতম্য হতে পারে। এছাড়া বিভিন্ন কোম্পানির দেওয়া অফার ও ছাড় এ দামের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

 

কারিকা ডেক্সঃ


রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ও রাস্তার মোড়ে সাত-সকালে প্রতিদিনই জমে নির্মাণ-শ্রমিকের হাট। এসব হাটে শ্রম বিক্রির জন্য ভিড় জমায় নির্মাণ-পেশার নানা দক্ষতার শ্রমিক। নির্মাণ-কাজে কখনও কর্মঘণ্টার হিসাব ধরে আবার কখনও চুক্তিতে পারিশ্রমিক নিয়ে থাকেন তারা। রাজধানীর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নির্মাণ-শ্রমিকের হাট ঘুরে তাদের বর্তমান হাজিরা ও চুক্তিমূল্য জানাচ্ছেন জগলুল হায়দার

রাজমিস্ত্রিঃ
নির্মাণ-শ্রমিক বলতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সাধারণত আমরা রাজমিস্ত্রিকেই বুঝি। কারণ তাদের দক্ষ হাতেই গড়ে ওঠে শক্তিশালী স্থাপনা। বর্তমান বাজারে একজন রাজমিস্ত্রির কর্মঘণ্টা ৮ ঘণ্টা হিসাব ধরে তার হাজিরা-মূল্য ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা। আর তার সহযোগীর হাজিরা-মূল্য ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা। চুক্তিতে নিচতলা পর্যন্ত প্রতি বর্গফুট কাজের পারিশ্রমিক ৭০ থেকে ৮০ টাকা। দোতলা পর্যন্ত কাজ সমাপ্ত করতে প্রতি বর্গফুটের পারিশ্রমিক ১৮০ টাকা। তবে সেপটিক ট্যাঙ্কের আলাদা মূল্য দিতে হয় তাদের। এক্ষেত্রেও প্রতি বর্গফুটের পারিশ্রমিক ১৮০ টাকা।

রডমিস্ত্রিঃ
বর্তমান বাজারে একজন রডমিস্ত্রির হাজিরা-মূল্য ৬০০ টাকা, সহযোগী রডমিস্ত্রির হাজিরা-মূল্য ৪০০ টাকা।

রংমিস্ত্রিঃ
একজন হেড রংমিস্ত্রির সারাদিনের (৮ ঘণ্টা) হাজিরা-মূল্য ৫০০ টাকা, সহযোগীর ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তারা হাজিরার পরিবর্তে চুক্তিতে কাজ করে থাকেন।

কাঠমিস্ত্রিঃ
একজন কাঠমিস্ত্রির হাজিরা-মূল্য (৮ ঘণ্টা) ৫০০ টাকা, সহযোগীর ৪০০ টাকা। তবে কাঠমিস্ত্রিরা খাট, দরজা ও জানালা প্রস্তুতের ক্ষেত্রে চুক্তিতে কাজ করে থাকেন। একটি বঙ্খাট তৈরির ক্ষেত্রে ২০ হাজার টাকা (ফিনিশিং ও বার্নিশসহ), হাফ বঙ্খাট ১৫ হাজার টাকা, ইংলিশ খাট ৮ হাজার টাকা, দরজায় ৩ হাজার টাকার বেশি, জানালায় আড়াই হাজার টাকা, দরজার চৌকাঠে ১ হাজার টাকা ও জানালার চৌকাঠে দেড় হাজার টাকা পারিশ্রমিক নিয়ে থাকেন।

স্যানিটারি-মিস্ত্রিঃ
বাথরুম ও কিচেনের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো সমাধান করে থাকেন স্যানিটারি-মিস্ত্রি। একজন স্যানিটারি-মিস্ত্রির বর্তমান হাজিরা-মূল্য ৬০০ টাকা আর সহযোগীর ৩৫০ টাকা।

টাইলস-মিস্ত্রিঃ
টাইলস-মিস্ত্রিরা বর্গফুট হিসাব ধরে কাজ করেন। একজন টাইলস-মিস্ত্রির হাজিরা-মূল্য ৭০০ টাকা আর সহযোগীর ৪০০ টাকা। তবে বেশিরভাগ টাইলস-মিস্ত্রি চুক্তিতে কাজ করে থাকেন।কারন টিলসের সাইজের অনেক ভিন্নতা রয়েছে। তারা বর্তমানে প্রতি বর্গফুটে টাইলসের সাইজের উপর নির্ভর করে পারিশ্রমিক নিচ্ছেন ১২ থেকে ২৫ টাকা।

থাই-মিস্ত্রিঃ
থাই-মিস্ত্রিরাও সাধারণত বর্গফুট হিসাব ধরে কাজ করেন। বর্তমানে তারা থাই দরজা ও জানালা তৈরির ক্ষেত্রে প্রতি বর্গফুট কাজের জন্য ১৫ থেকে ২৫ টাকা পর্যন্ত পারিশ্রমিক নিয়ে থাকেন।

ইলেকট্রিশিয়ানঃ
ইলেকট্রিশিয়ানের কাজের হিসাব সম্পূর্ণ ভিন্ন। তারা কাজ করেন পয়েন্ট হিসাব ধরে। প্রতি কনসোল (অভ্যন্তরীণ) পয়েন্টের জন্য ১৫০ টাকা আর বাটাম পয়েন্টের জন্য ৭০ টাকা থেকে ৮০ টাকা পারিশ্রমিক নিয়ে থাকেন।

কারিকা ডেক্সঃ


রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ও রাস্তার মোড়ে সাত-সকালে প্রতিদিনই জমে নির্মাণ-শ্রমিকের হাট। এসব হাটে শ্রম বিক্রির জন্য ভিড় জমায় নির্মাণ-পেশার নানা দক্ষতার শ্রমিক। নির্মাণ-কাজে কখনও কর্মঘণ্টার হিসাব ধরে আবার কখনও চুক্তিতে পারিশ্রমিক নিয়ে থাকেন তারা। রাজধানীর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নির্মাণ-শ্রমিকের হাট ঘুরে তাদের বর্তমান হাজিরা ও চুক্তিমূল্য জানাচ্ছেন জগলুল হায়দার

রাজমিস্ত্রি:
নির্মাণ-শ্রমিক বলতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সাধারণত আমরা রাজমিস্ত্রিকেই বুঝি। কারণ তাদের দক্ষ হাতেই গড়ে ওঠে শক্তিশালী স্থাপনা। বর্তমান বাজারে একজন রাজমিস্ত্রির কর্মঘণ্টা ৮ ঘণ্টা হিসাব ধরে তার হাজিরা-মূল্য ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা। আর তার সহযোগীর হাজিরা-মূল্য ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা। চুক্তিতে নিচতলা পর্যন্ত প্রতি বর্গফুট কাজের পারিশ্রমিক ৭০ থেকে ৮০ টাকা। দোতলা পর্যন্ত কাজ সমাপ্ত করতে প্রতি বর্গফুটের পারিশ্রমিক ১৮০ টাকা। তবে সেপটিক ট্যাঙ্কের আলাদা মূল্য দিতে হয় তাদের। এক্ষেত্রেও প্রতি বর্গফুটের পারিশ্রমিক ১৮০ টাকা।

রডমিস্ত্রি:
বর্তমান বাজারে একজন রডমিস্ত্রির হাজিরা-মূল্য ৬০০ টাকা, সহযোগী রডমিস্ত্রির হাজিরা-মূল্য ৪০০ টাকা।

রংমিস্ত্রি:
একজন হেড রংমিস্ত্রির সারাদিনের (৮ ঘণ্টা) হাজিরা-মূল্য ৫০০ টাকা, সহযোগীর ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তারা হাজিরার পরিবর্তে চুক্তিতে কাজ করে থাকেন।

কাঠমিস্ত্রি:
একজন কাঠমিস্ত্রির হাজিরা-মূল্য (৮ ঘণ্টা) ৫০০ টাকা, সহযোগীর ৪০০ টাকা। তবে কাঠমিস্ত্রিরা খাট, দরজা ও জানালা প্রস্তুতের ক্ষেত্রে চুক্তিতে কাজ করে থাকেন। একটি বঙ্খাট তৈরির ক্ষেত্রে ২০ হাজার টাকা (ফিনিশিং ও বার্নিশসহ), হাফ বঙ্খাট ১৫ হাজার টাকা, ইংলিশ খাট ৮ হাজার টাকা, দরজায় ৩ হাজার টাকার বেশি, জানালায় আড়াই হাজার টাকা, দরজার চৌকাঠে ১ হাজার টাকা ও জানালার চৌকাঠে দেড় হাজার টাকা পারিশ্রমিক নিয়ে থাকেন।

স্যানিটারি-মিস্ত্রি:
বাথরুম ও কিচেনের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো সমাধান করে থাকেন স্যানিটারি-মিস্ত্রি। একজন স্যানিটারি-মিস্ত্রির বর্তমান হাজিরা-মূল্য ৬০০ টাকা আর সহযোগীর ৩৫০ টাকা।

টাইলস-মিস্ত্রি:
টাইলস-মিস্ত্রিরা বর্গফুট হিসাব ধরে কাজ করেন। একজন টাইলস-মিস্ত্রির হাজিরা-মূল্য ৬০০ টাকা আর সহযোগীর ৪০০ টাকা। তবে বেশিরভাগ টাইলস-মিস্ত্রি চুক্তিতে কাজ করে থাকেন। তারা বর্তমানে প্রতি বর্গফুটের পারিশ্রমিক নিচ্ছেন ১২ থেকে ১৫ টাকা।

থাই-মিস্ত্রি:
থাই-মিস্ত্রিরাও সাধারণত বর্গফুট হিসাব ধরে কাজ করেন। বর্তমানে তারা থাই দরজা ও জানালা তৈরির ক্ষেত্রে প্রতি বর্গফুট কাজের জন্য ১৫ থেকে ২৫ টাকা পর্যন্ত পারিশ্রমিক নিয়ে থাকেন।

ইলেকট্রিশিয়ান:
ইলেকট্রিশিয়ানের কাজের হিসাব সম্পূর্ণ ভিন্ন। তারা কাজ করেন পয়েন্ট হিসাব ধরে। প্রতি কনসোল (অভ্যন্তরীণ) পয়েন্টের জন্য ১৫০ টাকা আর বাটাম পয়েন্টের জন্য ৭০ টাকা থেকে ৮০ টাকা পারিশ্রমিক নিয়ে থাকেন।

0 1867

০১. আরএকে সিরামিকস লিমিটেড
আরএকে টাওয়ার, (৮ম, ৯ম, ১০ম তলা)
প্লট : ১/এ, সেক্টর ৩, জসীমউদ্দীন অ্যাভিনিউ, উত্তরা মডেল টাউন
ঢাকা – ১২৩০, বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ – ০২ – ৫৮৯৫৭৩৯৩, ৫৮৯৫২৩০৩
ইমেইল: rak@rakcerambd.com
ওয়েবসাইট: www.rakcerambd.com

০২. চায়না বাংলা সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড
ন্যাশনাল প্লাজা, (৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা)
১০৯ বীর উত্তম সি. আর দত্ত রোড
ঢাকা ১২০৫
ফোন: ০২ – ৯৬৬৮২৭৮, ৮৬১৫৯২২, ৯৬৭৬২১৩
ওয়েবসাইটঃ www.cbctiles.com

০৩. গ্রেট ওয়াল সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড
হেড অফিস: ৩৪, বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, ঢাকা ১২০৫।
ফোন: ০২ – ৯৬৬৬৩০৮
ইমেইল: info@greatwallceramic.net
ওয়েবসাইট: www.greatwallceramic.com

০৪. মীর সিরামিকস লিমিটেড
বাড়ি : ১৩, রোড : ১২, ধানমণ্ডি আবাসিক এলাকা
ঢাকা ১২০৯
ফোন: ৮১১০১৩১, ৮১১০৯৯৭, ৯১৩৪৫৭২
ওয়েবসাইট: www.mirceramic.com

০৫. আকিজ সিরামিকস লিমিটেড
মফিজ চেম্বার, ৭৫ দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকা
ঢাকা – ১০০০
ফোন : ০২ ৯৫৬৯৬০২
ওয়েবসাইট: www.akijceramics.net

০৬. ফু ওয়াং সিরামিকস ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড
১১৬, বীর উত্তম মীর শওকত রোড, গুলশান ২ ঢাকা ১২১২
ফোন : ০২ – ৯৮৮৩২৭৪৫, ৮৮২৫৫৭৩, ৮৮২৫৩৬১

০৭. স্টার সিরামিকস বাংলাদেশ
বাড়ি: ৪৪, রোড: ১০, সেক্টর: ১১ উত্তরা
ঢাকা – ১২৩০
ফোন : ০২ – ৮৯৫০৩৮৪
ওয়েবসাইট: www.starceramicsbd.com

০৮. তামান্না টাইলস অ্যান্ড সেনিটারি
৬০/ ই, দেওয়ান মঞ্জিল
পুরানা পল্টন, ঢাকা— ১০০০
মোবাইল : ০১১৯৩০৭৪৮৫৭, ০১১৯১০১০৭০৬
ফোন : ০২ – ৯৫৬৫৩৯৩ , ৭১৬২২৪১
ওয়েবসাইট – www.tamannaltd.com

০৯. খাদিম সিরামিকস লিমিটেড/মিরপুর সিরামিকস
৬২ কালশী, সেকশান ১২, মিরপুর, ঢাকা, ১২১৬
ফোন: ০২ – ৯০০৯৭১২, ৯০০১৭২৯
ওয়েবসাইট: www.mirpurceramic.com

১০. মোনালিসা
প্লট : ৩৪, রোড ১২, ব্লক– কে, বারিধারা ডিপ্লোম্যাটিক জোন
ঢাকা : ১২১২
ফোন: ০২ – ৮৮২৬৮৫৩, ০২ – ৮৮২২৬২৮
মোবাইল : + ৮৮ ০১৭৭৭৭৭৩২৩২
ওয়েবসাইট : www.monalisa.com.bd

১১. টেরাকোটা বাংলাদেশ
আর/৩২, গাউসুল আজম সুপার মার্কেট
নীলক্ষেত, ঢাকা।
মোবাইল – ০১৭১২৫৯৮২২১

টাইলস ইম্পোর্টার কম্পানি

০১. এমএস নিকিতা ইন্টারন্যাশনাল
বাড়ি #৪১৭, রোড ১২, সিডিএ, আবাসিক এলাকা
আগ্রাবাদ ৪১০০
ফোন – ০১৮১৯ – ৩১১২০৪
চট্টগ্রাম

০২. বাংলাদেশ ক্লে টাইলস
৭২, বাণিজ্যিক এলাকা, মহাখালী ১২১২ ঢাকা।
ফোন – ০১৮১৯২৩০৯৮৯, ০১৯৭৫০০৩০০৫

০৩. মদিনা ট্রেডার্স
৬০, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা,
ঢাকা – ১০০০
ফোন -০১৭১৫৬১৫০৫৫

০৪. সৌদিয়া গ্রুপ চায়না
৮০, বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, ঢাকা
ফোন – ০২ ৮৯৫৫৮৯০

০৫. মেসার্স প্যারেন্টস এন্টারপ্রাইজ
সিবি -২৩৮, মেইন রোড, কচুক্ষেত, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট ঢাকা।
ফোন – ০১৯১১২৬৩৯৫৬,

০৬. হাবীব এন্ড সন ট্রেডিং কম্পানি লিমিটেড
২, বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ, গুলশান শপিং কমপ্লেক্স, ২য় তলা
দোকান ২/ ৫৭ -৫৮
ফোন – ০১৬৭৮১৭২৭১৯
ঢাকা।

০৭. খাজা মোজাইক টাইলস অ্যাণ্ড স্টোন ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড
৩৪০/১, সোনারগাঁও রোড, ঢাকা ১২০৫
ফোন – ০১৮১৯২০৮২২২

০৮. আজাদ টাইলস লিমিটেড
৪৭৬, সি মালিবাগ, ডিআইটি রোড, ঢাকা।
ফোন – ৯৩৪৭৬৭০, ০১৭১১৬২৮৭৯৬

০৯. বাংলাদেশ টাইলস গার্ডেন লিমিটেড
১৮/৩, বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন – ৯৬৭০৮৯৯, ৮৬১৮৬৭৬, ০১৮১৫৪৪০৩৮০, ০১৫৫২৩৪১১৪১

১০. বেঙ্গল এজেন্সিস
বাড়ি #১৫, রোড #৭/ডি, সেক্টর #৯
উত্তরা মডেল টাউন, উত্তরা ১২৩১
ফোন – ০১৭১১৩৩৬৬৯০

১১. ঢাকা মোজাইক এজেন্সি
৪৩, ময়মনসিংহ লিংক রোড, বাংলামটর, ঢাকা -১০০০
ফোন -০১৭১৫০৮১৮৯৪

১২. কণিকা মার্বেল অ্যান্ড গ্রানাইট কোং
৮৪ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, ঢাকা – ১০০০
ফোন -০১৭১৩০২৮৫৯২
বাংলামটর, ঢাকা।

১৩. ন্যাশনাল মার্বেল কম্পানি
৪৮, বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, ঢাকা -১০০০
ফোন – ০১৭১১৩৯২৫৭৬, ৯৬৬০৭৪৩